খুঁজুন
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২০ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি লিয়াকত আলী, সম্পাদক জসিম মৃধা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি লিয়াকত আলী, সম্পাদক জসিম মৃধা

ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে ছয়টিতে বিএনপি এবং চারটি করে পদে বিজয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) রাত ১০ টার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এ নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী লিয়াকত আলী খান বুলু।

বিভিন্ন পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন, সাধারণ সম্পাদক পদে মো. জসিম উদ্দিন মৃধা, সম্পাদক (অডিট) শেখ মো. সেলিমুজ্জামান রুকু, সম্পাদক (প্রচার, প্রকাশনা ও গ্রন্থাগার) বিদ্যুৎ কুমার চৌধুরী এবং নির্বাহী সদস্য পদে নির্মল চন্দ্র দাস, মো. আবু নাঈম জুয়েল ও মো. রকিবুল ইসলাম বিশ্বাস।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিজয়ী চারজন হলেন, সহ-সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন, সম্পাদক (ক্রীড়া সংস্কৃতি ও আপ্যায়ন) মেহেদী হাসান টিটো এবং নির্বাহী সদস্য পদে শাহ মো. আবু জাফর ও মো. এনায়েত হোসেন।

জামায়ত সমর্থিত বিজয়ীরা হলেন সহ-সভাপতি মতিউর রহমান নিজামী, সহ সম্পাদক- মো. রেজাউল হোসাইন শামীম, সম্পাদক (অর্থ) মো. সরোয়ার হোসেন এবং সম্পাদক (তথ্য প্রযুক্তি রক্ষণাবেক্ষণ) মোহা. মাসুম মিয়া।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পযন্ত এ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হয়। বিকেল ৪টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। রাত ১০টায় নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করেন এ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার দিনেশ চন্দ্র দাস। নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগিতা করেন সহকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অ্যাডভোকেট গাজী শাহাদুজ্জামান লিটন।

এ নির্বাচনে মোট ৩২৪ জন ভোটারের মধ্যে ৩১৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন—নগরকান্দা হাসপাতালে আসছেন প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

এহসানুল হক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন—নগরকান্দা হাসপাতালে আসছেন প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবনের কাজ স্থবির হয়ে থাকা এবং রোগীদের চরম দুর্ভোগের চিত্র গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য আগামীকাল শনিবার (০৪ এপ্রিল) সকাল ১১টায় হাসপাতালটিতে আসছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে আসে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভয়াবহ চিত্র। প্রায় তিন বছরেও নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে। পুরাতন ভবন ভেঙে ফেলার পর নতুন ভবনের কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় বর্তমানে জরাজীর্ণ একটি ভবনের কয়েকটি কক্ষ ও বারান্দায় চিকিৎসা সেবা দিতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অনেকেই বারান্দা ও মেঝেতে অবস্থান করছেন। নারী-পুরুষ রোগীদের একসাথে একই স্থানে রাখতে হচ্ছে, যা স্বাস্থ্যসেবার ন্যূনতম মানদণ্ডের পরিপন্থী। এতে রোগীদের মধ্যে অস্বস্তি, নিরাপত্তাহীনতা এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু, প্রসূতি মা এবং গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

এছাড়া হাসপাতালে পর্যাপ্ত টয়লেট ও ওয়াশরুম সুবিধার অভাব রয়েছে। ফলে রোগী ও তাদের স্বজনদের বাইরে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে হচ্ছে, যা চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জরুরি বিভাগেও সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে না পেরে রোগীদের অন্য হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হলেও নির্ধারিত সময় ২০২৪ সালের জুন মাস পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে প্রকল্পটির কাজ বন্ধ রয়েছে এবং বর্তমানে এটি পুনরায় টেন্ডার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এইচ এম নূরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, অবকাঠামোগত সংকটের পাশাপাশি চিকিৎসক ও জনবল ঘাটতিও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। প্যাথলজি বিভাগ প্রায় অচল হয়ে পড়ায় রোগীদের বাইরে গিয়ে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে, এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে।

এদিকে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। সাধারণ মানুষ, রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভের পাশাপাশি সমাধানের প্রত্যাশাও তৈরি হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এই পরিদর্শনকে ঘিরে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিমন্ত্রী তাঁর সফরে হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সমস্যা, নির্মাণাধীন ভবনের অগ্রগতি এবং রোগীদের দুর্ভোগের বিষয়গুলো ঘুরে দেখবেন। এ সময় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে প্রতিমন্ত্রীর আগমনকে সামনে রেখে কিছু প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধুমাত্র পরিদর্শন নয়, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু এবং দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

এ বিষয়ে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি হাসপাতালের এ ধরনের নাজুক অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারে না। তারা আশা করছেন, প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং দ্রুতই হাসপাতালের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন কাজ শুরু হবে।

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই পরিদর্শন যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পরিবর্তনের সূচনা করে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দ্রুত স্বাভাবিক ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

ফরিদপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু

ফরিদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা। স্থানীয় উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী এবং দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে এ মেলাকে ঘিরে ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) সকালে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।

এ সময় তিনি মেলার সার্বিক সফলতা কামনা করে বলেন, এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় শিল্প ও বাণিজ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি বড় প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তারা নিজেদের পণ্য তুলে ধরার সুযোগ পান এবং ভবিষ্যতের জন্য ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।

মেলার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে রণো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এম. এ. হালিম, কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা মেলার গুরুত্ব তুলে ধরে স্থানীয় অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা এড়িয়ে সচেতনভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা উচিত। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিবছর নিয়মিতভাবে এ ধরনের মেলার আয়োজন করা হলে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

মেলা কর্তৃপক্ষ জানায়, মাসব্যাপী এই আয়োজন প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি স্টল অংশগ্রহণ করছে। এসব স্টলে ফরিদপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য, হস্তশিল্প, পোশাক, গৃহস্থালি সামগ্রী, খাদ্যপণ্য এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর সামগ্রী প্রদর্শন ও বিক্রি করছেন।

বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে শিশুদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন রাইড, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ছুটির দিনগুলোতে বিশেষ আয়োজন। এতে পরিবারসহ দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা। তবে রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থীরা বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এ মেলা তাদের পণ্যের প্রচার ও বিক্রির জন্য একটি বড় সুযোগ এনে দিয়েছে। অন্যদিকে দর্শনার্থীরাও এক জায়গায় বিভিন্ন জেলার পণ্য সহজেই পাওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

সব মিলিয়ে ফরিদপুরের এই মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি মানুষের বিনোদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি সংকট: অফিস চলবে নয়টা থেকে চারটা, দোকান-শপিংমল বন্ধ হবে সন্ধ্যা ছয়টায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি সংকট: অফিস চলবে নয়টা থেকে চারটা, দোকান-শপিংমল বন্ধ হবে সন্ধ্যা ছয়টায়

ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার অফিস সময়সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার থেকে অফিস চলবে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত। এতদিন অফিস সময় ছিল সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) রাত পৌনে নয়টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সংসদ ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের পর প্রেসব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি সিদ্ধান্তগুলো জানিয়েছেন।

প্রেসব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যাংক লেনদেন চলবে সকাল নয়টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত। দোকানপাট ও শপিংমলসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে রোববার নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি আরও বলেন, “আগামী তিন মাস সরকারি ব্যয় কমানো হবে। এ সময়ে কোনো নতুন যানবাহন, জলযান, আকাশযান ও কম্পিউটার সামগ্রী কেনা হবে না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ-ও বলেন, “অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে সব বৈদেশিক প্রশিক্ষণ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।”

সভা-সেমিনারে ব্যয়ও ৫০ শতাংশ কমানো হবে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সরকারি ব্যয় ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ ব্যয়ও ৩০ শতাংশ কমাতে বলা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।