খুঁজুন
, ,

গোলাপেই প্রকাশ প্রেমের অনুভূতি, আজ শুরু ভালোবাসার সপ্তাহ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০২ পূর্বাহ্ণ
গোলাপেই প্রকাশ প্রেমের অনুভূতি, আজ শুরু ভালোবাসার সপ্তাহ

ফেব্রুয়ারি মাসই যেন ভালোবাসার মাস। রোজ ডের মধ্য দিয়ে ভ্যালেন্টাইনস উইকের শুরু হলেও শেষে হয় ভ্যালেন্টাইন্স ডের মাধ্যমে। সারা বছর ধরে কত দিবসই না থাকে। কোনোটা আনন্দের আবার কোনোটি মজার।

তবে ভ্যালেন্টাইনস উইকের দিবসগুলো যেন ভালোবাসাকে পুনর্জীবিত করে। ভ্যালেন্টাইনস উইকের ৭ দিন ধরেই পালন করা হয় ৭টি দিবস।

চলুন জেনে নেওয়া যাক ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহে কবে কোন দিবস-

১। ৭ ফেব্রুয়ারি রোজ ডে বা গোলাপ দিবস। প্রিয় মানুষটিকে ভালোবাসার কথা জানাতে এদিন উপহার দিতে পারেন লাল গোলাপ।

২। ৮ ফেব্রুয়ারি প্রপোজ ডে। আপনার ভালোবাসার কথা জানিয়ে তাকে সারাজীবনের জন্য আপন করে পাওয়ার কথা বলার দিন এটি।

৩। ৯ ফেব্রুয়ারি হচ্ছে চকোলেট ডে। চকোলেট খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। প্রিয় মানুষটিকে তাই এক বক্স চকোলেট উপহার দিতে পারেন এইদিন।

৪। বিশ্ব টেডি ডে হচ্ছে ১০ ফেব্রুয়ারি। চমৎকার একটি টেডি উপহার দিয়ে এদিন প্রিয় মানুষকে আনন্দিত করতে পারেন।

৫। ১১ ফেব্রুয়ারি প্রমিস ডে। ভালোবাসা ও সম্পর্কের ব্যাপারে একই লক্ষ্যে অটল থাকার কথা দেওয়ার দিন।

৬। ১২ ফেব্রুয়ারি হাগ ডে বা আলিঙ্গন করার দিন। প্রিয় মানুষের কাছ থেকে পাওয়া আলিঙ্গনে ভালোবাসার পাশাপাশি লুকিয়ে থাকে ভরসা।

৭। ১৩ তারিখ বিশ্ব চুম্বন দিবস বা কিস ডে। চুম্বন ভালোবাসার অন্যতম চমৎকার বহিঃপ্রকাশ।

৮। ১৪ তারিখ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। প্রিয় মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ভালোবাসা উদযাপনের দিন।

তবে আজ ৭ ফেব্রুয়ারি গোলাপ দিবস। এদিন থেকেই শুরু হয়ে যায় প্রেমের সপ্তাহ। শেষ হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে। এর আগে একেকদিন একেক দিবস। ৭ তারিখ যেমন রোজ ডে।

অভিমান ভাঙাতে কিংবা ভালোবাসার কথা জানাতে প্রিয়জনকে আজ গোলাপ দিতেই পারেন। দেখবেন আপনার না বলা সব কথাই বলে দেবে এই গোলাপ। যুগ যুগ ধরেই এই গোলাপ ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে কাজ করে আছে। গোলাপের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রেম, অনুভূতি আর মুগ্ধতার প্রকাশ। তাই ভালোবাসার অনুভূতি জানাতে প্রিয়জনকে একগুচ্ছ গোলাপ দিতে পারেন। এই ফুল মানুষকে ভালোবাসার অনুভূতির কাছাকাছি নিয়ে যায় এবং সম্পর্কের উষ্ণতা বাড়াতে সাহায্য করে।

প্রচলিত আছে, ভিক্টোরিয়ান যুগে মানুষ প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর জন্য গোলাপ আদান-প্রদান শুরু করেছিলেন। তবে যেভাবে এ প্রথা শুরু হোক না কেন, গোলাপ দিবসে আপনি প্রিয় মানুষকে লাল, গোলাপি, হলুদ, কমলা, সাদা, ল্যাভেন্ডার বা নীল—যে কোনো রঙের গোলাপ উপহার দিতে পারেন। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি রঙের গোলাপ আলাদা অনুভূতির প্রতীক।

গোলাপ দিবস ঠিক কীভাবে শুরু হয়েছিল, সে বিষয়ে খুব বেশি তথ্য জানা যায় না। তবে কেন এই দিনটি উদযাপন করা হয়, তা পরিষ্কার। কারণ, গোলাপ দিবস দিয়েই ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহের সূচনা হয়।

সদরপুরে আড়িয়াল খাঁর ভাঙন থেকে সড়ক রক্ষায় বৃক্ষরোপণ করল ছাত্রদল

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
সদরপুরে আড়িয়াল খাঁর ভাঙন থেকে সড়ক রক্ষায় বৃক্ষরোপণ করল ছাত্রদল

ফরিদপুরের সদরপুরে আড়িয়াল খাঁ নদের ভাঙন থেকে ইটের সড়ক রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা ছাত্রদল। সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় ওই সড়ক ছাড়াও উপজেলার চরনাছিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানে আরও এক হাজারের বেশি গাছের চারা রোপণ করেছে সংগঠনটি।

গত এক সপ্তাহ ধরে চলা এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শেষ হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটি রক্ষায় ইউনিয়নের হাকিমনগর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে দুর্বারটেক ট্রলারঘাট পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির পাঁচ শতাধিক গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

চরনাসিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. রোকন উদ্দীনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে সদরপুর উপজেলা ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী তুষার মাহমুদ, সদরপুর কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হামিম সিয়াম, ছাত্রদল নেতা তরিকুল, হাবিব, আসিফ, আনিস ও অনিকসহ নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।

এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী তুষার মাহমুদ জানান, নদীভাঙন থেকে সড়ক রক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেই আমরা এ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি। ছাত্রদল মানুষের পাশে থেকে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে চায়।

হামিম সিয়াম বলেন, গত কয়েক দিনে প্রায় এক হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। রোপণ করা গাছগুলো যাতে নষ্ট না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা এবং ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের তত্ত্বাবধানে কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নিচ্ছেন।

ফরিদপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় পদ গেল জামায়াত নেতার

এন কে বি নয়ন, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় পদ গেল জামায়াত নেতার

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ ওঠায় মো. ইনামুল মোল্লা (২৬) নামে স্থানীয় এক জামায়াত নেতাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বোয়ালমারী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমিরের দায়িত্বে ছিলেন।

​মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে তাকে সাময়িকভাবে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা ও পৌর জামায়াত নেতারা। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

​ইনামুল মোল্লা পৌরসভার কুশডাঙ্গা গ্রামের মো. আকরাম মোল্যার ছেলে। তিনি বোয়ালমারী বাজারের ‘মোল্লা ডাক্তার কে হালিম হাসপাতাল’-এ রিসেপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত।

​স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, ওই পৌরসভার কুটিপাড়া এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক চালিয়ে আসছিলেন ইনামুল। সম্প্রতি তাদের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি উভয় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

​হাসপাতালের ম্যানেজার রেজাউল করিম জানান, দুই দিন আগে ভুক্তভোগী প্রবাসী মোবাইল ফোনে কল করে ইনামুলের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জানা ছিল না বলে তিনি ওই প্রবাসীকে জানান।

​এদিকে ঘটনার পর থেকে জামায়াত নেতা ইনামুল মোল্লার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দুটি বন্ধ রয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

​বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী পৌর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সৈয়দ সাজ্জাদ আলী বলেন, “প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ পাওয়ায় প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে ইনামুল মোল্লাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ তদন্ত শেষে অভিযোগের সতত্যা পাওয়া গেলে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে। কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় সংগঠন কখনো নেবে না।”

ফরিদপুরে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির স্মারকলিপি

দলিল লেখকদের পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা রক্ষাসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি ফরিদপুর জেলা শাখা। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

​মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে সংগঠনের জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে এ স্মারকলিপি জমা দেন।

​স্মারকলিপি প্রদানকালে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​স্মারকলিপিতে উল্লেখিত ৭ দফা দাবিগুলোর মধ্যে প্রধান দাবিগুলো হলো—

পেশাগত সুরক্ষা: দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা এবং পক্ষগণের সরবরাহকৃত কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল প্রস্তুত করার কারণে দায়িত্ব পালনরত লেখকদের কোনো মামলায় আসামি না করা।

সম্মানী ও একচ্ছত্র অধিকার: প্রতিটি দলিলের বিপরীতে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা বাস্তবায়ন করা এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কাউকে দলিলের মুসাবিদা ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য দাখিলের সুযোগ না দেওয়া।

লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রণ: জেলা, থানা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞ কাউকে নতুন লাইসেন্স প্রদান না করা এবং দলিল লেখক কাউন্সিল গঠনের অনুমতি প্রদান।

অবকাঠামোগত সুবিধা: থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার স্থান ও নামাজের ঘর নির্মাণ করা।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে দলিল লেখকেরা সাধারণ মানুষের জমি-জমা সংক্রান্ত অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সেবা দিয়ে আসছেন। কিন্তু বর্তমানে তাদের পেশাগত অধিকার, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা ঝুঁকির মুখে। সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি, এই যৌক্তিক দাবিগুলো অবিলম্বে মেনে নেওয়া হোক।”

​তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. এ রশিদ এবং মহাসচিব কে. এস. হোসেন টমাসের নেতৃত্বে সারা দেশের দলিল লেখকেরা আজ এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ। সরকার দ্রুত এসব দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।