খুঁজুন
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯ মাঘ, ১৪৩২

বিডি ক্লিন–ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় সমন্বয়ক হলেন ফরিদপুরের কৃতি সন্তান এম জয়নাল সবুজ

সোহাগ মাতুব্বর, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম
বিডি ক্লিন–ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় সমন্বয়ক হলেন ফরিদপুরের কৃতি সন্তান এম জয়নাল সবুজ

একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও জীবাণুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাওয়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন–ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় সমন্বয়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুরের কৃতি সন্তান এম জয়নাল আবেদীন সবুজ।

“পরিচ্ছন্নতা শুরু হোক আমার থেকে”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৬ সালের ৩ জুন যাত্রা শুরু করা বিডি ক্লিন একটি অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবীমূলক সংগঠন। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও আদর্শ সুনাগরিক গঠনের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। বর্তমানে সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিডি ক্লিনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি সক্রিয় সদস্য।

সম্প্রতি বিডি ক্লিনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক অভিনন্দন বার্তার মাধ্যমে এম জয়নাল আবেদীন সবুজকে বিডি ক্লিন–ঢাকার বিভাগীয় সমন্বয়ক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

জানা যায়, তিনি ২০১৯ সালে বিডি ক্লিনে একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। পরবর্তীতে তার দক্ষতা, নিষ্ঠা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে ধাপে ধাপে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে সর্বশেষ বিভাগীয় সমন্বয়কের দায়িত্ব লাভ করেন।

দায়িত্বপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় এম জয়নাল আবেদীন সবুজ বলেন,“পদ কখনোই ক্ষমতার প্রতীক নয়; পদ হলো দায়িত্ব, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে লাল-সবুজে আবৃত বিডি ক্লিনের টি-শার্ট গায়ে তুলেছি। পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণ করা, নিজে একজন আদর্শ সুনাগরিক হওয়া এবং সবাইকে আদর্শ সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমার ও বিডি ক্লিনের মূল লক্ষ্য। আসুন, একা নয়—এক হয়ে সবাই মিলে গড়ে তুলব পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ।”

তিনি আরও বলেন, “আমার ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করার জন্য বিডি ক্লিন পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সবার দোয়া কামনা করছি। ইনশাআল্লাহ, পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে বিডি ক্লিন–ঢাকাকে একটি আদর্শিক ও শক্তিশালী টিম হিসেবে গড়ে তুলব এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজেকে সবসময় নিয়োজিত রাখব।”

এম জয়নাল আবেদীন সবুজ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বালিয়াটি গ্রামের মরহুম হাশমত আলী বেপারীর জ্যেষ্ঠ সন্তান। তিনি বিশ্ব জাকের মঞ্জিল আলিয়া মাদ্রাসা, ফরিদপুর থেকে দাখিল ও আলিম পাশ করেন। পরবর্তীতে সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

বর্তমানে তিনি ঢাকা জজ কোর্ট ও একটি ল’ ফার্মে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও পরিবেশগত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। শৈশবকাল থেকেই পরিচ্ছন্নতা, মানবিকতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক সেবামূলক কাজে তার গভীর আগ্রহ রয়েছে।

তার এই দায়িত্বপ্রাপ্তির ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিডি ক্লিনের সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভকামনায় ভাসছেন এম জয়নাল আবেদীন সবুজ।

ফরিদপুরে সেনাবাহিনীর পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ভুয়া সাংবাদিক গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
ফরিদপুরে সেনাবাহিনীর পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ভুয়া সাংবাদিক গ্রেপ্তার

ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার কিষাণহাটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির সময় মো. আরিফ শেখ (৩৯) নামে এক ভুয়া সাংবাদিককে হাতেনাতে আটক করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলে বিশেষ আইনে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প।

সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন এবং স্থানীয় পুলিশের একটি যৌথ দল কিষাণহাট এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে মো. আরিফ শেখকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি নিজেকে ‘দৈনিক ঘোষণা’ পত্রিকার প্রতিনিধি দাবি করেন। তবে পরবর্তীতে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা ও চাঁদাবাজির বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। আটক আরিফ শেখ গোয়ালচামট এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
পরে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন জানান, সেনাবাহিনীর ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিশেষ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) ভোররাতে সেনাবাহিনীর অভিযানে মো. জহির মোল্যা (৪১) নামে আরেক ভুয়া সাংবাদিককে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

সেনা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক জহির মোল্যা ও আরিফ শেখ ফরিদপুরের একটি ভূঁইফোড় সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।

 

ফরিদপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অপু ঠাকুরকে অব্যাহতি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
ফরিদপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অপু ঠাকুরকে অব্যাহতি

ফরিদপুর জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মো. হাসিবুর রহমান (অপু ঠাকুর)-কে দলীয় সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জাতীয় নাগরিক পার্টির দপ্তর সেলের সদস্য মো. তৌহিদ আহমেদ আশিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ও নীতিগত অবস্থান বজায় রাখার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে মো. হাসিবুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে কেন্দ্রে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি দলীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজরে এলে তদন্ত ও পর্যালোচনার মাধ্যমে তাকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। অব্যাহতির ফলে মো. হাসিবুর রহমান এখন থেকে দলের কোনো সাংগঠনিক পদে বহাল থাকবেন না এবং দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনায় তার কোনো ভূমিকা থাকবে না।

এ বিষয়ে দলীয় একাধিক নেতা জানান, এনসিপি একটি শৃঙ্খলাভিত্তিক রাজনৈতিক দল। এখানে ব্যক্তির চেয়ে দলের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। কেউ যদি দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনার বাইরে গিয়ে কাজ করেন, তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এটাই দলের অবস্থান।

ফরিদপুর জেলা এনসিপির রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে দলের কার্যক্রমে সাময়িক প্রভাব পড়লেও কেন্দ্রীয় নেতারা আশাবাদী, দ্রুতই সাংগঠনিক শূন্যতা পূরণ করা হবে এবং দলীয় কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে যাবে।

এদিকে অব্যাহতির বিষয়ে মো. হাসিবুর রহমানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঘটনাকে এনসিপির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা জোরদারের অংশ হিসেবে দেখছেন।

ভাঙ্গার চৌকিঘাটায় মৃত্যু ফাঁদ! ভেঙে পড়া ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর ও সোহাগ মাতুব্বর, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫২ এএম
ভাঙ্গার চৌকিঘাটায় মৃত্যু ফাঁদ! ভেঙে পড়া ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা এলাকায় ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজের মাঝখান ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজ দিয়েই প্রতিদিন শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও বিকল্প পথ না থাকায় কাঠ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ীভাবে পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চৌকিঘাটা থেকে ঘারুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র সহজ পথ হলো এই ব্রিজটি। কয়েক মাস আগে ব্রিজের মাঝখানে ফাটল দেখা দিলে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে। পরে ঘারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আংশিক মেরামত করা হলেও তা টেকসই হয়নি। সর্বশেষ গত শনিবার চৌকিঘাটা থেকে ঘারুয়া সড়কের বিটুমিন ঢালাই কাজ চলাকালে রাস্তা সমান করার রোলার ব্রিজের ওপর উঠলে আবারও ব্রিজের মাঝখান ভেঙে যায়। এরপর থেকে ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে।

এলাকাবাসী জানান, ব্রিজটি বিশ্বাস বাড়ি ও শেখ বাড়ির মাঝখানে অত্যন্ত সরু করে নির্মাণ করা হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুই পাশের জমি ভরাট হয়ে গেলেও ব্রিজটি আগের অবস্থাতেই রয়ে গেছে। ফলে ব্রিজটির কার্যকারিতা অনেকটাই হারিয়েছে। ব্রিজটি সরু হওয়ায় একসঙ্গে দুটি যানবাহন চলাচল করতে পারে না। তার ওপর দুই পাশে কোনো রেলিং না থাকায় যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা লিয়াকত মাতুব্বর বলেন, “প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়েই আমাদের চলাচল। বাচ্চারা স্কুলে যায়, রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়। ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় এখন প্রাণ হাতে নিয়ে পার হতে হচ্ছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দায় নেবে কে?”

আরেক বাসিন্দা বাদল হোসেন জানান, “এখানে ব্রিজ না রেখে একটা কালভার্ট করা হলে সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। বারবার মেরামত করে লাভ নেই।”

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মোহাম্মদ মালিক নাজমুল হাসান বলেন, “ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি আমি অবগত। আপাতত কোনো বরাদ্দ না থাকায় বড় কাজ করা সম্ভব নয়। তবে নির্বাচন শেষ হলে বরাদ্দ পেলে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দ্রুতই আমি নিজে সরেজমিনে ব্রিজটি পরিদর্শন করব।”

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ্-আবু-জাহের বলেন, “বিষয়টি আগে জানা ছিল না। আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। চৌকিঘাটা মাদ্রাসা সংলগ্ন ব্রিজের মাঝখান ভেঙে পড়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে এবং দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত স্থায়ী সমাধান হিসেবে নতুন কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।