খুঁজুন
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২০ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরের চারটি আসনে কার ঝুলিতে কত ভোট? ২৮ প্রার্থীর পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এক নজরে

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের চারটি আসনে কার ঝুলিতে কত ভোট? ২৮ প্রার্থীর পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এক নজরে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর জেলার চারটি আসনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের ফলাফল রাতেই বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়। চার আসনে মোট ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণে ভোটযুদ্ধ ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। নিচে আসনভিত্তিকভাবে প্রার্থীদের নাম, প্রতীক ও প্রাপ্ত ভোটের বিস্তারিত তুলে ধরা হলো—

🔹 ফরিদপুর-১ (মধুখালী-বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা):

এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫,১০,৫৪০ জন। আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বেসরকারি ফলাফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা বিজয়ী হয়েছেন।

প্রার্থীদের ফলাফল:

– মো. ইলিয়াস মোল্লা (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) — দাঁড়িপাল্লা প্রতীক — ১,৫৪,১৪৫ ভোট (বিজয়ী)

– খন্দকার নাসিরুল ইসলাম (বিএনপি) — ধানের শীষ — ১,২৬,৪৭৬ ভোট

– মো. আবুল বাসার খান (স্বতন্ত্র) — ফুটবল — ৩৪,৩৮৭ ভোট

– মো. গোলাম কবীর মিয়া (স্বতন্ত্র) — মোটরসাইকেল — ২,১৫৯ ভোট

– মৃন্ময় কান্তি দাস (বিএমজেপি) — রকেট — ৭৮৬ ভোট

– সুলতান আহম্মেদ খান (জাতীয় পার্টি) — লাঙ্গল — ৫০৬ ভোট

– মো. হাসিবুর রহমান (স্বতন্ত্র) — হরিণ — ৪৫৫ ভোট

– শেখ আব্দুর রহমান জিকো (স্বতন্ত্র) — উট — ৮৪ ভোট

এ আসনে মূল লড়াই হয় ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত প্রায় ২৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় পান ইলিয়াস মোল্লা।

🔹 ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা):

এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৩২,০৪১ জন। ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু জয়লাভ করেন।

প্রার্থীদের ফলাফল:

– শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু (বিএনপি) — ধানের শীষ — ১,২১,৬৯৪ ভোট (বিজয়ী)

– মাওলানা মো. আকরাম আলী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস) — রিক্সা — ৮৯,৩০৫ ভোট

– শাহ মো. জামাল উদ্দীন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) — হাতপাখা — ২,৩৬৮ ভোট

– ফারুক ফকির (গণঅধিকার পরিষদ) — ট্রাক — ৬৭৫ ভোট

-আকরামুজ্জামান (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) — আপেল — ৬১৭ ভোট

– মো. নাজমুল হাসান (বাংলাদেশ কংগ্রেস) — ডাব — ২৫৭ ভোট

ধানের শীষ ও রিক্সা প্রতীকের মধ্যে জমজমাট লড়াই হয়। প্রায় ৩২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় পান শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু।

🔹 ফরিদপুর-৩ (সদর উপজেলা):

এই আসনে মোট ভোটার ৪,৩২,৬২১ জন। ছয়জন প্রার্থী অংশ নেন। বিএনপির প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন।

প্রার্থীদের ফলাফল:

– চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ (বিএনপি) — ধানের শীষ — ১,৪৮,৫৪৫ ভোট (বিজয়ী)

– মো. আবদুত তাওয়াব (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) — দাঁড়িপাল্লা — ১,২৪,১১৫ ভোট

– কে এম ছরোয়ার (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) — হাতপাখা — ৪,০২২ ভোট

– মোরশেদুল ইসলাম আসিফ (স্বতন্ত্র) — হরিণ — ১,২৫৩ ভোট

– মো. রফিকুজ্জামান মিয়া (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি) — কাস্তে — ৯৫৭ ভোট

– আরিফা আক্তার বেবী (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) — তারা — ২৫১ ভোট

এ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। প্রায় ২৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন নায়াব ইউসুফ আহমেদ।

🔹 ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলা):

এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৯৬,৭০৬ জন। আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপির প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল বিজয়ী হয়েছেন।

প্রার্থীদের ফলাফল:

– মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল (বিএনপি) — ধানের শীষ — ১,২৭,৪৪৩ ভোট (বিজয়ী)

– মো. সরোয়ার হোসাইন (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) — দাঁড়িপাল্লা — ৭৫,৮০৫ ভোট

– এ.এম. মুজাহিদ বেগ (স্বতন্ত্র) — ফুটবল — ৫৬,১৬০ ভোট

– মো. ইসহাক চোকদার (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) — হাতপাখা — ১১,৪৯৮ ভোট

– মুহাম্মদ মজিবুর হোসেইন (স্বতন্ত্র) — ঘোড়া — ১,৭০৪ ভোট

– মিজানুর রহমান (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস) — রিক্সা — ১,১১৮ ভোট

– আতাউর রহমান (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি) — কাস্তে — ৭১৪ ভোট

– মুফতি রায়হান জামিল (জাতীয় পার্টি) — লাঙ্গল — ৫৫০ ভোট

এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক বড় ব্যবধানে জয় পায়। প্রায় ৫১ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন শহিদুল ইসলাম বাবুল।

সার্বিক চিত্র:

ফরিদপুরের চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি এবং একটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জয় পেয়েছে। মোট ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও কিছু কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন অভিযোগের খবর পাওয়া যায়। তবে সামগ্রিকভাবে নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশেই শেষ হয়েছে।

চার আসনে মোট ভোটার ছিলেন প্রায় ১৭ লাখ ৭১ হাজার ৯০৮ জন। বিজয়ীদের মধ্যে ফরিদপুর-২, ৩ ও ৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীক জয়লাভ করেছে এবং ফরিদপুর-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হয়েছে।

নির্বাচনের এ ফলাফল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিজয়ীরা উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। অন্যদিকে পরাজিত প্রার্থীরা ফলাফল মেনে নিয়ে ভবিষ্যতে রাজনৈতিকভাবে আরও সক্রিয় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই ফলাফল ফরিদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বার্তা দিল—ভোটারদের রায়ে এবার বদলে গেছে কয়েকটি আসনের চিত্র, আবার কিছু আসনে আগের প্রভাবও বজায় রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কত দ্রুত তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারেন।

ফরিদপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু

ফরিদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা। স্থানীয় উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী এবং দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে এ মেলাকে ঘিরে ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) সকালে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।

এ সময় তিনি মেলার সার্বিক সফলতা কামনা করে বলেন, এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় শিল্প ও বাণিজ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি বড় প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তারা নিজেদের পণ্য তুলে ধরার সুযোগ পান এবং ভবিষ্যতের জন্য ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।

মেলার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে রণো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এম. এ. হালিম, কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা মেলার গুরুত্ব তুলে ধরে স্থানীয় অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা এড়িয়ে সচেতনভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা উচিত। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিবছর নিয়মিতভাবে এ ধরনের মেলার আয়োজন করা হলে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

মেলা কর্তৃপক্ষ জানায়, মাসব্যাপী এই আয়োজন প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি স্টল অংশগ্রহণ করছে। এসব স্টলে ফরিদপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য, হস্তশিল্প, পোশাক, গৃহস্থালি সামগ্রী, খাদ্যপণ্য এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর সামগ্রী প্রদর্শন ও বিক্রি করছেন।

বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে শিশুদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন রাইড, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ছুটির দিনগুলোতে বিশেষ আয়োজন। এতে পরিবারসহ দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা। তবে রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থীরা বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এ মেলা তাদের পণ্যের প্রচার ও বিক্রির জন্য একটি বড় সুযোগ এনে দিয়েছে। অন্যদিকে দর্শনার্থীরাও এক জায়গায় বিভিন্ন জেলার পণ্য সহজেই পাওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

সব মিলিয়ে ফরিদপুরের এই মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি মানুষের বিনোদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি লিয়াকত আলী, সম্পাদক জসিম মৃধা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি লিয়াকত আলী, সম্পাদক জসিম মৃধা

ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে ছয়টিতে বিএনপি এবং চারটি করে পদে বিজয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) রাত ১০ টার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এ নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী লিয়াকত আলী খান বুলু।

বিভিন্ন পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন, সাধারণ সম্পাদক পদে মো. জসিম উদ্দিন মৃধা, সম্পাদক (অডিট) শেখ মো. সেলিমুজ্জামান রুকু, সম্পাদক (প্রচার, প্রকাশনা ও গ্রন্থাগার) বিদ্যুৎ কুমার চৌধুরী এবং নির্বাহী সদস্য পদে নির্মল চন্দ্র দাস, মো. আবু নাঈম জুয়েল ও মো. রকিবুল ইসলাম বিশ্বাস।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিজয়ী চারজন হলেন, সহ-সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন, সম্পাদক (ক্রীড়া সংস্কৃতি ও আপ্যায়ন) মেহেদী হাসান টিটো এবং নির্বাহী সদস্য পদে শাহ মো. আবু জাফর ও মো. এনায়েত হোসেন।

জামায়ত সমর্থিত বিজয়ীরা হলেন সহ-সভাপতি মতিউর রহমান নিজামী, সহ সম্পাদক- মো. রেজাউল হোসাইন শামীম, সম্পাদক (অর্থ) মো. সরোয়ার হোসেন এবং সম্পাদক (তথ্য প্রযুক্তি রক্ষণাবেক্ষণ) মোহা. মাসুম মিয়া।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পযন্ত এ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হয়। বিকেল ৪টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। রাত ১০টায় নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করেন এ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার দিনেশ চন্দ্র দাস। নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগিতা করেন সহকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অ্যাডভোকেট গাজী শাহাদুজ্জামান লিটন।

এ নির্বাচনে মোট ৩২৪ জন ভোটারের মধ্যে ৩১৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

জ্বালানি সংকট: অফিস চলবে নয়টা থেকে চারটা, দোকান-শপিংমল বন্ধ হবে সন্ধ্যা ছয়টায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি সংকট: অফিস চলবে নয়টা থেকে চারটা, দোকান-শপিংমল বন্ধ হবে সন্ধ্যা ছয়টায়

ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার অফিস সময়সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার থেকে অফিস চলবে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত। এতদিন অফিস সময় ছিল সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) রাত পৌনে নয়টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সংসদ ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের পর প্রেসব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি সিদ্ধান্তগুলো জানিয়েছেন।

প্রেসব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যাংক লেনদেন চলবে সকাল নয়টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত। দোকানপাট ও শপিংমলসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে রোববার নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি আরও বলেন, “আগামী তিন মাস সরকারি ব্যয় কমানো হবে। এ সময়ে কোনো নতুন যানবাহন, জলযান, আকাশযান ও কম্পিউটার সামগ্রী কেনা হবে না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ-ও বলেন, “অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে সব বৈদেশিক প্রশিক্ষণ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।”

সভা-সেমিনারে ব্যয়ও ৫০ শতাংশ কমানো হবে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সরকারি ব্যয় ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ ব্যয়ও ৩০ শতাংশ কমাতে বলা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।