খুঁজুন
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২০ চৈত্র, ১৪৩২

গুগলের সতর্কবার্তা! যে ঝুঁকিতে ৪০% অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারী?

প্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ
গুগলের সতর্কবার্তা! যে ঝুঁকিতে ৪০% অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারী?

বিশ্বজুড়ে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছে গুগল। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, সারা বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এখন মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব ডিভাইসে এমন সফটওয়্যার সংস্করণ ব্যবহৃত হচ্ছে, যেগুলোর জন্য আর নিয়মিত নিরাপত্তা প্যাচ বা আপডেট সরবরাহ করা হয় না।

গুগলের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ১০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এমন অপারেটিং সিস্টেমে চলছে, যেগুলোর নিরাপত্তা সহায়তা ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে এসব ফোন সহজেই ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ও বিভিন্ন সাইবার হামলার ঝুঁকিতে পড়ছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, গত বছর থেকেই অ্যান্ড্রয়েড ১২ এবং তার আগের সব সংস্করণের জন্য নিরাপত্তা আপডেট আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এখনো সক্রিয় অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের মাত্র ৫৮ শতাংশ ব্যবহারকারী অ্যান্ড্রয়েড ১৩ বা তার পরবর্তী সংস্করণে আপডেট করেছেন।

সবচেয়ে নতুন সংস্করণ অ্যান্ড্রয়েড ১৬ বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে মাত্র ৭.৫ শতাংশ ডিভাইসে। যদিও অ্যান্ড্রয়েড ১৪ ও ১৫ ব্যবহারকারীর সংখ্যা যথাক্রমে ১৭.৯ ও ১৯.৩। এখনো কোটি কোটি ব্যবহারকারী পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সংস্করণেই নির্ভর করছেন, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের নিরাপত্তা সংকটের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, পুরোনো ও আপডেটহীন অ্যান্ড্রয়েড ফোন এখন সাইবার অপরাধীদের জন্য সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। অফিসিয়াল সিকিউরিটি প্যাচ না থাকায় ব্যবহারকারীর অজান্তেই হ্যাকাররা ফোনে আড়ি পাততে পারে। এতে ব্যাংকিং তথ্য, ব্যক্তিগত বার্তা এমনকি আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে তথাকথিত ‘ব্যাকগ্রাউন্ড স্পাইওয়্যার’ নিয়ে। এসব ক্ষতিকর সফটওয়্যার নীরবে ফোনে সক্রিয় থেকে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত চ্যাট, ছবি, কল লগ ও অনলাইন লেনদেনের তথ্য নজরদারিতে রাখে।

এই পরিস্থিতিতে গুগলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—যেসব ফোনে অ্যান্ড্রয়েড ১৩ বা তার পরবর্তী সংস্করণ নেই, কিংবা যেসব ডিভাইস আর নিয়মিত নিরাপত্তা আপডেট পাচ্ছে না, সেগুলো দ্রুত নতুন ডিভাইসে আপগ্রেড করা উচিত। পাশাপাশি ফোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অটোমেটিক সফটওয়্যার আপডেট চালু রাখার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার ঘটনা বাড়তে থাকায় পুরোনো ও আপডেটহীন অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গুগলের এই সতর্কবার্তা নতুন করে সেই ঝুঁকির কথাই মনে করিয়ে দিল। সচেতন না হলে ক্ষতির আশঙ্কা আরও বাড়বে।

সূত্র : কালবেলা

ফরিদপুরে অধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে অধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের অধিবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ঘন্টাব্যাপী উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে এক পক্ষে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অন্য পক্ষে ওই ইউনিয়নের খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের লোকজন নেতৃত্ব দেয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ওই তিনটি গ্রামের লোকদের সঙ্গে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকদের বিরোধ চলে আসছিল। এই পূর্ব বিরোধের জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে খাপুরা গ্রামের এক ব্যক্তি মনসুরাবাদ গ্রামে এলে তাকে মারধর করা হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের লোকজন জোটবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মনসুরাবাদ বাজারের ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসীর ওপর হামলা চালায়। তখন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পরে ভাঙ্গা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।সংঘর্ষের সময় মনসুরাবাদ বাজারের চার-পাঁচটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ওই এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তবে, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

“দেশে জ্বালানি সংকট নেই, কৃত্রিম সংকটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা”: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
“দেশে জ্বালানি সংকট নেই, কৃত্রিম সংকটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা”: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী পানি ব্যবস্থাপনা, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে গৃহীত প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, চলমান প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল, জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্যা, পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই। একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল ও পেট্রোল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, নদীভাঙন রোধে সরকার বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এসব প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোকে সুরক্ষার আওতায় আনা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নদীভাঙন শুধু অবকাঠামোগত নয়, এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা। তাই আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থায়ী সমাধানের দিকে এগোচ্ছি।”

এর আগে, প্রতিমন্ত্রী ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ে পৌঁছালে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে তাকে বরণ করে নেন।

ফরিদপুরে নানা আয়োজনে ওমেন কার্ণিভাল ২০২৬ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নানা আয়োজনে ওমেন কার্ণিভাল ২০২৬ অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ওমেন কার্ণিভাল ২০২৬ (Women Carnival–2026)। নারীর সক্ষমতা ও দক্ষতা উন্নয়ন সংগঠন নন্দিতা সুরক্ষা শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজন করে।

ফরিদপুর শিশু একাডেমী  মিলনায়তনে  নারীর শক্তি, নেতৃত্ব ও সম্ভাবনা উদযাপনের ব্যাতিক্রমী এই  আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৩শ‘ জন নারী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্বকারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ফরিদপুর-৩ আসনের  সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহিলা বিষয়ক অধিদফতর, ফরিদপুর-এর উপ-পরিচালক মাসউদা হোসাইন এবং দ্যা এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসাইন।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে ‘জাগো নারী জাগো বণ্হিশিখা…’ গানের তালে  মনোমুগ্ধকর স্বাগত নৃত্য পরিবেশিত হয়।

নন্দিতা সুরক্ষার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক তাহিয়াতুল জান্নাত রেমি তার স্বাগত বক্তব্যে প্রকল্পের উদ্দেশ্য, কার্যক্রম এবং নারীদের নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই আয়োজন শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি নারীদের শক্তি, সাহস, স্বপ্ন এবং সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল প্রতিফলন। দ্যা এশিয়া ফাউন্ডেশন ও এফসিডিও-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠান নারীর ক্ষমতায়ন, নেতৃত্ব এবং সামাজিক পরিবর্তনে তাদের ভূমিকা তুলে ধরার এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী নারীদের মধ্য থেকে শিলা বিশ্বাস (জেলে কমিউনিটি) ও নিশাত নাবিলা (ছাত্রী) তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি  ব্যাক্ত করেন। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে নারীদের সংগ্রাম, চ্যালেঞ্জ এবং এগিয়ে যাওয়ার গল্প।

মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীরা সরাসরি তাদের মতামত, অভিজ্ঞতা এবং প্রত্যাশা তুলে ধরেন। এসময় নারীদের বাস্তব সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার অবতারণা হয়।

প্রধান অতিথি  নায়াব ইউসুফ আহমেদ তার বক্তব্যে নারীদের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, নারীরা শুধু সমাজের অংশ নয়, বরং পরিবর্তনের চালিকাশক্তি। অনুষ্ঠানটি একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে তা হলো, নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে, নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিকেলে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি  সেশন অনুষ্ঠিত হয়। মেডিনোভা হাসপাতালের মেন্টাল হেলথ কাউন্সেলর রিসালাতুন নাহার রিনা সেশনটি পরিচালনা করেন যেখানে নারীদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শেষ অংশে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। গান, নাচ ও বিভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে উদযাপন করা হয় নারীর সৃজনশীলতা ও শক্তি। সেখানে কনসার্ট ফর লেডিজে গান পরিবেশন করে ব্যান্ড দল ‘ অংশ’।

আয়োজকরা জানান, এই Women Carnival নারীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সচেতনতা এবং পারস্পরিক সংযোগ বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।