খুঁজুন
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯ মাঘ, ১৪৩২

নামাজের সময় চোখ খোলা নাকি বন্ধ রাখতে হয়, জানুন

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:১২ পিএম
নামাজের সময় চোখ খোলা নাকি বন্ধ রাখতে হয়, জানুন

আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন শুধু তাঁর ইবাদতের জন্য। আর ইবাদতের শ্রেষ্ঠতম রূপ হলো নামাজ। নামাজ শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং সামাজিক ও আধ্যাত্মিক জীবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘নামাজ হলো দ্বীনের স্তম্ভ।’ অর্থাৎ, নামাজ ছাড়া ধর্মের ভিত্তি গড়ে ওঠে না।

রাসুল (সা.)-এর ভাষায়, ‘আমার চোখের স্নিগ্ধতা বা প্রশান্তি রয়েছে নামাজে।’ এ থেকেই বোঝা যায়, নামাজ শুধু শরীয়তের বিধান নয়, বরং তা একজন মুমিনের আত্মিক প্রশান্তির উৎস।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তুমি সূর্য হেলার সময় থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত নামাজ কায়েম করো এবং ফজরের নামাজ (কায়েম করো)। নিশ্চয়ই ফজরের নামাজে সমাবেশ ঘটে।’ (সুরা বনি ইসরাঈল : ৭৮)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলছেন,‘নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে’ (সুরা আনকাবুত : ৪৫)। অর্থাৎ, প্রকৃত নামাজি সব ধরনের অশ্লীলতা ও অনৈতিকতা থেকে নিজেকে দূরে রাখেন।

তাই পৃথিবীতে আল্লাহর দেওয়া বিধানগুলোর মধ্যে নামাজের মর্যাদা সবচেয়ে বেশি। আর নামাজের মর্যাদা যেমন বেশি, তেমনই নামাজি ব্যক্তির মর্যাদাও বেশি।

তবে নামাজের কথা সামনে আসতেই আমাদের আশাপাশের অনেকেই জানতে চান, ‘নামাজের সময় চোখ খোলা নাকি বন্ধ রাখতে হয়?’ আবার কেউ কেউ বলেন, ‘কেউ যদি নামাজে বেশি মনোযোগ ধরে রাখার জন্য তার চোখ বন্ধ রাখেন, তবে কি তার নামাজ বিশুদ্ধ হবে?’

চলুন তাহলে শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি জেনে নিই—

প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, নবীজির সুন্নাহ হলো, সাধারণ অবস্থায় সালাত আদায় করার সময় তিনি চোখ খোলা রাখতেন। বিভিন্ন হাদিস থেকে অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে জানা যায়, তিনি যখন সালাত আদায় করতেন তখন তাঁর দৃষ্টিসীমা অর্থাৎ সিজদার মধ্যবর্তী জায়গা দেখতে পেতেন। তাছাড়া একজন মুসল্লি সালাতরত অবস্থায় সিজদার জায়গার দিকে তাকাবেন, সে বিষয়ে নির্দেশনা নবীজি (সা.)-এর হাদিসে রয়েছে।

সুতরাং সাধারণ এবং স্বাভাবিক অবস্থায় একজন মানুষ সালাত আদায় করার সময় তার চোখ খোলা রাখবেন, এটা তার জন্য উচিত এবং সুন্নাহসম্মত।

তবে কেউ যদি সালাত আদায় করার সময় তার দৃষ্টির সীমানায় এমনকিছু দেখতে পান, যা দেখলে তার গোনাহ হবে, তখন তিনি চোখ বন্ধ করে সালাত আদায় করতে পারবেন। আর যদি স্বাস্থ্যগত সমস্যা বা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে যদি তিনি চোখ বন্ধ রাখতে হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্য চোখ বন্ধ রেখেই সালাত আদায় করতে পারবেন।

মনোযোগ ধরে রাখার জন্য চোখ বন্ধ রাখা যাবে?

হাঁ, কেউ যদি অতিরিক্ত মনোযোগ ধরে রাখার জন্য চোখ বন্ধ করে সালাত আদায় করতে চায়, সেক্ষেত্রে সেটা তার জন্য জায়েজ হবে কি না— এ বিষয়ে উলামায়ে কেরামের ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে।

একদল উলামায়ে কেরাম সাধারণ অবস্থায় চোখ বন্ধ রেখে সালাত আদায় করাকে মাকরুহ বলে উল্লেখ করেছেন। আবার অনেকে অনুমতি দিয়েছেন।

যারা মাকরুহ বলেছেন তাদের প্রথম যুক্তি হলো, নবীজি (সা.) চোখ খোলা রেখে সালাত আদায় করতেন এবং মুসল্লিদেরও এমনটা করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। তাই যারা চোখ বন্ধ রেখে সালাত আদায় করবে তারা এই নবীজির সুন্নাহ ও হাদিস পরিপন্থি কাজ করল।

দ্বিতীয় যুক্তি হলো, কোনো বর্ণনা দ্বারা জানা যায়, ইহুদিরা চোখ বন্ধ রেখে উপাসনা করত। তাই তাদের থেকে আমাদের ইবাদতে স্বাতন্ত্র রাখতে নামাজে চোখ খোলা রাখা উচিত। বন্ধ রাখা মাকরুহ।

আর যেসব ইমামগণ মনোযোগ ধরে রাখার জন্য সালাতে চোখ বন্ধ রাখা জায়েজ বলেছেন তাদের ভাষ্য হলো, নামাজে মনোযোগের বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় মনোযোগ না থাকার কারণে সালাত অনেকটাই অর্থহীন হয়ে যায়। যে কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির কার‌ণে যদি কারো চোখ বন্ধ রাখতে হয়, তাহলে সেটা একটা ওজর বলা যেতে পারে। এরকম ওজরের ভিত্তিতে তিনি চোখ বন্ধ রেখে অবশ্যই সালাত আদায় করতে পারবেন।

উল্লিখিত মতামতের আলোকে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, সাধারণ অবস্থায় চোখ খোলা রেখে সালাত আদায় করা উচিত। তবে কোনো ওজরের কারণে অথবা মাঝে মাঝে বেশি মনোযোগ লাভের জন্য চোখ বন্ধ রাখা যাবে।

 

 

 

সালথায় ঘরের বারান্দার আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল স্কুলছাত্রের লাশ

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
সালথায় ঘরের বারান্দার আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল স্কুলছাত্রের লাশ

ফরিদপুরের সালথায় সিয়াম শেখ (১২) নামে স্কুল ছাত্র গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারী) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

সিয়াম শেখ ফুলবাড়িয়া গ্রামের দুবাই প্রবাসী ওবায়দুর শেখের ছেলে ও ফুলবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকাল ১১ টার দিকে ঘরের বারান্দার আড়ার সাথে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে সিয়াম। কি কারণে আত্মহত্যা করেছে, এবিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারেননি।

সালথা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মারুফ হাসান রাসেল বলেন, এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ফরিদপুরে প্রবাসীর শীতবস্ত্র পেল পাঁচ শতাধিক হতদরিদ্র পরিবার

রেজাউল করিম বিপুল, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:২০ পিএম
ফরিদপুরে প্রবাসীর শীতবস্ত্র পেল পাঁচ শতাধিক হতদরিদ্র পরিবার

ফরিদপুরে কাজাখস্তান প্রবাসী ও বাংলাদেশ কমিউনিটির সভাপতি ফরহাদ আকনের পক্ষে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে জেলার সদরপুর উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মুলামেটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই আয়োজন করা হয়।

আয়োজকরা জানান, চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের জরিপের ডাঙ্গী গ্রামের আব্দুল ওহাব আকনের ছেলে প্রবাসী ফরহাদ আকনের সহযোগিতায় ও স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে ফরিদপুর-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুলের পক্ষে এই আয়োজন করা হয়। এ সময় চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী হিসেবে ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেট সরঞ্জাম তুলে দেয়া হয়।

এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন- ওই প্রবাসীর বাবা আব্দুল ওহাব আকন ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাঁর মা ফরিদা বেগম। এছাড়া চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা লুৎফর রহমান, নাজমুল হোসেন রাজু, যুবদল নেতা মনিরুজ্জামান মনির ও উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আসাদ মৃধা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, ফরহাদ আকন ২০০২ সাল থেকে কাজাখিস্তানে অবস্থান করছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ-কাজাখিস্তান কমিউনিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দেশটির একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত রয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন দেশের হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছেন। নিজ এলাকায় একজন দানশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

তাঁর বাবা ওহাব আকন বলেন, গরিব-দুঃখী মানুষ যাতে শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে পারে সেজন্য আমার ছেলে এই উদ্যোগ নিয়েছে। আজ আমি বাবা হিসেবে গর্বিত যে আমার ছেলে সমাজের হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া সে বিভিন্ন সময়ে এলাকার মানুষকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছে। আমি তাঁর জন্য দোয়া করি, সে যেন মানুষের পাশে সারাজীবন থাকতে পারে।

এ সময় ভিডিওকলের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন প্রবাসী ফরহাদ আকন এবং ভবিষ্যতে তাঁর কর্মযজ্ঞ অব্যাহত রাখবেন বলে ব্যক্ত করেন। তাঁর এই শীতবস্ত্র পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন হতদরিদ্র এ মানুষেরা এবং মঙ্গল কামনা করেন।

ভাঙ্গায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, মালিকসহ সবাই পলাতক

ফরিদপুর ও ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম
ভাঙ্গায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, মালিকসহ সবাই পলাতক

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একটি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পিটুনিতে রাজ্জাক মাতুব্বর (৪০) নামে এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর কেন্দ্রটির মালিক মিজানুর রহমানসহ সেখানে কর্মরত সবাই পালিয়ে গেছে। এ ঘটনার জেরে নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি থাকা রোগীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া গ্রামের ‘আলোর দিশা’ নামের ওই মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ঘটনাটি ঘটে। নিহত রাজ্জাক মাতুব্বর ভাঙ্গা পৌরসভার পূর্ব হাসামদিয়া গ্রামের মৃত ছামাদ মাতুব্বরের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজ্জাক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। পরিবারের সিদ্ধান্তে গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাতে তাকে ওই নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজ্জাকের স্বজনদের ফোন করে জানানো হয়, তিনি গুরুতর অসুস্থ। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলা হয়। পরে স্বজনরা ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে রাজ্জাকের মরদেহ দেখতে পান।

খবর ছড়িয়ে পড়লে নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি থাকা প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী উত্তেজিত হয়ে ওঠে। তারা কেন্দ্রের ভেতরে জানালা, দরজা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং চিৎকার–চেঁচামেচি শুরু করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। পরে ফায়ার সার্ভিস, রোগীদের স্বজন এবং সেনাবাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, নিরাময় কেন্দ্রের কর্মীরা রাজ্জাককে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। তারা দাবি করেন, রাজ্জাক সুস্থই ছিলেন, কিন্তু শারীরিক নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর কেন্দ্রের মালিক ও কর্মীরা পালিয়ে যাওয়ায় সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে বলে তারা মনে করেন।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, পিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার নাক ও কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।