খুঁজুন
, ,

ফরিদপুর কারাগার পরিদর্শনে ডিআইজি প্রিজন, খোঁজ নিলেন বন্দিদের স্বাস্থ্য ও আবাসনের

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর কারাগার পরিদর্শনে ডিআইজি প্রিজন, খোঁজ নিলেন বন্দিদের স্বাস্থ্য ও আবাসনের

ফরিদপুর জেলা কারাগার পরিদর্শন করেছেন কারা উপ-মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ আখতার হাসিব দেওয়ান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) তিনি জেলা কারাগার পরিদর্শনে এসে কারাগারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে তিনি কারা হাসপাতাল, বন্দিদের রন্ধনশালা, সেল এলাকা, হাজতী এলাকা, মহিলা ওয়ার্ড, উৎপাদন শাখাসহ কারাগারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি বন্দিদের স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্যের মান, আবাসন ব্যবস্থা এবং সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

কারা উপ-মহাপরিদর্শক বন্দিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার বিষয়ে মতামত শোনেন। বিশেষ করে বন্দিদের স্বাস্থ্যসেবা ও খাবারের গুণগত মান নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এছাড়া কারাগারের উৎপাদন শাখায় বন্দিদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য পরিদর্শন করে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। বন্দিদের উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে আরও আগ্রহী হতে উৎসাহ প্রদান করেন এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার পরামর্শ দেন।

পরিদর্শন শেষে কারাগারের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কারা উপ-মহাপরিদর্শক। এ সময় কারাগারের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

জেলা কারাগারের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া উপস্থিত থেকে কারাগারের বর্তমান পরিস্থিতি, বন্দিদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি কারাগারের উন্নয়ন ও বন্দিদের মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও অবহিত করেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের মানবিক অধিকার রক্ষা, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং সংশোধনমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করতে নিয়মিত তদারকি ও পরিদর্শন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

‘ব্যর্থ প্রেমিক’

এমডি কামাল হোসেন
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
‘ব্যর্থ প্রেমিক’

কলেজ পড়তে দু’বছর ছিলাম এক গ্রামে,
ধরা পড়লাম ষোড়শী এক ম্যাডামের প্রেমে।
মেয়েটি বড়ই সাদাসিধে নেই কোন লাজ,
আমার পিছু লাগল সুন্দরী ছাড়লো না পাছ।

অনেক বুঝিয়েছি শোনো হে রূপসী ম্যাডাম,
তোমাকে ভালবাসলে অবশেষে পাবো কি দাম?
চোখে অশ্রু এনে বলল সেদিন শ্লথ গলায়,
কি যে বলেন জনাব, আপনি বিনা কে আমার?

করুন কন্ঠে পাগল হয়ে দিলাম তারে মন,
ভালোবাসা লুকিয়ে লুকিয়ে করলামনা কম।
আমাদের ভালোবাসা ঠিক যখনি গভীরে,
তখনই জানাজানি হলো বেশ কিছুটা বাহিরে।

সুমির বয়স্ক মাতা বড়ই সারল্য পনা,
আমাদের ভালোবাসায় হলো নাকো আনমনা।
ভাই তাহার খুবই চতুর মেনে নেবে না কিছু,
সেদিন থেকে আমাদের পিছে নিলেন তিনি পিছু।

হঠাৎ পড়লাম ধরা সুমীর ভাই এর কাছে,
বাড়ি থেকে অপমান হয়ে নামতে হল মাঠে।
আশা ছিল পরীক্ষা শেষে ফিরবো নিজের দেশে,
এদেখি অপমান হয়ে চলছি পাগল ভেসে।

ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের স্ত্রীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের স্ত্রীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর শোক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ফরিদপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব এ.কে.এম কিবরিয়া স্বপনের স্ত্রী মেহেজাবিন আক্তার লোটাসের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) শামা ওবায়েদ ইসলাম। এছাড়াও ফরিদপুর -৩ সদর আসনের এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ, ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল।

শুক্রবার (১০ জুলাই) এক শোকবার্তায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একইসঙ্গে, তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং এই গভীর শোক সহ্য করার মতো ধৈর্য ও শক্তি দানের জন্য মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করেন।

একইভাবে শোক জানিয়েছেন ফরিদপুর সদর আসনের এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ, ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আবজাল হোসেন খান পলাশ, মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক খন্দকার মাশুকুর রহমান, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, মেহেজাবিন আক্তার লোটাস গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি স্বামী, দুই পুত্র এবং অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বাদ জুম্মা  শহরের চকবাজার জামে মসজিদে মরহুমার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে দল মত নির্বিশেষে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর ও পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে আলীপুর গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।

নগরকান্দায় ১০ আগস্ট থেকে থামবে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন, মাত্র ১১৫ টাকায় ঢাকা যাত্রা

মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ
নগরকান্দায় ১০ আগস্ট থেকে থামবে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন, মাত্র ১১৫ টাকায় ঢাকা যাত্রা

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১০ আগস্ট থেকে ফরিদপুরের নগরকান্দা রেলওয়ে স্টেশনে নিয়মিত যাত্রাবিরতি করবে ১৩৫/১৩৬ নম্বর ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের এ সিদ্ধান্তে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে নগরকান্দার রেল যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, নগরকান্দা থেকে ঢাকাগামী যাত্রীদের জন্য ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৫ টাকা। ট্রেনটি প্রতিদিন রাত ৮টা ২৪ মিনিটে নগরকান্দা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাবে। ফলে মাত্র দুই ঘণ্টার কিছু বেশি সময়েই রাজধানীতে পৌঁছানোর সুযোগ পাবেন যাত্রীরা।

অন্যদিকে, ট্রেনটি প্রতিদিন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে নগরকান্দাসহ পথে বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। এতে ঢাকা থেকে ফেরার ক্ষেত্রেও যাত্রীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।

স্থানীয়দের মতে, নগরকান্দা স্টেশনে অভিযাত্রী কমিউটার ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু হওয়ায় উপজেলার চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রোগী ও সাধারণ যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। সড়কপথে যানজট, অতিরিক্ত ভাড়া এবং সময়ক্ষেপণের পরিবর্তে তারা এখন স্বল্প খরচে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে রাজধানীতে যাতায়াত করতে পারবেন। এতে সময় ও অর্থ—উভয়েরই সাশ্রয় হবে।

এছাড়া এই ট্রেনের স্টপেজ চালু হওয়ার ফলে নগরকান্দার ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। বিশেষ করে নিয়মিত ঢাকায় যাতায়াতকারী যাত্রীদের জন্য এটি একটি বড় স্বস্তির খবর।

দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়ন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। তারা বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে ট্রেনটির কোচ সংখ্যা বৃদ্ধি, যাত্রাসূচি আরও উন্নত করা এবং নগরকান্দা রেলওয়ে স্টেশনের অবকাঠামো, টিকিটিং ব্যবস্থা ও যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন।