খুঁজুন
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০ ফাল্গুন, ১৪৩২

চরভদ্রাসনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়, মাদক নির্মূলে জোর দিলেন এমপি বাবুল

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:০৪ এএম
চরভদ্রাসনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়, মাদক নির্মূলে জোর দিলেন এমপি বাবুল

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন ফরিদপুর-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা তাদের নিজ নিজ বিভাগের কার্যক্রম, সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাদক নির্মূলকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “মাদক বর্তমানে সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। এর কারণে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে। তাই মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, চরভদ্রাসন উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এলাকার স্কুল-কলেজের মানোন্নয়ন, গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ করেন এমপি বাবুল।

সভা শেষে সংসদ সদস্য চরভদ্রাসন সদর বাজার পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি এলাকার সমস্যা-সম্ভাবনা সম্পর্কে সরাসরি মতামত শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান বিন ইসলাম, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ খান, গাজীরটেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলীসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

এছাড়া উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সভাপতি মো. ওহিদুজ্জামান মোল্যা, সদস্য মো. শাহজাহান সিকদার, এজিএম বাদল আমীন, মো. মঞ্জুরুল হক মৃধা, মো. মোস্তফা কবির, কেএম ওবায়দুল বারী দিপু ও যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল ওহাব মোল্যা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ও সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জাহিদ তালুকদার।

ইফতারের পর ধূমপান কেন সবচেয়ে বিপজ্জনক?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪২ এএম
ইফতারের পর ধূমপান কেন সবচেয়ে বিপজ্জনক?

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর-এ কথা সবারই জানা। কিন্তু রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সঙ্গে সঙ্গেই সিগারেট ধরানো শরীরের জন্য আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়, শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয় এবং কোষগুলো পুষ্টি ও অক্সিজেনের অপেক্ষায় থাকে। ঠিক এই সময় ধূমপান করলে শরীর একসঙ্গে বিপরীতধর্মী সংকেত পায়-একদিকে পুষ্টির চাহিদা, অন্যদিকে নিকোটিন ও বিষাক্ত ধোঁয়ার আক্রমণ। ফলে তৈরি হয় নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইফতারের পর ধূমপান স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি ধাক্কা তৈরি করতে পারে। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক যেসব সমস্যা হতে পারে-

হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের আশঙ্কা

দীর্ঘ সময় উপবাস থাকার পর হঠাৎ নিকোটিন গ্রহণে রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যায় এবং রক্তচাপ বেড়ে যায়। এতে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়তে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ধূমপান হৃদরোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ। আর আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন বলছে, নিকোটিন তাৎক্ষণিকভাবে রক্তচাপ ও হৃৎস্পন্দন বাড়ায়-যা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।

অক্সিজেনের ঘাটতি

ইফতারের পর শরীরের কোষগুলোতে অক্সিজেনের প্রয়োজন বেড়ে যায়। কিন্তু ধূমপানের ফলে উৎপন্ন কার্বন মনোক্সাইড রক্তে মিশে অক্সিজেন পরিবহন বাধাগ্রস্ত করে।

সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এর তথ্য অনুযায়ী, কার্বন মনোক্সাইড শরীরের টিস্যুতে অক্সিজেন পৌঁছানো কমিয়ে দেয় এবং হৃদ্স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ায়।

পাকস্থলীর সমস্যা

খালি পেটে নিকোটিন ও টার পাকস্থলীর আস্তরণকে উত্তেজিত করে। এতে অ্যাসিড নিঃসরণ বেড়ে অম্বল, গ্যাস্ট্রাইটিস ও হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ধূমপান পরিপাকতন্ত্রে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।

মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব

সারাদিন নিকোটিনবিহীন থাকার পর হঠাৎ ধূমপান করলে দ্রুত নিকোটিন প্রবেশের কারণে মাথা ঘোরা, বমিভাব বা সাময়িক অস্বস্তি হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা একে ‘নিকোটিন রাশ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

ইস্তানবুল ব্রেন হসপিটাল জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় নিকোটিন ছাড়া থাকার পর হঠাৎ ধূমপান করলে মস্তিষ্কে বিষক্রিয়াজনিত প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে, এমনকি চেতনা হারানোর ঘটনাও ঘটতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতার শরীরকে পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেয়। সেই মুহূর্তে ধূমপান শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। তাই রমজানকে ধূমপান ছাড়ার সূচনা হিসেবে নিলে আধ্যাত্মিক লাভের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যগত সুফলও মিলবে।

সূত্র : কালবেলা

বাদ দেওয়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:১৩ এএম
বাদ দেওয়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে

সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর জন্য নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার মাধ্যমে বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে প্রতিস্থাপন করা হবে। এ পদে আমিনুল ইসলামের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টার দিকে ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান তার ফেসবুক প্রোফাইলে এই খবরটি প্রকাশ করেন। দ্য ডিসেন্ট নিউজের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার দিনের বেলা চিফ প্রসিকিউটর এডভোকেট তাজুল ইসলামকে আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠান। সেখানে জনাব তাজুলকে জানানো হয় নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগে সরকারের উচ্চ মহলের আগ্রহের কথা। এছাড়া আগামীকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও ডিসেন্ট নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়।

আমিনুল ইসলাম পূর্বে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার — যিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাতা — দুর্নীতির মামলায় তার পক্ষে আইনজীবী দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন; যে মামলায় তিনি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন।

বর্তমানে আইসিটি জুলাই ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারী ও পথচারীদের হত্যাকাণ্ড ও আহতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগ রাজনীতিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা পরিচালনা করছে। ওই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটেই শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। ট্রাইব্যুনাল ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত গুমের ঘটনাসংশ্লিষ্ট মামলাও পরিচালনা করছে। এ পর্যন্ত তিনটি মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে।

 

‘ফ্যামিলি কার্ড’ পেতে যা যা লাগবে? এক পলকে দেখে নিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম
‘ফ্যামিলি কার্ড’ পেতে যা যা লাগবে? এক পলকে দেখে নিন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি ধাপে পর্যবেক্ষণ সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কার্ড দেওয়া হবে। পরিবারে নারীদের গুরুত্ব বাড়ানো এবং স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা সরকারের মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

জাহিদ হোসেন দাবি করেন, কার্ড প্রদানের প্রক্রিয়াটি এতটাই স্বচ্ছ হবে যে, এখানে দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না।

আবেদন প্রক্রিয়া ও তথ্য সংরক্ষণ

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে। এতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে, ফলে অনিয়ম, ভুয়া তালিকা ও মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ কমবে।

প্রথম ধাপে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।

আবেদন করতে যা যা লাগবে

যদিও পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি, তবু আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের নিচের কাগজপত্র সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে-

১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি

৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর

কোথায় আবেদন করবেন?

পাইলট কার্যক্রম শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি ঘরে বসে আবেদন করার সুবিধা দিতে একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও চলছে।

প্রতি পরিবারে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে।

এদিকে আসন্ন ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে কয়েকটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে দুইজন মন্ত্রী ও দুইজন প্রতিমন্ত্রীসহ ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গঠিত এ কমিটিতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সচিবরা অন্তর্ভুক্ত আছেন। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিটিকে প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।