খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে মহাসড়কে র‌্যাবের চেকপোস্ট, প্রাইভেটকার থেকে উদ্ধার ৮৮০ বোতল স্কাফ সিরাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মহাসড়কে র‌্যাবের চেকপোস্ট, প্রাইভেটকার থেকে উদ্ধার ৮৮০ বোতল স্কাফ সিরাপ

ফরিদপুর শহরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ৮৮০ বোতল স্কাফ সিরাপসহ এক পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১০। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় এলাকায় সাতক্ষীরা-ঢাকাগামী মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ৮৮০ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
অভিযানে মো. রানা গাজী (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর এলাকার রহিম গাজীর ছেলে।

র‌্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার রানা গাজী একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে স্কাফ সিরাপসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিলেন। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামিও তিনি।

র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদা বলেন, উদ্ধার হওয়া স্কাফ সিরাপ ও জব্দকৃত প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।

ফরিদপুরে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ‘হাঁস খেলা’

তামিম ইসলাম, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ‘হাঁস খেলা’

আধুনিক প্রযুক্তির যুগে যখন স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের দুনিয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকজ খেলাধুলা, ঠিক তখনই সেই হারানো সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ফরিদপুরের একদল তরুণ ও স্থানীয় বাসিন্দা। তাদের উদ্যোগে ফরিদপুর সদরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনন্য আয়োজন ‘হাঁস খেলা’। নতুন এই আয়োজনকে ঘিরে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ, আর পুকুরপাড়ে ভিড় করেন শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাইতুল আমান আদর্শ একাডেমি স্কুল সংলগ্ন একটি পুকুরে অনুষ্ঠিত হয় এই ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতা।

জানা গেছে, টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজ খেলার আয়োজন দেখে অনুপ্রাণিত হন স্থানীয় বাসিন্দা শেখ আব্দুল গফুর প্রামাণিক (৫৭)। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতা ও উৎসাহে বাস্তবে রূপ নেয় তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন।

খেলায় অংশ নেন এলাকার তরুণ, যুবক ও প্রবীণসহ মোট ২১ জন প্রতিযোগী। সুষ্ঠুভাবে প্রতিযোগিতা পরিচালনার জন্য তাদের সাতজন করে তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। প্রতিটি রাউন্ডে একটি হাঁস পুকুরে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং ২০ মিনিটের মধ্যে যে প্রতিযোগী হাঁসটিকে ধরে ফেলতে পারেন, তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। খেলার সময় হাঁসটি যদি নিজে থেকে পাড়ে উঠে আসে, তাহলে সেটিকে আবার পানিতে ছেড়ে দেওয়া হতো। ফলে হাঁস ও প্রতিযোগীদের দৌড়ঝাঁপ, পানিতে সাঁতার আর লুকোচুরির মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয় দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ।

তিনটি গ্রুপ থেকে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী হন তিনজন। প্রথম স্থান অর্জন করেন স্থানীয় বাইতুল আমান আদর্শ একাডেমির নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. ইয়াসিন (১৫)। দ্বিতীয় হন কানাইপুর এলাকার সম্রাট মোল্লা (১৭), যিনি দর্জির কাজ শিখছেন। তৃতীয় স্থান অর্জন করেন বাইতুল আমান এলাকার স্যানিটারি মিস্ত্রি সিদ্দিক মোল্লা (৫৩)। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আয়োজকেরা।

ফরিদপুর সদরে এ ধরনের আয়োজন এই প্রথম হওয়ায় সকাল থেকেই উৎসুক মানুষের ঢল নামে পুকুরপাড়ে। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা হয়ে ওঠে প্রাণচঞ্চল। দর্শকদের করতালি, হাসি-আনন্দ ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।

খেলা দেখতে আসা দর্শনার্থীরা বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে এমন লোকজ খেলাধুলা প্রায় অচেনা। এই আয়োজন শুধু বিনোদনই নয়, বরং হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

আয়োজনের অন্যতম উদ্যোক্তা শেখ রিপন বলেন, “এটি পুরো এলাকার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। প্রথম আয়োজনেই যে বিপুল সাড়া পেয়েছি, তা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আগামী বছর আরও বড় পরিসরে হাঁস খেলার আয়োজন করতে চাই। প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি আস্ত খাসি দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।”

মূল উদ্যোক্তা শেখ আব্দুল গফুর প্রামাণিক বলেন, “অনেক দিন ধরেই এমন একটি আয়োজন করার স্বপ্ন ছিল। ইন্টারনেট ও টেলিভিশনে বিভিন্ন জায়গার লোকজ খেলা দেখে নিজের এলাকাতেও এমন কিছু করার ইচ্ছা জাগে। সবার সহযোগিতায় সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়েছে। মানুষের ভালোবাসা ও উপস্থিতি আমাদের মুগ্ধ করেছে। ভবিষ্যতে প্রতি বছর আরও বড় পরিসরে এই আয়োজন অব্যাহত রাখতে চাই।”

স্থানীয়দের মতে, এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শুধু বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ফিরিয়ে আনতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:৩১ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় পূর্ব শত্রুতা ও দীর্ঘদিনের গ্রাম্য বিরোধের জেরে সুমন শেখ (৩০) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ।

শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের বড়ভাগ পূর্বপাড়া এলাকায় উকিল শেখের বাড়ির সামনে এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন শেখ বড়ভাগ গ্রামের আলাউদ্দিন শেখের ছেলে। তিনি এম এ খালেক কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বড়ভাগ গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে সামাজিক ও গ্রাম্য বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সন্ধ্যায় সুমন শেখ মোটরসাইকেলে করে নিজ এলাকায় যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার গতিরোধ করে। অভিযোগ রয়েছে, বড়ভাগ গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য কুদ্দুস শেখের ছেলে মো. হোসাইন শেখের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সুমনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় সুমনকে উদ্ধার করে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর পুরো বড়ভাগ এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই প্রধান অভিযুক্ত হোসাইন শেখসহ অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।”

সন্ধ্যা নামলেই ফরিদপুরের গুচ্ছগ্রামের পরিত্যক্ত ৬০ ঘরে বসে মাদকের আসর

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
সন্ধ্যা নামলেই ফরিদপুরের গুচ্ছগ্রামের পরিত্যক্ত ৬০ ঘরে বসে মাদকের আসর

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আকোটের চর গুচ্ছগ্রামের পরিত্যক্ত ৬০টি ঘর যেন এখন মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে এসব পরিত্যক্ত ঘরে বসে ইয়াবা ও গাঁজার আসর। রাত গভীর হওয়া পর্যন্ত চলে মাদক সেবন ও লেনদেন। মাদক কারবারিরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।

সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আকোটের চর গুচ্ছগ্রামে মোট ১৬০টি ঘর রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০০টি ঘরে পরিবার বসবাস করলেও দীর্ঘদিন ধরে ৬০টি ঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। যথাযথ তদারকির অভাবে এসব ঘরই এখন মাদকসেবী ও কারবারিদের নিয়মিত আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সন্ধ্যার পর আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মাদকসেবীরা এসে পরিত্যক্ত ঘরগুলোতে জড়ো হয়। শুধু স্থলপথ নয়, পদ্মা নদীর বিভিন্ন চর এলাকা থেকেও নৌকাযোগে অনেকের যাতায়াত রয়েছে। এলাকাটি নদী-সংলগ্ন হওয়ায় নদীপথ ব্যবহার করে সহজেই মাদক আনা-নেওয়া করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, নদীপথে ঢাকা জেলার দোহারসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও মাদকদ্রব্য এই অঞ্চলে পৌঁছে যাচ্ছে।

গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা ইসলাম শেখ বলেন, সন্ধ্যার পর বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে পরিত্যক্ত ঘরগুলোতে ঢুকে মাদক সেবন করে। কিছুক্ষণ পর আবার চলে যায়। ভয় ও নিরাপত্তার কারণে গ্রামের মানুষ সন্ধ্যার পর ওই দিকটায় যেতে চায় না।

স্থানীয় বাসিন্দা আম্বিয়া বেগম বলেন, সন্ধ্যা হলেই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করে। ছেলে-মেয়েদের বাইরে যেতে দিই না। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এই মাদকের আসর বন্ধ করুক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব আসরে সবচেয়ে বেশি ইয়াবা ও গাঁজা সেবন করা হয়। এতে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বেকার যুবকদের একটি অংশ মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে পুরো এলাকায়। মাদককে কেন্দ্র করে চুরি, ডাকাতি, মারামারি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও বাড়ছে বলে দাবি তাদের।

আকোটের চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসলাম বেপারী বলেন, গুচ্ছগ্রামের পরিত্যক্ত ঘরগুলো মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিনত হয়েছে। এ বিষয়ে আমি মাসিক আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে কয়েকবার কথাও বলেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করলে এ সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ্ বলেন, এ ধরনের অভিযোগ পেলে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি এলাকায় পুলিশি টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।