খুঁজুন
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২ ফাল্গুন, ১৪৩২

স্ট্রেসজনিত মাথাব্যথা ও চোখের চাপ কমানোর ঘরোয়া উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০১ এএম
স্ট্রেসজনিত মাথাব্যথা ও চোখের চাপ কমানোর ঘরোয়া উপায়

আধুনিক জীবনে মাথাব্যথা এবং চোখের উপর চাপ সাধারণ লক্ষণ; কাজ এবং পরিবারের চাপ, সেইসাথে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ, এই অবস্থার প্রধান কারণ।

ক্লান্তি, চাপজনিত মাথাব্যথা এবং চোখের চাপ কমাতে, রোগীরা কিছু সহজ ব্যবস্থা চেষ্টা করতে পারেন:

 আকুপ্রেসার, ম্যাসাজ

বাড়িতে মাথাব্যথা এবং চোখের চাপ কমানোর জন্য আকুপ্রেশার এবং ম্যাসাজ জনপ্রিয় পদ্ধতি। যদিও এটি জটিল শোনাতে পারে, সঠিকভাবে করা গেলে, এই পদ্ধতিটি বেশ সহজ এবং লক্ষণীয় শিথিলতা প্রদান করে। আকুপ্রেশার শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে, চাপ কমাতে এবং এইভাবে মাথাব্যথা এবং চোখের ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।

কন্টেন্ট

 আকুপ্রেসার, ম্যাসাজ

 বরফের প্যাক লাগান।

 ভেষজ বাষ্প

 মুগওয়ার্ট এবং লবণ

 মাথাব্যথা এবং চোখের চাপ কমাতে জীবনযাত্রার পরিবর্তন।

অনুশীলনকারী আলতো করে কানের মস্তক ম্যাসাজ করতে পারেন, তারপর ধীরে ধীরে কপাল এবং কানের দিকে যেতে পারেন। কানের চারপাশের আকুপয়েন্টগুলিতে হালকাভাবে চাপ দিন এবং ঘাড় ম্যাসাজ করতে থাকুন। উভয় হাত পরস্পর সংযুক্ত করে, ঘাড়ের পিছনে রাখুন এবং বাম থেকে ডানে, উপরে থেকে নীচে ম্যাসাজ করুন। প্রতিদিন নিয়মিত এটি করলে শরীর আরও আরামদায়ক এবং স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে।

 বরফের প্যাক লাগান

হালকা মাথাব্যথা এবং চোখের ব্যথার জন্য ঠান্ডা কম্প্রেস প্রয়োগ করা একটি সহজ এবং কার্যকর প্রতিকার। বরফ রক্তনালীগুলিকে সংকুচিত করতে সাহায্য করে, রক্ত ​​প্রবাহ হ্রাস করে এবং এইভাবে ব্যথা উপশম করে। অতিরিক্তভাবে, ঠান্ডা কম্প্রেস মনকে শিথিল করতে এবং চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

সেরা ফলাফলের জন্য আপনি কয়েকটি বরফের টুকরো একটি পরিষ্কার কাপড়ে মুড়িয়ে প্রতিদিন প্রায় ১০-১৫ মিনিটের জন্য আপনার দাঁতের গুদে লাগাতে পারেন।

 ভেষজ বাষ্প

ভেষজ বাষ্প শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করা একটি ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি যা কেবল সর্দি-কাশি এবং ফ্লুতেই সাহায্য করে না বরং কার্যকরভাবে মাথাব্যথা এবং চোখের চাপ থেকে মুক্তি দেয়। কিছু গবেষণা অনুসারে, ভেষজের প্রয়োজনীয় তেল রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে, চাপ কমাতে এবং মাথাব্যথার পুনরাবৃত্তি সীমিত করতে সহায়তা করে।

রোগীরা আদা, পুদিনা, ল্যাভেন্ডার, অথবা ইউক্যালিপটাস সিদ্ধ করতে পারেন, তারপর জ্বালা এড়াতে চোখ বন্ধ করে ২-৫ মিনিটের জন্য গভীরভাবে বাষ্পটি শ্বাস নিতে পারেন।

দ্রষ্টব্য: চোখের সাথে সরাসরি অপরিহার্য তেলের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন, অপরিহার্য তেল গিলে ফেলবেন না; শুধুমাত্র একটি বিশ্বস্ত উৎস থেকে প্রাপ্ত বিশুদ্ধ অপরিহার্য তেল ব্যবহার করুন, জ্বালা দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন এবং খুব বেশিক্ষণ ব্যবহার করবেন না।

 মুগওয়ার্ট এবং লবণ

স্নায়বিক এবং রক্তনালী রোগের চিকিৎসার জন্য মুগওয়ার্ট এবং লবণকে উপকারী উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মুগওয়ার্টে অনেক সক্রিয় যৌগ রয়েছে যা রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে এবং মাথাব্যথা উপশম করে, অন্যদিকে লবণ স্নায়ু শিথিল করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

মাথাব্যথা এবং চোখের চাপ কমাতে আপনি লবণ দিয়ে মাগওয়ার্ট গরম করতে পারেন এবং এটি কম্প্রেস বা বালিশ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

মাথাব্যথা এবং চোখের চাপ কমাতে জীবনযাত্রার পরিবর্তন:

 ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার সীমিত করুন: স্ক্রিন থেকে আসা নীল আলো চোখের উপর চাপ এবং মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। লক্ষণগুলি দেখা দিলে, আপনার কাজ বন্ধ করুন এবং প্রায় ১৫-২০ মিনিটের জন্য আপনার চোখকে বিশ্রাম দিন।

 পর্যাপ্ত ঘুম পান: ঘুমের অভাব মাথাব্যথা এবং চোখের চাপের একটি সাধারণ কারণ। আপনার প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত, দেরি করে জেগে থাকা বা অতিরিক্ত কাজ করা এড়িয়ে চলা উচিত।

 যোগব্যায়াম অনুশীলন: যোগব্যায়াম মানসিক চাপ উপশম করতে, মেজাজ উন্নত করতে এবং মাথাব্যথা এবং চোখের চাপ কমাতে সাহায্য করে। যারা নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন তাদের স্বাস্থ্য এবং মানসিক সুস্থতা ভালো থাকে।

 পর্যাপ্ত পানি পান করুন: পানিশূন্যতার কারণে ক্লান্তি, মনোযোগ দিতে অসুবিধা এবং মাথাব্যথা হতে পারে। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য প্রতিদিন ১-১.৫ লিটার পানি পান করার লক্ষ্য রাখুন এবং আপনার খাদ্যতালিকায় পানি সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন।

সূত্র: https://suckhoedoisong.vn/bi-quyet-giam-dau-dau-nhuc-mat-do-cang-thang-hieu-qua-169260128174253248.htm

শিশুর গলায় খাবার আটকে গেলে কী করবেন? জেনে নিন জীবন বাঁচানোর উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৯ এএম
শিশুর গলায় খাবার আটকে গেলে কী করবেন? জেনে নিন জীবন বাঁচানোর উপায়

এক মুহূর্ত আগেও শিশুটি হাসছিল, খেলছিল। হঠাৎ খাওয়ার সময় মুখ লাল হয়ে গেল, শব্দ বন্ধ, মনে হচ্ছে গলায় কিছু আটকে গেছে! মুহূর্তেই ঘরের ভেতর শুরু হয় আতঙ্ক।

এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি অনেক পরিবারই হন। আর এই কয়েক সেকেন্ডের ভুল সিদ্ধান্ত কখনও কখনও বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিপদ এড়ানো সম্ভব।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় শিশুর গলায় খাবার আটকে যাওয়াকে বলা হয় ‘চোকিং’। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, ছয় মাস থেকে তিন বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। কারণ, এ সময় দাঁত পুরোপুরি ওঠে না, গিলতে শেখার প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ হয় না।

ভারতীয় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের সংগঠনগুলোর পরামর্শ অনুযায়ী, শক্ত, গোল কিংবা পিচ্ছিল খাবার (যেমন আঙুর, বাদাম, শক্ত বিস্কুট) এই বয়সে খুব সতর্কতার সঙ্গে দিতে হবে।

কীভাবে বুঝবেন?

প্রথমেই লক্ষ্য করুন, শিশু কাশতে পারছে কি না। যদি কাশে, কাঁদতে পারে বা শব্দ বের হয়; তবে বুঝতে হবে শ্বাসনালি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। এ অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে শিশুর মুখে আঙুল ঢোকাবেন না। এতে খাবার আরও ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। বরং তাকে কাশতে দিন। অনেক সময় কাশিই সমস্যার সমাধান করে দেয়।

কিন্তু যদি শিশুর মুখ নীলচে হয়ে যায়, কোনো শব্দ না বের হয়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়; তবে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

এক বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে

শিশুকে উপুড় করে আপনার কাঁধ বা উরুর ওপর রাখুন, মাথা শরীরের চেয়ে একটু নিচের দিকে থাকবে। এরপর পিঠের মাঝামাঝি অংশে হাতের তালু দিয়ে পাঁচবার দৃঢ়ভাবে চাপড় দিন। কাজ না করলে শিশুকে চিত করে বুকে দুই আঙুল দিয়ে পাঁচবার চাপ দিন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের প্রশিক্ষণে এই পদ্ধতি শেখানো হয়।

এক বছরের বেশি বয়স হলে

এ ক্ষেত্রে ‘হাইমলিক পদ্ধতি’ প্রয়োগ করা যেতে পারে। তবে এটি সঠিকভাবে না শিখে প্রয়োগ করা উচিত নয়। ভুলভাবে করলে অভ্যন্তরীণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে। তাই অনেক বিশেষজ্ঞই অভিভাবকদের প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরামর্শ দেন।

যেসব ভুল করবেন না

সবচেয়ে বড় ভুল হলো, চোখে না দেখে আঙুল বা চামচ দিয়ে খাবার বের করতে চেষ্টা করা। এতে খাবার আরও ভেতরে সরে গিয়ে শ্বাসনালি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুকে কখনও একা ছেড়ে দেবেন না।

খাওয়ানোর সময় শিশুকে বসিয়ে রাখুন। দৌড়াতে দৌড়াতে বা খেলতে খেলতে খাবার দেবেন না। খাবার সব সময় ছোট ছোট টুকরো করে দিন, যাতে গিলতে সুবিধা হয়।

শিশুর নিরাপত্তা সচেতনতার ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে। তাই আতঙ্ক নয়, আগে জানুন তারপরই পদক্ষেপ নিন। সচেতনতা ও সঠিক পদক্ষেপই হতে পারে একটি প্রাণ বাঁচানোর চাবিকাঠি।

সূত্র : টিভি নাইন বাংলা

ভাঙ্গায় হত্যা ও ডাকাতি মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে এসপি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ভাঙ্গায় হত্যা ও ডাকাতি মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে এসপি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সংঘটিত একাধিক হত্যা ও ডাকাতি মামলার তদন্ত জোরদার করতে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করে মামলাগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং তদন্তে গতি আনতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা থানায় সম্প্রতি দায়ের হওয়া একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার মধ্যে রয়েছে—মামলা নং ২৮/২৮ (তারিখ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ধারা ৩০২/৩৪), মামলা নং ২৯/২৯ (তারিখ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ধারা ৩৯৫/৩৯৭) এবং মামলা নং ১২/৪৫ (তারিখ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ধারা ৩০২/২০১/৩৪)। এসব মামলায় হত্যাকাণ্ড ও ডাকাতির মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি ঘটনাগুলোর আদ্যোপান্ত পর্যালোচনা করে দ্রুত প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি সহ্য করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এ সময় তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে বলে আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, “অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তদন্তের স্বার্থে আমরা সব ধরনের প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করছি। খুব দ্রুতই এসব ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।”

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রিজওয়ান দিপু, ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলীমসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা।

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা করছেন, পুলিশের সক্রিয় তৎপরতায় দ্রুতই অপরাধীরা ধরা পড়বে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি ঘটবে।

ফরিদপুর পুলিশ হাসপাতালে নতুন প্যাথলজি বিভাগ চালু, মিলবে দ্রুত ও নির্ভুল পরীক্ষা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
ফরিদপুর পুলিশ হাসপাতালে নতুন প্যাথলজি বিভাগ চালু, মিলবে দ্রুত ও নির্ভুল পরীক্ষা

ফরিদপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত ও সহজলভ্য করতে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে নতুন প্যাথলজি বিভাগের উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আধুনিক বিভাগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ সদস্যরা দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করেন। তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্য থেকেই ফরিদপুর পুলিশ হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজি বিভাগ চালু করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “এই বিভাগের মাধ্যমে দ্রুত, নির্ভুল ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে রোগ নির্ণয় সম্ভব হবে। এতে করে সদস্যদের বাইরে গিয়ে পরীক্ষা করানোর ঝামেলা কমবে এবং সময় ও অর্থ দুটিই সাশ্রয় হবে।”

তিনি জানান, নতুন প্যাথলজি বিভাগে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হয়েছে এবং দক্ষ জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে রক্ত, প্রস্রাবসহ বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষার নির্ভরযোগ্য রিপোর্ট স্বল্প সময়ে পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে এ হাসপাতালের সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. রায়হান গফুর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন এবং ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ হাসানুল কবীর মিশুসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

এসময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য জানান, আগে ছোটখাটো পরীক্ষার জন্যও বাইরে যেতে হতো, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল ছিল। নতুন প্যাথলজি বিভাগ চালু হওয়ায় এখন হাসপাতালে বসেই দ্রুত পরীক্ষা করা সম্ভব হবে, যা তাদের জন্য অনেক স্বস্তির বিষয়।

পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি তাদের পরিবারও এই সেবার আওতায় আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ফলে সার্বিকভাবে পুলিশ সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন জেলা পুলিশ।