খুঁজুন
রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

“আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে” : শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ
“আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে” : শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর-২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম নির্বাচনী মাঠে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে শান্ত, সংযত ও সংগঠিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় ধৈর্য, ঐক্য ও জনগণের ওপর আস্থা রাখাই বিএনপির মূল শক্তি।

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের বাউষখালী বাজার মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় এলাকার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, “১২ তারিখে আপনারা সকাল সকাল ভোট দিতে যাবেন। ১১ তারিখ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত ধানের শীষের প্রতিটি ভোট পাহারা দিতে হবে। কেউ উসকানি দিয়ে ঝগড়া করতে এলে তাতে জড়ানো যাবে না। মাথা ঠান্ডা রেখে মানুষের কাছে যাবেন, ভোট চাইবেন—এটাই আমাদের কাজ।” তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্পষ্ট করে বলেন, বিএনপির রাজনীতি শান্তিপূর্ণ ও জনগণকেন্দ্রিক, এখানে সহিংসতার কোনো স্থান নেই।

ধর্মীয় অনুভূতি ও বিশ্বাসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমরা মুসলমান। ইসলাম আমাদের জীবনের প্রতিটি অংশের সঙ্গে জড়িত। কোরআনের নির্দেশনা অনুসরণ করে ভালো মানুষ ও ভালো মুসলিম হওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু জান্নাত–জাহান্নামের নিশ্চয়তা দেওয়ার অধিকার একমাত্র আল্লাহর। কেউ যদি নিজেকে সেই নিশ্চয়তার মালিক মনে করে, তবে তা নাফরমানির শামিল।” তিনি আরও বলেন, ইসলাম ধারণ করার বিষয়, বিক্রির কোনো পণ্য নয়।

নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, “আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক শুধু নির্বাচনের নয়—এ সম্পর্ক মাটি, হৃদয় ও আত্মার। নির্বাচন একদিন শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু আমাদের সম্পর্ক থাকবে আজীবনের।” গত ১৭ বছর ধরে এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের কাছে একবার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে সালথা উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

বাবা বিএনপির সাবেক মহাসচিব কে এম ওবায়দুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ন্যায় ও সত্যের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি। সেই আদর্শ ধারণ করেই তিনি রাজনীতি করছেন এবং ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভায় বল্লভদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন- মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান লিপু মিয়া, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শাহিন মাতুব্বর, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ওহিদুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বোয়ালমারীতে নৌকার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা

বোয়ালমারী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
বোয়ালমারীতে নৌকার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলার একমাত্র নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, নির্যাতন, দখলবাজি ও বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান নেতা।

শনিবার (৯ মে) বিকেল ৩টার দিকে বোয়ালমারী পৌরসভার মাদ্রাসা মার্কেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বোয়ালমারী সরকারি কলেজের সাবেক জিএস ও বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম মুকুল। এসময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান বাবু, বিএনপি নেতা মফিজুল কাদের খান মিল্টন, পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম কালা মিয়া এবং পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মনির হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগপন্থি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ বর্তমানে প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রছায়ায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করছেন। তার বিরুদ্ধে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির অভিযোগ তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, সম্প্রতি মোড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ও সাকিবুর রহমানকে জিম্মি করে ৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং একটি নির্যাতনকেন্দ্রে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।

এছাড়া শেখর গ্রামের একটি পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ মামলা দায়েরেরও অভিযোগ তোলা হয়। ওই মামলায় উপজেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রইসুল ইসলাম পলাশসহ কয়েকজন নেতাকে আসামি করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী কাটাগড় মেলাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঁদাবাজি হয়েছে। মেলায় দোকান বরাদ্দ ও অবৈধ নিলামের মাধ্যমে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তোলা হয় চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। মেলার আয়-ব্যয়ের কোনো স্বচ্ছ হিসাব দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বাগডাঙ্গা গ্রামের ফাহমিদা ইসলাম নামে এক নারীকে বিভিন্নভাবে হয়রানি, প্রাণনাশের হুমকি এবং তার বসতভিটার গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনায় চেয়ারম্যানের অনুসারীদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে ওই নারীর জমি দখলের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বক্তারা দাবি করেন, শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নে একটি ‘নব্য বিএনপি চক্র’ প্রভাব বিস্তার করে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। তাদের অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে বিএনপির জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছে এবং দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান বিএনপি নেতারা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যান কামাল আহমেদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী জুহি ও তার মা, উৎকণ্ঠায় পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী জুহি ও তার মা, উৎকণ্ঠায় পরিবার

ফরিদপুর শহরে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ও তার মা গত ১০ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর নাম ফাতেমাতুজ জহুরা ওরফে জুহি। সে ফরিদপুর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার মা এলিজা শারমিন (৪৮)। তারা ফরিদপুর শহরের লাক্সারী হাসান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় পরিবারসহ বসবাস করতেন।

নিখোঁজ শিশুর বাবা জামাল উদ্দিন ওরফে কানু শুক্রবার (৮ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে মেয়ে ও স্ত্রীর সন্ধান চেয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে জুহি তার মায়ের সঙ্গে ঘুরতে বের হওয়ার পর থেকে আর বাসায় ফেরেনি। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

শনিবার (৯ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কানু জানান, সম্ভাব্য আত্মীয়স্বজনের বাসা, পরিচিত স্থানসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোথাও তাদের সন্ধান মেলেনি। তিনি বলেন, “জুহির মা মানসিকভাবে অসুস্থ। এর আগেও প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বার তিনি এভাবে বাড়ি থেকে বের হয়ে পরে ফিরে এসেছেন। তাই প্রথমদিকে বিষয়টিকে স্বাভাবিক ভেবেছিলাম। কিন্তু ১০ দিন পার হলেও তারা ফিরে না আসায় আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। আজ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, কেউ জুহি ও তার মায়ের সন্ধান দিতে পারলে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “মা ও মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তাদের খুঁজে বের করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সালথায় সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ১০

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
সালথায় সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ১০

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নে চলমান দাঙ্গা, সংঘর্ষ ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। 

শনিবার (০৯ মে) বিকেলে আটক ব্যক্তিদের ফরিদপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গট্টি ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী, বালিয়া গট্টি, মেম্বার গট্টি, কসবা গট্টি, দোহার গট্টি ও মীরের গট্টি এলাকায় কয়েকদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুক্রবার (০৮ মে) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় সালথা থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের নুরু খানের ছেলে আজিজুল খান (২২), মৃত শেখ সাহিদের ছেলে আব্দুল হক (৫৫), মৃত জলিল মাতুব্বরের ছেলে রহমান মাতুব্বর ওরফে রব্বান মাতুব্বর (৩০), বালিয়া গট্টি এলাকার পাচু শেখের ছেলে রিয়াজ শেখ (২৫), লাবলু মোল্যার ছেলে জাহিদ মোল্যা (৪০), দোহার গট্টি এলাকার আরশেদ মাতুব্বরের ছেলে লাবলু মাতুব্বর (৩৫), লুৎফর মিয়ার ছেলে টুকু মিয়া (৪০), কাঠিয়ার গট্টি এলাকার সোহরাব শরীফের ছেলে ইশারত শরীফ (৩৩), বাদশা মাতুব্বরের ছেলে সুমন মাতুব্বর (২২) এবং মীরের গট্টি এলাকার সামচু শেখের ছেলে সোহেল শেখ (২৪)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গট্টি ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ইউপি সদস্য নুরু মাতুব্বর ও বালিয়া গট্টি গ্রামের জাহিদ মাতুব্বরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তারা দুজনই এলাকায় প্রভাবশালী গ্রাম্য মোড়ল হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তাদের সমর্থকদের মধ্যে অন্তত ১০টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। সহিংসতায় দুই শতাধিক বসতবাড়ি ভাঙচুর এবং কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শনিবার (০৯ মে) বিকেলে আটক ১০ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।