খুঁজুন
, ,

সালথায় ডিলার সিন্ডিকেটের কবলে সার, চরম ভোগান্তিতে দিশেহারা কৃষক

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ
সালথায় ডিলার সিন্ডিকেটের কবলে সার, চরম ভোগান্তিতে দিশেহারা কৃষক

ফরিদপুরের সালথায় সারের বাজার এখন একশ্রেণির অসাধু ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের জিম্মায়। সরকারিভাবে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি করা হলেও মাঠপর্যায়ে নির্ধারিত মূল্যে সার পাচ্ছেন না কৃষকরা। উল্টো কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কৃষকদের কাছে থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ডিলার সিন্ডিকেট। এতে পিঁয়াজের চারা রোপণসহ চলতি রবি মৌসুমে চরম অনিশ্চয়তা ও আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন উপজেলার হাজারও কৃষক।

​স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ৫০ কেজির এক বস্তা ডিএপি (DAP) বা টিএসপি সারের দাম নির্ধারিত থাকলেও ডিলাররা তা মানছেন না। ডিলার পর্যায় থেকে প্রতি বস্তা সারে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৭০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। ১০৫০ টাকা মূল্যের সারের বস্তা কিনতে কৃষকদের গুণতে হচ্ছে ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকা। এতে উৎপাদন খরচ অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ চাষিরা।

​উপজেলার খোয়াড়গ্রামের কৃষক মিলু শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বর্তমান সময়ে পিঁয়াজের বীজতলা প্রস্তুত করা জরুরি। কিন্তু সরকারি মূল্যে ডিলারদের কাছে গেলে মাত্র ১৫ কেজি করে সার দেওয়া হচ্ছে, যা দিয়ে কোনোভাবেই চাষাবাদ সম্ভব নয়। আমার অন্তত ৩ বস্তা সার প্রয়োজন। তবে গোপনে বেশি টাকা দিলে ঠিকই বস্তা ভরে সার মিলছে। এভাবে চললে আমরা কীভাবে পিঁয়াজের চারা তৈরি করব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।”

​একই উপজেলার কৃষক লাভলু মাতুব্বর বলেন, “পুরো সারের বাজার এখন সিন্ডিকেটের দখলে। সরাসরি গেলে সার নেই বলা হয়, অথচ বেশি টাকা দিতে রাজি হলে সারের অভাব হয় না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ও নিয়মিত মনিটরিং না করা হলে আমরা কোনোদিনই ন্যায্য মূল্যে সার পাব না।”

​অন্যদিকে কৃষি উপকরণের ঊর্ধ্বমুখী দাম ও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আরেক কৃষক গোলাম মওলা। তিনি বলেন, “বাজারে আমাদের কৃষিপণ্যের সঠিক দাম নেই। তার ওপর প্রতি বস্তা সারে যদি সাতশ টাকা বেশি দিতে হয়, তবে কৃষক বাঁচবে কীভাবে? আমরা একদম অসহায় হয়ে পড়েছি। সরকারের উচিত এখনই কড়া নজরদারি করা, কারণ কৃষক না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না।”

​সারের এই কৃত্রিম সংকটের নেপথ্যে স্থানীয় অসাধু সিন্ডিকেটের পাশাপাশি খুচরা সারের দোকানগুলোর অবৈধ মজুদদারিকে দায়ী করছেন অভিজ্ঞ মহল। রবি মৌসুমে ফরিদপুরের সালথায় পিঁয়াজ, রসুন ও বিভিন্ন সবজির ব্যাপক আবাদ হয়। এই সময়ে সারের চাহিদা বেড়ে যাওয়াকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে অসাধু চক্রটি। রসিদ ছাড়া সার বিক্রি করা এবং সরকারি রেটচার্ট দোকানে না ঝোলানোর অভিযোগও রয়েছে একাধিক ডিলারের বিরুদ্ধে।

​তবে সারের কোনো সংকট নেই বলে দাবি করেছে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ। অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তারা জানান।

​সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল হাবীব আল আজাদ বলেন, “আমরা সারের বাজার নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। সম্প্রতি অনিয়মের অভিযোগে দু’টি সারের ডিলারকে জরিমানা করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে আমাদের নিয়মিত তদারকি চলছে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

​এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন জানান, “উপজেলায় সারের কোনো ঘাটতি নেই। যদি কোনো ডিলার বা ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই কয়েকজনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

মন ভালো রাখার ১০টি সহজ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
মন ভালো রাখার ১০টি সহজ উপায়

সুস্থ থাকতে সুষম খাবার ও নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও জরুরি। কিন্তু কাজের চাপ, ব্যক্তিগত সমস্যা কিংবা নানা কারণে অনেক সময় মন খারাপ থাকে।

কোনো কিছুতেই আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায় না। এমন পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে দৈনন্দিন জীবনে কিছু ছোট পরিবর্তন আনতে পারেন।

প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো, বাইরে হাঁটতে যাওয়া কিংবা পছন্দের কাজ করার মতো অভ্যাস মন ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, মন ভালো রাখতে কার্যকর হতে পারে এমন ১০টি সহজ উপায়।

১. প্রিয়জনদের সঙ্গে খেলুন

অবসর সময়ে পরিবারের সদস্য কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান। সবাই মিলে বোর্ড গেম, লুডু বা অন্য কোনো মজার খেলা খেলতে পারেন।

এতে একঘেয়েমি কাটতে পারে, বাড়তে পারে পারস্পরিক যোগাযোগও। তবে চেষ্টা করুন, এ সময় যেন পুরো মনোযোগ থাকে সামনাসামনি আনন্দ ভাগাভাগি করার দিকে।

২. কিছুক্ষণ হাঁটুন

মন খারাপ লাগলে ঘরে বসে না থেকে বাইরে হাঁটতে বেরিয়ে পড়ুন। পার্কে কিংবা নিরিবিলি কোনো পথে কিছুক্ষণ হাঁটলে পরিবেশের পরিবর্তন আপনার ভালো লাগতে পারে। নিয়মিত হাঁটা শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতেও সহায়ক।

৩. বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন

মনের কষ্ট নিজের মধ্যে চেপে না রেখে বিশ্বস্ত কোনো বন্ধু বা কাছের মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। চাইলে ফোন করেই নিজের অনুভূতির কথা জানাতে পারেন। অনেক সময় প্রিয়জনের কথা শোনা, নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া কিংবা প্রয়োজনের সময় পরামর্শ পাওয়া মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৪. নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন

একই ধরনের কাজ করতে করতে একঘেয়েমি তৈরি হতে পারে। তাই নতুন কিছু শেখার উদ্যোগ নিন। রান্না, ছবি আঁকা, বাগান করা কিংবা ব্যায়ামের মতো কোনো কাজে যুক্ত হতে পারেন। ছোট একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করে তা পূরণের চেষ্টা করলেও নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়তে পারে।

৫. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে বিরতি নিন

দীর্ঘ সময় ফোনে থাকা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবনযাপনের সঙ্গে নিজের তুলনা করা মন খারাপের কারণ হতে পারে। তাই কিছুক্ষণের জন্য ফোন সরিয়ে রাখুন। এ সময় বই পড়তে পারেন, পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন কিংবা নিজের পছন্দের কোনো কাজে মনোযোগ দিতে পারেন।

৬. পছন্দের গান শুনুন বা গাইুন

গান অনেকের মন ভালো করতে সাহায্য করে। মন খারাপ থাকলে প্রিয় কোনো গান শুনুন কিংবা গুনগুন করে গেয়ে উঠুন। চাইলে হালকা সুরের গান শুনতে পারেন। তবে সবার ক্ষেত্রে গানের প্রভাব এক রকম নয়। তাই যে গান বা সুর আপনার ভালো লাগে, সেটিই বেছে নিন।

৭. অন্যের উপকার করুন

অন্যের জন্য ছোট কোনো ভালো কাজও নিজের মনে তৃপ্তি এনে দিতে পারে। পরিবারের কাজে সাহায্য করা, বন্ধুর বিপদে পাশে দাঁড়ানো কিংবা অসহায় কাউকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করুন। মানুষের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং সামাজিকভাবে যুক্ত থাকা মানসিক সুস্থতার জন্য উপকারী হতে পারে।

৮. পছন্দের খাবার রান্না করুন

রান্না করতে ভালো লাগলে অবসর সময়ে নতুন কোনো পদ তৈরি করতে পারেন। পছন্দের খাবার রান্না করা কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নেওয়া আনন্দের উপলক্ষ হতে পারে। তবে মন ভালো করার জন্য খাবারের ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখুন।

৯. হাসি ও আনন্দের উপলক্ষ খুঁজুন

প্রিয়জনের সঙ্গে মজার স্মৃতি নিয়ে কথা বলুন, হাস্যরসাত্মক কিছু দেখুন কিংবা আনন্দদায়ক কোনো কাজে অংশ নিন। হাসি ও ইতিবাচক অভিজ্ঞতা সাময়িকভাবে চাপ কমাতে এবং মন ভালো করতে সহায়তা করতে পারে। তবে মন খারাপ থাকলে জোর করে হাসার প্রয়োজন নেই। নিজের অনুভূতিকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।

১০. আশাবাদী থাকুন, নিজেকে সময় দিন

কঠিন সময় এলে মনে হতে পারে, পরিস্থিতি আর ভালো হবে না। কিন্তু মনে রাখুন, অনুভূতি ও পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে। নিজের প্রতি সদয় থাকুন, ছোট ছোট অর্জনকে গুরুত্ব দিন এবং প্রতিদিনের জন্য বাস্তবসম্মত লক্ষ্য ঠিক করুন। সব সমস্যা একসঙ্গে সমাধান করতে হবে-এমন চাপ নিজেকে দেবেন না।

মন খারাপ দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে, দৈনন্দিন কাজে আগ্রহ কমে গেলে কিংবা ঘুম, খাওয়া ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে সমস্যা দেখা দিলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো। প্রয়োজন হলে সহায়তা চাওয়াও নিজের যত্ন নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মনে রাখবেন, মন ভালো রাখার কোনো একক কৌশল সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে কাজ করে না। নিজের জন্য উপযোগী অভ্যাস খুঁজে নিন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং কাছের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখুন।

ফরিদপুরে পুকুরে ডুবে তরুণীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পুকুরে ডুবে তরুণীর মৃত্যু

ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন তাম্বুলখানা এলাকায় পুকুরে ডুবে আফরোজা বেগম (২৩) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

​নিহত আফরোজা বেগম তাম্বুলখানা এলাকার আমিন শেখের মেয়ে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থতায় ভুগছিলেন বলে জানা গেছে।

​স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে আফরোজা বাড়ির পাশের পুকুরঘাটে থালাবাসন ধুতে যান। একপর্যায়ে তিনি অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে তলিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

​পরে পুকুরপাড়ে আফরোজার থালাবাসন পড়ে থাকতে দেখে স্বজনদের সন্দেহ হয়। এরপর স্থানীয়রা পুকুরে নেমে সন্ধান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক আফরোজাকে মৃত ঘোষণা করেন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ফরিদপুরে কলা খেতে এসে ধরা পড়ল গন্ধগোকুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে কলা খেতে এসে ধরা পড়ল গন্ধগোকুল

ফরিদপুর সদর উপজেলায় কলা খেতে গিয়ে জালে আটকে পড়া একটি বিরল প্রজাতির গন্ধগোকুল উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

​বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর তিনটার দিকে সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের কোশাগোপালপুর গ্রামের কলা ব্যবসায়ী আব্দুস শুকুর আলীর বাড়ি থেকে প্রাণীটিকে উদ্ধার করা হয়।

​স্থানীয় ও বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কোশাগোপালপুর গ্রামের কলা ব্যবসায়ী আব্দুস শুকুর আলীর কলা রাখার ঘরে গত কয়েক মাস ধরে রাতের আঁধারে একটি গন্ধগোকুল ঢুকে কলা খেয়ে নষ্ট করছিল। প্রাণীটিকে ধরার জন্য সম্প্রতি কলার ঘরের চারপাশ জালে ঘিরে রাখা হয়। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে প্রতিদিনের মতো কলা খেতে এসে জালে জড়িয়ে আটকা পড়ে গন্ধগোকুলটি। পরে বিষয়টি বন বিভাগকে জানানো হয়। খবর পেয়ে বন বিভাগের একটি দল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গন্ধগোকুলটি উদ্ধার করে।

​ব্যবসায়ী শুকুর আলীর ছেলে মো. ইসমাইল আলী বলেন, “গত কয়েক মাস ধরে রাতের বেলা কলার ঘরে ঢুকে কোনো প্রাণী কলা খেয়ে নষ্ট করে দিয়ে যেত। সকালে উঠে আমরা তা দেখতে পেতাম। তাই ঘরের চারপাশে জাল টাঙিয়ে রেখেছিলাম। বুধবার রাতে প্রাণীটি সেই জালে আটকে যায়। এরপর বন বিভাগকে খবর দিলে তারা এসে নিয়ে যায়।”

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের সহকারী বন সংরক্ষক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তাওহীদ হোসেন জানান, গন্ধগোকুল একটি বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী। খবর পাওয়ার পরপরই বন বিভাগের সদস্যরা সেটি উদ্ধার করে কার্যালয়ে নিয়ে এসেছেন। বর্তমানে প্রাণীটি সুস্থ রয়েছে এবং সুবিধাজনক সময়ে সেটিকে কোনো নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হবে।