খুঁজুন
, ,

ভাদ্রের প্রথম সকাল : বর্ষার ভেজা পথ পেরিয়ে শরতের আগমন

রেহেনা ফেরদৌসী
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২১ পূর্বাহ্ণ
ভাদ্রের প্রথম সকাল : বর্ষার ভেজা পথ পেরিয়ে শরতের আগমন

বর্ষার শেষ প্রহর পেরিয়ে আজ বাংলা পঞ্জিকার পাতায় উঠবে ভাদ্রের প্রথম দিন। ঋতুচক্রের নিয়মে শুরু হবে শরৎ। প্রকৃতির এই পরিবর্তন অবশ্য ক্যালেন্ডারের পাতায় একদিনে ঘটে না। বর্ষার মেঘ, বৃষ্টির জল, সিক্ত মাটি আর ঘন সবুজের বুক চিরেই শরৎ ধীরে ধীরে নিজের উপস্থিতির জানান দেয়। আকাশের নীল একটু একটু করে গাঢ় হয়, মেঘের ভাঁজে আসে শুভ্রতার আভাস, বাতাসের চলনে বদলে যায় ঋতুর ভাষা।

ভাদ্র তাই এক অর্থে দুই ঋতুর সীমানায় দাঁড়ানো একটি মাস। বর্ষার বিদায়ী সুর তখনও শোনা যায়, আবার শরতের আগমনী বাঁশিও বেজে ওঠে। কখনো কালো মেঘে আকাশ ঢেকে যায়, কখনো রৌদ্রের ঝিলিক, আবার হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে দেয় পথঘাট। এই অনিশ্চয়তা ভাদ্রের স্বভাব; তার সৌন্দর্যও যেন এই বৈচিত্র‍্যরে মধ্যেই।

ভোরের ভাদ্র অন্যরকম কোমল। রাতের বৃষ্টির পর মাটির বুক থেকে উঠে আসে সোঁদা গন্ধ। পাতার ডগায় জমে থাকা জলকণা সকালের আলোয় ছোট ছোট মুক্তোর মতো ঝলমল করে। কোথাও কোথাও শিউলির শুভ্র পাপড়ি জানান দিতে শুরু করে শরতের আগমন। গ্রাম বাংলার উঠোনে ফুল কুড়ানোর ব্যস্ততা, দূরের পাখির ডাক আর হালকা বাতাস মিলে তৈরি করে এক শান্ত সকাল। শহরেও ভোরের আকাশে চোখ রাখলে বোঝা যায়Ñবর্ষার ভার কিছুটা হালকা হয়েছে।

সূর্য ওপরে উঠলে শরতের আরেক রূপ প্রকাশ পায়। ভাদ্রের দুপুরকে একেবারে কোমল বলা যাবে না; রোদের তেজ যথেষ্ট থাকে, বাতাসে আর্দ্রতাও কমে না। কখনো নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, আবার মুহূর্তেই মেঘের ঘনঘটা, প্রকৃতি যেন নিজের ক্যানভাসে বারবার ছবি বদলায়। নদী-নালা ও জলাভূমিতে বর্ষার সঞ্চিত জল তখনও প্রকৃতিকে সজীব রাখে। মাঠে আমন ধানের সবুজ, গাছপালার সতেজতা এবং জলভরা নিম্নভূমি বাংলার ভূ-দৃশ্যকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত।

এই সময় মানুষের জীবনযাপনেও প্রয়োজন কিছু সচেতনতা। গরম ও আর্দ্রতার কারণে হালকা, আরামদায়ক ও বাতাস চলাচল করে এমন পোশাক স্বস্তি দেয়। সুতি পোশাক এ আবহাওয়ায় উপযোগী। বাইরে বের হলে ছাতা সঙ্গে রাখা ভালো, কারণ ভাদ্রের আকাশের মন বোঝা কঠিন। পর্যাপ্ত পানি পান, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং বৃষ্টিতে ভিজে গেলে দ্রুত শুকনো পোশাক পরা দৈনন্দিন স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

খাদ্যাভ্যাসেও চাই ঋতুর সঙ্গে সামঞ্জস্য। তাজা শাকসবজি, মৌসুমি ফল, দেশীয় মাছ, ডাল ও সহজপাচ্য খাবার শরীরকে স্বস্তি দিতে পারে। ভাদ্রের আর্দ্র আবহাওয়ায় খাবার দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে বলে বাসি বা দীর্ঘক্ষণ খোলা অবস্থায় রাখা খাবার এড়ানো উচিত। নিরাপদ পানি পান এবং খাবার ঢেকে রাখার মতো সাধারণ সতর্কতাও এ সময় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

দুপুরের উত্তাপ পেরিয়ে বিকেল নামলেই ভাদ্র যেন তার সবচেয়ে চিত্রময় মুখটি খুলে বসে। খোলা মাঠে বাতাসের দোল, নদীর জলে সূর্যের শেষ আলো আর দূরের কাশবনের শুভ্রতা মিলে তৈরি হয় শরতের নিজস্ব দৃশ্যপট। কাশফুলের নরম দোলা শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়; বাঙালির সাংস্কৃতিক স্মৃতিতেও এটি শরতের অন্যতম প্রতীক। নদীর পাড়ে দাঁড়ালে মনে হয়, জল আর আকাশের মাঝখানে প্রকৃতি নিজেই একটি সাদা স্বপ্ন এঁকে দিয়েছে।

বিকেলের শেষে আসে সন্ধ্যা। দিনের ব্যস্ততা ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়। কৃষক মাঠ থেকে ফেরেন, গৃহস্থের উঠোনে আলো জ্বলে, শহরের ব্যস্ত মানুষও কিছুক্ষণের জন্য আকাশের দিকে তাকানোর অবকাশ পান। বর্ষার দীর্ঘ অস্থিরতার পর এই সন্ধ্যায় প্রকৃতি যেন একটু শান্ত হতে শেখায়।

আর শরতের রাতে তার নিজস্ব এক মায়া আছে। মেঘ সরে গেলে জ্যোৎস্না নেমে আসে উঠোনে, ছাদে, নদীর জলে। চাঁদের আলোয় গাছের ছায়া দীর্ঘ হয়, দূরে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক শোনা যায়। গরমের অস্থিরতা আর শীতের কনকনে অনুভূতি; দুটির মাঝামাঝি এক আরামদায়ক আবহ তৈরি হয়। যদিও ভাদ্রের আর্দ্রতা ও বৃষ্টির প্রভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় প্রতিটি রাত সমান নির্মল হয় না।

প্রকৃতির সৌন্দর্যের পাশাপাশি ভাদ্র কিছু বাস্তব সতর্কতাও মনে করিয়ে দেয়। বৃষ্টির পর জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি করতে পারে। তাই বাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা জরুরি। প্রচন্ড রোদে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে ছাতা বা অন্যান্য সুরক্ষা নেওয়া এবং শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হতে না দেওয়াও দরকার।

ভাদ্রের সঙ্গে বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনও ধীরে ধীরে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। শরতের আগমন মানেই সামনে শারদীয় উৎসবের প্রস্তুতি। এখনো দূরে কোথাও ঢাকের আওয়াজ শোনা না গেলেও মন্ডপ তৈরির ব্যস্ততা, বাজারে নতুন পোশাকের আনাগোনা কিংবা ঘর গোছানোর আয়োজন জানান দেয় উৎসব আসছে। প্রকৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের মনও তখন নতুন আনন্দের অপেক্ষায় থাকে।

তবু ভাদ্রের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য কোনো একক দৃশ্যে নয়; তার সৌন্দর্য পরিবর্তনের ভেতর। বর্ষার ঘন সবুজকে সঙ্গে নিয়ে সে এগিয়ে যায় শরতের নীল আকাশের দিকে। কখনো মেঘলা, কখনো রৌদ্রোজ্জ্বল, কখনো বৃষ্টিস্নাত প্রতিটি মুহূর্তে তার আলাদা রূপ।

ভাদ্র আমাদের তাই শুধু একটি নতুন মাস উপহার দেয় না; দেয় একটু থামার উপলক্ষ। ব্যস্ততার বাইরে দাঁড়িয়ে আকাশ দেখার, নদীর স্রোত শোনার, কাশফুলের দোলায় চোখ রাখার এবং বুঝে নেওয়ার সুযোগ দেয় প্রকৃতি কখনো একই থাকে না, অথচ তার প্রতিটি পরিবর্তনের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সৌন্দর্য।
কাল ভাদ্রের প্রথম সকাল। হয়তো আকাশে মেঘ থাকবে, হয়তো রোদ উঠবে, হয়তো হঠাৎ বৃষ্টিও নামবে। তবু সেই পরিবর্তনশীল আকাশের নিচেই শরৎ তার প্রথম পদচিহ্ন রাখবে।

শরৎ কোনো ঘোষণা দিয়ে আসে না, সে আসে বাতাসের স্বরে, আকাশের নীলে, কাশফুলের শুভ্রতায় এবং মানুষের মনে নতুন ঋতুর অদৃশ্য আনন্দ হয়ে। স্বাগতম ভাদ্র। স্বাগতম শরৎ।

লেখক: সহ-সম্পাদক,সমাজকল্যাণ বিভাগ, পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)।

ফরিদপুরে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের কাছ থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে দুধে গোসল করলেন মা, ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের কাছ থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে দুধে গোসল করলেন মা, ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের নির্যাতন থেকে মেয়েকে মুক্ত করে দুধ দিয়ে গোসল করেছেন এক মা। মানত বা ওয়াদা রক্ষায় প্রকাশ্যে স্থানীয় একটি বাজারে ৫ কেজি দুধ দিয়ে গোসল করার এই খবর ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

​শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বড় বাইখীর গ্রামের চৌরাস্তা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৪ বছর আগে উপজেলার বড় বাইখীর গ্রামের বৃদ্ধ মহাশিন মোল্লার (৭৪) মেয়ে মনিরা খাতুনের (৩০) সঙ্গে একই এলাকার সুমন শেখের (৩২) বিয়ে হয়। মনিরা খাতুনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্বামী নেশাগ্রস্ত হয়ে প্রতিদিন তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত তিনি সংসারের ইতি টানতে বাধ্য হন। সম্প্রতি কাজী অফিসে গিয়ে কাবিন রেজিস্ট্রি বাতিলের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় সুমনের সঙ্গে মনিরার বিচ্ছেদ ঘটে।

​মেয়ের মা জুলেখা বেগম (৪৬) জানান, জামাইয়ের ক্রমাগত অত্যাচারে তাঁর মেয়ের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। মেয়েকে এই নির্যাতন থেকে মুক্ত করতে পারলে তিনি দুধ দিয়ে গোসল করবেন বলে ওয়াদা বা মানত করেছিলেন। সেই ওয়াদা রক্ষা করতেই শুক্রবার সকালে বাইখীর চৌরাস্তা বাজারে ৫ কেজি দুধ দিয়ে গোসল করেন তিনি।

​তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুমন শেখ। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনীত নির্যাতন ও নেশা করার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

ফরিদপুর শহরে বেদেপল্লীর নারীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ পথচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর শহরে বেদেপল্লীর নারীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ পথচারীরা

ফরিদপুর শহরের ব্যস্ততম সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে পথচারীদের ঘিরে ধরে জোরপূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বেদেপল্লীর একদল নারীর বিরুদ্ধে। শহরের আলিপুর মোড়, ১১ তলা ভবন এলাকা, জনতা ব্যাংক মোড় ও চকবাজারসহ ব্যস্ত পয়েন্টগুলোতে দিনের পর দিন এমন ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গ্রাম থেকে প্রয়োজনীয় কাজে শহরে আসা সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করেই মূলত চক্রটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। কোনো পথচারী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ঘিরে ধরে পথ আটকে দেওয়া হয়, এমনকি টানাহেঁচড়া করে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা হয়। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকেই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে সেখান থেকে রক্ষা পান।

​সদর উপজেলার গ্রাম থেকে কাজে আসা ফাহিম শেখ বলেন, “শহরে ঢোকার পরই কয়েকজন নারী আমাকে ঘিরে ধরে টাকা দাবি করে। না দিলে ছাড়ছিল না। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি, এখন বাড়ি ফেরার ভাড়া নিয়ে চিন্তায় পড়েছি।” একই অভিজ্ঞতার কথা জানান মমিন খারহাটের রুস্তম ব্যাপারী ও স্থানীয় বাসিন্দা রাহুল শেখ। রাহুল শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যেহেতু তারা নারী, প্রকাশ্যে এসব টানাহেঁচড়া করলে পুরুষের জন্য তা অত্যন্ত বিব্রতকর। বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে পার পেতে হয়।”

​অভিযোগ রয়েছে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের সামনেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলছে। এ বিষয়ে আলিপুর এলাকার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা (টিএসআই) শেখ তুহিন বলেন, “আমাদের সামনেই সাধারণ মানুষকে টেনে-হিঁচড়ে টাকা আদায় করা হয়। আমি নিজে কয়েকবার নিষেধ করেছি, কিন্তু নিষেধ করলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যে কারণে অনেক সময় আর কিছু বলা যায় না।”

​তবে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা জানিয়েছেন অভিযুক্ত বেদেপল্লীর নারীরা। মুন্সিবাজার এলাকার বেদেপল্লীর এক নারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হয়। আমাদের অন্য কোনো কাজের সুযোগ নেই। প্রশাসন যদি পুনর্বাসন বা বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করে, তবে আমরা রাস্তায় এসে টাকা চাওয়া বন্ধ করে দেব।”

​ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, মুন্সিবাজারের বেদে সম্প্রদায়ের মানুষদের সরকারি কোনো সহায়তার আওতায় আনা যায় কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

​অন্যদিকে, ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি এখন পর্যন্ত তার জানা ছিল না। তবে টহল টিমকে নির্দেশনা দেওয়া হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​স্থানীয়দের দাবি, বেদে সম্প্রদায়ের জীবিকার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে দ্রুত বিকল্প কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। একই সাথে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের পথচলা নির্বিঘ্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) নেতৃবৃন্দ।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আজিজ, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কৃষিবিদ শাহরিয়ার আজম ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. রঞ্জুসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সাক্ষাৎকালে নেতারা ইউএনওর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন।