খুঁজুন
, ,

বন্যার পানি দিয়ে অজু বা গোসল করা যাবে কি? ইসলাম যা বলে

মুফতি দিদার হুসাইন
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ
বন্যার পানি দিয়ে অজু বা গোসল করা যাবে কি? ইসলাম যা বলে

ইসলাম পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতার ধর্ম। তাই ইবাদতের জন্য শরীর, পোশাক ও স্থান যেমন পবিত্র হওয়া জরুরি, তেমনি পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যমও হতে হবে শরিয়তসম্মত। আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি আকাশ থেকে পবিত্র ও পবিত্রকারী পানি বর্ষণ করেছি। (সুরা আল-ফুরকান: ৪৮)

ইসলামী ফিকহের একটি মৌলিক নীতি হলো, পানি মূলত পবিত্র ও পবিত্রকারী। সুতরাং কোনো পানি অপবিত্র হওয়ার নিশ্চিত প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত তাকে পবিত্র বলেই গণ্য করা হবে। বন্যার পানি সাধারণত বৃষ্টির পানি ও নদীর পানির সমন্বয়ে গঠিত হয়। এ দুই ধরনের পানিই পবিত্র। তাই কেবল বন্যার পানি হওয়ার কারণে তা অপবিত্র হয়ে যায় না। (আল-হিদায়া, ফাতহুল কাদির: ১/৭৪)

ঘোলা পানি কি অপবিত্র?

বন্যার পানিতে মাটি, বালু, কাদা বা অন্য কোনো পবিত্র বস্তু মিশে পানি ঘোলা হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। এতে পানির রং বা স্বচ্ছতা পরিবর্তিত হলেও শুধু এ কারণেই পানি অপবিত্র হয়ে যায় না। পানির সঙ্গে কোনো পবিত্র বস্তু মিশে রং, ঘ্রাণ বা স্বাদে পরিবর্তন এলেও, যতক্ষণ পানি তার স্বাভাবিক তরলতা বজায় রাখে এবং তাকে ‘পানি’ বলাই যায়, ততক্ষণ তা দিয়ে অজু ও গোসল করা বৈধ। যেমন: বন্যার পানিতে মাটি বা বালু মিশে যাওয়া কিংবা সাবান বা জাফরানের কারণে পানির রং পরিবর্তিত হওয়া। (শারহু মুখতাসার আত-তহাবি, ১/২২৭; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়া , ১/৭৩)

তবে যদি কোনো পবিত্র বস্তু এত বেশি মিশে যায় যে, পানির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যই নষ্ট হয়ে যায় এবং তাকে আর সাধারণ পানি বলা না যায়, তাহলে সে পানি নিজে পবিত্র থাকলেও তা দিয়ে অজু বা গোসল করা বৈধ হবে না। (আল হিদায়া, ফাতহুল কাদীর: ১/৭৭)

পানির সঙ্গে নাপাকি মিশে গেলে বিধান কী?

অনেক সময় বন্যার পানির সঙ্গে নর্দমার পানি বা অন্যান্য নাপাক বস্তু মিশে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রেও শরিয়তের বিধান হলো, কেবল নাপাকি মিশলেই পানি অপবিত্র হয়ে যায় না; বরং নাপাকির কারণে যদি পানির রং, ঘ্রাণ বা স্বাদের কোনো একটি পরিবর্তিত হয়ে যায়, তখন সে পানি অপবিত্র বলে গণ্য হবে। কিন্তু এসব বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন না এলে সেই পানি দিয়ে অজু ও গোসল করা বৈধ। (ফাতাওয়া আলমগিরি: ১/৬৮)

একইভাবে প্রবহমান নদী বা স্রোতের পানিতে নাপাকি পড়লেও যদি পানির রং, ঘ্রাণ বা স্বাদ পরিবর্তিত না হয়, তাহলে সে পানি পবিত্র থাকবে। (ফাতাওয়া আলমগিরি: ১/৬৮)

বড় জলাশয়ের এক পাশে নাপাকি পড়লেও, যদি জলাশয় এত বড় হয় যে এক পাশের নাড়া অন্য পাশে পৌঁছে না, তাহলে দূরের অংশের পানি দিয়ে অজু ও গোসল করা বৈধ। (আল- ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়া: ১/৩৬)

পানিতে প্রাণী মারা গেলে

যেসব প্রাণীর দেহে প্রবহমান রক্ত নেই—যেমন মাছি, মশা, ভোমরা বা বিচ্ছু; সেগুলো পানিতে পড়ে মারা গেলে পানি অপবিত্র হয় না। একইভাবে মাছ, কাঁকড়া, ব্যাঙ প্রভৃতি জলজ প্রাণী পানির মধ্যেই মারা গেলেও সে কারণে পানি অপবিত্র হবে না। (শারহু মুখতাসার আত-তহাবি: ১/২৭১)

পবিত্র পানি না পাওয়া গেলে

যদি বন্যার পানি অজু বা গোসলের উপযোগী না থাকে এবং পবিত্র পানিরও কোনো ব্যবস্থা না হয়, তাহলে শরিয়ত তায়াম্মুমের অনুমতি দিয়েছে। মাটি, পাথর, দেয়াল বা এ জাতীয় বস্তু দ্বারা তায়াম্মুম করে নামাজ আদায় করা যাবে। (সুরা আন নিসা: ৪৩, আল ফাতাওয়া আল-হিন্দয়া: ১/৮০)

সারসংক্ষেপ

বন্যার ঘোলা পানি মানেই নাপাক নয়। মাটি, বালু বা অন্য কোনো পবিত্র বস্তু মিশে ঘোলা হলে এবং নাপাকির কারণে পানির রং, ঘ্রাণ বা স্বাদ পরিবর্তিত না হলে সে পানি দিয়ে অজু ও গোসল করা বৈধ। তবে পানির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য নষ্ট হয়ে গেলে অথবা নাপাকির কারণে তার গুণাবলি পরিবর্তিত হলে তা দিয়ে পবিত্রতা অর্জন বৈধ হবে না।

লেখক: শরিয়াহ কনসালট্যান্ট

শীতকালে কলা খেলে কি আসলেই ক্ষতি হয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
শীতকালে কলা খেলে কি আসলেই ক্ষতি হয়?

শীতের আগমন ঘটলেই খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানাবিধ প্রশ্ন ও ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়। এর মধ্যে অন্যতম বহুল প্রচলিত একটি ধারণা হলো, শীতের দিনে বা রাতে কলা খেলে ঠান্ডা লাগা বা সর্দি-কাশির সমস্যা বেড়ে যায়। কিন্তু আধুনিক পুষ্টি বিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য কি এই ধারণাকে সমর্থন করে?

দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক স্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইল প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, শীতকালে খাদ্যতালিকা থেকে কলাকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া একদমই উচিত নয়। যদিও সর্দি-কাশি, সাইনাস বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতা প্রয়োজন, তবুও শীতকালীন প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে কলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈজ্ঞানিক তথ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণার ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত এই ফিচারে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো শীতকালে কলা খাওয়ার উপকারিতা, সতর্কতা এবং এর পিছনের বিজ্ঞান।১. পুষ্টির উপাদান ও শীতকালীন স্বাস্থ্য রক্ষা শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় অনেকেরই হাড়ের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে এবং তা মজবুত করতে নিয়মিত ক্যালসিয়াম ও প্রয়োজনীয় খনিজ গ্রহণ করা জরুরি।

দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলা হলো পুষ্টির একটি অন্যতম শক্তিশালী উৎস। কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ফোলেট, নিয়াসিন, রিবোফ্লাভিন এবং ভিটামিন বি৬। এই সকল পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে এবং শীতকালে সুস্থ রাখতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে।

২. হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য

নিয়মিত কলা খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কলায় বিদ্যমান আঁশ বা ফাইবার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লিডস-এর একটি গবেষণার তথ্য উদ্ধৃত করে জানানো হয়, ফাইবার সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ বাড়ালে তা কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ এবং করোনারি হার্ট ডিজিজ—উভয় ধরণের হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া কলায় থাকা পটাশিয়াম হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে এবং মস্তিষ্ককে সতেজ ও সতর্ক রাখতে সাহায্য করে।

৩. হজম প্রক্রিয়া ও দীর্ঘক্ষণ শক্তি বজায় রাখা

কলায় দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয়—দুই ধরনের ফাইবারই প্রচুর পরিমাণে থাকে। দ্রবণীয় ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে ধীরগতির করে, যার ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূত হয়। এই কারণেই সকালের নাস্তায় কলা অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে সারাদিনের শুরুতে প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায় এবং বারবার ক্ষুধা না লাগে।

৪. শীতের রাতে কলা খাওয়া: সম্ভাবনা ও বিতর্ক

শীতের রাতে কলা খাওয়া যাবে কি না—তা নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় থাকে। প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাতে মিষ্টি বা অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছা জাগলে তার একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে কলা। এছাড়া সন্ধ্যায় বা জিম করার পর কলা খেলে এতে থাকা পটাশিয়াম পেশির ক্লান্তি দূর করে এবং রাতে দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে।

তবে আয়ুর্বেদিক মতামত অনুযায়ী, রাতে কলা খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো; কারণ এটি হজম হতে বেশি সময় নেয়, কাশির প্রকোপ বাড়াতে পারে এবং শরীরে কিছুটা অলসতা তৈরি করতে পারে।

৫. কারা সতর্ক থাকবেন এবং কখন কলা এড়িয়ে চলবেন?

শীতকালে কলা অত্যন্ত উপকারী হলেও কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা আবশ্যক। চিকিৎসা বিজ্ঞান ও গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যারা সাধারণ সর্দি-কাশি, সাইনাস বা অন্যান্য শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত, তাদের শীতকালে রাতে কলা খাওয়া সীমিত করা বা এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ শ্লেষ্মা বা মিউকাসের সংস্পর্শে এলে এটি কিছুটা ইরিটেশন বা অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে।

সালথায় ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের সড়ক-আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা, অমান্য করলেই ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
সালথায় ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের সড়ক-আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা, অমান্য করলেই ব্যবস্থা

ক্লাস চলার সময়ে নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে রাস্তাঘাট বা অপ্রয়োজনীয় স্থানে ঘোরাফেরা করলে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এমন কঠোর নির্দেশ দিয়েছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা প্রশাসন।

​বুধবার (০৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সালথা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সালথা উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ক্লাস চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে বা অপ্রয়োজনীয় স্থানে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর অভিভাবককে উপজেলা প্রশাসনে বা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না মর্মে অভিভাবকের কাছ থেকে উপযুক্ত মুচলেকা গ্রহণ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

​উপজেলা প্রশাসন জানায়, এই নির্দেশনা অত্যন্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার স্বার্থেই মূলত এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে সালথা উপজেলা প্রশাসন।

সালথায় জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
সালথায় জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের সালথায় ফসলি জমির সীমানায় বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় অন্তত ১৫টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

​বুধবার (০৪ নভেম্বর) বিকেলে সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

​স্থানীয়রা জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও ফসলি জমি নিয়ে মেহেরদিয়া গ্রামের মো. কালাম মুন্সীর সঙ্গে নুর ইসলাম মুন্সীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার দুপুরে কালাম মুন্সী তাঁর ফসলি জমির সীমানায় বেড়া দিতে গেলে নুর ইসলামের সমর্থকরা তাঁকে মারধর করেন।

​এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে জড়ো হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এ সময় হামলা চালিয়ে অন্তত ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর করে সংঘর্ষকারীরা।

​এ ঘটনায় কালাম মুন্সী ও শাহজাহান মাতুব্বরসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

​সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, ‘জমিতে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।’

​এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।