খুঁজুন
, ,

বয়সের ভারে ঝুলে গেছে ত্বক, যেভাবে ফিরে পেতে পারেন যৌবন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৭:২২ পূর্বাহ্ণ
বয়সের ভারে ঝুলে গেছে ত্বক, যেভাবে ফিরে পেতে পারেন যৌবন?

আপনার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকেও নানা পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো— চোয়ালের অংশের ত্বক ও পেশির ঝুলেপড়া, যা ‘জাওলস’ নামে পরিচিত। এর ফলে মুখের আকৃতি আগের মতো তীক্ষ্ণ ও টান টান থাকে না।

যদিও কিছু নির্দিষ্ট ফেস যোগা বা মুখের ব্যায়াম নিয়মিত করলে এ সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এসব মুখের পেশিকে সক্রিয় করে, রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং ত্বকের দৃঢ়তা বজায় রাখতে সাহায্য করে থাকে।

এখন প্রশ্ন আসছে— কেন হয় জাওলস? কারণ জাওলস বলতে মূলত চোয়ালের আশপাশের ত্বক ও পেশির ঢিলে হয়ে যাওয়াকে বোঝায়। এর প্রধান কারণ— বয়স বৃদ্ধি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের কোলাজেন ও ইলাস্টিনের পরিমাণ কমতে থাকে। তাই ত্বক তার স্বাভাবিক দৃঢ়তা হারিয়ে ফেলে এবং নিচের দিকে ঝুলতে শুরু করে।

এটা সাধারণত পারিবারিক বা জিনগত প্রবণতা, নিয়মিত ব্যায়ামের অভাব, শরীরে পানির ঘাটতি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবারের অভাব, ধূমপান ও মাদকাসক্তি কিংবা চোয়ালের পেশির কম ব্যবহার এ সমস্যার প্রধান কারণ।

ফেস যোগা মুখ ও চোয়ালের পেশিগুলোকে সক্রিয় করে। ফলে ওই অংশে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং ত্বকের কোষ পুনর্গঠনের সুযোগ পায়। এর পাশাপাশি মুখে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি ও ফোলা ভাব কমাতেও সাহায্য করে। অনেকের মুখ ও চোয়ালের পেশিতে অপ্রয়োজনীয় টান থাকে, ফেস যোগা সেই চাপ কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ফেস যোগা কোনো জাদুকরী সমাধান নয়। তাই এক-দুদিনে ফল পাওয়া সম্ভব নয়। তবে নিয়মিত অনুশীলন করলে ৪ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে পেশির টোন উন্নত হতে শুরু করে। ৮ থেকে ১৬ সপ্তাহের মধ্যে জ’লাইন আরও স্পষ্ট ও দৃঢ় দেখাতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে চর্চা করলে মুখের গঠনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

এ ছাড়া আপনার জিভকে মুখের ওপরের তালুর সঙ্গে লাগিয়ে রাখতে হয়। একই সঙ্গে দাঁত হালকাভাবে জোড়া থাকে এবং মুখ বন্ধ রেখে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে হবে। নিয়মিত এ অভ্যাস করলে চোয়াল ও মুখের মধ্যবর্তী অংশে দৃঢ়তা বাড়ে।

নিচের চোয়ালকে যতটা সম্ভব সামনের দিকে এগিয়ে দিন, যতক্ষণ না টান অনুভব করছেন। ১০ সেকেন্ড ধরে রেখে আবার ছেড়ে দিন। ১০ বার করে ২ সেট, দিনে ২ বার করলে ফল পাবেন।

ঠোঁট দিয়ে বড় ‘শূন্য’ আকৃতি তৈরি করুন। দাঁত যেন অবশ্যই ঠোঁটের আড়ালে থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। ধীরে ধীরে মাথা ওপরের দিকে তুলুন। ১০ সেকেন্ড ধরে রেখে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন। ৩ থেকে ৫ বারের সেট করুন। দিনে দুবার এ ব্যায়াম করলে উপকৃত হবেন।

মুখের দুই প্রান্ত বাইরে টেনে ধরুন যাতে দাঁত দেখা যায়। এতে ঘাড় ও চোয়ালে টান অনুভূত হবে। ১৫ সেকেন্ড এভাবে ধরে থাকুন। ৮ থেকে ১০ বারের সেট করুন। সারা দিনে ২ সেট করলেই উপকৃত হবেন।

এবার সোজা হয়ে বসে থুতনিকে গলার দিকে টেনে ডাবল চিন তৈরি করুন। ১০ সেকেন্ড ধরে রেখে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন। ১০ বার করে ২ সেট, দিনে দুবার এ ব্যায়াম করতে পারেন।

সূত্র : যুগান্তর

ফরিদপুরে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও HPV টিকা নিয়ে সচেতনতা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও HPV টিকা নিয়ে সচেতনতা সভা

জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি (HPV) টিকার গুরুত্ব তুলে ধরে ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হলো সচেতনতামূলক কর্মসূচি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের বেগম রোকেয়া ছাত্রী হোস্টেলের হলরুমে এ সভার আয়োজন করে ‘স্বপ্নগড়ি ফাউন্ডেশন, ফরিদপুর’।

​কর্মসূচিতে কলেজের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

​অনুষ্ঠানে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যাপক আব্দুল হালিম মিয়ার সভাপতিত্বে এবং তুহিন বিন আলমগীরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বপ্নগড়ি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ডা. মো. মিজানুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. সাবরিনা গিয়াস।

​মূল প্রবন্ধে ডা. সাবরিনা গিয়াস বলেন, “উচ্চঝুঁকির এইচপিভি সংক্রমণ জরায়ুমুখের ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ। কিশোরী বয়সে এই টিকা গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।” টিকার পাশাপাশি নির্দিষ্ট বয়সে নিয়মিত জরায়ুমুখের ক্যান্সার স্ক্রিনিং করার আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে বাংলাদেশ সরকার নির্ধারিত বয়সের কিশোরীদের জন্য বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা প্রদান করছে বলেও উল্লেখ করেন।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো ও টিকাদানে উৎসাহিত করা জরুরি। আর্থিক কারণে কেউ যাতে বঞ্চিত না হন, সেজন্য স্বপ্নগড়ি ফাউন্ডেশন একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এই ফাউন্ডেশনের আওতায় দুটি এইচপিভি টিকা গ্রহণ করলে তৃতীয় টিকাটি বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

​বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজেন্দ্র কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর ওবায়দুর রহমান, সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর তারেক হোসাইন ও রাজবাড়ী কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল প্রফেসর আব্দুল হামিদ মোল্লা বলেন, ক্যান্সারের চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ বড়। তাই পরিবার ও সমাজে ইতিবাচক সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার।

​সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আব্দুল হালিম মিয়া বলেন, এই ধরনের আলোচনা শিক্ষার্থীদের নিজেদের সুরক্ষার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকে সচেতন করার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বেগম রোকেয়া ছাত্রী হোস্টেলের হল সুপার, প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নারীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নারীর

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মাসুদা বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নতুন করে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে ওই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায়।

এর আগে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে তার মৃত্যু হয়। মাসুদা বেগম ফরিদপুর শহরের আলিপুর এলাকার বাসিন্দা। জ্বর নিয়ে তিনি গত ২৬ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাসুদা বেগম ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।

সিভিল সার্জন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১০৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ফরিদপুরে প্রায় ৭০০ জন ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

নগরকান্দায় উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

জাকির হোসেন, নগরকান্দা:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ৬টি জাতের চারা গাছ বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওতায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নগরকান্দার রামনগর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে চারা গাছগুলো স্থানীয় ইউপি সদস্যদের (মেম্বার) হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন চেয়ারম্যান মো. কায়মদ্দীন মন্ডল।

​অনুষ্ঠানে ইউপি চেয়ারম্যান মো. কায়মদ্দীন মন্ডল বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের বিকল্প নেই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় আমাদের বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। নিজ নিজ জায়গা থেকে পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।”

​তিনি ইউনিয়নের ফাঁকা রাস্তার পাশ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদসহ সুবিধাজনক স্থানে চারাগুলো রোপণের নির্দেশ দেন।

​চেয়ারম্যানের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ইউপি সদস্য মো. মুরাদ হোসেন বলেন, “পরিষদের সব সদস্য মিলে নির্দেশিত স্থানে চারাগুলো রোপণ করব। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও বাড়ির আশপাশের খালি জায়গায় গাছ লাগানোর আহ্বান জানাচ্ছি।”

​কর্মসূচিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।