খুঁজুন
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২ বৈশাখ, ১৪৩৩

খাওয়ার পর বসে থাকা না হাঁটা—কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩২ পূর্বাহ্ণ
খাওয়ার পর বসে থাকা না হাঁটা—কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর?

খাবার খাওয়ার পর হালকা হাঁটার অভ্যাস দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। অনেকেই মনে করেন এটি শুধু একটি ট্রেন্ড, কিন্তু বাস্তবে খাবারের পর অল্প সময় হাঁটা শরীরের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে। হজম ভালো রাখা থেকে শুরু করে ওজন নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত নানা দিকেই এর ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, খাবার খাওয়ার পর হাঁটার উপকারিতা, সম্ভাব্য কিছু অসুবিধা এবং কতক্ষণ ও কীভাবে হাঁটা সবচেয়ে ভালো।

খাবার খাওয়ার পর হাঁটার উপকারিতা

হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে : খাবার খাওয়ার পর হাঁটলে পাকস্থলী ও অন্ত্র সক্রিয় হয়। এতে খাবার সহজে হজম হয় এবং পেট ভারী লাগার সমস্যা কমে। শরীরের নড়াচড়া হজমের গতি বাড়াতে সাহায্য করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস হজমতন্ত্রের বিভিন্ন অংশ সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে। এর মধ্যে মুখ, খাদ্যনালি, পাকস্থলী, ক্ষুদ্র ও বৃহৎ অন্ত্রসহ হজমের সঙ্গে জড়িত অঙ্গগুলো রয়েছে।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে : খাবারের পর হালকা হাঁটা রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে পারে। এটি বিশেষ করে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য বেশ উপকারী।

গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের পর ১০ মিনিট হালকা হাঁটা একবারে দীর্ঘ সময় হাঁটার চেয়ে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে বেশি কার্যকর হতে পারে। তবে ডায়াবেটিস না থাকলেও এই অভ্যাস রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক।

হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক : নিয়মিত হাঁটা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এটি রক্তচাপ ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

প্রতিদিন খাবারের পর তিনবার ১০ মিনিট করে হাঁটলে সহজেই দৈনিক প্রয়োজনীয় শারীরিক কার্যকলাপ সম্পন্ন করা যায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে : ওজন কমাতে হলে শরীরে যত ক্যালরি প্রবেশ করে, তার চেয়ে বেশি ক্যালরি খরচ হওয়া প্রয়োজন। খাবারের পর হাঁটা ক্যালরি খরচ বাড়াতে সাহায্য করে এবং ধীরে ধীরে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হতে পারে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে : যারা নিয়মিত হাঁটেন না, তাদের ক্ষেত্রে খাবারের পর হাঁটার অভ্যাস রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে। বিশেষ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এটি উপকারী হতে পারে।

সম্ভাব্য অসুবিধা

খাবারের পর হাঁটার তেমন কোনো বড় ক্ষতিকর দিক নেই। তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে খুব দ্রুত বা বেশি জোরে হাঁটলে পেটে অস্বস্তি, গ্যাস, বমিভাব বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।

এ ধরনের সমস্যা হলে খাবারের পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে হাঁটা শুরু করা ভালো। পাশাপাশি হাঁটার গতি হালকা রাখাই নিরাপদ।

কতক্ষণ হাঁটা সবচেয়ে ভালো

খাবারের পর প্রায় ১০ মিনিট হাঁটাই যথেষ্ট। এতে উপকার পাওয়া যায় এবং পেটের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে। দিনে তিন বেলা খাবারের পর ১০ মিনিট করে হাঁটলে মোট ৩০ মিনিট হাঁটা সম্পন্ন হয়, যা শরীরের জন্য উপকারী।

হাঁটার গতি কেমন হওয়া উচিত

খাবারের পর দৌড়ানো বা খুব দ্রুত হাঁটা ভালো নয়। হজমের সময় অতিরিক্ত জোরে ব্যায়াম করলে পেটের সমস্যা হতে পারে।

হালকা থেকে মাঝারি গতিতে হাঁটুন। এমনভাবে হাঁটুন যাতে হৃৎস্পন্দন একটু বাড়ে, কিন্তু শ্বাস নিতে কষ্ট না হয়। ঘণ্টায় প্রায় ৫ কিলোমিটারের কম গতিতে হাঁটাই উপযুক্ত।

খাবার খাওয়ার পর হালকা হাঁটা একটি সহজ কিন্তু কার্যকর স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। এটি হজম ভালো রাখে, রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, হৃদ্‌স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

তবে হাঁটার সময় ও গতি ঠিক রাখা জরুরি। খুব বেশি জোর না দিয়ে নিয়মিত অল্প সময় হাঁটলেই উপকার পাওয়া যায়। যাদের আগে থেকে কোনো শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তারা নতুন কোনো ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে ভালো। দৈনন্দিন জীবনে এই ছোট অভ্যাসটি যুক্ত করলে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকা অনেক সহজ হতে পারে।

সূত্র : Health line

ফরিদপুরে বাগানের গাছে ঝুলছিল বৃদ্ধের লাশ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বাগানের গাছে ঝুলছিল বৃদ্ধের লাশ

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের পরমানন্দপুর, বিষ্ণুদিয়া ও ভবানীপুর তিন গ্রামের সীমানা সংলগ্ন একটি বিলের মাঝখানে বাগান থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম রঞ্জিত সরকার (৬০)। তিনি কোতোয়ালি থানার বিষ্ণুদিয়া গ্রামের মৃত রবীন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

পরবর্তীতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটের দিকে ভবানীপুর গ্রামের এক কৃষক জমিতে কাজ করার সময় বাগানের ভেতরে একটি মেহগনি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয়দের জানান। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি রঞ্জিত সরকারের বলে শনাক্ত করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তার পরিবারকে অবহিত করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি ক্রাইম সিন ইউনিটকে অবহিত করেন। পরে ক্রাইম সিন টিমের উপস্থিতিতে মরদেহটি গাছ থেকে নামানো হয় এবং প্রাথমিকভাবে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

পুলিশ জানায়, মরদেহের প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশটি ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কোতোয়ালি থানার এসআই নূর হোসেন বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

ফরিদপুরে সংস্কৃতি মন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু খাল পুনঃখনন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আশাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সংস্কৃতি মন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু খাল পুনঃখনন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আশাবাদ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নে মধুমতি নদী থেকে কামারগ্রাম স্লুইচগেট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে খালটির পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছিল। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল এবং বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ বাড়ছিল স্থানীয়দের। খালটি পুনঃখনন করা হলে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে, সেচ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমে ফলন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকাটির পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়ও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উদ্বোধন উপলক্ষে গুনবহা ইউনিয়নের নদীয়ারচাঁদ এলাকায় আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, “খাল পুনঃখননের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন। সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও গুনবহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জায় সাহা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, আমিনা মামুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আশরাফুল আলম মামুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী-মধুখালী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আজম খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব্বির আহমেদ এবং বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং শুকনো মৌসুমে কৃষিজমিতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে, যা এলাকার সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বঞ্চিত জনগণ: ফরিদপুরে জামায়াতে ইসলামী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বঞ্চিত জনগণ: ফরিদপুরে জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফরিদপুর অঞ্চলের উদ্যোগে উপজেলা ও থানা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর শহরের মুসলিম মিশন প্রাঙ্গণে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা আমির মোহাম্মদ বদর উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও অঞ্চল পরিচালক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। এসময় ফরিদপুরসহ আশপাশের পাঁচ জেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশের সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত অধিকার ও ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘদিন ধরে দেশে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে এবং মানুষের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে তারা দাবি করেন।

তারা আরও অভিযোগ করেন, গত এক যুগের বেশি সময় ধরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত ছিল। অনেকেই স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেননি; সত্য কথা বলায় অনেকে হয়রানি, গ্রেপ্তার কিংবা আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। কেউ কেউ দীর্ঘদিন বিনা বিচারে কারাগারে ছিলেন বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসে এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তারা দাবি করেন, জনগণের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তারা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও উল্লেখ করেন বক্তারা।

সম্মেলনে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে দুর্নীতি, বিদ্যুৎ সংকট ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, অঞ্চল প্রধান শামসুল ইসলাম আল বরাটি, জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল ওহাব এবং জেলা নায়েবে আমির ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।