খুঁজুন
, ,

কনসার্ট না করার সিদ্ধান্ত, কারণ জানালেন তাহসান

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:০৪ অপরাহ্ণ
কনসার্ট না করার সিদ্ধান্ত, কারণ জানালেন তাহসান

সংগীতশিল্পী তাহসান খান ২৫ বছরের সংগীত জীবনের বিশেষ মুহূর্ত উদ্‌যাপন করতে অস্ট্রেলিয়া সফরে রয়েছেন। সেখানকার পাঁচটি শহরে কনসার্টে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

তেমন একটি আয়োজনে তাহসান জানান কনসার্ট থেকে সরে আসার কথা।

 

সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে তেমনটি ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সেখানে তাহসানকে বলতে শোনা যায়, এটাই আমার লাস্ট কনসার্ট। আস্তে আস্তে মিউজিক ক্যারিয়ারটাও গুটিয়ে ফেলবো।
মেয়ে বড় হচ্ছে, এখন কি দাঁড়ি রেখে স্টেজে দাঁড়িয়ে এমন লাফালাফি করতে ভালো লাগে?

তিনি আরও বলেন, আমার সব সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ডিএক্টিভেট করে দিয়েছি।

হঠাৎ করে কেন এমন সিদ্ধান্ত? হয়তো অনেকের মনেই এমন প্রশ্ন। বিষয়টি জানতে যোগাযোগ করা হয় তাহসানের সঙ্গে। অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলানিউজকে এই গায়ক জানালেন, বিষয়টি একান্তই ব্যক্তিগত।

এর আগে গত বছর তাহসান জানিয়েছিলেন, হেটেরোটোপিয়া নামের একটি রোগ বাসা বেঁধেছে তার কণ্ঠনালিতে। এই সমস্যায় গলার কাঠামো পরিবর্তন হয়ে যায়। কমে যায় গান গাওয়ার মনোবল। ২০১৮ সাল থেকে এই সমস্যার শুরু। সে কারণে আগের মতো এখন আর অনায়াসে গানও গাইতে পারছেন না। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে গান গাওয়া নিয়েও শঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন।

ওই সময় তাহসান বলেছিলেন, যত দিন যাচ্ছে, আমার গান গাওয়ার সক্ষমতাও কমছে। ভক্তদের এ জন্য জানালাম, ধীরে ধীরে যদি কনসার্ট কমে যায় এবং লাইভে গান গাওয়াও কমে যায়, তাহলে আপনারা বুঝে নেবেন, আমার সমস্যা প্রকট হয়েছে।

তাহলে কী হেটেরোটোপিয়া রোগের কারণে কনসার্ট ছাড়ছেন? বিষয়টি তেমন নয়। মূলত ব্যক্তিগত কারণেই কনসার্ট না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণটি ব্যক্তিগত হওয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি তাহসান।

বলে রাখা যায়, গানের আগে অভিনয় থেকে ও সরে দাঁড়িয়েছেন তাহসান। গত বছর এ বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, আমি ২০ বছর ধরে অভিনয়ে কাজ করছি। নিজেকেই নিজের বিরতি নিতে হয়। যারা আমাকে ভালোবাসে আমার কাজ ভালো লেগেছে বলেই ভালোবাসেন। যখন মনে হয় কাজ একঘেয়েমি হয়ে যাচ্ছে, খুব একটা ভালো কাজ হচ্ছে না তখন নিজেকেই থামিয়ে দিতে হয়।

‘আ.লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের নিয়োগ বাতিল চায় ছাত্রদল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
‘আ.লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের নিয়োগ বাতিল চায় ছাত্রদল

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আসিফ-উল আলমকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ ও ‘স্বাচিপের সক্রিয় সদস্য’ আখ্যা দিয়ে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছে কলেজ শাখা ছাত্রদল। এ সময় অধ্যক্ষের যোগদানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ও শিক্ষকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার অভিযোগও উঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক ভবনে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে ব্যানার টাঙিয়ে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবিতে অবস্থান নেয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে একই প্রতিষ্ঠানের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আসিফ-উল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। উপসচিব দূর-রে-শাহওয়াজ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি সোমবার (১০ আগস্ট) জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে তাঁকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন পদে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ১৬ আগস্টের মধ্যে যোগদানের সময়সীমা উল্লেখ করা হয়।

প্রজ্ঞাপন জারির পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে ডা. সৈয়দ আসিফ-উল আলম অধ্যক্ষ পদে যোগদান করতে কলেজে যান। এ সময় কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মুস্তাকীম কবিরের নেতৃত্বে ৭ থেকে ৮ জন নেতাকর্মী অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত হন।

ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) ফরিদপুর জেলা শাখার কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ দাবির পক্ষে তাঁরা একটি তালিকাও প্রদর্শন করেন। অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর, স্বাচিপের সক্রিয় সদস্য’ লেখা ব্যানার টাঙিয়ে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান তাঁরা।

এ সময় অধ্যক্ষের যোগদানকে কেন্দ্র করে শিক্ষক ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরিস্থিতির খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ পুলিশ সদস্যরা কলেজে উপস্থিত হন।

পরে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. দিলরুবা জেবা দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আসিফ-উল আলম।

দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁকে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পক্ষের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে বের হয়ে যান এবং পরে কার্যালয়ের সামনে ব্যানার নিয়ে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বক্তব্য দেন।

ছাত্রদল নেতাদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। তাঁরা দ্রুত নবনিযুক্ত অধ্যক্ষের নিয়োগ বাতিল করে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ও জাতীয়তাবাদী আদর্শের কোনো শিক্ষককে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান।

কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মুস্তাকীম কবির বলেন, “ফ্যাসিবাদের পতনের দীর্ঘ সময় পরও আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট একজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি স্বাচিপের সদস্য ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। গত ২৬ জুলাই তাঁকে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ শাখার আহ্বায়ক করা হলেও দুই দিনের মধ্যে সেই কমিটি বাতিল করা হয়। এরপর কীভাবে তাঁকে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো, সেটি আমাদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা দ্রুত এ নিয়োগ বাতিলের দাবি জানাই।”

তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনর্বাসন বন্ধ করতে হবে।”

এ সময় ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ইয়ামিন রেজা বর্ণ, সহ-সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম, ছাত্রদল কর্মী ও ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. শাওন এবং বর্তমান শিক্ষার্থী সাফায়েত শিমুল বক্তব্য দেন।

তাঁরা বলেন, নবনিযুক্ত অধ্যক্ষের নিয়োগ বাতিল করে এমন একজন শিক্ষককে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত, যিনি রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে এবং জাতীয়তাবাদী মূল্যবোধের প্রতি আস্থাশীল।

অন্যদিকে, ছাত্রদলের আনা রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও যোগদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আসিফ-উল আলম।

তিনি বলেন, “আমার যোগদান সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরনের হট্টগোল হয়নি এবং কেউ আমাকে যোগদানে বাধা দেয়নি।”

দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এ দায়িত্ব দেওয়ার জন্য মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদকে ধন্যবাদ জানাই। একই সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি যেন তাঁর মান-সম্মান রক্ষা করতে পারি এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে কাজ করতে পারি—এটাই আমার প্রত্যাশা।”

নবনিযুক্ত অধ্যক্ষের যোগদানকে কেন্দ্র করে কলেজে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এদিকে, অধ্যক্ষের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে ছাত্রদলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে এ নিয়ে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নবনিযুক্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফরিদপুরে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা

ফরিদপুরের সদরপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সভায় ‘মাদক নয়, সৃজনশীলতায় যুক্ত হওয়ার’ শিক্ষার্থীদের প্রতি ফরিদপুরের ডিসির আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (১১আগস্ট) দুপুর ১ টার সময় বিশ্ব জাকের মঞ্জিল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ আলোচনা সভ অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় বিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সভায় শিক্ষার্থীদের সামনে মাদকাসক্তির ক্ষতিকর দিক, এর সামাজিক ও পারিবারিক প্রভাব এবং মাদক থেকে দূরে থাকার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপপরিচালক শিরিন আক্তার।

আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না, এর প্রভাব পড়ে পুরো পরিবার ও সমাজের ওপর। মাদকের কারণে একজন শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ও স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তার ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। তাই শিক্ষাজীবন থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।

জেলা মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শিরিন আক্তার বলেন, বর্তমানে তরুণ ও কিশোরদের একটি অংশ নানা প্রলোভন, খারাপ সঙ্গ এবং মাদকের সহজলভ্যতার কারণে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে পরিবারকে সন্তানের প্রতি নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তারা আরো বলেন, জীবনের লক্ষ্য ঠিক করে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। মাদক, অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের দূরে রেখে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বই পড়া ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত হতে হবে।
এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত বক্তারা। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী বা তার পরিচিত কেউ মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে কীভাবে সহযোগিতা পাওয়া যেতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মিন্টু বিশ্বাস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জেল হোসেন, সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল আল মামুন শাহ সহ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সভার শেষ পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা মাদককে না বলার এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আলফাডাঙ্গায় নবাগত ইউএনও’র সাথে ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় নবাগত ইউএনও’র সাথে ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শাহানুর জামানের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, আলফাডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মো. সোহেল শরিফ, সাবেক সভাপতি আবু সালহে মুসা, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আরিফুজ্জামান আরব আলী, পৌর ছাত্রদলের সহসভাপতি মাহমুদুল ইসলাম, ফযসাল হুসাইন তমাল,

উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওরেসুর রহমান, পৌর ছাত্র দলের সদস্য সাদী হাসান ও ছাত্রদলনেতা মাহফুজুর রহমান সোহান প্রমুখ।