খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

আত্মশুদ্ধি, সংযম আর রহমতের বার্তায় পবিত্র রমজান

রেহেনা ফেরদৌসী
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
আত্মশুদ্ধি, সংযম আর রহমতের বার্তায় পবিত্র রমজান

রমজান মাস মুসলিম বিশ্বে রহমত ও বরকতের বার্তা নিয়ে আসে। আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। মুসলিম উম্মাহর জন্য এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিশেষ সময়। রমজান মাসে মুসলমানরা সিয়াম সাধনা করে, ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে।

বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের জন্য, পবিত্র রমজান মাস হলো প্রতিফলন এবং প্রার্থনার একটি পবিত্র সময়। রমজান আশা, রহমত এবং বরকত এর এক মহৎ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করে। এ মাস হলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের জন্য আত্মচিন্তা ও প্রার্থনার এক পবিত্র সময়, আশা ও এক মহৎ দর্শনের প্রতীক।

এই পবিত্র মাসে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে মানুষের জন্য আরও সুন্দর, উদার ও ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব হবে। কিন্তু মানব পরিবারের অনেক সদস্যের কাছে এই দৃষ্টিভঙ্গি দূরবর্তী থেকে যায়।

রমজানের রহমত ও বরকত:

আল্লাহ তায়ালা রমজান মাসে তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমত ও বরকত নাজিল করেন। এই মাসে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে, যা মুসলমানদের জন্য হেদায়েত ও পথনির্দেশিকা।

ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের সুর:

রমজান মাসে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের সুর বয়ে যায়। এ মাসে মুসলমানরা একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা ও সহানুভূতি প্রদর্শন করে, একে অপরের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করে। এই মাসে মসজিদগুলোতে তারাবির নামাজের জন্য মুসলমানরা একত্রিত হয় এবং একসাথে ইবাদত করে। এই সম্মিলিত ইবাদত মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের অনুভূতি জাগ্রত করে।

রমজানের প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাতের দরজা খোলা থাকে। অথচ আফগানিস্তান থেকে ইয়েমেন, গাজা থেকে সুদান এবং তারও বাইরে সংঘাত, ক্ষুধা, বাস্তুচ্যুতি, বৈষম্যসহ নানান দুর্ভোগে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। বিভেদ দূর করতে ও দুঃখ কষ্টে থাকা মানুষের কাছে সহায়তা ও আশা পৌঁছে দিতে এবং প্রত্যেক মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করতে এই কঠিন ও বিভক্ত সময়ে রমজানের চিরন্তন বার্তা স্মরণ করা প্রয়োজন।

আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ:

রমজান মাসে আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের জন্য অনেক সুসংবাদ দিয়েছেন। হাদিসে বর্ণিত আছে, রমজান মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়, এবং শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়। এই মাসে একটি রাত আছে যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম, তা হলো লাইলাতুল কদর। রমজান মাসে মুসলমানরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, এবং আল্লাহ তাদের ক্ষমা করেন…ইনশাআল্লাহ। এই মাসে দান-সদকা ও ইবাদতের সওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি করা হয়।

সহমর্মিতা ও সহানুভূতি:

রমজান মাসে মুসলমানরা সহমর্মিতা ও সহানুভূতির মাধ্যমে একে অপরের প্রতি সহযোগিতা করে। সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মুসলমানরা ক্ষুধার্ত ও দরিদ্রদের কষ্ট অনুভব করে এবং তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। তারা দরিদ্র ও অভাবী মানুষদের সাহায্য করে এবং তাদের জন্য খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবস্থা করে। এই সহমর্মিতা ও সহানুভূতি মুসলিম সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বয়ে আনে।

রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য:

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আত্মশুদ্ধি ও সংযমের শিক্ষা দেয়। সিয়াম সাধনার মাধ্যমে তারা তাদের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে। মুসলমানরা এই মাসে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং বিশ্ববাসীর জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধির দোয়া করে।রমজান মাসে, অনেক শিশু রাতের নামাজের জন্য একত্রিত হওয়া, একসাথে ইফতার করা এবং শিল্প, খেলাধুলার মতো কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করে আনন্দ খুঁজে পায় যা উৎসবের সময় তাদের বিনোদন দিতে সাহায্য করে।

রমজান মাস মুসলিম বিশ্বে শান্তি, বরকত, ও রহমতের বার্তা বয়ে আনে। এই মাসে আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমত ও মাগফিরাত নাজিল করেন। মুসলমানরা এই মাসে সিয়াম সাধনা, ইবাদত-বন্দেগি এর পাশাপাশি দান-সদকা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে। রমজানের এই পবিত্র মাসে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ঐক্য, সহমর্মিতা, এবং শান্তির সুর বয়ে যাক, এই কামনা করি।

আল্লাহ আমাদের সকলকে রমজানের বরকত দান করুন এবং আমাদের মধ্যে মানবিকতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করুন। বিশ্বে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সহমর্মিতার সুর বয়ে যাক এবং পৃথিবীতে শান্তি বর্ষণ করুক, আমিন।

লেখক: সহ-সম্পাদক, সমাজকল্যাণ বিভাগ, কেন্দ্রীয় পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)।

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে, নাসির-তামিমা খালাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে, নাসির-তামিমা খালাস

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ রায় দেন।

এর আগে বুধবার (৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

গত ১৬ এপ্রিল মামলাটিতে বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

মামলাটিতে বাদীপক্ষে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। এরপর আসামিরা সাফাই সাক্ষ্য দেন।

মামলাটিতে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনও শেষ হয়।
২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাম্মির সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়।

তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জানেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন নাসির। তাদের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

এ মামলায় ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরপর একই বছরের ৬ মার্চ মহানগর দায়রা জজ আদালতে নাসির ও তামিমা অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করেন। অন্যদিকে সুমি আক্তারকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করেন বাদীপক্ষ।

২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের রিভিশন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মেদ মামলাটির বিচার চলবে বলে আদেশ দেন। এরপর নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মানবিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সকল বন্দির মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকালে জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর ফল লিচু বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

লিচু বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া এবং জেলার মনির হোসেন। তারা বন্দিদের খোঁজখবর নেন এবং কারাগারের সার্বিক পরিবেশ ও বন্দিদের কল্যাণমূলক বিষয়গুলো পরিদর্শন করেন।

এ সময় জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া বলেন, বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বন্দিদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য, চিকিৎসাসেবা, বিনোদন ও পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি মৌসুমী ফল বিতরণও তার একটি অংশ।

তিনি আরও বলেন, কারাগার শুধু শাস্তি প্রদানের স্থান নয়, বরং সংশোধন ও পুনর্বাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বন্দিদের মানসিক বিকাশ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

লিচু বিতরণ পেয়ে বন্দিদের মধ্যেও সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়। কারা কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ফরিদপুর জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতেও বন্দিদের কল্যাণ ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ
সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মাবেষ্টিত প্রত্যন্ত চরাঞ্চল দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন অবশেষে পেতে যাচ্ছে নিজস্ব ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। দীর্ঘদিন ধরে পরিষদ ভবন না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে ট্রলারে প্রায় দুই ঘণ্টা পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে যেতে হতো। প্রায় দুই হাজার পরিবারের এই ইউনিয়নে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে ইউনিয়নের নুরুদ্দিন সরদার কান্দী বাজার সংলগ্ন এলাকায় সেমি-পাকা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম।

এর আগে একই ইউনিয়নের উপজেলা প্রশাসন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সরদার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবন না থাকায় প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণে তাদের নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন ভবন নির্মিত হলে ইউনিয়নবাসী নিজ এলাকাতেই সহজে নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

এদিকে বহুদিনের প্রত্যাশিত ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।