খুঁজুন
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুরে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই মধুমতি তীর রক্ষা বাঁধে ধ্বস

নুর ইসলাম, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই মধুমতি তীর রক্ষা বাঁধে ধ্বস
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই বৃষ্টির পানিতে ধ্বসে গেছে মধুমতি নদীর ডান-তীর রক্ষা বাঁধের কয়েকটি অংশ। এতে নদীর তীরে বসবাসরত শতাধিক পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। 
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাজের মনিটরিং ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় এবং যথাযথ ডাম্পিং না করে সিসি ব্লক বসানোর কারণে বৃষ্টির পানিতেই বাঁধ ধসে পড়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তারা এখনো কাজ বুঝে পাননি। কাজে অনিয়ম হলে তার দায়ভার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেই নিতে হবে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ও টগরবন্দ ইউনিয়নের মিলনস্থল চর আজমপুর এলাকায় ডান-তীর রক্ষায় ৩০০ মিটার বাঁধের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন মল্লিক। কিন্তু গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির পানিতে বাঁধের আনুমানিক ৩০ মিটার ধ্বসে পড়ার দৃশ্য দেখা যায়। এতে সিসি ব্লকগুলো পর্যায়ক্রমে নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, জেলার আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলার সীমান্তবর্তী মধুমতি নদীর পূর্বপাড়ে দীর্ঘ কয়েক বছর তীব্র ভাঙনের কবলে পড়ে ফসলি জমি, ঘর-বাড়ি, স্কুল, মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা। নদী পাড়ের অনেক বসতি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে কয়েকবার বসতি স্থাপনা পাল্টিয়েছেন। এদের মধ্যে কেউ একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছে। গত সরকারের আমলে এলাকাবাসীর দাবির পেক্ষিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের চেষ্টায় মধুমতি পাড়ে সাড়ে ৭ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। যা ‘মধুমতি নদী ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন’ নামে ২০২৩ সালের ৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ওই প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়নে ২৮টি প্যাকেজে কাজটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মধুমতি নদীর ডান তীর রক্ষায় ২৮টি প্যাকেজের মধ্যে ২ নম্বর প্যাকেজের আওতায় আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের চর আজমপুর এলাকায় ৩০০ মিটার বাঁধ নির্মাণের জন্য কাজ পায় মেসার্স লিটন মল্লিক নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ৩০০ মিটার বাঁধ নির্মাণের কাজটি প্রায় শেষের দিকে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে নির্মাণ কাজের কয়েক জায়গা ধসে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে কাজটি চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
স্থানীয় বাসিন্দা হান্নান শরীফ (৬৩) নামে এক ব্যক্তি বলেন, নদী ভাঙন প্রতিরোধে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হলে আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম। কিন্তু কাজ শেষ না হতেই বৃষ্টির পানিতেই বাঁধ ধ্বসে পড়েছে। দ্রুত তীর সংরক্ষণ বাঁধ মেরামত না করা হলে অর্ধশতাধিক বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শেফালী বেগম (৫৫) নামে এক বাসিন্দা জানান, স্থায়ী বাঁধ হওয়ার কারণে গত দুই মাস আগে ধারদেনা করে বাড়িতে একটা ঘর দিয়েছি। কিন্তু সেই স্থায়ী বাঁধও নদীতে যদি ভেঙে যায়। তাহলে তো আর কোথাও বলার জায়গা থাকলো না। আমরা এই এলাকায় বসবাস যাতে করতে পারি, সেই অনুযায়ী বাঁধটি যেন সরকার করেন।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে মেসার্স লিটন মল্লিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বার্ধীকারী লিটন মল্লিককে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোনটি ধরেননি।
তবে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার জিয়াউর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, নদীতে অতিরিক্ত পানির চাপে বাঁধের কিছু অংশ ধ্বসে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ওই অংশে বালু ভর্তি জিও ব‍্যাগ ফেলানো হচ্ছে। পরবর্তীতে নদীর পানি কমলে তা মেরামত করে দেওয়া হবে। আমাদের বাঁধ নির্মাণের কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বলতে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে ধসে যাওয়া বাঁধ নির্মাণ কাজটির দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রকৌশলী মো. তৌফিকুর রহমান জানান, আমি সবেমাত্র ফরিদপুরে নতুন যোগদান করেছি। বাঁধ নির্মাণ কাজটি স্যারের (নির্বাহী প্রকৌশলী) সাথে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বাঁধের ধ্বসে যাওয়া অংশের কাজ পুণরায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাজে কোন অনিয়ম আছে কি-না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী জুহি ও তার মা, উৎকণ্ঠায় পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী জুহি ও তার মা, উৎকণ্ঠায় পরিবার

ফরিদপুর শহরে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ও তার মা গত ১০ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর নাম ফাতেমাতুজ জহুরা ওরফে জুহি। সে ফরিদপুর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার মা এলিজা শারমিন (৪৮)। তারা ফরিদপুর শহরের লাক্সারী হাসান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় পরিবারসহ বসবাস করতেন।

নিখোঁজ শিশুর বাবা জামাল উদ্দিন ওরফে কানু শুক্রবার (৮ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে মেয়ে ও স্ত্রীর সন্ধান চেয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে জুহি তার মায়ের সঙ্গে ঘুরতে বের হওয়ার পর থেকে আর বাসায় ফেরেনি। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

শনিবার (৯ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কানু জানান, সম্ভাব্য আত্মীয়স্বজনের বাসা, পরিচিত স্থানসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোথাও তাদের সন্ধান মেলেনি। তিনি বলেন, “জুহির মা মানসিকভাবে অসুস্থ। এর আগেও প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বার তিনি এভাবে বাড়ি থেকে বের হয়ে পরে ফিরে এসেছেন। তাই প্রথমদিকে বিষয়টিকে স্বাভাবিক ভেবেছিলাম। কিন্তু ১০ দিন পার হলেও তারা ফিরে না আসায় আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। আজ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, কেউ জুহি ও তার মায়ের সন্ধান দিতে পারলে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “মা ও মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তাদের খুঁজে বের করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সালথায় সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ১০

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
সালথায় সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ১০

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নে চলমান দাঙ্গা, সংঘর্ষ ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। 

শনিবার (০৯ মে) বিকেলে আটক ব্যক্তিদের ফরিদপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গট্টি ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী, বালিয়া গট্টি, মেম্বার গট্টি, কসবা গট্টি, দোহার গট্টি ও মীরের গট্টি এলাকায় কয়েকদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুক্রবার (০৮ মে) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় সালথা থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের নুরু খানের ছেলে আজিজুল খান (২২), মৃত শেখ সাহিদের ছেলে আব্দুল হক (৫৫), মৃত জলিল মাতুব্বরের ছেলে রহমান মাতুব্বর ওরফে রব্বান মাতুব্বর (৩০), বালিয়া গট্টি এলাকার পাচু শেখের ছেলে রিয়াজ শেখ (২৫), লাবলু মোল্যার ছেলে জাহিদ মোল্যা (৪০), দোহার গট্টি এলাকার আরশেদ মাতুব্বরের ছেলে লাবলু মাতুব্বর (৩৫), লুৎফর মিয়ার ছেলে টুকু মিয়া (৪০), কাঠিয়ার গট্টি এলাকার সোহরাব শরীফের ছেলে ইশারত শরীফ (৩৩), বাদশা মাতুব্বরের ছেলে সুমন মাতুব্বর (২২) এবং মীরের গট্টি এলাকার সামচু শেখের ছেলে সোহেল শেখ (২৪)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গট্টি ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ইউপি সদস্য নুরু মাতুব্বর ও বালিয়া গট্টি গ্রামের জাহিদ মাতুব্বরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তারা দুজনই এলাকায় প্রভাবশালী গ্রাম্য মোড়ল হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তাদের সমর্থকদের মধ্যে অন্তত ১০টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। সহিংসতায় দুই শতাধিক বসতবাড়ি ভাঙচুর এবং কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শনিবার (০৯ মে) বিকেলে আটক ১০ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

ফরিদপুরে রক্তভর্তি সিরিঞ্জ ঠেকিয়ে ছিনতাই, জনতার হাতে আটক ‘তুফান’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে রক্তভর্তি সিরিঞ্জ ঠেকিয়ে ছিনতাই, জনতার হাতে আটক ‘তুফান’

ফরিদপুর শহরে রক্তভর্তি সিরিঞ্জ ঠেকিয়ে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে মো. তুফান (৩৫) নামে এক মাদকসেবিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।

শনিবার (৯ মে) দুপুর ১২টার দিকে শহরের আলীপুর ব্রিজ এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় হাতেনাতে তাকে আটক করা হয়। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

আটক তুফান শহরের আলীপুর এলাকার মুজিবরের ছেলে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি শহরের বিভিন্ন এলাকায় রক্তভর্তি সিরিঞ্জ নিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেন। বিশেষ করে নির্জন সড়ক ও সন্ধ্যার পর চলাচলকারী পথচারীদের টার্গেট করতেন তিনি।

এর আগে শুক্রবার (৮ মে) রাতে স্থানীয় সাংবাদিক শ্রাবণ হাসানের কাছ থেকেও সিরিঞ্জ ঠেকিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে তুফানের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও পথচারী জানান, তুফান প্রায়ই সিরিঞ্জে রক্ত ভরে মানুষের শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়ার ভয় দেখাতেন। এতে আতঙ্কে অনেকেই টাকা দিয়ে দিতেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদকসেবন ও ছিনতাইয়ের একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “জনতার হাতে আটক তুফানকে থানায় আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”