খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ফরিদপুরে কবরের ফুলগাছ চুরি, প্রতিশোধ নয়—১,৫০০ ফুলগাছে পুরো গ্রাম সাজালেন যুবক

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে কবরের ফুলগাছ চুরি, প্রতিশোধ নয়—১,৫০০ ফুলগাছে পুরো গ্রাম সাজালেন যুবক

বাবা ও দাদির কবরের পাশে ভালোবাসা আর স্মৃতির নিদর্শন হিসেবে লাগানো ফুলগাছ একদিন হঠাৎ চুরি হয়ে যায়। এমন ঘটনায় যে কেউ ক্ষুব্ধ হতে পারেন, চোরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে পারেন। কিন্তু ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের যুবক হাওলাদার শামীম আহমেদ বেছে নিয়েছেন এক ভিন্ন পথ। প্রতিশোধ নয়, তিনি জবাব দিয়েছেন ভালোবাসা দিয়ে। কবর থেকে চুরি হওয়া কয়েকটি ফুলগাছের বদলে পুরো গ্রামজুড়ে রোপণ করেছেন ১ হাজার ৫০০টি ফুলগাছ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে প্রয়াত বাবা ও দাদির স্মৃতিকে ঘিরে কবরের পাশে হাসনাহেনা, কামিনী ও শিউলীসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগান শামীম। প্রতিদিন নিয়মিত পরিচর্যা ও যত্নে গাছগুলো ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। এর মধ্যে একটি গাছে ফুলও ফুটেছিল। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।

এক সকালে কবরস্থানে গিয়ে তিনি দেখেন, সেখানে লাগানো ফুলগাছগুলো আর নেই। কেউ রাতের অন্ধকারে গাছগুলো তুলে নিয়ে গেছে। এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই কষ্ট পেয়েছিলেন তিনি। তবে চুরির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ বা প্রতিশোধের চিন্তা না করে তিনি বিষয়টিকে অন্যভাবে দেখার চেষ্টা করেন।

শামীমের ভাষায়, “প্রথমে খুব খারাপ লেগেছিল। পরে ভাবলাম, যে মানুষ গাছগুলো নিয়ে গেছে, সে হয়তো ফুল ভালোবাসে। যদি ফুলের প্রতি তার ভালোবাসা থাকে, তাহলে আরও বেশি ফুল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত।”

এই ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগের। নিজস্ব অর্থায়নে তিনি পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের প্রায় ৫০০টি বাড়ির সামনে তিনটি করে মোট ১,৫০০টি ফুলগাছ রোপণের উদ্যোগ নেন। ইতোমধ্যে গ্রামের বিভিন্ন স্থানে হাসনাহেনা, কামিনী, শিউলীসহ নানা প্রজাতির সৌন্দর্যবর্ধক গাছ লাগানো হয়েছে।

গ্রামবাসীরা বলছেন, এমন উদ্যোগ শুধু গ্রামের সৌন্দর্যই বাড়াবে না, বরং পরিবেশ রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফুলগাছের সুবাস ও সৌন্দর্যে গ্রাম আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। পাশাপাশি অন্যদের মাঝেও গাছ লাগানোর আগ্রহ তৈরি হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বর্তমান সময়ে যখন পরিবেশ দূষণ ও সবুজের সংকট নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তখন একজন তরুণের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। ব্যক্তিগত ক্ষতিকে তিনি সামাজিক কল্যাণে রূপ দিয়েছেন, যা অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় উদাহরণ হতে পারে।

শামীমের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, একটি ছোট ঘটনা থেকে জন্ম নেওয়া এই মহৎ উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও অনেক মানুষকে পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করবে।

বাবা ও দাদির কবর থেকে হারিয়ে যাওয়া কয়েকটি ফুলগাছ হয়তো আর ফিরে আসবে না। কিন্তু সেই শূন্যতা পূরণ করতে গিয়ে শামীম যে ভালোবাসার বাগান গড়ে তুলেছেন, তা শুধু একটি গ্রামের নয়, মানবিকতারও এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ফরিদপুরে কৃষকের পাটখেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে কৃষকের পাটখেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের পশড়া গ্রামে বিরোধপূর্ণ জমিতে থাকা পাটখেতে পচননাশক ঔষধ প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবুল হোসেন ওরফে বাক্কু মিয়া কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বুধবার (০৩ জুন) দুপুরে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় দায়ের করা অভিযোগে আবুল হোসেন (৬৬) জানান, পশড়া মৌজার একটি পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী সহিদ বেপারী, জাহিদ বেপারী ও আক্কাস বেপারীর সঙ্গে তাদের বিরোধ চলে আসছে। জমি নিয়ে বিভিন্ন সময় মনোমালিন্য ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বিবাদীরা প্রায়ই তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং বিভিন্নভাবে জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে একাধিকবার মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ জুন সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে অভিযুক্তরা তার মালিকানাধীন জমিতে থাকা পাটখেতে পচননাশক ঔষধ প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট করে দেয়। এতে প্রায় ২৫ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভুক্তভোগী আরও জানান, অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ডে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় লোকজন অবগত রয়েছেন এবং প্রয়োজন হলে সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

অভিযোগে উল্লিখিত তফসিল অনুযায়ী, বিরোধপূর্ণ জমিটি কোতয়ালী থানাধীন ৯৯ নম্বর কৈজুরী মৌজার এসএ দাগ নং-২৬৮২ এবং বিএস দাগ নং-৩৭০৪ এর অন্তর্ভুক্ত ১৯ শতাংশ জমি।

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

পুষ্টি থাকলেও যে কারণে মাশরুম খেলে মৃত্যু হতে পারে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৭:৪১ পূর্বাহ্ণ
পুষ্টি থাকলেও যে কারণে মাশরুম খেলে মৃত্যু হতে পারে?

বিশ্বের অনেক দেশেই মাশরুম একটি জনপ্রিয় এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার। মাশরুম রক্তচাপ কমাতে, টিউমার কোষের বিরুদ্ধে, বহুমূত্র রোগীদের জন্য, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে, বাত-ব্যথার মতো রোগের বিরুদ্ধে উপকারী বলে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন।

তবে প্রকৃতিতে মাশরুমের হাজার রকমের জাত রয়েছে এবং এগুলোর অনেকগুলো মানবদেহের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

যেমন শুধু উত্তর আমেরিকায়ই মাশরুমের ১০ হাজারের বেশি প্রজাতির রয়েছে। খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে এগুলোর ২০ শতাংশই মানুষকে অসুস্থ করে দিতে পারে, আর শতকরা এক ভাগ তাৎক্ষণিকভাবে মানুষ মেরেও ফেলতে পারে।

মাশরুমের নানা জাতের মধ্যে বাংলাদেশে ৮-১০টি জাতের চাষ হয়ে থাকে।

কিন্তু বাংলাদেশেই পাওয়া যায় মাশরুমের এমন অনেক জাত, বিশেষ করে বুনো মাশরুম, অনেক সময় শরীরের জন্য বিষাক্ত ও ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলেছেন, পরিচিত জাতের বাইরে অন্য মাশরুম, বিশেষ করে বুনো মাশরুম কখনোই খাওয়া উচিত নয়। কারণ মাশরুম শরীরের জন্য উপকারী হলেও সব মাশরুম উপকারী নয়। বরং অনেক মাশরুম মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে ব্যাঙের ছাতা বলে পরিচিত বুনো মাশরুমে এক ধরনের ছত্রাক থাকে, যা লিভার-কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

তথ্যসূত্র : বিবিসি বাংলা

ঘরোয়া কৌশলে যেভাবে কমানো যাবে বিদ্যুৎ বিল?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ
ঘরোয়া কৌশলে যেভাবে কমানো যাবে বিদ্যুৎ বিল?

ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ সাশ্রয় এখন শুধু ব্যক্তিগত প্রয়োজন নয়, বরং জাতীয় দায়িত্বও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৈনন্দিন জীবনে কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তুললেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব।

এতে যেমন কমবে মাসিক বিলের চাপ, তেমনি জাতীয় গ্রিডের ওপরও চাপ কমবে। তাই বিদ্যুতের কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হওয়া সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সবার জানা উচিত যে বিষয়গুলো

দেশে গ্রীষ্মকাল এলেই বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতে বাড়তি ব্যবহার সামাল দিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকেও বাড়তি চাপ মোকাবিলা করতে হয়।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতন ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের একটি বড় অংশ সাশ্রয় করা সম্ভব।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম. তামিম বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার বন্ধ করা। অনেক সময় আমরা প্রয়োজন না থাকলেও বাতি, ফ্যান কিংবা বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালু রাখি। এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারলে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো—

এলইডি বাতির ব্যবহার বাড়ানো

প্রচলিত বাল্বের তুলনায় এলইডি বাতি অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। তাই বাসা কিংবা অফিসে এলইডি প্রযুক্তির আলো ব্যবহার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অন্যতম কার্যকর উপায়।

প্রয়োজন না হলে যন্ত্র বন্ধ রাখা

মোবাইল চার্জার, টেলিভিশন, কম্পিউটার কিংবা অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র অনেক সময় ব্যবহার না হলেও বিদ্যুতের সংযোগে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব যন্ত্র সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার

গরমের সময় এসির ব্যবহার বাড়লেও তাপমাত্রা অযথা কমিয়ে রাখলে বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এসি চালালে আরাম ও সাশ্রয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ড. মুজিবুর রহমান বলেন, এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দরজা-জানালা বন্ধ রাখা এবং নিয়মিত সার্ভিসিং করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে যন্ত্রের দক্ষতা বাড়ে এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে।

প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবহার

দিনের বেলায় যথাসম্ভব প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা এবং ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা গেলে বৈদ্যুতিক আলো ও ফ্যানের ওপর নির্ভরতা কমে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি কেনা

নতুন ফ্রিজ, এসি বা অন্যান্য গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি কেনার সময় বিদ্যুৎ দক্ষতা বিবেচনা করা উচিত। কম বিদ্যুৎ খরচ করে এমন প্রযুক্তি দীর্ঘমেয়াদে অর্থ সাশ্রয়ে সহায়ক হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু প্রযুক্তি নয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে ব্যবহারকারীর সচেতনতা। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো গেলে জাতীয় পর্যায়েও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় মানে শুধু নিজের বিল কমানো নয়; এটি জাতীয় সম্পদের সুরক্ষা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আজ থেকেই বিদ্যুতের অপচয় রোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র : কালবেলা