খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১০ চৈত্র, ১৪৩২

অজান্তেই বিপদ! ফুসফুস ক্যানসারের যে ৬ উপসর্গ অনেকেই গুরুত্ব দেন না?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৮ এএম
অজান্তেই বিপদ! ফুসফুস ক্যানসারের যে ৬ উপসর্গ অনেকেই গুরুত্ব দেন না?

ব্যস্ত জীবন, কাজের চাপ, ধূমপান বা দূষিত পরিবেশ— এসবের ভিড়ে নিজের শরীরের ছোটখাটো সমস্যাকে আমরা প্রায়ই গুরুত্ব দিই না।

একটু কাশি, সামান্য শ্বাসকষ্ট কিংবা হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া—এসবকে অনেক সময়ই সাধারণ ভেবে এড়িয়ে যাই। অথচ এই অবহেলাই একসময় ডেকে আনতে পারে ভয়ংকর বিপদ।

প্রতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বিশ্ব ক্যানসার দিবস। ক্যানসারের মতো মারণরোগ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতেই এই দিবসের আয়োজন।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিতে আজ ক্যানসার মানেই মৃত্যু নয়, তবে শর্ত একটাই, সময়মতো রোগ ধরা পড়তে হবে।

সারা বিশ্বে যেসব ক্যানসারে মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি, তার শীর্ষে রয়েছে ফুসফুস ক্যানসার। আমাদের দেশে ধূমপান, তামাক সেবন, বায়ুদূষণ ও কর্মক্ষেত্রের ঝুঁকির কারণে এই ক্যানসারের আশঙ্কা আরও বেশি। অথচ ফুসফুস ক্যানসারের কিছু প্রাথমিক লক্ষণ আগে থেকেই চেনা গেলে এবং দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে এই ভয়ংকর রোগ থেকেও সেরে ওঠা সম্ভব।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, ফুসফুস ক্যানসারের এমন ৬টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ, যেগুলো অনেকেই অবহেলা করে থাকেন—

১. দীর্ঘদিনের তীব্র কাশি

প্রচণ্ড ও লাগাতার কাশি ফুসফুস ক্যানসারের একটি প্রাথমিক লক্ষণ। দিনের পর দিন কাশি চলতে থাকলে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বেড়ে গেলে বিষয়টি মোটেও হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। প্রায়ই কাশি হওয়া হলে দ্রুত সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

২. কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া

কাশির সময় কফের সঙ্গে লালচে রক্ত বেরিয়ে আসা ফুসফুস ক্যানসারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ। ফুসফুসের ভেতরে ক্যানসার কোষ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এমনটা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

৩. শ্বাসকষ্ট

ফুসফুসে ক্যানসার কোষ যত বাড়তে থাকে, ততই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। অল্প কাজেই হাঁপিয়ে যাওয়া, বুক ভরে শ্বাস নিতে না পারা, এগুলো ফুসফুস ক্যানসারের বড় লক্ষণের মধ্যে পড়ে। চিকিৎসকেরা এই উপসর্গে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলেন।

৪. বুকে ব্যথা

ফুসফুস ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর আরেকটি হলো বুকে ব্যথা। কাশির সময় ব্যথা হওয়া ছাড়াও, অনেক সময় কোনো কারণ ছাড়াই বুকে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এই ব্যথা দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্যই পরীক্ষা করানো জরুরি।

৫. খিদে কমে যাওয়া

হঠাৎ করে খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া বা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম খাওয়া ক্যানসারের একটি সাধারণ লক্ষণ। নিয়মিত খাবার খেতে না চাওয়া বা রোজকার খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন ভালো লক্ষণ নয়। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৬. অকারণে ওজন কমে যাওয়া

ওজন কমে যাওয়া প্রায় সব ধরনের ক্যানসারেরই একটি সাধারণ লক্ষণ। কোনো ডায়েট বা বাড়তি পরিশ্রম ছাড়াই যদি দ্রুত ওজন কমতে থাকে, তাহলে সেটিকে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের এসব সংকেতকে কখনোই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। সচেতনতা আর সময়মতো চিকিৎসাই পারে ফুসফুস ক্যানসারের মতো ভয়ংকর রোগের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হতে।

সূত্র হিন্দুস্তান টাইমস

ঈদের সাত দিনের ছুটি শেষে খুলেছে অফিস-আদালত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৪ এএম
ঈদের সাত দিনের ছুটি শেষে খুলেছে অফিস-আদালত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাত দিনের সরকারি ছুটি শেষ হয়েছে সোমবার (২৩ মার্চ)। গত মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এ থেকে ছুটি শুরু হয়।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে অফিস-আদালত খুলেছে। অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত।

ছুটি শেষে কর্মজীবী মানুষ বাস, ট্রেন, লঞ্চে এবং ব্যক্তিগত বাহনে বাড়ি থেকে ফিরেছেন।

গত ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদের পাঁচ দিন ছুটি নির্ধারণ করা ছিল। পূর্ব ঘোষিত ছুটির পাশাপাশি ১৮ মার্চও ছুটির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর ফলে ঈদের ছুটি ছিল মোট সাত দিন।

গত ৫ মার্চ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে শবে কদরের একদিনের ছুটির পর ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করা হয়।

রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ায় ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এ ছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পরে ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা ছিল।

আর গণমাধ্যমকর্মীরা ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি পেয়েছিলেন পাঁচ দিন।

ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তেলের দাম কমে যাবে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৭ এএম
ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তেলের দাম কমে যাবে: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ইতি টানার মতো কোনো চুক্তি হলে তেলের দাম হুড়মুড় করে পড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলা এবং এরপর ইরানের প্রতিশোধমূলক আঘাতে যুদ্ধ শুরুর প্রেক্ষাপটে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।

ইরান তার জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে রাখার কারণে সে পথে জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে আছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প বলছেন, আমাদের একটি চুক্তি হওয়ার বেশ ভালো সম্ভাবনা আছে।

অবশ্য তিনি এ-ও যোগ করেন, কোনো কিছুর নিশ্চয়তা নেই; আমি কোনো কিছুর নিশ্চয়তা দিচ্ছি না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য দুই দেশ ১৫টি দফা নিয়ে আলোচনা করছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র বর্জন ‘এক, দুই ও তিন নম্বর’ দফা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলছেন, তিনি ইরানে ‘শাসনব্যবস্থার বড় পরিবর্তন’ দেখতে চান।

এর আগে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে ‘ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা’ হওয়ার পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

সোমবার (২৩ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান বৈরিতা পুরোপুরি নিরসনের বিষয়ে খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চলমান বৈঠক ও আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে প্রতিরক্ষা বিভাগকে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সব ধরনের সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার (২২ মার্চ) ট্রাম্প তেহরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে হরমুজ প্রণালি সব জাহাজের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।

অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে’ বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এর জবাবে ইরান জানায়, প্রতিশোধ হিসেবে তারা হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে। এই প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বে মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। পাশাপাশি ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনাতেও হামলার হুমকি দেয় তেহরান।

সোমবার ইসলামির রেভুলেশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি তাদের হুমকি বাস্তবায়ন করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোয় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সব অঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

এ ছাড়া যেখানে আমেরিকার অর্থনৈতিক, শিল্প ও জ্বালানি খাতে অংশীদারিত্ব রয়েছে, সেসব অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হবে।

এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা কাউন্সিল সতর্ক করে বলেছে, দেশটির দক্ষিণ উপকূল বা দ্বীপগুলোতে কোনো হামলা হলে উপসাগরীয় নৌপথ বিচ্ছিন্ন করতে সমুদ্রে মাইন পেতে দেওয়া হবে।

তাসকিন-নাইমার ‘অজানা’ রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প

খেলা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ এএম
তাসকিন-নাইমার ‘অজানা’ রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প

তাসকিন আহমেদ এবং সৈয়দা নাইমা রাবেয়া পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ২০১৭ সালে। দুজনের একসাথে পথচলা অবশ্য আরও আগেই শুরু হয়েছিল। একসাথে স্কুলে পড়া থেকে এখন জীবনের পথেও একসাথে এগোচ্ছেন তাসকিন-নাইমা।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দুজনের একসাথে পথচলার পুরো গল্পটা শেয়ার করেছেন তারা। তাসকিনের ছোট বোন রাজার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ২০১০ সাল থেকে নাইমার প্রতি ভালো লাগা শুরু তাসকিনের। যা পূর্ণতা পেয়েছে ২০১৭ সালে এসে।

নিজেদের চেনা জানার ব্যাপারে তাসকিন বলেন, ‘আমরা একসাথে স্কুলে পড়তাম। ভালো লাগা শুরু হয়েছে আমার ছোট বোন রোজার জন্মদিনে বোরকা ছাড়া প্রথম দেখার পর। তখন মনে হল এখন তো সুন্দর লাগতেছে। আমি তখন অনেক ব্যস্ত ছিলাম, যেহেতু একমাত্র ছেলে। যদিও তখনও অনেক ছোট, অনূর্ধ্ব-১৯ খেলতাম। এরপর থেকে ফোনে কথা শুরু। আমি যেহেতু ক্রিকেট নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম, পড়া নেওয়া, সিলেবাস নেওয়া (এসব নিয়ে কথা হত)।’

তাসকিন আরও বলেন, ‘শুকরিয়া যে সৎ একজন জীবনসঙ্গী পেয়েছি। ২০১৪ সালে অভিষেক হওয়ার পর থেকে ভালো সময় যাচ্ছিল ২০১৫ সালে বিশ্বকাপে ভালো করলাম। ২ বছরের মধ্যে ১৫-১৬টা এন্ডোরসমেন্ট পেয়ে গেলাম। আমার মনে হচ্ছিল ‘ওয়াট এ লাইফ!’

এরপর নাইমা বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে যখন স্যুট দেয়, তখন সে বাসার নিচে গিয়েছিল মিট করতে, দেখা করতে, যে দেখো।’ তাসকিনের প্রতি নারী ভক্তদের ভালো লাগার ব্যাপারটিও ভালোই জানেন নাইমা। এ ব্যাপারে নাইমা বলেন, ‘একটা সময় অনেক (নারী ভক্তকে ফেসবুক থেকে) ব্লক করতে হয়েছে। ২০ জনের বেশি (নারীভক্তকে) ব্লক করা হয়েছে একদিন।’