খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

সবুজ বাইপাস সড়কটিতে এখন ময়লার ভাগাড়, বিপাকে সালথার মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
সবুজ বাইপাস সড়কটিতে এখন ময়লার ভাগাড়, বিপাকে সালথার মানুষ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাইপাস সড়কটি একসময় ছিল প্রকৃতির স্নিগ্ধতায় ঘেরা একটি মনোরম পথ। সবুজ গাছপালা, খোলা বাতাস আর শান্ত পরিবেশের কারণে বিকেলবেলা হাঁটাহাঁটি কিংবা অবসর সময় কাটানোর জন্য এটি ছিল স্থানীয়দের প্রিয় স্থান।

কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই সৌন্দর্য হারিয়ে এখন সড়কটি পরিণত হয়েছে ময়লার ভাগাড়ে। এতে একদিকে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, অন্যদিকে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে জমে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের আবর্জনার স্তূপ। বাজারের পচা ফলমূল, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বর্জ্য, প্লাস্টিক ও নিষিদ্ধ পলিথিনসহ নানা ধরনের ময়লা ফেলা হচ্ছে এখানে। এসব বর্জ্য থেকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ, যা পথচারীদের জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই নাক-মুখ চেপে কিংবা মাস্ক ব্যবহার করে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যক্তি রাতের আঁধারে ভ্যানযোগে বাজারের ময়লা এনে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় দিন দিন ময়লার স্তূপ আরও বড় হচ্ছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

স্থানীয় পথচারী শামিম হোসেন বলেন, “এই সড়কটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ এই পথ ব্যবহার করে। আগে এটি ছিল খুবই সুন্দর, কিন্তু এখন দুর্গন্ধে চলাচল করাই কঠিন হয়ে গেছে।”

আরেক পথচারী সোহেল মোল্যা বলেন, “একসময় এই রাস্তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবাইকে আকর্ষণ করত। এখন সেখানে শুধু ময়লার স্তূপ। দাঁড়িয়ে থাকাও যায় না। বাধ্য হয়ে মাস্ক ব্যবহার করতে হচ্ছে।”

বাজারের ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন, “এভাবে ময়লা ফেলার কারণে আমাদের ব্যবসা ও চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।”

বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সরোয়ার হোসেন বাচ্চু জানান, পূর্বে প্রশাসনের নির্দেশনায় এখানে ময়লা ফেলা হলেও পরে তা বন্ধ করে নদীর পাশে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার কথা বলা হয়। বর্তমানে যদি কেউ নিয়ম ভেঙে এখানে ময়লা ফেলে, তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “সালথা সদর বাজারের ময়লা ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। খুব শিগগিরই একটি নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সড়কটি পরিষ্কার করে নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ গ্রহণ না করলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দৈনিক পুনরুত্থান পত্রিকার ১৩তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দৈনিক পুনরুত্থান পত্রিকার ১৩তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

ফরিদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে দৈনিক পুনরুত্থান-এর ১৩তম বর্ষপূর্তি। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনকে ঘিরে দিনব্যাপী কর্মসূচিতে ছিল আনন্দঘন র‍্যালি, আলোচনা সভা, দোয়া ও কেক কাটা—যা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১০টায় একটি বর্ণিল র‍্যালি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে সকাল ১১টায় শুরু হয় আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক পুনরুত্থানের সহযোগী ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মিজান উর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খরসূতী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাদীন উর রহমান।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন- মাগুরার মহম্মদপুর আমিনুর রহমান ডিগ্রি কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ও প্রবীণ শিক্ষাবিদ মো. আবুল কালাম আজাদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “সৎ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজকে আলোকিত করে এবং একটি গণমাধ্যমের দীর্ঘ পথচলার পেছনে থাকে নিরলস পরিশ্রম ও জনগণের আস্থা।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- প্রথিতযশা সাংবাদিক ও সমকাল প্রতিনিধি কাজী আমিনুল ইসলাম। তিনি স্থানীয় সাংবাদিকতার বিকাশে দৈনিক পুনরুত্থানের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।

দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন খরসূতী চন্দ্র কিশোর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ। পরে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সফলতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক (ইসলাম শিক্ষা) মো. নিজাম উদ্দিন।

খরসূতী সরকারি কলেজের প্রভাষক গৌতম সিংহের সুনিপুণ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য মো. নায়েব আলী, বোয়ালমারী উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান মো. নবির হোসেন চুন্ন, চিকিৎসক ডা. মো. জিকরুল হক সিকদারসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সাংবাদিক ও সুধীজন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে কেক কেটে ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দৈনিক পুনরুত্থান স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনমানুষের কথা তুলে ধরে পাঠকমহলে আস্থা অর্জন করেছে। ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

ফরিদপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আলোচিত সেই কবির খান গ্রেপ্তার

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আলোচিত সেই কবির খান গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি চরহরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি কবির খানকে (৫৩) অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচন্ডিপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চরভদ্রাসন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক খানের নেতৃত্বে একটি দল দোহার থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে কবির খানকে গ্রেপ্তার করে। তিনি চরভদ্রাসন উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের চর সালেপুর গ্রামের মৃত সুরমান খানের ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মুন্সির চর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কবির খানকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। কিন্তু গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে মোটরসাইকেলে তোলার সময় তার স্বজন ও অনুসারীরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে পুলিশ সদস্যরা গুরুতর আহত হন এবং পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কবির খানকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।

ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই রফিকুজ্জামান। তার সঙ্গে ছিলেন এসআই মোজাম্মেল হক, এসআই কাজী রিপন, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সোহেল রানা ও কনস্টেবল উজ্জ্বলসহ মোট পাঁচজন পুলিশ সদস্য। হামলার সময় এসআই রফিকুজ্জামানসহ সকল সদস্য আহত হন বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত অভিযান জোরদার করে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় তল্লাশি চালায়। একই ঘটনায় মঙ্গলবার চরহরিরামপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে আলমগীর (২৫) নামে এক সহযোগীকে আটক করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।

চরভদ্রাসন থানার এসআই এনামুল হক খান জানান, কবির খানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আগে থেকেই দুটি মামলা রয়েছে। এছাড়া পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা যায়।

 

ফরিদপুরে জাকাত ফান্ডে গড়ে উঠলো লুৎফরের মুদি দোকান, বদলে যাচ্ছে জীবন

মাহবুব হোসেন পিয়াল, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জাকাত ফান্ডে গড়ে উঠলো লুৎফরের মুদি দোকান, বদলে যাচ্ছে জীবন

ফরিদপুর শহরতলীর ভাজনডাঙ্গা এলাকায় ভুবনেশ্বর নদীর তীরে এক অসহায় মানুষের স্বপ্ন পূরণের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সামাজিক সংগঠন “আমরা করবো জয়”। সংগঠনটির জাকাত ফান্ডের অর্থায়নে লুৎফর রহমান নামে এক অস্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য একটি মুদি দোকান নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে, যা তার জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দোকানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে দোকানটির কার্যক্রমের সূচনা করেন ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন পিয়াল। উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আবুল খায়ের বাউল।

জানা গেছে, প্রায় ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই দোকানটি সম্পূর্ণভাবে জাকাত ফান্ডের অর্থ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার সন্ধানে সংগ্রামরত লুৎফর রহমান ভুবনেশ্বর নদীর তীরে একটি ছোট দোকান গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছিল না। পরে স্থানীয় সমাজসেবী আহমেদ সৌরভের উদ্যোগে “আমরা করবো জয়” সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার স্বপ্ন পূরণের পথ তৈরি হয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে মাহাবুব হোসেন পিয়াল বলেন, “সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের নৈতিক কর্তব্যও। লুৎফরের মতো একজন মানুষকে স্বাবলম্বী করে তোলার মাধ্যমে আমরা একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারছি—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

ডা. আহমেদ সৌরভ বলেন, “জাকাত শুধু দান নয়, এটি একটি সামাজিক বিনিয়োগ। আমরা চেষ্টা করছি এমনভাবে সহায়তা করতে, যাতে মানুষ দীর্ঘমেয়াদে স্বাবলম্বী হতে পারে। লুৎফরের এই দোকান তার জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনবে বলে আমরা আশাবাদী।”

উদ্যোক্তারা জানান, তারা চান সমাজে এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠুক যেখানে মানুষ ভিক্ষাবৃত্তির পরিবর্তে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। এই উদ্যোগ সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস।

স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের মানবিক ও বাস্তবমুখী সহায়তা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং অন্যদেরও এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফয়সাল কবির পাভেল, সোহরাবুল ইসলাম ডালিম, মো. রুপম হোসেন, সাইমুর রহমান সিয়াম, জাকিব আহাম্মেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।