খুঁজুন
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফাল্গুনের সকালে শীতের প্রত্যাবর্তন: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ
ফাল্গুনের সকালে শীতের প্রত্যাবর্তন: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর

আজ ১৮ ফাল্গুন, মঙ্গলবার (৩ মার্চ)। বসন্তের মাঝামাঝি সময়ে এসে হঠাৎ ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে ফরিদপুরের জনপদ। শীত বিদায় নিলেও ভোরের এই কুয়াশা যেন শীতের চিরচেনা রূপকেই আবারও ফিরিয়ে আনল।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) ভোর থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘন কুয়াশা দেখা যায়। সকাল ৮টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক এবং গ্রামীণ জনপদ—সবখানেই ছিল কুয়াশার সাদা চাদর। দূরের ভবন, গাছপালা এমনকি চলন্ত যানবাহনও অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। এতে করে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলতে দেখা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন ধরে আবহাওয়া ছিল বেশ উষ্ণ। দিনের তাপমাত্রাও ধীরে ধীরে বাড়ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ভোরের দিকে তাপমাত্রা কমে গিয়ে কুয়াশার সৃষ্টি হয়। অনেকেই ভোরে ঘর থেকে বের হয়ে শীতের মতো অনুভূতি পান। কেউ কেউ আবার শীতের পোশাক বের করে পরেছেন।

কৃষকদের জন্য এই কুয়াশা কিছুটা স্বস্তির হলেও উদ্বেগও রয়েছে। বিশেষ করে বোরো ধান ও সবজি চাষিরা বলছেন, অতিরিক্ত কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। তবে স্বল্প সময়ের কুয়াশা জমির আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।

শহরের শ্রমজীবী মানুষদের কাজে যেতে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। রিকশাচালক ও মোটরসাইকেল আরোহীরা কম দৃশ্যমানতার কারণে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করেন। ভোরে নদীপথেও নৌযান চলাচলে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে।

আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে এমন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা ও বাতাসের আর্দ্রতার তারতম্যের কারণেই মূলত এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে স্বাভাবিক আবহাওয়া ফিরে আসে।

ফাল্গুন মানেই রঙিন প্রকৃতি আর বসন্তের আমেজ। কিন্তু আজকের সকালটি যেন স্মরণ করিয়ে দিল—ঋতুর পালাবদলে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনা অস্বাভাবিক নয়। শীতের বিদায়ের পরও মাঝে মাঝে এমন কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল ফরিদপুরবাসীর কাছে এক ভিন্ন অনুভূতি এনে দেয়।

সালথায় গভীর রাতে এএসআই আটক: পরকীয়ার অভিযোগে গণপিটুনি, ভাইরাল ভিডিও

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
সালথায় গভীর রাতে এএসআই আটক: পরকীয়ার অভিযোগে গণপিটুনি, ভাইরাল ভিডিও

ফরিদপুরের সালথায় গভীর রাতে মাদক মামলার আসামির বসতঘরে ঢুকে তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করার সময় জনতার হাতে আটকের পর গণপিটুনী খেয়েছেন মো. ইমরান হাসান (৪০) নামে পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)। পরে সালথা থানার পুলিশ গিয়ে এএসআই ইমরানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত এএসআই ইমরান রামকান্তপুর ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে ওই পুলিশ কর্মকর্তার দাবি তিনি আসামী ধরতে সেখানে গিয়েছিলেন। আর মাদক মামলার আসামির পরিবারের দাবি এটি পরকীয়ার ঘটনা। এএসআই ইমরানের আটকের ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ওই ভিডিওতে দেখা যায়, এএসআই ইমরানের গায়ে পুলিশের পোশাক নেই। প্যান্ট ও টিশার্ট পড়া। তার মাথা কাপড় দিয়ে বাধা। মুখে রক্ত মাখা। গভীর রাতে নারীর ঘরে একা ঢুকে পরকীয়ার অভিযোগ তুলে কোনো এক ব্যক্তি তার গায়ে আঘাত করছেন। তখন এএসআই ইমরান বলতে শোনা যায়, তুই আমার ভাই না, মারিস কেন? পরে ইমরানের পকেট থেকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর প্যাকেট পাওয়া যায় বলে দাবি করেন ভিডিও ধারণকারী ওই ব্যক্তি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বলিভদ্রদিয়া এলাকার মো. মেহেদী হাসান (২৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সালথা ও পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে। মাদক মামলার সুবাদে এএসআই ইমরান হাসান মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের বাড়িতে ঘনঘন যাওয়া আসা করতেন। যার প্রেক্ষিতে মেহেদীর স্ত্রীর সাথে পুলিশের এএসআই ইমরানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের বসতঘরে ঢুকে তার স্ত্রীর সাথে একা দেখা করতে গেলে এলাকার লোকজনের হাতে ধরা পড়ে মারধরের শিকার হন। পরবর্তীতে সালথা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এএসআই ইমরান হাসানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ বিষয় এএসআই ইমরান হাসানের দাবি তিনি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে সেখানে গিয়েছিলেন। তবে সাদা পোশাকে রাত তিনটার সময় আসামিকে একা ধরতে যাওয়ার ব্যাখা জানতে চাইলে তিনি নিরুত্তর থাকেন।

মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসান বলেন, আমি একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। ব্যবসায়িক কাজে আমি মাঝে মাঝে বাইরে থাকি। এই সুযোগে আমাদের ইউনিয়নে পুলিশের বিট অফিসার হিসেবে দায়িত্বে থাকা এএসআই ইমরান মাঝে মাঝে আমার বাড়িতে এসে আমার স্ত্রীকে কু-প্রস্তাব দেয়। একপর্যায় আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে এএসআই ইমরানের কুরুচিপূর্ণ কথোপথোনের অডিও রেকর্ড ও ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করি। এরই মধ্যে শুক্রবার গভীর রাতে ইমরান আমাদের ঘরে ঢুকলে এলাকাবাসী হাতেনাতে ইমরানকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, মাদক মামলার আসামি ধরতে গেলে মাদক ব্যবসায়ী মেহেদীর পরিবার তাকে আটক করে মারধর করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। গভীর রাতে একা কেন মাদকের আসামি ধরতে গেলেন? এ প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ওসি বলেন, কেন ওই এএসআই রাতের অধারে একা এবং পুলিশের পোশাক ছাড়া আসামির বাড়িতে গিয়েছিলেন, এ বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জাতীয় স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল ভাঙ্গার ডা. নাদিম, দেশসেরা ইউএইচএফপিও নির্বাচিত

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
জাতীয় স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল ভাঙ্গার ডা. নাদিম, দেশসেরা ইউএইচএফপিও নির্বাচিত

স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান উন্নয়ন ক্যাটাগরিতে দেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিম। তার এ অর্জন শুধু ভাঙ্গা নয়, গোটা ফরিদপুর জেলার জন্য গৌরবের বিষয় হয়ে উঠেছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ইউএইচএফপিও সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে এ সম্মাননা প্রদান করেন।

জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, রোগীবান্ধব সেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা আনা এবং সেবাগ্রহীতাদের সন্তুষ্টি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। বিশেষ করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার নেতৃত্বে সেবার গতি ও মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

ডা. নাদিমের উদ্যোগে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীদের জন্য উন্নত সেবা পরিবেশ সৃষ্টি, চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবার প্রসার এবং জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি আস্থা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই তাদের কাজকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও জনমুখী করতে এ ধরনের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিমের এ সাফল্যে ফরিদপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তার এই অর্জন ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করতে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

অতিরিক্ত ঘাম হলে যে কাজগুলো করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
অতিরিক্ত ঘাম হলে যে কাজগুলো করবেন

প্রচণ্ড গরমে শরীর ঘামবে, এটাই তো স্বাভাবিক। অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া আমাদের ঘর্মাক্ত করে তোলে।

অনেকের আবার অস্বাভাবিক ঘাম হয়। তাপমাত্রা যাই হোক না কেন।

এছাড়া ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন অনেকে। এজন্য আমাদের সচেতন থাকতে হয়।

অস্বাভাবিক ঘাম কখনো কখনো অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে। শরীরে কোনো রোগ না থাকার পরেও যদি অতিরিক্ত ঘাম হতে থাকে তবে বুঝবেন, স্নায়ুগ্রন্থির প্রভাবে ঘর্মগ্রন্থি অতিরিক্ত মাত্রায় সক্রিয় থাকার কারণেই এই অত্যধিক ঘামের সৃষ্টি।
এছাড়াও ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, মেনোপোজ কিংবা উদ্বেগের কারণেও ঘাম বাড়তে পারে।

ভ্যাপসা গরমে ত্বকের স্বস্তির জন্য পোশাক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সিনথেটিক কাপড় ত্বকের জন্য স্বাচ্ছন্দ্য নয়, ঘাম বেশি শুষে নেয়; যা আপনাকে শুধু অস্বস্তিতেই ফেলে না, বগলকে আরও ঘর্মাক্ত করে। তাই এ সময় সুতির কাপড় পরুন এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরা উচিত। তাহলে আপনি কম ঘর্মাক্ত হবেন।

গরমে প্রচুর পানি পান করা দরকার। এটি শরীরকে শীতল রাখে এবং এভাবে শরীর থেকে ঘাম বের হওয়া রোধ করে। সব সময় সঙ্গে পানির বোতল রাখুন এবং প্রতিদিন অন্তত তিন-চার লিটার পানি পান করুন।

অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা দূর করতে মেথি ভেজানো পানি খেতে পারেন। এক চা চামচ মেথি এক গ্লাস পানিতে সারারাত ভিজিয়ে, পরদিন সকালে উঠে সেই পানি ছেঁকে খালি পেটে পান করুন। এতে অতিরিক্ত ঘামসহ আরও অনেক সমস্যা দূর হবে।

চন্দন ত্বকের যত্নে অনেকভাবে উপকারী। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা কমাতেও কাজ করে চন্দন। চন্দন বেটে নিয়ে শরীরের যে স্থানে ঘাম বেশি হয়, সেখানে লাগিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টার মতো। এতে অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।

অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তি পেতে চন্দন, আমলকির গুঁড়া এবং গোলাপ পানির মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। এটি ভালোভাবে গায়ে লাগিয়ে রাখুন, মিনিট বিশেক পর ধুয়ে ফেলুন।

* রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েকটি কিশমিশ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই পানিটুকু খেয়ে নিন।

* খুব বেশি গরম খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

* তিতা এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার সম্ভব হলে একটু বেশি খাবেন। এতে ঘাম কম হবে।

* অতিরিক্ত ঝাল ও টক জাতীয় খাবার খাওয়া কম খাবেন। এর বদলে অল্প তেল-মসলায় তৈরি খাবার খান।