খুঁজুন
, ,

সালথায় ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণচেষ্টা

নুরুল ইসলাম নাহিদ, সালথা:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
সালথায় ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণচেষ্টা

ফরিদপুরের সালথায় একটি গ্রামে ৯ বছরের এক শিশু কন্যাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাগানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ওই শিশুটি স্থানীয় একটি মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী।

শনিবার (২৩ মে) দুপুর দুইটার দিকে  উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্ত হলেন- উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বারাংকুলা গ্রামের বাসিন্দা মো. খায়ের দাই (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা মমিন দাইয়ের ছেলে। খায়ের বাড়ির পাশে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করেন। তিনি বিবাহিত। তার ১০ বছর ও ১৩ বছর বয়সী দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির মা জানান, আজ দুপুরে শিশুটি বাড়ির পাশে আম কুড়াতে গিয়েছিল। এ সময় রামদা দিয়ে তার মুখ আটকে ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাগানে নিয়ে যায় খায়ের। সেখানে তাকে  ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়।

স্থানীয়রা জানায়, এ ঘটনা স্থানীয়রা দেখে ফেললে অভিযুক্ত খায়েরকে একটি ঘরে আটকে রাখেন।পরে কৌশলে সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে সালথা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, এ ঘটনার পর অভিযুক্ত খায়েরকে একমাত্র আসামী করে ওই শিশুটির মা বাদী হয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও যে ৭ খাবার আপনি নিরাপদে খেতে পারবেন?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ
মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও যে ৭ খাবার আপনি নিরাপদে খেতে পারবেন?

রান্নাঘরের আলমারিতে রাখা পাস্তার প্যাকেট বা ফ্রিজে থাকা দুধের কার্টনের গায়ে লেখা তারিখ পার হয়ে গেলেই কি আমরা সেগুলো ফেলে দেব? অনেকেই স্বাস্থ্যের ঝুঁকির কথা ভেবে এমনটা করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্যাকেটের গায়ের ‘বেস্ট বাই’ বা ‘কোয়ালিটি ডেট’ মূলত খাবারের স্বাদ ও গুণমান বোঝায়, সবসময় তা খাবারটি নষ্ট হয়ে যাওয়া নির্দেশ করে না।

তাই আপনার অপচয় কমাতে এবং খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এখানে এমন ৭টি খাবারের তালিকা দেওয়া হলো, যা মেয়াদের পরেও খাওয়া নিরাপদ হতে পারে:

১. হিমায়িত মাংস: ফ্রিজের তাপমাত্রা যদি ০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে থাকে, তবে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া সেখানে বংশবিস্তার করতে পারে না। ফলে হিমায়িত মাংস, পোল্ট্রি বা সামুদ্রিক মাছ মেয়াদের পরেও কয়েক মাস পর্যন্ত ফ্রিজে রাখা নিরাপদ। যেমন, আস্ত মুরগি বা টার্কি ফ্রিজারে ৯ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে দীর্ঘসময় রাখলে এর স্বাদ বা নরম ভাব কিছুটা কমে যেতে পারে।

২. ক্যানজাত খাবার: মটরশুঁটি, সস বা স্যুপের মতো টিনজাত খাবারগুলো মেয়াদের পরেও কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে শর্ত থাকে যে, ক্যান বা টিনটি যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, ফুটো বা ফুলে না ওঠে। ক্যান ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাতে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে পারে।

৩. শুকনো পাস্তা ও চাল: শুকনো খাবার যেমন পাস্তা বা চালের প্যাকেটে সাধারণত গুণগত মানের তারিখ লেখা থাকে। এই তারিখের পরেও প্রায় দুই বছর পর্যন্ত এগুলো নিরাপদে খাওয়া সম্ভব। ফ্লেভারযুক্ত পাস্তা বা চালের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা প্রায় ছয় মাস।

৪. পাউরুটি: পাউরুটির গায়ে কোনো সাদা বা সবুজ ছাঁচ না পড়া পর্যন্ত এটি খাওয়া নিরাপদ। সাধারণত দোকানে পাওয়া পাউরুটিতে প্রিজারভেটিভ থাকে যা একে দীর্ঘস্থায়ী করে। আপনি যদি পাউরুটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন, তবে এটি দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।

৫. হিমায়িত ফল ও সবজি: ফ্রোজেন ফল এবং সবজি সাধারণত তুলে আনার পরপরই ধুয়ে ফ্রিজ করা হয়, যা পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে সাহায্য করে। এগুলো ফ্রজারে ৮ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত নিরাপদে রাখা যায়। তবে শসা বা আলুর মতো জলীয় সবজি ফ্রিজে রাখলে কিছুটা নরম হয়ে যেতে পারে, যা স্বাদে কিছুটা ভিন্নতা আনতে পারে।

৬. দুধ: দুধের প্যাকেটে সাধারণত ‘সেল-বাই’ তারিখ থাকে এবং এই তারিখের পরেও দুধ পান করা নিরাপদ হতে পারে। ফ্রিজে ঠিকমতো রাখা হলে এবং প্যাকেটের মুখ খোলার পর দুধ অন্তত ১ থেকে ২ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে দুধে যদি টক গন্ধ পাওয়া যায় বা দানা বেঁধে যায়, তবে তা অবশ্যই ফেলে দিতে হবে।

৭. ডিম: প্যাকেটের গায়ের তারিখের তুলনায় ডিম ফ্রিজে অনেক বেশি সময় ভালো থাকে। ফ্রিজের দরজায় না রেখে ভেতরের ঠান্ডা অংশে ডিম রাখলে তা কেনা থেকে প্রায় ৫ সপ্তাহ পর্যন্ত সতেজ থাকে। যদি ডিমের মেয়াদের তারিখ জানা না থাকে, তবে কেনার দুই সপ্তাহের মধ্যে ব্যবহার করা উচিত।

কখন খাবার ফেলে দেবেন?

নিরাপদে খাওয়ার সুযোগ থাকলেও নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে খাবার অবশ্যই ফেলে দিন:

খাবারে ছাঁচ বা ছত্রাক দেখা দিলে।

দুর্গন্ধ ছড়ালে।

খাবারের উপরিভাগ পিচ্ছিল বা আঠালো হয়ে গেলে।

প্যাকেট বা ক্যান ফুলে গেলে বা লিক করলে।

তথ্যসূত্র: ভেরিওয়েল হেলথ

আলফাডাঙ্গায় চার দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ, মাকে ফিরে পেতে তিন শিশুর আকুতি

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় চার দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ, মাকে ফিরে পেতে তিন শিশুর আকুতি

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় স্বামী ও তিন শিশু সন্তান রেখে চার দিন ধরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছেন আশরাপিয়া পিংকী (৩৫) নামে এক গৃহবধূ। গত ৭ জুলাই (মঙ্গলবার) সকালে সন্তানদের বই কেনার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে উৎকণ্ঠা। সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়েছে পিংকীর তিন শিশু সন্তান, যারা বারবার মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ার আকুতি জানাচ্ছে।

নিখোঁজ পিংকী আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের মো. হোসেন মৃধার স্ত্রী। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। হোসেন মৃধা জাহাজের প্রথম শ্রেণির মাস্টার এবং পাশাপাশি জাহাজ-সংক্রান্ত ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

এ ঘটনায় পিংকীর স্বামী হোসেন মৃধা তার শাশুড়িসহ আটজনের বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অন্যদিকে, পিংকীর মা সালমা বেগমও মেয়ের সন্ধান চেয়ে থানায় পৃথক একটি অভিযোগ দিয়েছেন। ফলে ঘটনাটি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭ বছর আগে ফলিয়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের মেয়ে আশরাপিয়া পিংকীর সঙ্গে একই গ্রামের মনিহাল মৃধার ছেলে হোসেন মৃধার বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন তারা ঢাকার উত্তরায় বসবাস করতেন।

হোসেন মৃধার দাবি, শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে প্রায় ১১ লাখ টাকা নিয়েছেন। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত এক ব্যবসায়িক অংশীদারের পাঠানো ৬০ লাখ টাকা শ্যালকের ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর পর থেকেই স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের আচরণ বদলে যায়। তিনি টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা, ভয়ভীতি এবং বিরোধের সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ২৯ জুন পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাকে মারধরের শিকার হতে হয়। পরে আত্মীয়-স্বজনের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মীমাংসা হলে তিনি পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন এবং সন্তানদের স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ভর্তি করান।

হোসেন মৃধার ভাষ্য, গত ৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পিংকী সন্তানদের বই কেনার কথা বলে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। বিষয়টি জানাতে শাশুড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন বলেও অভিযোগ করেন হোসেন।

তিনি বলেন, “চার দিন হয়ে গেল। আমার স্ত্রী কোথায় আছে জানি না। সবচেয়ে কষ্টের বিষয়, আমার তিনটি সন্তান মায়ের জন্য কান্নাকাটি করছে। আমরা চাই, তাকে দ্রুত খুঁজে বের করা হোক।”

এদিকে, পিংকীর আপন চাচা মুন্নু মোল্যা ও সাবেক ইউপি সদস্য ছালাম মোল্যাসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি দাবি করেন, হোসেন মৃধা শান্ত স্বভাবের মানুষ। তাদের ধারণা, পারিবারিক ও আর্থিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয় বলেও তারা মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে পিংকীর মা সালমা বেগম বলেন, “আমার মেয়ের ওপর প্রায়ই নির্যাতন করা হতো। তাকে মারধর করা হতো। আমার মেয়েও তাদের বাড়ি থেকেই নিখোঁজ হয়েছে। সে কোথায় আছে, আমরাও জানি না। আমিও থানায় অভিযোগ করেছি। আমিও আমার মেয়েকে ফিরে পেতে চাই।”

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, “উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধানে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।”

‘ব্যর্থ প্রেমিক’

এমডি কামাল হোসেন
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
‘ব্যর্থ প্রেমিক’

কলেজ পড়তে দু’বছর ছিলাম এক গ্রামে,
ধরা পড়লাম ষোড়শী এক ম্যাডামের প্রেমে।
মেয়েটি বড়ই সাদাসিধে নেই কোন লাজ,
আমার পিছু লাগল সুন্দরী ছাড়লো না পাছ।

অনেক বুঝিয়েছি শোনো হে রূপসী ম্যাডাম,
তোমাকে ভালবাসলে অবশেষে পাবো কি দাম?
চোখে অশ্রু এনে বলল সেদিন শ্লথ গলায়,
কি যে বলেন জনাব, আপনি বিনা কে আমার?

করুন কন্ঠে পাগল হয়ে দিলাম তারে মন,
ভালোবাসা লুকিয়ে লুকিয়ে করলামনা কম।
আমাদের ভালোবাসা ঠিক যখনি গভীরে,
তখনই জানাজানি হলো বেশ কিছুটা বাহিরে।

সুমির বয়স্ক মাতা বড়ই সারল্য পনা,
আমাদের ভালোবাসায় হলো নাকো আনমনা।
ভাই তাহার খুবই চতুর মেনে নেবে না কিছু,
সেদিন থেকে আমাদের পিছে নিলেন তিনি পিছু।

হঠাৎ পড়লাম ধরা সুমীর ভাই এর কাছে,
বাড়ি থেকে অপমান হয়ে নামতে হল মাঠে।
আশা ছিল পরীক্ষা শেষে ফিরবো নিজের দেশে,
এদেখি অপমান হয়ে চলছি পাগল ভেসে।