খুঁজুন
, ,

“পরিবারতন্ত্র না, গোষ্ঠীতন্ত্র না—চাই জনগণের সরকার” – ফরিদপুরে জামায়াত আমীর

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
“পরিবারতন্ত্র না, গোষ্ঠীতন্ত্র না—চাই জনগণের সরকার” – ফরিদপুরে জামায়াত আমীর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আসমান থেকে নেমে আসতে পারে কালো চিল, ছোঁ মেরে ভোট নিয়ে নেওয়ার জন্য। জমিন থেকেও শুরু হয়ে যেতে পারে কোনো ধরনের অপতৎপরতা। মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে আশ্রয় চাই এই দুই ত্রাস থেকে। তিনি বলেন, আমার ভোট আমি দিবো, তোমারটাও আমি দিবো এই স্লোগান শেষ। আমার ভোট আমিই দিবো, এই ভোটের উপর হাত দেয়, কালো চিল হয়ে আসে ডানা খুলে ফেলতে হবে, রুখে দিতে হবে।’

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারী স্টেডিয়াম মাঠে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালি উপজেলা) আসনে জামায়াতের মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী ডা. ইলিয়াস মোল্লার নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি কোনো দলের সরকার চাই না। কোনো পরিবারতান্ত্রিক সরকার চাই না। কোনো গোষ্ঠীতান্ত্রিক সরকার আমি চাই না। আমি চাই জনগণের সরকার। আমি চাই ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ। আর ধর্মে, বর্ণে, জাতিতে বিভক্ত করার সুযোগ আমরা কাউকে দেব না, ইনশাআল্লাহ। এই বাংলাদেশকে সকল ধর্মের, বর্ণের মানুষকেই ফুলের বাগানের মতো, ইনশাআল্লাহ, আমরা সাজাবো।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটা ধ্বংসস্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আগামী ১২ তারিখ আমাদেরকে মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। ৫৪ বছরে যারা রাজনীতি করেছেন, অনেকেই চেষ্টা করেছেন। আমরা কারও আন্তরিকতার উপর কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই না। তারা তাদের যোগ্যতা ও আন্তরিকতা দিয়ে যেটুকু পেরেছেন, বাংলাদেশ এবং তার জনগণকে দিয়েছেন। কী দিয়েছেন, কী দিতে পারেননি—তার সবকিছুর সাক্ষী এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ।

তিনি বলেন, এখন আমরা চাই অতীতে যা হয়েছে হয়েছে—নতুন একটা বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশের মানচিত্রে আমরা বসবাস করছি—এই মানচিত্র বদলে যাবে না, মানচিত্র বদলাবে না, তার খাসলত বদলাবে। আমরা আর চাই না দেশের মাটিতে শুধু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হওয়ার কারণে দমন-পীড়নের শিকার হয়ে তাকে খুন করা হোক, গুম করা হোক, আয়নাঘরে পাঠানো হোক, মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে নাজেহাল করা হোক। এই বাংলাদেশ আমরা আর চাই না।

জামায়াতের আমীর বলেন, ওই বাংলাদেশটাও চাই না যেখানে বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের উপর নির্যাতন করা হয়। আমরা ওই বাংলাদেশটাও চাই না যেখানে হাজার হাজার, লাখ লাখ শিক্ষিত বেকার যুবকের মিছিল হয়। ওই বাংলাদেশ আমরা চাই না, যে বাংলাদেশে বিচার অর্থের বিনিময়ে বিক্রি হয়। ওই বাংলাদেশ আমরা চাই না—যার পকেটের জোর নেই, যার বাহুতে বল নেই, যার গুষ্টির জোর নাই অথবা দলীয় শক্তি নাই—তার কোনো বিচার নাই। ওই বাংলাদেশ চাই না।

তিনি আরও বলেন, শিশু জন্ম নেওয়ার পরে শুধু গরিবের ঘরে জন্ম নিয়েছে—এই কারণে তার শিক্ষার কোনো ব্যবস্থা হবে না—সেই বাংলাদেশ চাই না। আমরা বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো একটা বাংলাদেশ চাই। ওই বাংলাদেশটা চাই, যে বাংলাদেশে আমার মায়ের সম্পদ, ইজ্জত এবং জীবনের উপর আর কেউ কোনো হামলা করার দুঃসাহস দেখাবে না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে এটা একটা অদ্ভুত কালচার—নেতা হওয়ার আগে, নির্বাচিত হওয়ার আগে তেমন কোনো সম্পদ থাকে না; যেই নেতা নির্বাচিত হলো, লাফিয়ে লাফিয়ে তার শ্বশুরবাড়ির সম্পদ বাড়ে।

জনসভায় প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান ওই আসনের জামায়াতের প্রার্থী ডা. ইলিয়াস মোল্লাকে ভাই বলে সম্বোধন করে তার হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ধরিয়ে দিয়ে ভোট চান। পরে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন ডা. শফিকুর রহমান।

ফরিদপুরে ‎মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ‎মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা

ফরিদপুরের সালথা মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিষ্ণুদী যুব উন্নয়ন সংগঠন।

‎শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে সংগঠনটির আয়োজনে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের বিষ্ণুদী গ্রামে বিষ্ণুদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত মাদকবিরোধী সমাবেশে সংগঠনের পক্ষ থেকে অধ্যাপক কামরুল ইসলাম এ ঘোষণা দেন।

‎তিনি বলেন, এই গ্রামের কোনো মাদক কারবারিকে প্রমাণসহ ধরিয়ে দিতে পারলে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

‎’মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

‎সংগঠনের সভাপতি মো. রবিউল মুন্সী বলেন,
‎নতুন প্রজন্মকে রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংস করে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

‎উপস্থিত বক্তারা বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর করলে হবে না। সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এলাকার তরুণদের সুরক্ষা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মাদকের বিস্তার রোধ এখন সময়ের দাবি।

‎সমাবেশ থেকে রাত বেরাতে অকারণে এলাকায় ঘোরাফেরা না করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

‎বক্তারা আরও বলেন, মাদকাসক্তরা টাকার অভাবে একসময় চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। তাই প্রত্যেক অভিভাবককে নিজ নিজ সন্তানদের প্রতি নজর রাখতে হবে। এলাকার মাদক বিক্রেতা ও মাদকসেবীদের বিষয়ে সবাই কমবেশি অবগত এখন প্রয়োজন তাদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে সোচ্চার হওয়া।

‎উপস্থিত এলাকাবাসী অঙ্গীকার করে বলেন, মাদক বিক্রেতা বা সেবনকারী আটক হলে সে নিজের সন্তান হলেও তাকে ছাড়িয়ে আনতে যাব না।

‎এছাড়া সমাবেশ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রাত ১০টার পর গ্রামের দোকানপাট খোলা রাখা যাবে না এবং ছেলে-মেয়েরা যেন অকারণে গভীর রাতে বাইরে ঘোরাফেরা না করে, সেদিকে অভিভাবকদের বিশেষ নজর রাখতে হবে।

‎মাদকবিরোধী সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম মহিউদ্দিন, প্রবীণ আলেম মেজবাহ উদ্দিন, হাফিজুর মাতুব্বর, হবি মোল্যা, ইউপি সদস্য উজ্জ্বল শেখ, সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ দুই শতাধিক গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

‘এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
‘এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, এবারের বাজেট স্বাস্থ্য খাতের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বাজেট। বর্তমান এই ভঙ্গুর অর্থনীতিতে স্বাস্থ্য সেবায় এবং স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ কি পরিমাণে বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে এটি সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সব সেক্টরে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে চলছেন। যার মধ্যে অগ্রাধিকার রয়েছে স্বাস্থ্য খাত।

শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাপতি নির্বাচিত করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে বলেন, ভৌগলিক কারণে এই অঞ্চলের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেসব অনিয়ম রয়েছে সবকিছু আমাদেরকে ঠিক করতে হবে। সর্বোপরি আমরা চাই আমাদের রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে। রোগী হাসপাতাল এসে যদি সেবা না পাই এবং চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয় তাহলে এটা হাসপাতালের অদক্ষতায় মধ্যে পড়ে। হাসপাতালে দুর্নীতি বন্ধ করা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা আমার প্রধান লক্ষ্য থাকবে। আমরা যদি এগুলো বন্ধ করতে পারি তাহলে হাসপাতাল অনেক ভালোভাবে চলবে। আর এ জন্য কোন আপোষ আমি করব না। কারণ এটা আমার দায়বদ্ধতার ভিতর পরে।

শামা ওবায়েদ বলেন, বিগত দিনের মতো রাজনৈতিক দলের পরিচয় ধরে কেউ যাতে হাসপাতালের অনৈতিক কাজ বা পরিবেশ নষ্ট না করতে পারে সেটা দেখতে হবে। এক্ষেত্রে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে সবাইকে।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো. মাজাহারুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আফজাল হোসেন খান পলাশ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা, বিএমএ এর সাধারণ সম্পাদক ডা. আলী আকবর, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল প্রমুখ। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে বিষপানে যুবকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বিষপানে যুবকের মৃত্যু

ফরিদপুরে বিষপানে সোহেল শেখ ওরফে সাইদুল (৩৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ছয় দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনি মারা যান।

নিহত সোহেল শেখ ফরিদপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনন্দনপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি হানিফ শেখের ছেলে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ জুন বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে সোহেল শেখ বিষপান করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুর খবর পেয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে প্রয়োজনীয় সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, কী কারণে সোহেল শেখ বিষপান করেছিলেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।