খুঁজুন
রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সব কথা বলা উচিত নয়—যে ৭ পরিস্থিতিতে চুপ থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ
সব কথা বলা উচিত নয়—যে ৭ পরিস্থিতিতে চুপ থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ?

কথা তো বলতেই হয়। তবে জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত আসে, যখন চুপ থাকলেই ভালো। মনের কথা বলে যেমন নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা দরকার, তেমনই কোথায় চুপ থাকাটা জরুরি তা জানাও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-

রাগের সময় :

রাগের সময়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় প্রিয়জনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে পারে। রাগের মাথায় একবার কোনও কথা বেরিয়ে গেলে তা ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। রাগের সময় জিনিস ছুড়তে গিয়ে যদি প্রিয়জনের আঘাত লাগে, সেটা মোটেই ভালো কথা নয়। আবার নিজেকে সংযত করতে না পেরে এমন ভাষা ব্যবহার করলেন, যা অন্য দিকের মানুষটিকে তীব্র ভবে আঘাত করল, সেটাও ঠিক নয়। তাই যখন প্রচণ্ড রাগ হয়, নিজেকে সংযত রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। খানিক ক্ষণ চুপ করে থাকলে মস্তিষ্কের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স শান্ত হয়।

রাগ কমাতে নানা কৌশল প্রয়োগ করতে পারেন। বাথরুমে গিয়ে পায়ে ঠান্ডা পানি ঢালুন, কিংবা ঘরে গিয়ে চুপ করে বসে থাকুন। কান্না পেলে কাঁদুন, কষ্ট হলে লিখে ফেলুন ডায়েরিতে। চাইলে গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামও করতে পারেন।

একজন যখন চিৎকার করে :

কোনও বিশেষ পরিস্থিতিতে যদি এক জন চিৎকার করে তখন শান্ত হয়ে যান। শুনতে থাকুন। যখন অন্যের থেকে কোনও কথা বা বিশেষ সত্যি জানতে চাইছেন, তখন এমন কৌশল কাজে আসতে পারে।

দু’জনের তর্ক-বিতর্কের মাঝে:

দু’জনের তর্ক-বিতর্কের মাঝে কোনও এক পক্ষের হয়ে কথা বলতে গেলেও পরিস্থিতি তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।কারণ, সেই সময় কেউই ঠান্ডা মাথায় বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করবেন না।বরং সেই সময় চুপ থাকাই ভালো। তা না হলে সমস্যা আরও বাড়বে।

শোনা দরকার:

কোনও বিষয় নিয়ে যখন ঝামেলা চলছে, তখন প্রত্যেকেই নিজের সমর্থনে অন্যকে পাশে পেতে চাইবেন। এই সময় না শুনে, না বুঝে কাউকে সমর্থন করার চেয়ে চুপ করে উভয়েরই কথা শোনা দরকার। সবটা শুনে নিজের পরামর্শ দিতে পারেন।

গুরুত্বহীন বিষয়ে অযথা তর্ক না করা:

তুচ্ছ বিষয়ে কারও সঙ্গে তর্ক করলে সময় নষ্ট হয়, সম্মানহানিও হতে পারে। তাই এই ধরনের পরিস্থিতিতে চুপ করে থাকাটাই ভালো।

সমালোচনায় অংশ না নেওয়া :

আপনি যদি কারও সমালোচনা করেন, তাহলে পরবর্তীকালে আপনারও সমালোচনা হতে পারে। এই কারণে কখনও অন্যদের বিষয়ে খারাপ কথা বলা উচিত নয়।

সূত্র : সমকাল

সালথায় ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণচেষ্টা

নুরুল ইসলাম নাহিদ, সালথা:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
সালথায় ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণচেষ্টা

ফরিদপুরের সালথায় একটি গ্রামে ৯ বছরের এক শিশু কন্যাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাগানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ওই শিশুটি স্থানীয় একটি মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী।

শনিবার (২৩ মে) দুপুর দুইটার দিকে  উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্ত হলেন- উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বারাংকুলা গ্রামের বাসিন্দা মো. খায়ের দাই (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা মমিন দাইয়ের ছেলে। খায়ের বাড়ির পাশে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করেন। তিনি বিবাহিত। তার ১০ বছর ও ১৩ বছর বয়সী দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির মা জানান, আজ দুপুরে শিশুটি বাড়ির পাশে আম কুড়াতে গিয়েছিল। এ সময় রামদা দিয়ে তার মুখ আটকে ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাগানে নিয়ে যায় খায়ের। সেখানে তাকে  ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়।

স্থানীয়রা জানায়, এ ঘটনা স্থানীয়রা দেখে ফেললে অভিযুক্ত খায়েরকে একটি ঘরে আটকে রাখেন।পরে কৌশলে সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে সালথা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, এ ঘটনার পর অভিযুক্ত খায়েরকে একমাত্র আসামী করে ওই শিশুটির মা বাদী হয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

ভাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় পথচারী নিহত, আহত ৪

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
ভাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় পথচারী নিহত, আহত ৪

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক অজ্ঞাত পথচারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক ও হেলপারসহ চারজন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৩ মে) সকালে বরিশাল-ফরিদপুর মহাসড়কের পৃথক স্থানে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি দ্রুতগামী গাড়ি এক পথচারীকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৪০ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, একই মহাসড়কের পূর্ব সদরদী এলাকায় দুটি পণ্যবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুই ট্রাকের চালক ও হেলপারসহ মোট চারজন গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে ধীরগতি সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এসময় হাইওয়ে থানা পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত দুটি ট্রাক জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন খান জানান, ট্রাক দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া চুমুরদী এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ।

সদরপুরে পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়, ইজারাদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
সদরপুরে পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়, ইজারাদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সাড়ে সাতরশি বাজারের পশুর হাটে সরকার নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার সাড়ে সাতরশি পশুর হাটে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ শাওন।

এসময় ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের প্রমাণ পাওয়ায় হাটের ইজারাদার মো. হায়দার মল্লিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০ ধারা অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ পেয়ে প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ শাওন বলেন, কোরবানির পশুর হাটে কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত অর্থ আদায় বরদাশত করা হবে না। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।