খুঁজুন
, ,

আপনার সিভি খোলার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই নিয়োগকর্তারা যে ৮ বিষয় লক্ষ্য করেন?

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:০৫ পূর্বাহ্ণ
আপনার সিভি খোলার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই নিয়োগকর্তারা যে ৮ বিষয় লক্ষ্য করেন?

বর্তমান সময়ের চাকরির বাজার আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন ও প্রতিযোগিতামূলক। আপনার হাতে হয়তো দারুণ একটি ডিগ্রি আছে অথবা এক দশকের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে, তবুও অনেক সময় মনে হয় যেন আপনি শূন্যে চিৎকার করছেন; কোথাও কোনো সাড়া মিলছে না। আমরা সাধারণত সিভি তৈরি করার সময় কি-ওয়ার্ড বা এআই অ্যালগরিদমের দিকে বেশি নজর দিই, কিন্তু যখন একজন রক্ত-মাংসের মানুষ আপনার ফাইলটি ওপেন করেন, তখন আসলে কী ঘটে?

সম্প্রতি একজন সাবেক রিক্রুটারের একটি ভাইরাল পোস্ট থেকে জানা গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা গেছে, একজন নিয়োগকর্তা আপনার সিভি খোলার মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন যে আপনি পরবর্তী ধাপের জন্য যোগ্য কি না। এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই আপনার সিভির কিছু নির্দিষ্ট দিক তাদের নজর কাড়ে, যা হয়তো আপনি নিজেও কখনো খেয়াল করেননি। আপনার স্বপ্নের চাকরিতে ডাক পেতে হলে সিভির সেই ৮টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে রাখা জরুরি।

১. পদমর্যাদার তাৎক্ষণিক স্পষ্টতা

নিয়োগকর্তাদের হাতে গোয়েন্দাগিরি করার মতো সময় নেই। আপনার সিভি খোলার সাথে সাথেই যেন বোঝা যায় আপনি ঠিক কোন লেভেলের (জুনিয়র, মিড-লেভেল নাকি সিনিয়র) পদের জন্য যোগ্য। আপনার কাজের শিরোনাম এবং দায়িত্বগুলো যেন প্রথম লাইন থেকেই আপনার ক্যারিয়ারের বর্তমান পর্যায়টি স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে। যদি আপনি মিড-লেভেল পদের জন্য আবেদন করেন কিন্তু আপনার বর্ণনা ইন্টার্নদের মতো হয়, তবে আপনার সিভিটি শুরুতেই বাদ পড়ে যেতে পারে।

২. অহেতুক সংখ্যার ব্যবহার এড়িয়ে চলুন

সিভিতে সংখ্যা বা ম্যাট্রিক্স যোগ করা ভালো, কিন্তু তা যেন অর্থহীন না হয়। ‘১৫% দক্ষতা বৃদ্ধি করেছি’—এমন ভাসা ভাসা তথ্যের চেয়ে সুনির্দিষ্ট ফলাফল দেখান যা কেবল আপনিই অর্জন করেছেন। আপনি ঠিক কীভাবে অর্থ সাশ্রয় করেছেন বা সময় বাঁচিয়েছেন, তার প্রেক্ষাপট উল্লেখ করুন। প্রেক্ষাপটহীন সংখ্যা কেবল শব্দ ছাড়া আর কিছুই নয়।

৩. সম্ভাবনার চেয়ে প্রমাণের গুরুত্ব বেশি

বাজার যখন কঠিন, তখন কোম্পানিগুলো ঝুঁকি নিতে চায় না। আপনি ভবিষ্যতে কী করতে পারবেন, তার চেয়ে অতীতে কী করেছেন তার প্রমাণ দিন। কোনো কাজের ক্ষেত্রে ‘আমি হয়তো এটি পারব’ বলার চেয়ে ‘আমি অতীতে এটি সফলভাবে করেছি’—এমন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা উদাহরণ নিয়োগকর্তাকে অনেক বেশি আশ্বস্ত করে।

৪. পুরোনো অভিজ্ঞতা সংক্ষেপে লিখুন

সিভি কোনো আত্মজীবনী নয়। নিয়োগকর্তারা জানতে চান বর্তমানে আপনার অবস্থান কী, ১০ বছর আগে আপনি কী ছিলেন তা নয়। আপনার সাম্প্রতিক দুই বা তিনটি পদের কাজের বিবরণ বিস্তারিত লিখুন। ১০ বছর আগের কোনো এন্ট্রি-লেভেল চাকরির জন্য কেবল পদবী এবং কোম্পানির নাম দিলেই যথেষ্ট। সিভিটি এমনভাবে সাজান যেন বর্তমান থেকে অতীতের দিকে যাওয়ার সময় অভিজ্ঞতার বর্ণনা ক্রমশ ছোট হয়ে আসে।

৫. কাজের বর্ণনায় সামঞ্জস্য বজায় রাখুন: আপনার পদের নাম, কাজের ধরন এবং আপনার দাবিকৃত প্রভাবের মধ্যে মিল থাকতে হবে। একে বলা হয় সিভির ‘স্মেল টেস্ট’। যদি আপনার পদবী হয় ‘ডিরেক্টর’ কিন্তু কাজের বিবরণে কেবল সাধারণ ডাটা এন্ট্রির কথা থাকে, তবে নিয়োগকর্তার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। সবকিছুর মধ্যে সামঞ্জস্য থাকলে আপনার পেশাদারিত্বের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে।

৬. ‘তাতে কী?’

প্রশ্নের উত্তর দিন একই পদের জন্য হয়তো আরও ৫০ জন আবেদন করেছেন যাদের ব্যাকগ্রাউন্ড আপনার মতোই। নিয়োগকর্তা কেন অন্য সবার বদলে আপনাকেই বেছে নেবেন? আপনার সেই বিশেষ ‘সুপারপাওয়ার’ বা অনন্য দক্ষতাটি সিভিতে হাইলাইট করুন যা আপনাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তোলে। নিজের অনন্য বৈশিষ্ট্য বা অর্জনগুলো এমনভাবে তুলে ধরুন যা দেখে নিয়োগকর্তা বুঝতে পারেন আপনিই এই পদের জন্য সেরা।

৭. পড়ার সময় বাধা বা ‘ফ্রিকশন’ দূর করুন

পড়ার সময় নিয়োগকর্তাকে যদি কোনো বাক্য বুঝতে থেমে যেতে হয় বা কোনো অস্পষ্টতা খুঁজে পান, তবে আপনি পিছিয়ে পড়বেন। একে বলা হয় ‘ফ্রিকশন’ বা পড়ার গতিতে বাধা। অস্পষ্ট শব্দগুচ্ছ, কর্মজীবনের ব্যাখ্যাহীন দীর্ঘ বিরতি বা জটিল টেকনিক্যাল শব্দ আপনার সিভিতে এই বাধা তৈরি করে। সিভিটি এমন সহজবোধ্য ও মসৃণ করুন যেন একবার চোখ বোলালেই আপনার যোগ্যতা বোঝা যায়।

৮. এআই-এর কৃত্রিম ভাষা বর্জন করুন

বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে লেখা সিভিতে নিয়োগকর্তাদের ইনবক্স ভর্তি থাকে, যা অনেক সময় যান্ত্রিক ও প্রাণহীন মনে হয়। তাই নিজের অর্জনগুলো বর্ণনা করার সময় যান্ত্রিক ভাষার বদলে নিজের স্বাভাবিক ভাষা ব্যবহার করুন। একজন রক্ত-মাংসের মানুষের মতো করে নিজের সফলতার গল্প বলুন, যা নিয়োগকর্তার সাথে আপনার একটি মানবিক সংযোগ তৈরি করবে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ফরিদপুরে ১০ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ১০ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

ফরিদপুর পৌর এলাকার পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জলাশয় রক্ষাসহ নাগরিক সমস্যা সমাধানে ১০ দফা দাবিতে পৌর প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে পরিবেশ উন্নয়ন ফোরাম।

​রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভা কার্যালয়ে পৌর প্রশাসক ইলিয়াছুর রহমানের কাছে এ স্মারকলিপি দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির।

​স্মারকলিপিতে পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত মশক নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ, অম্বিকা ময়দানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, পুকুর-জলাশয় দখলমুক্ত করে সংরক্ষণ, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়ন, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বায়ু ও ধুলাদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সবুজায়ন কর্মসূচি জোরদার করার দাবি জানানো হয়।

​স্মারকলিপি পাওয়ার পরপরই পৌর প্রশাসক ইলিয়াছুর রহমান অম্বিকা ময়দান এলাকায় সাউন্ডবক্স বা উচ্চশব্দ সৃষ্টি হয়—এমন কোনো অনুষ্ঠানের অনুমোদন না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। মূলত আশপাশের হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ শান্ত ও শব্দদূষণ মুক্ত রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

​এছাড়া পৌর প্রশাসক জানান, কাঠপট্টি ও চকবাজার এলাকার দুটি পুকুর পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে উত্থাপিত অন্যান্য দাবি বাস্তবায়নেরও আশ্বাস দেন তিনি।

​স্মারকলিপি প্রদানকালে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলুর রহমান, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোবিন্দ চন্দ্র, পরিবেশ উন্নয়ন ফোরামের সহ-সভাপতি রেহেনা পিয়া ও মনোয়ারা রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​পরিবেশ উন্নয়ন ফোরামের নেতারা আশা প্রকাশ করেন, ১০ দফা দাবি বাস্তবায়িত হলে ফরিদপুর পৌরসভার পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি নাগরিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

ছাত্রীর সাথে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বরখাস্ত

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
ছাত্রীর সাথে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বরখাস্ত

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এক খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষকের সঙ্গে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

​আজ রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই তা পুরো ভাঙ্গা উপজেলায় ‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয়।

​এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক নজরুল ইসলামকে বিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হায়দার হোসেনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে এ অব্যাহতি প্রদান করা হয়।

​ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষক নজরুল ইসলাম তার নিজস্ব পরিচালিত একটি কোচিং সেন্টারে ওই ছাত্রীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় রয়েছেন। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়।

​স্থানীয় সচেতন মহল জানান, ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এমন কর্মকাণ্ড বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। শিক্ষাঙ্গনের পবিত্রতা রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

​এ বিষয়ে ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হায়দার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “নজরুল ইসলাম আমাদের বিদ্যালয়ের একজন খণ্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন। তার একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর পর বিষয়টি আমাদের নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।”

​তিনি আরও জানান, “ঘটনাটি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঘটেনি, ঘটেছে তার নিজস্ব কোচিং সেন্টারে। তবে যেহেতু তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাই প্রতিষ্ঠানের নীতি ও নৈতিকতা বজায় রাখতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

ফরিদপুরে চীনা যুবকের সঙ্গে কলেজছাত্রীর বিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চীনা যুবকের সঙ্গে কলেজছাত্রীর বিয়ে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়, সেখান থেকে প্রেম। এরপর পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে। চীনা নাগরিক বলে দাবি করা এক যুবককে বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার এক কলেজছাত্রী। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নবদম্পতিকে একনজর দেখতে তাঁদের বাড়িতে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। এ নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের নকুলহাটি গ্রামে।

তবে শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে ওই বাড়িতে গিয়ে নবদম্পতিকে পাওয়া যায়নি। তাঁরা লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই যুবকের নাম ওয়াং চাও (২৫)। তিনি চীনের নাগরিক বলে দাবি করা হচ্ছে। বিয়ের পর তাঁর নাম রাখা হয়েছে আরিফ ইসলাম। তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তার (২০) ফরিদপুর শহরের সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি সালথার নকুলহাটি গ্রামে।

তাহমিনার পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়াং চাওয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রথম দিকে পরিবারের সদস্যরা এ সম্পর্ক মেনে নিতে চাননি। তবে তাহমিনা নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় পরে পরিবার বিয়েতে সম্মতি দেয়। এরপর গত ১৯ অক্টোবর ঢাকায় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাঁদের বিয়ে হয়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের আগে হলফনামার মাধ্যমে ধর্ম ও নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন ওই যুবক। পরে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের পর গত ২৬ অক্টোবর রাতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি নকুলহাটি গ্রামে আসেন ওয়াং চাও। বিদেশি যুবকের সঙ্গে স্থানীয় কলেজছাত্রীর বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁকে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকেন স্থানীয় লোকজন। এ নিয়ে গ্রামজুড়ে কৌতূহল তৈরি হয়। তবে শনিবার বিকেলে তাঁদের আর বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

তাহমিনার পরিবারের সদস্যরা জানান, ওয়াং চাও সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাঁদের জানা নেই। বর্তমানে তাহমিনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরির কাজ চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তাঁরা দুজনই চীনে চলে যাবেন।

এ বিষয়ে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেন, বিষয়টি আজই লোকমুখে জানতে পেরেছি। আমি ওই বাড়িতে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।