খুঁজুন
সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

প্রকৃতির বিরল ফুল ‘নাগলিঙ্গম’

ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০০ পূর্বাহ্ণ
প্রকৃতির বিরল ফুল ‘নাগলিঙ্গম’

বসন্ত প্রকৃতির প্রায় শেষ সময় এখন। তারপরও দক্ষিণ-হাওয়া দারুণ উতলা! কচি-কিশলয় আর কোকিলের কুহুতানে জেগে উঠেছে বাংলার প্রকৃতি।

নানা রঙের বর্ণছটায় প্রকৃতি যেন নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে। এমন উচ্ছল বসন্তের হাত ধরেই প্রকৃতিকূলে বসেছে ফুলদের মেলা।

বড় আকৃতির গাছের গায়ে শোভা পাচ্ছে হালকা গোলাপি-হলুদ রঙের অপূর্ব এক ফুল। গাছের তলায় গিয়ে দাঁড়ালে এক প্রকারের মৃদু সুগন্ধ হঠাৎ ধেয়ে আসে।

তখনই মন উতলা হয়—সেই সুগন্ধের রহস্য বের করার জন্য!
গাছটির শরীরজুড়ে ছড়িয়ে আছে এই মাধুর্যময় পুষ্পশোভা। রঙিন আভা ছড়ানো ফুলগুলোও বেশ বড় বড়।

এই শোভা যেমন আকৃতিতে বড়, তেমনি নয়নাভিরাম। ফুলের পরাগচক্র দেখতে অনেকটা সাপের ফণার মতো। দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন ফণা তোলা সাপ! সেই সঙ্গে ওইসব ফুলে ফুলে মৌমাছিদের গুঞ্জন-ধ্বনি অসাধারণ অনুভূতির জন্ম দিয়ে যায়।
চোখজুড়ানো বিশেষ প্রজাতির ফুলটির নাম ‘নাগলিঙ্গম’।

ফুলের লাল পাপড়ির মধ্যেখানটি নাগ বা সাপের মতো ফণা তুলে আছে বলে উদ্ভিদসংশ্লিষ্টরা এর নামকরণ করেছেন নাগলিঙ্গম। নাগলিঙ্গম গ্রীষ্মের ফুল। ফুটতে শুরু করে বসন্তের শেষ থেকে। অনেক দিন ধরে ফোটে, প্রায় শরৎ পর্যন্ত।

চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিটিআরআই) ভেতরে প্রস্ফুটিত হয়ে রয়েছে মনমাতানো এই ফুল। ফুল ফোটার পর গাছটিতে ধরে বড় আকৃতির গোলাকার ফল। এর ফল দেখতে কামানের গোলার মতো। সে কারণেই ইংরেজিতে এর নাম ‘ক্যানন বল’। তবে ফল নয়, নাগলিঙ্গম দৃষ্টি কাড়ে তার ফুলের অসাধারণ সৌন্দর্যের কারণে।

নাগলিঙ্গমের সৌন্দর্যে অভিভূত উদ্ভিদবিজ্ঞানী দ্বিজেন শর্মা তার ‘শ্যামলী নিসর্গ’ বইয়ে লিখেছেন, ‘আপনি বর্ণে, গন্ধে, বিন্যাসে অবশ্যই মুগ্ধ হবেন। এমন আশ্চর্য ভোরের একটি মনোহর অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই অনেক দিন আপনার মনে থাকবে।’

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ড. আব্দুল আজিজ বলেন, নাগলিঙ্গম একটি বিরল প্রজাতির বৃক্ষ। এই গাছের ইংরেজি নাম ‘Cannonball Tree’ এবং বৈজ্ঞানিক নাম Couroupita guianensis, যা Lecythidaceae পরিবারভুক্ত। এর আদি নিবাস আমাজন ও মধ্য এবং দক্ষিণ আমেরিকার বনাঞ্চল। নাগলিঙ্গম ৩৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। গুচ্ছ পাতাগুলো খুব লম্বা, সাধারণভাবে ৮-৩১ সেন্টিমিটার, কিন্তু ৫৭ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বায় পৌঁছাতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এর আদি নিবাস মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায়। বেশি দেখা মেলে ল্যাটিন আমেরিকায়। হিন্দু ও বৌদ্ধ উপাসনালয়গুলোতে পবিত্র বৃক্ষ মনে করে রোপণ করা হয় নাগলিঙ্গম। গাছের গুঁড়ি ফুঁড়ে বের হওয়া দড়ির মতো এক ধরনের দণ্ডের মঞ্জরিতে ফোটে। ফুলের আকার বেশ বড়। ফুলের পাপড়ি মোটা। লাল, গোলাপি ও হলুদের মিশ্রণ নাগলিঙ্গমকে করেছে আরও আকর্ষণীয়। মার্চ মাসে ফুল ফোটা শুরু হয়। গাছের কাণ্ড ও ডাল থেকে ঝুলন্ত লম্বা লম্বা ডাঁটায় কয়েকটি ফুল ফোটে বছরে কয়েকবার। হালকা গোলাপি-হলুদে মিশ্র রঙের পুংকেশরের একগুচ্ছ ক্ষুদে পাপড়ি।

এর উৎপত্তি এবং ঔষধিগুণ প্রসঙ্গে ড. আজিজ বলেন, ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ডের তৎকালীন চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহ আল হোসেন গাছটির চারা রোপণ করেছিলেন। এই ফুলের ঔষধিগুণও রয়েছে। এর ফুল, পাতা ও বাকল থেকে তৈরি ওষুধ নানা ধরনের রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

বাংলার প্রকৃতি থেকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া বা হারিয়ে যেতে বসেছে এমন বিরল বৃক্ষগুলো সংরক্ষণে বৃক্ষপ্রেমী-ফুলপ্রেমীসহ সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ড. আজিজ।

বাংলানিউজ 

মাদক প্রতিরোধে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের আহ্বান, আলফাডাঙ্গায় গুণীজনদের আলোচনা সভা

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
মাদক প্রতিরোধে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের আহ্বান, আলফাডাঙ্গায় গুণীজনদের আলোচনা সভা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে সমাজভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড জোরদারের লক্ষ্যে গুণীজন ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (০৮ জুন) বিকেলে আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান (মডেল) পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি লুৎফর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের গীতিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সামচুদ্দিন হাসু। এছাড়া বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট কলামিস্ট খান আসাদুজ্জামান টুনু, কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক সিদ্দিকুজ্জামান বাহার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এম. এম. মহিউদ্দিন আহমেদ।

বক্তারা বলেন, মাদক বর্তমানে সমাজের জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, সাংস্কৃতিক চর্চা ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের সুপথে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

তারা আরও বলেন, শিল্প-সাহিত্য, সংগীত, নাটক ও খেলাধুলার মতো সৃজনশীল কর্মকাণ্ড তরুণদের ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও আলফাডাঙ্গা সহকারী কলেজের প্রভাষক প্রবীর কুমার বিশ্বাস, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক এস. এম. মোস্তাফিজুর ইসলাম, আলফাডাঙ্গা পৌরসভা হরি মন্দিরের সভাপতি নিত্য গোপাল মণ্ডল, স্থানীয় সংগীতশিল্পী প্রদীপ কুণ্ডু, রিয়া মনি ও এবাদত হোসেন মুরাদ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, সাবেক সভাপতি সেকেন্দার আলম শেখ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল বাশার এবং সাংবাদিক গোলাম আজম মনির, কবীর হোসেন ও মিয়া রাকিবুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভা থেকে আলফাডাঙ্গাকে মাদকমুক্ত ও সংস্কৃতিমনা উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে ভবিষ্যতে আরও সাংস্কৃতিক ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বরযাত্রী আসার আগেই প্রশাসনের অভিযান, মধুখালীতে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ

মো. ইনামুল খন্দকার, মধুখালী:
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
বরযাত্রী আসার আগেই প্রশাসনের অভিযান, মধুখালীতে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কনের বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং বিয়ের জন্য প্রস্তুত করা খাবার জব্দ করে একটি এতিমখানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কামালদিয়া ইউনিয়নের টাকদিয়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করেন মধুখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিক দত্ত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এক কিশোরীর সঙ্গে বিয়ের আয়োজন চলছিল। বাড়িতে বিয়ের সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছিল এবং বরযাত্রী আসার অপেক্ষা চলছিল। এমন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিক দত্ত জানান, খবর পাওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। তদন্তে কনের বয়স বিয়ের জন্য নির্ধারিত আইনগত বয়সের নিচে হওয়ায় বাল্যবিবাহের সত্যতা পাওয়া যায়। এ কারণে বাল্যবিবাহের আয়োজন করায় কনের বাবাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

তিনি আরও জানান, প্রশাসনের অভিযানের খবর পেয়ে বরপক্ষ আর ঘটনাস্থলে আসার সাহস করেনি। পরে বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য রান্না করা খাবার জব্দ করে স্থানীয় একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কনের পরিবারের সদস্যদের বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব, আইনি জটিলতা এবং মেয়েদের শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

প্রতিক দত্ত বলেন, “বাল্যবিবাহ শুধু একটি সামাজিক ব্যাধিই নয়, এটি শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক বিকাশের পথে বড় বাধা। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। কোনো এলাকায় এ ধরনের তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং ছেলেদের ২১ বছর। এর কম বয়সে বিয়ের আয়োজন বা সহযোগিতা করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

সালথায় সালিশে অংশ নেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০: বাড়িঘর ভাংচুর

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
সালথায় সালিশে অংশ নেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০: বাড়িঘর ভাংচুর

ফরিদপুরের সালথায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনা মীমাংসার জন্য স্থানীয় থানায় আয়োজিত সালিশে অংশগ্রহণ নিয়ে বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের সময় উভয়পক্ষের অন্তত ২০টি বাড়িতে তাণ্ডব চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কাঠালবাড়িয়া গ্রামের মো. হাবিব মোল্যার সঙ্গে আজিজুল মোল্যার বিরোধ চলে আসছিল। চলমান বিরোধের জেরে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি চায়ের দোকানের সামনে হাবিবুর মোল্যার সমর্থক হাফিজুর মাতুব্বরকে কুপিয়ে আহত করে আজিজুল মোল্যার সমর্থকরা। হাফিজুরকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনাটি মীমাংসার জন্য রবিবার সন্ধ্যায় সালথা থানায় একটি সালিশ-বৈঠকের আয়োজন করে পুলিশ।

তবে ওই সালিশে হাবিবুর মোল্যার সমর্থকরা সালিশে অংশ নিতে রাজি হলেও আজিজুল মোল্যার সমর্থকরা অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি নিয়ে সন্ধ্যায় উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের দুই থেকে তিন শতাধিক সমর্থক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। সংঘর্ষ চলাকালে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে অন্তত ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।