খুঁজুন
, ,

দুধ দিয়ে গোসল করা কি জায়েজ? এক পলকে জেনে নিন

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ
দুধ দিয়ে গোসল করা কি জায়েজ? এক পলকে জেনে নিন

মানুষের সমাজে যুগে যুগে নানা ধরনের লোকাচার, কুসংস্কার ও ভিত্তিহীন বিশ্বাস প্রচলিত হয়েছে। বিশেষ করে কোনো বিপদ-আপদ, অশুভ ঘটনা বা ব্যক্তিগত ভুলের পর অনেকেই এমন কিছু কাজ করে থাকেন, যেগুলোর সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।

আমাদের সমাজেও দেখা যায়, কেউ বড় ধরনের ভুল করলে, কোনো অমঙ্গল থেকে মুক্তি পেতে চাইলে কিংবা অতীতের পাপ ধুয়ে ফেলতে চাইলেই দুধ দিয়ে গোসল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। অনেকে এটিকে সৌভাগ্য ফিরে পাওয়ার উপায় বা অশুভ প্রভাব দূর করার মাধ্যম বলেও মনে করেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এ ধরনের বিশ্বাস ও আমলের কোনো শরয়ি ভিত্তি আছে কি? ইসলামের দৃষ্টিতে দুধ দিয়ে গোসল করা কি বৈধ? এ বিষয়ে আলেমদের বক্তব্য ও শরিয়তের নির্দেশনা জানা জরুরি।

রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের (মিরপুর-১২) সিনিয়র মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী বলেন, পাপ বা ভুল থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ইসলাম তাওবা করতে বলেছে। কিন্তু আমাদের সমাজে অনেকে ভুল থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য দুধ দিয়ে গোসল করেন, এটা ঠিক নয়। শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি একটি ভুল কাজ।

তিনি বলেন, দুধ আল্লাহ তাআলার বড় নেয়ামত। এটি পানীয় ও খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের জন্য আল্লাহ মানুষকে দিয়েছেন। দুধ দিয়ে গোসল করলে দুধ নষ্ট হয়। তখন সেটি আর মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। ফলে এটি অপচয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। আর ইসলাম অপচয়কে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে আদমসন্তান, তোমরা খাও এবং পান করো, তবে অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা আরাফ : ৩১)

কোরআনে আরও আছে, ‘নিশ্চয়ই যারা অপচয় করে, তারা শয়তানের ভাই এবং শয়তান তার রবের প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ।’ (সুরা বনি ইসরাইল: ২৮)

উল্লিখিত আয়াতগুলো থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, খাদ্যোপযোগী ও মূল্যবান নেয়ামত অকারণে নষ্ট করা ইসলামের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। দুধ দিয়ে গোসল করার ফলে দুধের যথাযথ ব্যবহার হয় না; বরং তা অপচয়ের শামিল হয়। তাই এটি পরিত্যাজ ও গোনাহের কাজ।

এ ছাড়া দুধ দিয়ে গোসল করলে অতীতের ভুল, গোনাহ বা কোনো অশুভ প্রভাব দূর হয়ে যায়—এ রকম বিশ্বাস করাও শরিয়তবিরোধী কাজ। এতে আকিদায় সমস্যা হয়।

সূত্র : কালবেলা

আপনার নখ কি বিপদের সংকেত দিচ্ছে? খেয়াল করুন ৫ লক্ষণ

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ
আপনার নখ কি বিপদের সংকেত দিচ্ছে? খেয়াল করুন ৫ লক্ষণ

ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বা গ্রুমিংয়ের কথা উঠলে নখের যত্নের বিষয়টি অবধারিতভাবেই চলে আসে। নখ সুন্দর ও ঝকঝকে রাখতে আমরা অনেকেই নিয়মিত ম্যানিকিউর বা পেডিকিউর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে থাকি।

তবে নখ কেবল সৌন্দর্যের অনুষঙ্গ নয়; বরং এটি আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যের এক বিশেষ আয়না।সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ম্যারিল্যান্ড ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ড. কুনাল সুদ নখের এমন পাঁচটি লক্ষণের কথা জানিয়েছেন, যা শরীরের বড় কোনো সমস্যার আগাম সংকেত হতে পারে।

নিচে সেই লক্ষণগুলো তুলে ধরা হলো:

১. চামচাকৃতি নখ ও আয়রনের অভাব

যদি আপনার নখ স্বাভাবিকের চেয়ে বাঁকা হয়ে চামচের মতো গর্ত হয়ে যায়, তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘কোইলোনিচিয়া’। ড. সুদের মতে, এ লক্ষণটি মূলত শরীরে দীর্ঘস্থায়ী আয়রনের অভাবের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। আয়রনের অভাব নখের বৃদ্ধি এবং কেরাটিন গঠনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে কেবল নখ দেখেই রোগ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য ফেরিটিন এবং সিবিসি রক্ত পরীক্ষা করা জরুরি।

২. নখে সাদা দাগের রহস্য

অনেকের নখেই ছোট ছোট সাদা দাগ দেখা যায়। সাধারণত নখে কামড়ানো, ধাক্কা লাগা বা ম্যানিকিউর করার সময় সামান্য চোট লাগলে নখের ম্যাট্রিক্সে এমন দাগ তৈরি হয়। এগুলো নখের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অগ্রভাগের দিকে সরে যায়। তবে ড. সুদ সতর্ক করেছেন যে, কোনো আঘাত ছাড়াই যদি নখে এমন দাগ দেখা দেয়, তবে তা ক্যালসিয়াম বা জিঙ্কের অভাবের ইঙ্গিত হতে পারে, যার জন্য আরও বিশদ স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজন।

৩. হঠাৎ দেখা দেওয়া কালচে রেখা

নখের ওপর যদি নতুন কোনো স্থায়ী কালচে বা গাঢ় রঙের রেখা বা দাগ দেখা দেয়, তবে তাকে অবহেলা করা ঠিক নয়। ড. কুনাল সুদ জানান, অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই রেখাগুলো ক্ষতিকারক না হলেও কখনো কখনো এটি ‘নেল মেলানোমা’ বা এক ধরনের মারাত্মক ত্বকের ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। যদি এ দাগটি ক্রমান্বয়ে চওড়া হয়, চারপাশের ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে কিংবা নখ ফেটে যায়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৪. নখ হলদেটে ও পুরু হয়ে

যাওয়া নখ যদি উজ্জ্বলতা হারিয়ে হলদে বর্ণ ধারণ করে এবং পুরু হয়ে যায়, তবে এটি সাধারণত ছত্রাক বা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের লক্ষণ। বিশেষ করে পায়ের নখে এ সমস্যাটি বেশি দেখা যায়। তবে সোরিয়াসিস, একজিমা কিংবা কোনো আঘাতের কারণেও নখ এমন হয়ে যেতে পারে, তাই চিকিৎসকের মাধ্যমে আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া দরকার।

৫. আঙুলের ডগা ফুলে যাওয়া বা ক্লাবড নখ

আঙুলের ডগা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া এবং নখ অতিরিক্ত মাত্রায় নিচের দিকে বেঁকে যাওয়াকে চিকিৎসাবিদ্যায় ‘ক্লাবিং’ বলা হয়। ড. সুদের মতে, এটি বেশ উদ্বেগজনক একটি লক্ষণ। নখের এই পরিবর্তন ফুসফুসের রোগ, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, লিভারের জটিলতা কিংবা অন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগের সংকেত দিতে পারে। তাই এমনটি লক্ষ্য করলে স্বাভাবিক মনে না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ফরিদপুরে পৃথক অভিযানে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পৃথক অভিযানে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর জেলা সদরের ভাটি কানাইপুর এলাকায় অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ভাটি কানাইপুর গ্রামের বিল্লাল মিয়ার ছেলে মো. শামীম ইসলাম রাজু (২২) এবং একই এলাকার স্বপন মিয়ার ছেলে মো. রাজিবুল হাসান (৩৩)।

ফরিদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার দুপুরে ভাটি কানাইপুর এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রথম অভিযানে ভাটি কানাইপুর গ্রামের বটতলা এলাকায় রেজাউল মাতুব্বরের চা-পানের দোকানের সামনে থেকে শামীম ইসলাম রাজুকে আটক করা হয়। তিনি কানাইপুর বাজার থেকে গোপালপুর ব্রিজগামী পাকা সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তার কাছ থেকে ১০১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে, একই এলাকার নিজ বসতঘরে অভিযান চালিয়ে মো. রাজিবুল হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, রাজিবুলের নিজ দখলীয় বসতঘরের উত্তর পাশের একটি কক্ষের ভেতর থেকে ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

দুটি অভিযানে উদ্ধার করা ইয়াবার মোট পরিমাণ ১ হাজার ১ পিস। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ফরিদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভাটি কানাইপুর এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।

ফরিদপুরে ফের ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান, উচ্ছেদ হলো শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ফের ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান, উচ্ছেদ হলো শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

ফরিদপুর শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ফের অভিযান চালিয়েছে ফরিদপুর পৌরসভা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকান, স্থাপনা ও অন্যান্য অবৈধ দখল উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে পথচারীদের চলাচলের জায়গা উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেল ৩টা থেকে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে রোববারও (৯ আগস্ট) শহরের কয়েকটি এলাকায় একই ধরনের অভিযান চালায় পৌর কর্তৃপক্ষ।

সোমবারের অভিযানে শহরের জনতা ব্যাংকের মোড়, নিউমার্কেটের সামনে, চকবাজার, থানা রোড, মহাকালী পাঠশালার মোড়, বলাকা সুপার মার্কেটের সামনে, ময়রা পট্টিসহ আশপাশের এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জাকিরের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। এ সময় কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে ফুটপাত ও সড়কের ওপর বসানো বিভিন্ন অস্থায়ী দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দখলদারদের ভবিষ্যতে ফুটপাত বা সড়কের জায়গা দখল করে কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

পৌরসভা সূত্র জানায়, শহরের ব্যস্ততম সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোর ফুটপাত দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালামাল এবং অস্থায়ী স্থাপনার দখলে থাকায় পথচারীদের ভোগান্তি বাড়ছিল। অনেক ক্ষেত্রে ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে পথচারীদের মূল সড়কে নেমে চলাচল করতে হয়। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হয়।

অভিযানের ফলে কয়েকটি এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দৃশ্যমানভাবে উন্মুক্ত হয়েছে। এতে পথচারীদের চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি যানবাহন চলাচলেও শৃঙ্খলা ফিরবে বলে আশা করছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

ফরিদপুর পৌরসভা জানিয়েছে, শহরকে পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও পথচারীবান্ধব রাখতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ফুটপাত দখলমুক্তকরণ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। উচ্ছেদের পর পুনরায় যাতে কেউ ফুটপাত বা সড়ক দখল করতে না পারে, সে বিষয়েও নজরদারি জোরদার করা হবে।

এদিকে পৌরসভার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শহরের সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, শুধু অভিযান চালিয়ে স্থাপনা উচ্ছেদ করলেই হবে না; উচ্ছেদের পর নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে দীর্ঘমেয়াদে শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং পথচারীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।