খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

প্রতিদিন মধু খেলে যা হয়, জানলে অবাক হবেন!

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ
প্রতিদিন মধু খেলে যা হয়, জানলে অবাক হবেন!

প্রাকৃতিক মিষ্টি খাবারের মধ্যে মধুর নাম আসে সবার প্রথমে। চায়ের কাপে, সকালের ওটস, দই কিংবা বিভিন্ন খাবারে মধুর ব্যবহার পরিচিত।

স্বাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যগুণের জন্যও মধু খাওয়া হয়। তবে প্রতিদিন কি মধু খাওয়া উপকারী? নাকি অতিরিক্ত মধু শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে?

কানাডা নিবাসি ভারতীয় বংশদ্ভূত পুষ্টিবিদ কার্লিন রেমেদিওস রিয়েলসিম্পল ডটকম-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেন, “পরিমিত পরিমাণে মধু প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে এর ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি।”

মধুতে যেসব পুষ্টি উপাদান থাকে

মধুর প্রধান উপাদান হল, প্রাকৃতিক শর্করা। বিশেষ করে ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ নামের দুটি সরল শর্করা এতে বেশি থাকে। এই উপাদানগুলো শরীরে দ্রুত শোষিত হয় এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

মার্কিন পুষ্টিবিদ লরেন মানাকারের মতে, মধুতে অল্প পরিমাণে বি-শ্রেণির ভিটামিনও থাকে, যা শরীরের শক্তি উৎপাদন, ত্বকের স্বাস্থ্য এবং পরিপাকক্রিয়ার জন্য সহায়ক। এছাড়া এতে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ উপাদানও সামান্য পরিমাণে পাওয়া যায়।

মধুতে আরও থাকে অল্প পরিমাণে অ্যামিনো অ্যাসিড ও ‘এনজাইম’, যা শরীরের বিভিন্ন জৈবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে কিছু এনজাইম মধুর প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক বৈশিষ্ট্য তৈরিতে সহায়তা করে।

প্রতিদিন মধু খেলে শক্তি পেতে পারেন

অনেকেই দিনের শুরুতে মধু মিশ্রিত পানি বা চা পান করেন। এর কারণ হল, মধুর দ্রুত শক্তি জোগানোর ক্ষমতা।

মধুর প্রাকৃতিক শর্করা খুব দ্রুত রক্তে মিশে যায়। ফলে শরীর দ্রুত শক্তি পায় এবং ক্লান্তি কিছুটা কম অনুভূত হতে পারে।

“যারা ব্যস্ত জীবনযাপন করেন বা শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন, তাদের জন্য অল্প পরিমাণ মধু শক্তির সহজ উৎস হতে পারে”, মন্তব্য করেন কার্লিন।

তবে এই বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, মধু একা কোনো পূর্ণাঙ্গ শক্তির উৎস নয়। দীর্ঘস্থায়ী শক্তির জন্য সুষম খাদ্যের প্রয়োজন রয়েছে।

প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে

শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ, নানান দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

কার্লিন রেমেদিওস বলেন, “মধুতে কিছু উদ্ভিজ্জ যৌগ রয়েছে, যেগুলোর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য আছে।”

এসব যৌগ শরীরের ক্ষতিকর মুক্ত মৌলগুলোর প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে। ফলে কোষের ক্ষতি কিছুটা কম হতে পারে।

তবে মধু সাধারণত অল্প পরিমাণে খাওয়া হয়। তাই ফলমূল ও শাকসবজির মতো এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের বড় উৎস নয়। বরং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত মিষ্টি খাবারের পরিবর্তে মধু ব্যবহার করা স্বাস্থ্যকর।

পরিপাকতন্ত্রের জন্য উপকারী হতে পারে

অন্ত্রের উপকারী জীবাণুগুলোর জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে পারে মধু।

লরেন মানাকার বলেন, “মধুতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে। ফলে অন্ত্রের জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতে এটি সহায়ক হতে পারে।”

বিশেষ করে দইয়ের সঙ্গে মধু খাওয়ার বিষয়টি নিয়ে গবেষণায় ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। দেখা গেছে, মধু দইয়ের উপকারী জীবাণুগুলোকে আরও কার্যকরভাবে টিকে থাকতে সাহায্য করতে পারে।

মিষ্টি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা

অনেকের মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রতি তীব্র আকর্ষণ থাকে। আবার সম্পূর্ণভাবে মিষ্টি বাদ দেওয়ার চেষ্টা অনেক সময় উল্টো অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি করে।

কার্লিন রেমেদিওসের মতে, “অল্প পরিমাণ মধু এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। দই, ফল, ওটস বা সম্পূর্ণ শস্যের রুটির সঙ্গে মধু যোগ করলে খাবারের স্বাদ বাড়ে এবং মিষ্টি খাওয়ার চাহিদাও কিছুটা পূরণ হয়।”

অতিরিক্ত মধু খাওয়ার ঝুঁকি

মধু প্রাকৃতিক হলেও এটি শর্করাযুক্ত খাবার। তাই বেশি খেলে সমস্যা হতে পারে।

লরেন মানাকার বলেন, “অতিরিক্ত মধু খেলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি প্রবেশ করে, যা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। একই সঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্রাও দ্রুত বাড়তে পারে।”

বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, তাদের মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কারণ প্রাকৃতিক হলেও, মধুর শর্করা শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।

“তাই মধু সীমিত পরিমাণে খাওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ”, বলেন লরেন মানাকার।

প্রতিদিন যতটুকু মধু খাওয়া নিরাপদ

এই বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ সুস্থ মানুষের জন্য প্রতিদিন এক থেকে দুই চা-চামচ মধু যথেষ্ট।

এর বেশি খাওয়ার প্রয়োজন সাধারণত নেই। কারণ মধুর স্বাস্থ্যগুণ থাকলেও, এটি মিষ্টি উপাদান।

যাদের দীর্ঘস্থায়ী রোগ রয়েছে, বিশেষ করে ডায়াবেটিস, তাদের নিয়মিত মধু খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মধু খাওয়ার স্বাস্থ্যকর উপায়

মধু একা খাওয়ার পরিবর্তে অন্য পুষ্টিকর খাবারের সঙ্গে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

এই পুষ্টিবিদদের পরামর্শ হল- মধুর সঙ্গে প্রোটিন, আঁশ এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার খেলে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। আর রক্তে শর্করার ওঠানামাও তুলনামূলক কম হয়।

সাধারণ দইয়ের সঙ্গে মধু ও বাদাম, ওটসের সঙ্গে মধু ও বীজ-ধর্মী খাবার বা সম্পূর্ণ শস্যের রুটির সঙ্গে বাদামের মাখন ও মধু ভালো সমন্বয় হতে পারে।

ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন, পুরস্কৃত এডিশনাল এসপি আজমীর হোসেনের টিম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন, পুরস্কৃত এডিশনাল এসপি আজমীর হোসেনের টিম

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মা ও কন্যাশিশু হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় ফরিদপুর জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেনের নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী টিমকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ফরিদপুর জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম এ পুরস্কার প্রদান করেন। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মে সদর উপজেলার কালিতলা এলাকার একটি পুকুরপাড় সংলগ্ন স্থান থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় জাহানারা বেগম (৩০) ও তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যা সামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। নিহত জাহানারা রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পরপরই ফরিদপুর জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট সমন্বিতভাবে তদন্ত শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্তকারী টিম তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত বিশ্লেষণের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করে।

তদন্তে উঠে আসে, ঢাকার একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় জাহানারার সঙ্গে মো. উজ্জ্বল খানের পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উজ্জ্বল তাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে। পরে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে নির্মমভাবে জাহানারা ও তার শিশুকন্যাকে হত্যা করে মরদেহ গোপনে মাটিচাপা দেয়।

তদন্তকারী টিমের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকা থেকে অভিযুক্ত উজ্জ্বল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদাল, ধারালো অস্ত্র, মোবাইল ফোন এবং নিহতদের ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর দ্রুত রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। কালিতলার এই দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সদর সার্কেলের টিম দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের এই সাফল্য অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে ফরিদপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ২০ মৎস্যচাষি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে ফরিদপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ২০ মৎস্যচাষি

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মৎস্য এবং মৎস্যজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ এবং টেকসই মৎস্য খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফরিদপুরে দিনব্যাপী সদস্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট কমিটি (এসডিসি)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিভিন্ন এলাকার ২০ জন মৎস্যচাষি ও সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক ময়েদুজ্জামান এবং এসডিসির মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদুল ইসলাম। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন এসডিসির সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাহুল আমিন।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে নিরাপদ মাছ চাষের আধুনিক কৌশল, উত্তম মৎস্য চাষ অনুশীলন (GAqP), পুকুরের পানি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, মাছের সুষম খাদ্য প্রয়োগ, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ওষুধ ও রাসায়নিকের সঠিক ব্যবহার, অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল প্রয়োগ, মাছ আহরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষকরা বলেন, বর্তমান সময়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেই লক্ষ্য অর্জনে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে মানবস্বাস্থ্য যেমন ঝুঁকির মুখে পড়ে, তেমনি পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ মাছ উৎপাদনের বিকল্প নেই।

তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি মাছ ও মৎস্যজাত পণ্যের চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিরাপদ উৎপাদন নিশ্চিত করা গেলে দেশের মৎস্যখাত আরও সমৃদ্ধ হবে, রপ্তানি আয় বাড়বে এবং প্রান্তিক মৎস্যচাষিরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নিরাপদ ও আধুনিক মাছ চাষ সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করেছেন। অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করে উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে তারা কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং মৎস্যচাষিদের দক্ষতা উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ফরিদপুরের শ্রেষ্ঠ ওসি সদরপুর থানার আব্দুল আল মামুন শাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের শ্রেষ্ঠ ওসি সদরপুর থানার আব্দুল আল মামুন শাহ

ফরিদপুর জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সের শহীদ ছালাম সভাকক্ষে মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে পুরস্কার ও ক্রেষ্ট তুলে দেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, সামগ্রিক কর্মতৎপরতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে অনন্য অবদান রাখায় মো. আব্দুল আল মামুন শাহ’কে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচন করা হয়েছে। তার এ সাফল্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।