খুঁজুন
শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১৪ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরে যাত্রীবেশে ফাঁদ, অটোচালক জিম্মি—পালাতে গিয়ে ধরা ৩ ছিনতাইকারী

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:২২ পিএম
ফরিদপুরে যাত্রীবেশে ফাঁদ, অটোচালক জিম্মি—পালাতে গিয়ে ধরা ৩ ছিনতাইকারী

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় অটোরিকশা চালককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ভুক্তভোগীর কলের সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে উপজেলার মালিগ্রাম এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে পুলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন অটোরিকশা চালক সাগর মাতুব্বর। পথে সরিলদিয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস রোডে পৌঁছালে যাত্রীবেশে থাকা তিন ছিনতাইকারী পরিকল্পিতভাবে তাকে জিম্মি করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা আগে থেকেই যাত্রী সেজে অটোরিকশায় ওঠে। নির্জন এলাকায় পৌঁছানোর পর তারা চালকের গলায় ধারালো চাকু ধরে এবং ছোরা দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। একপর্যায়ে চালকের কাছ থেকে নগদ ১ হাজার ২৩০ টাকা এবং আনুমানিক ৬ হাজার টাকা মূল্যের একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

পরে ছিনতাইকারীরা অটোরিকশা নিয়েও পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় চালক সাহসিকতার সঙ্গে ৯৯৯-এ ফোন করে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে আসে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ছিনতাইকারীরা অটোরিকশা ফেলে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। দিন-রাতব্যাপী অভিযানে প্রথমে মেহেদী আকন্দ (২৪) নামে এক ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে তামিম মাতুব্বর (২২) ও বায়েজিদ তালুকদার (২১) নামের আরও দুই সহযোগীকে আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে একটি চাকু ও দুটি ছোরা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় শনিবার সকালে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতার তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “জনগণের সহযোগিতা ও ৯৯৯-এ দ্রুত কল দেওয়ার কারণে ছিনতাইকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

ইউরোপ যাওয়ার পথে ১৮ বাংলাদেশিসহ ২২ অভিবাসীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
ইউরোপ যাওয়ার পথে ১৮ বাংলাদেশিসহ ২২ অভিবাসীর মৃত্যু

উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপ যাওয়ার পথে গ্রিসের উপকূলে একটি রাবারের নৌকায় অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। ওই নৌকা থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা এ তথ্য জানিয়েছেন। জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে ১৮ জনই বাংলাদেশি।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) গ্রিসের কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত ও উপকূলীয় রক্ষা বাহিনী ফ্রন্টেক্সের একটি জাহাজ গ্রিসের বৃহত্তম এবং ভূমধ্যসাগরের পঞ্চম বৃহত্তম দ্বীপ ক্রিটের কাছ থেকে ২৬ জনকে উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী ও এক শিশুও রয়েছে।

এদিকে, নিহত হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে, তারা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার রনারচরের মুজিবুর রহমান (৪৫), একই উপজেলার তারাপাশা এলাকার মো. নুরুজ্জামান সর্দার ময়না (৩০) এবং মো. সাহান (২৫)।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, জীবিতদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি, চারজন দক্ষিণ সুদানের নাগরিক এবং একজন চাদের নাগরিক।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানান, যাত্রাপথে মারা যাওয়া লোকদের মরদেহ পাচারকারীদের নির্দেশে ভূমধ্যসাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

কোস্টগার্ডের ভাষ্য অনুযায়ী, নৌকাটি ২১ মার্চ পূর্ব লিবিয়ার তোবরুক বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং গ্রিসের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ছয় দিন ধরে খাবার ও পানীয় ছাড়াই সমুদ্রে ভাসতে থাকায় যাত্রীরা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন। প্রতিকূল আবহাওয়া, খাদ্য ও পানির সংকট—সব মিলিয়ে চরম ক্লান্তিতে ২২ জনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় দুই সন্দেহভাজন দক্ষিণ সুদানের দুই পাচারকারীকে গ্রাপ্তার করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। তাদের বয়স যথাক্রমে ১৯ ও ২২ বছর। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ ও অবহেলাজনিত হত্যার অভিযোগে তদন্ত চলছে।

দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, নৌকাটি ক্রিটের দক্ষিণাঞ্চলের ইয়েরাপেত্রা শহর থেকে প্রায় ৫৩ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে গিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ভূমধ্যসাগরে ৫৫৯ জন মারা গেছেন, যেখানে গত বছর একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ২৮৭।

অভিবাসী প্রবাহ ঠেকাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্প্রতি অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা বাড়িয়েছে এবং ‘রিটার্ন হাব’ চালুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপকে অমানবিক বলে সমালোচনা করেছে।

কয়েল বা স্প্রে ছাড়াই ঘরোয়া উপায়েই যেভাবে তাড়াবেন মশা?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫৮ পিএম
কয়েল বা স্প্রে ছাড়াই ঘরোয়া উপায়েই যেভাবে তাড়াবেন মশা?

গরমের শুরুতেই মশার উপদ্রব বাড়তে থাকে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ঘরের ভেতরে আর বাইরে বেড়ে যায় মশার উৎপাত। ছোট এই পোকাটি শুধু বিরক্তিই করে না, বরং ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের ঝুঁকিও বাড়ায়।

মশা তাড়ানোর জন্য বেশিরভাগ মানুষ রাসায়নিক স্প্রে বা কয়েল ব্যবহার করেন।

তবে অনেকে এসব জিনিস ব্যবহার করতে চান না। কীভাবে স্প্রে, কয়েল ছাড়াই ঘরোয়া উপায়ে মশা তাড়াতে পারবেন, চলুন জেনে নিই-

ঘরের আশেপাশে পানি জমতে দেবেন না:

মশা স্থির বা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই, ঘরের আশেপাশে কোথাও পানি জমতে দেবেন না। টব, বালতি, কুলার এবং নর্দমায় জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

এতে মশার লার্ভা বা ডিম থেকে বংশবৃদ্ধি হবে না।

রসুনের স্প্রে:

রসুনে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান থাকে, যার গন্ধ মশা একদমই পছন্দ করে না। পানিতে রসুন ফুটিয়ে খুব সহজেই একটি রসুনের স্প্রে তৈরি করে নিতে পারেন। পানি ঠান্ডা হয়ে গেলে তা জানালা, গাছপালা কিংবা ঘরের বাইরের বিভিন্ন জায়গায় ছিটিয়ে দিন।

এটি মশাকে দূরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

এসেনশিয়াল অয়েল:

এসেনশিয়াল অয়েল বা সুগন্ধি তেলও মশা তাড়াতে সাহায্য করে। লেমনগ্রাস অয়েল, ইউক্যালিপটাস অয়েল এবং টি-ট্রি অয়েলের গন্ধ পছন্দ করে না মশা। এই তেলগুলো পানির সঙ্গে মিশিয়ে আপনার ঘরের ভেতরে স্প্রে করতে পারেন। বিকল্প হিসেবে, এই মিশ্রণে তুলোর বল ডুবিয়ে দরজা ও জানালার কাছাকাছি রেখে দিতে পারেন।

নিম পাতা:

প্রাচীনকালে মানুষ মশা তাড়ানোর জন্য শুকনো নিম পাতা পোড়াতেন। কারণ মশা এই গন্ধ একদমই সহ্য করতে পারে না। মশা দূরে রাখতে বারান্দা, বারান্দার বাইরের অংশ কিংবা বাগানে নিম পাতা পোড়াতে পারেন।

জানালা ও দরজায় নেট লাগান:

ঘরে মশা প্রবেশ রোধ করার একটি সহজ উপায় হলো জানালা ও দরজায় মিহি জালি বা নেট লাগিয়ে নেওয়া। এতে ঘরের ভেতরে সতেজ বাতাস চলাচল করতে পারে এবং মশা ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না।

মশা তাড়ানোর গাছ :

কিছু কিছু গাছের তীব্র গন্ধ মশা একদমই পছন্দ করে না। বাড়িতে রাখতে পারেন সিট্রোনেলা, তুলসী, ল্যাভেন্ডার এবং পুদিনার মতো গাছগুলো। দরজা, জানালা কিংবা বারান্দার কাছাকাছি এই গাছগুলো লাগাতে পারেন। এই গাছগুলো যে কেবল মশাই তাড়াবে তা নয়, বরং আপনার ঘরের চারপাশের পরিবেশকে আরও সবুজ করে তুলবে এবং বাতাসের গুণমানও উন্নত করবে।

পরিচ্ছন্নতা:

মশা তাড়াতে চাইলে ঘরের ভেতরে এবং আশেপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। আবর্জনা কিংবা ঘন ঝোপঝাড় মশা বংশবিস্তারের উপযুক্ত ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে। তাই, ঘর এবং চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। এভাবে মশার উপদ্রব বা সংখ্যা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

মজুদে হাজার হাজার লিটার তেল, তবু বিক্রি বন্ধ—ফরিদপুরে পাম্পে হানা, জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৮ পিএম
মজুদে হাজার হাজার লিটার তেল, তবু বিক্রি বন্ধ—ফরিদপুরে পাম্পে হানা, জরিমানা

ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর বাজার এলাকায় দুটি পেট্রোল পাম্পে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে। অভিযানে মজুদ থাকা সত্ত্বেও ভোক্তাদের কাছে তেল বিক্রি না করার অভিযোগে একটি পাম্পকে জরিমানা করা হয় এবং অপরটিকে সতর্ক করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া। অভিযানে অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব রহমান আকাশ।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, পেট্রোলিয়াম পণ্য মজুদ রেখে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি বন্ধ রাখার একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে কানাইপুর বাজারের হোসেন ফিলিং স্টেশন ও ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত রয়েল ফিলিং স্টেশনে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

হোসেন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, পাম্পটি বন্ধ রাখা হয়েছে। অথচ সেখানে ৭ হাজার লিটার পেট্রোল, ৬ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন এবং ১৪ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল মজুদ রয়েছে। ভোক্তাদের কাছে তেল সরবরাহ না করার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পাম্পের ম্যানেজার সাবির চৌধুরীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে পাম্পটি চালু করে বাস, ট্রাক, কৃষি যন্ত্র, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহনে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়। এ সময় পাম্প কর্তৃপক্ষ তাদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

অপরদিকে, রয়েল ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে শুধুমাত্র ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছিল, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ ছিল। মজুদ যাচাই করে দেখা যায়, পাম্পে ৩ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল, ৩ হাজার ৪০০ লিটার অকটেন এবং ১৯ হাজার লিটার ডিজেল রয়েছে। পাম্প কর্তৃপক্ষ মেশিনের ত্রুটির কথা উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনা করলে তাৎক্ষণিকভাবে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ চালু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে কোনো জরিমানা করা হয়নি, তবে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম না করার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ভোক্তাদের ভোগান্তিতে ফেলা হলে এর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।