খুঁজুন
, ,

শিশু থেকে বৃদ্ধ—কার কতটি খেজুর খাওয়া উচিত?

ডা. আফলাতুন আকতার জাহান
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ
শিশু থেকে বৃদ্ধ—কার কতটি খেজুর খাওয়া উচিত?

পবিত্র রমজান মাসেই আমাদের দেশে খেজুর খাওয়া হয় বেশি। কিন্তু আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে, সুস্থ থাকতে ও দীর্ঘমেয়াদি রোগব্যাধি দূরে রাখতে সারা বছরই নিয়ম করে খেজুর খাওয়া যায়। কোন বয়সে দৈনিক কতটুকু খেজুর খাবেন জানাচ্ছেন ডা. আফলাতুন আকতার জাহান

শিশু (এক থেকে পাঁচ বছর): প্রতিদিন এক থেকে দুটি খেজুর খেতে পারে। শিশুদের খেজুর খাওয়াতে চাইলে বীজ ফেলে ছোট টুকরা করে বা চটকে দেওয়া নিরাপদ।

কিশোর ও তরুণ: প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাতটি খেতে পারেন। পড়াশোনা ও খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় বাড়তি শক্তি জোগাতে এটি দারুণ কাজ করে।

সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক: প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটি বা প্রায় ৪০ গ্রাম খেজুর খেতে পারেন।

বয়স্ক ব্যক্তি: প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি। এই অভ্যাস হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

কখন ও কীভাবে খেজুর খাবেন

সকালে খালি পেটে: রমজান মাসে ইফতারে তো খাওয়াই হয়। এ ছাড়া বছরের অন্যান্য সময় সারা দিন কর্মক্ষম থাকতে ও শরীর ডিটক্স করতে সকালে দুই থেকে তিনটি খেজুর খাওয়া সবচেয়ে ভালো।

পানিতে ভিজিয়ে: সাধারণ সময়ে রাতে তিন থেকে পাঁচটি খেজুর এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি ও খেজুর খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দ্রুত সেরে যায়। তবে রমজান মাসে রাতের বদলে দিনে ভিজিয়ে রেখে সন্ধ্যার পর খেতে পারেন।

দুধের সঙ্গে: রাতে ঘুমানোর আগে দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে পেশি গঠন ও গভীর ঘুমে সহায়তা করে।

ব্যায়ামের আগে: জিম বা ভারী কাজের ৩০ মিনিট আগে খেজুর খেলে দীর্ঘক্ষণ শক্তি পাওয়া যায়।

বিশেষ ক্ষেত্রে সতর্কতা

ডায়াবেটিক রোগী: খেজুরের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হওয়ায় এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। ডায়াবেটিসের রোগীরা প্রতিদিন এক থেকে দুটির বেশি খেজুর খাবেন না এবং তা অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী।

কিডনির রোগী: খেজুরে পটাশিয়াম বেশি থাকায় যাঁদের কিডনির জটিলতা আছে, তাঁদের চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া খেজুর খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

ডা. আফলাতুন আকতার জাহান, জুনিয়র কনসালট্যান্ট, ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগ, স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড, ঢাকা

ফরিদপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, সংবাদ সম্মেলনে ন্যায়বিচারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, সংবাদ সম্মেলনে ন্যায়বিচারের দাবি

ফরিদপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে অতর্কিত হামলা চালানো ও গুরুতর রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

​সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের মরহুম অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন মোল্লা মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্ত সৈয়দ শামস্ তাবরেজ (৫৫) ও তার স্ত্রী খাদিজা বেগমের (৪৫) বিরুদ্ধে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করার অভিযোগ আনা হয়।

​এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য সৈয়দা মোশায়রা মাহবুবা।

​তিনি সাংবাদিকদের জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ সৈয়দ শামস্ তাবরেজ ও তার স্ত্রী লোহার রড, বাঁশের লাঠি এবং কাঠের বাটাম দিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হন।

​সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, এই ন্যাক্কারজনক হামলায় তারা শারীরিকভাবে মারাত্মক জখম হওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

​ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

 

ফরিদপুরে হামে আক্রান্ত ৬ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ২১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামে আক্রান্ত ৬ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ২১

ফরিদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫০ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলাটিতে মোট হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ১৯১ জনে। আর এখন পর্যন্ত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে জেলায় মোট ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

​জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ২৮ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১৪ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৬ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসাসেবা শেষে দুই হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫২ জন।

​প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া ৫০ জনের মধ্যে ৩৬ জন ফরিদপুর জেলার স্থানীয় বাসিন্দা। বাকি ১৪ জন পার্শ্ববর্তী অন্যান্য জেলা থেকে এসে ভর্তি হয়েছেন।

​বর্তমানে জেলাটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১০৮ জন হাম রোগী। এর মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ২৫ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৩ জন ভর্তি আছেন।

ফরিদপুরে ভাড়া বাসা থেকে কলেজছাত্রী নিখোঁজ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ভাড়া বাসা থেকে কলেজছাত্রী নিখোঁজ

ফরিদপুর শহরের অনাথের মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে শারমিন খানম (২৯) নামে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের এক ছাত্রী নিখোঁজ হয়েছেন।

​গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে যান তিনি। এরপর সম্ভাব্য সকল স্থানে সন্ধান চালিয়েও তাঁর কোনো খোঁজ না পেয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন নিখোঁজের মা সাফিয়া বেগম। গত ২৭ সেপ্টেম্বর দায়ের করা জিডি নম্বর ২১১৩।

​জিডি সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ শারমিনের গায়ের রং ফর্সা, শারীরিক গঠন ছিপছিপে (চিকন), উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট, মুখমণ্ডল গোলাকার এবং চুল কালো। নিখোঁজের সময় তাঁর পরনে বোরকা ছিল।

​কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং ওই ছাত্রীকে উদ্ধারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।