খুঁজুন
বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ফরিদপুরে জ্বালানি সংকট: রেশনিংয়ে বিপাকে মানুষ

মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জ্বালানি সংকট: রেশনিংয়ে বিপাকে মানুষ

ফরিদপুর জেলায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। জেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোল সীমিত পরিমাণে সরবরাহ করা হচ্ছে, ফলে যানবাহন চালকসহ সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। তবে এর মাঝেই শহরের একটি ফিলিং স্টেশন কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে গ্রাহকদের মাঝে।

রবিবার (২৯ মার্চ) সকাল থেকে ফরিদপুর শহরের জোবাইদা ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের ঘোষণা দেওয়া হলে সেখানে ভিড় বাড়তে শুরু করে। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মজুদ থাকা সাপেক্ষে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পাম্প কর্তৃপক্ষ। এতে করে অন্যান্য পাম্পের তুলনায় এখানে গ্রাহকদের চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে।

জ্বালানি নিতে আসা কয়েকজন গ্রাহক জানান, জেলার অধিকাংশ পাম্পে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। অনেক জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না। এতে করে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং দৈনন্দিন কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। তবে জোবাইদা ফিলিং স্টেশনে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

জেলা জুড়ে প্রায় ৪০টির মতো ফিলিং স্টেশন থাকলেও এর মধ্যে অধিকাংশেই এখন রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি বিতরণ চলছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়াও সংকটকে আরও তীব্র করেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। কোথাও কোথাও টোকেন পদ্ধতিতেও তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন সেবাখাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং শিগগিরই পরিস্থিতি উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শিং ভাঙা পশু কি কোরবানি করা যাবে?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ
শিং ভাঙা পশু কি কোরবানি করা যাবে?

ইসলাম সামর্থ্যবান মুসলিমদের জন্য কোরবানি আদায় বাধ্যতামূলক করেছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো’ (সুরা কাওসার: ২)। তাই প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানি: ৮/৪৫৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

হাদিসে রাসুল (সা.) হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘যার কোরবানি করার সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।’ (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১, মুস্তাদরাকে হাকেম: ৭৬৩৯, আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৫)

কোরবানির দিতে হয় অহিংস্র গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু দিয়ে। শরিয়তে কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ইত্যাদি পছন্দের পশু। মহানবী (সা.) উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা ছাড়া অন্য কোনো পশু কোরবানির অনুমোদন দেননি। তাই এসব পশু দিয়েই কোরবানি করতে হবে। পশুর ক্ষেত্রে সুস্থ ও ত্রুটিমুক্ত পশু নির্বাচন করা আবশ্যক। বড় ধরনের অসুস্থতা বা ত্রুটি আছে এমন পশু দিয়ে কোরবানি শুদ্ধ হয় না। হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘চার প্রকারের পশু কোরবানি করলে তা যথেষ্ট হবে না। অন্ধ পশু যার অন্ধত্ব সুস্পষ্ট, রুগ্ন পশু যার রোগ সুস্পষ্ট, খোঁড়া পশু যার পঙ্গুত্ব সুস্পষ্ট এবং কৃশকায় দুর্বল পশু যার হাড়ের মজ্জা শুকিয়ে গেছে। উবাইদ (রা.) বলেন, আমি ক্রটিযুক্ত কানবিশিষ্ট পশু কোরবানি করা অপছন্দ করি। বারাআ (রা.) বলেন, যে ধরনের পশু তুমি নিজে অপছন্দ করো তা পরিহার করো, কিন্তু অন্যদের জন্য তা হারাম করো না ‘ (ইবনে মাজাহ: ৩১৪৪)

এখন প্রশ্ন জাগে, কোরবানির জন্য কেনা বা কোরবানির জন্য নির্ধারণ করা পশুর যদি জন্মগতভাবে শিং না থাকে বা শিং ভেঙে যায়, তাহলে এই পশু দিয়ে কোরবানি হবে কি না?

এ প্রসঙ্গে ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, ‘যে পশুর শিং একেবারে গোড়া থেকে ভেঙ্গে গেছে, যে কারণে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; সে পশুর কোরবানি জায়েজ নয়। কিন্তু শিং ভাঙ্গার কারণে মস্তিষ্কে যদি আঘাত না পৌঁছে তাহলে সেই পশু দ্বারা কোরবানি জায়েজ। তাই যে পশুর অর্ধেক শিং বা কিছু শিং ফেটে বা ভেঙ্গে গেছে কিংবা শিং একেবারে উঠেইনি, সে পশু দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ। (তিরমিজি: ১/২৭৬, আবু দাউদ: ৩৮৮, বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২১৬, রদ্দুল মুহতার: ৬/৩২৪, আলমগীরী: ৫/২৯৭)

সূত্র : মাসিক আল কাউসার পত্রিকা

জবাইয়ের পর কোরবানির পশুর পেটে বাচ্চা পাওয়া গেলে কী করবেন?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:২৯ পূর্বাহ্ণ
জবাইয়ের পর কোরবানির পশুর পেটে বাচ্চা পাওয়া গেলে কী করবেন?

কোরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এটা আদম (আ.)-এর যুগ থেকে বিদ্যমান ছিল। সুরা মায়েদায় (আয়াত ২৭-৩১) আদম (আ.)-এর দু’সন্তানের কোরবানির কথা এসেছে। তবে প্রত্যেক নবীর শরিয়তে কোরবানির পন্থা এক ছিল না। ইসলামি শরিয়তে কোরবানির যে পদ্ধতি নির্দেশিত হয়েছে, তার মূল সূত্র ‘মিল্লাতে ইবরাহিমি’তে বিদ্যমান ছিল।

কোরআন মাজিদ ও সহিহ হাদিস থেকে তা স্পষ্ট জানা যায়। এজন্য কোরবানিকে ‘সুন্নতে ইবরাহিমি’ নামে অভিহিত করা হয়। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি এই ইবাদত পালন করে না, তার ব্যাপারে হাদিস শরিফে কঠোর বার্তা এসেছে।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যার কোরবানির সামর্থ্য আছে তবুও সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১, মুস্তাদরাকে হাকেম: ৭৬৩৯, আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৫)

কোরবানির দিতে হয় অহিংস্র গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু দিয়ে। শরিয়তে কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ইত্যাদি পছন্দের পশু। মহানবী (সা.) উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা ছাড়া অন্য কোনো পশু কোরবানির অনুমোদন দেননি। তাই এসব পশু দিয়েই কোরবানি করতে হবে। পশুর ক্ষেত্রে সুস্থ ও ত্রুটিমুক্ত পশু নির্বাচন করা আবশ্যক। বড় ধরনের অসুস্থতা বা ত্রুটি আছে এমন পশু দিয়ে কোরবানি শুদ্ধ হয় না।

এখন প্রশ্ন জাগে, ‘জবাইয়ের পর কোরবানির পশুর পেটে বাচ্চা পাওয়া গেলে কী করব?’

এ প্রসঙ্গে ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, কোরবানির পশু জবাই করার পর তার পেটে জীবিত বাচ্চা পাওয়া গেলে তাকেও জবেহ করে দেবে এবং তার গোশতও খেতে পারবে। সাদকাও করতে পারবে। আর কোরবানির পশু খরিদ করার পর জবাইয়ের আগে তার বাচ্চা হলে ওই বাচ্চাকে জীবিত সাদকা করে দেবে। কেউ যদি জবাই করে তার গোশত খেয়ে ফেলে, তবে বাচ্চাটির মূল্য সাদকা করে দিতে হবে। (খুলাসাতুল ফাতাওয়া: ৪/৩২২, আল মুহীতুল বুরহানী: ৮/৪৭১, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ৫/৩০১, রদ্দুল মুহতার: ৬/৬২২)

সূত্র : মাসিক আল কাউসার

বিয়ে করার আগে অর্থ সংক্রান্ত যে ৫ শিক্ষা আপনার জেনে রাখা প্রয়োজন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:২১ পূর্বাহ্ণ
বিয়ে করার আগে অর্থ সংক্রান্ত যে ৫ শিক্ষা আপনার জেনে রাখা প্রয়োজন?

একটি বিয়ের পরিকল্পনা করা প্রচণ্ড ক্লান্তিকর হতে পারে, যেখানে অতিথিদের তালিকা তৈরি, খাবারের মেনু নির্বাচন এবং নিখুঁত পোশাক বেছে নিতেই সপ্তাহের পর সপ্তাহ কেটে যায়। কিন্তু এই উত্তেজনার আড়ালে অধিকাংশ দম্পতিই একটি বিশাল এবং অস্বস্তিকর বাস্তবতাকে এড়িয়ে যান, তা হলো ‘অর্থ’।

টাকা-পয়সা নিয়ে কথা বলাটা হয়তো খুব একটা রোমান্টিক শোনায় না, কিন্তু দাম্পত্যের ‘সুখী সমাপ্তি’ যদি হানিমুনের রেশ কাটার পরেও বজায় রাখতে চান, তবে বিয়ের আগেই সঙ্গীর সঙ্গে আর্থিক বিষয়ে পুরোপুরি স্বচ্ছ হওয়া জরুরি। আপনাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কীভাবে পরিচালিত হবে, সেটিই মূলত আপনাদের ভবিষ্যৎ জীবনের গতিপথ নির্ধারণ করে দেবে।

সম্পর্ক মনোবিজ্ঞান এবং সম্পদ তৈরির মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে এখানে ৫টি মৌলিক শিক্ষা দেওয়া হলো যা বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগে আপনাদের অবশ্যই আয়ত্ত করা উচিত:

১. পরিবারের ‘মানি স্ক্রিপ্ট’ বা আর্থিক মানসিকতা বোঝা

মানুষ ছোটবেলায় তার পরিবারে অর্থের ব্যবহার যেভাবে দেখে বড় হয়, তার অবচেতন মনে একটি ‘মানি স্ক্রিপ্ট’ তৈরি হয়। আপনাদের বাবা-মায়েরা কি অর্থ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতেন, নাকি অর্থকে নিরাপত্তার হাতিয়ার হিসেবে দেখতেন? এই পুরনো অভ্যাসগুলোই ঠিক করে দেয় আপনার সঙ্গী কেন খরচ করতে ভয় পান বা কেন অকারণে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন। বিয়ের আগে নিজেদের এই ভিন্ন ভিন্ন আর্থিক ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করুন।

২. ক্ষুদ্র বিষয়ে নজর না দিয়ে বড় বিষয়ে গুরুত্ব দিন

প্রতিদিনের ছোটখাটো খরচ যেমন: এক কাপ দামি কফি বা শখের কেনাকাটা নিয়ে ঝগড়া করে সময় নষ্ট করবেন না। বরং বড় লক্ষ্যগুলোতে নজর দিন। আপনারা কি ঋণের বিষয়ে একমত? অবসরের পরিকল্পনা বা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনাদের ভাবনা কী? এই বড় স্তম্ভগুলো ঠিক থাকলে ছোটখাটো খরচ নিয়ে খুব একটা সমস্যা হবে না।

৩. লোক দেখানো বিলাসিতা নয়, গুরুত্ব দিন আর্থিক নিরাপত্তায়

ইনস্টাগ্রামে লাইক পাওয়ার জন্য বা অন্যকে দেখানোর জন্য সম্পদ কেনা আর প্রকৃত ধনী হওয়া; এই দুটির মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। সুখী দম্পতিরা অনেক সময় ‘কোয়াইট লাক্সারি’ বা শান্ত বিলাসিতায় বিশ্বাসী হন। তারা লোক দেখানোর চেয়ে পর্দার আড়ালে একটি শক্তিশালী আর্থিক নিরাপত্তার জাল তৈরি করতে বেশি আগ্রহী হন। প্রকৃত বিলাসিতা হলো যেকোনো জরুরি মুহূর্তে আর্থিক সংকটে না পড়া।

৪. ‘তোমার, আমার এবং আমাদের’ কৌশল

সব টাকা একটি যৌথ অ্যাকাউন্টে রাখা সবসময় ভালো সমাধান নাও হতে পারে। আধুনিক অনেক দম্পতি একটি সংকর পদ্ধতি (Hybrid system) বেছে নেন। বাড়ি ভাড়া, বাজার বা ইউটিলিটি বিলের মতো যৌথ খরচের জন্য একটি যৌথ অ্যাকাউন্ট থাকবে এবং ব্যক্তিগত শখের বা খরচের জন্য থাকবে আলাদা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট। এতে যেমন দলীয় সংহতি বজায় থাকে, তেমনি কেনাকাটার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বাধীনতাও ক্ষুণ্ণ হয় না।

৫. আর্থিক বিশ্বস্ততা এবং ঋণের বিষয়ে স্বচ্ছতা

লুকানো ঋণ অনেক সময় দাম্পত্য জীবনে বড় সমস্যার সৃষ্টি করে। বিয়ের অর্থ হলো আপনার সঙ্গীর আর্থিক দায়ভার এখন আপনার ওপরও বর্তাবে, বিশেষ করে যখন আপনারা যৌথভাবে বাড়ি বা গাড়ির ঋণের জন্য আবেদন করবেন। তাই এখনই সব ঋণ, ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া বা স্টুডেন্ট লোন নিয়ে খোলামেলা কথা বলুন। শুরুতে এটি অস্বস্তিকর মনে হলেও, একসঙ্গে কাজ করলে যেকোনো বড় ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ হয়।দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে হলে কেবল মনের মিল নয়, বরং আর্থিক স্বচ্ছতা ও সঠিক পরিকল্পনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া