খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরের যৌনপল্লিতে জন্মনিবন্ধন জটিলতায় স্কুলের বাইরে শিশুরা

শ্রাবণ হাসান, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরের যৌনপল্লিতে জন্মনিবন্ধন জটিলতায় স্কুলের বাইরে শিশুরা
জন্মনিবন্ধনের ডিজিটাল ব্যবস্থায় বাবার পরিচয় দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় বিপাকে পড়েছে ফরিদপুরের যৌনপল্লির শিশুরা। অনেকেরই জন্মনিবন্ধন সনদ না থাকায় বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারছে না। ফলে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা।
ফরিদপুর শহরের রথখোলা ও সিঅ্যান্ডবি ঘাট এলাকায় দুটি যৌনপল্লি রয়েছে। সেখানে থাকা ৩৮৯ যৌনকর্মীর শিশুসন্তান রয়েছে ২৯৬ জন। এসব শিশুর অধিকাংশের জন্মনিবন্ধন নেই।
এই শিশুদের আবাসিকের পাশাপাশি পড়াশোনার সুবিধা দিয়ে আসছে শাপলা মহিলা সংস্থা। দি ফ্রিডম ফান্ডের সহযোগিতায় শিশুদের জন্মনিবন্ধন নিয়ে কাজ করছে সংস্থাটি। এর কর্মকর্তারা জানান, ডিজিটাল হওয়ার আগে নিবন্ধন করা গেছে, কিন্তু বর্তমানে জটিলতা শুরু হয়েছে। জন্মনিবন্ধন করাতে না পারায় শিশুদের স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না।
শাপলা মহিলা সংস্থা শহরতলির গেরদায় শিশুদের আবাসনের জন্য গড়ে তুলেছে ভবন। বর্তমানে সেখানে ৫০ মেয়ে ও ৩৫ ছেলে রয়েছে। সেখানে থাকা শিক্ষার্থীরা জানায়, অনেকেই স্কুলে যাচ্ছে, ক্লাসও করছে, তবে ভর্তি হতে না পারায় হাজিরা খাতায় নাম উঠছে না। পড়াশোনা নিয়ে অনেক স্বপ্ন তাদের; কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জন্মনিবন্ধন।
সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার লক্ষ্মণ বিশ্বাস জানান, তাঁরা সারা দেশের ১১টি যৌনপল্লির মা ও শিশুদের বিভিন্ন অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছেন। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মা ও শিশুদের জন্মসনদ। বর্তমানে যে অনলাইন সনদ, তা অনেকেরই নেই। এটা করতে যে কাগজপত্র দরকার, তা তাঁদের নেই।
লক্ষ্মণ বিশ্বাস বলেন, ‘২০২৫ সালে আমাদের হোমের ১৮টি শিশুকে এখনো ভর্তি করতে পারিনি। অনলাইন জন্মসনদ না থাকায় কোনো স্কুলই ভর্তি নেয়নি। এর মধ্যে কয়েকজন স্কুলে যাচ্ছে, ক্লাস করছে; কিন্তু ভর্তি হতে পারেনি। আমাদের লিখিত দিতে হয়েছে, স্কুলে কিছুদিনের মধ্যে জন্মসনদ দিতে হবে, তারপর স্কুল কর্তৃপক্ষ ভর্তি নেবে।’
এ নিয়ে কথা হলে সংস্থার উপ-নির্বাহী পরিচালক শ্যামল প্রকাশ অধিকারী জানান, অনেক মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থাকলেও জন্মনিবন্ধন সনদ নেই। আবার যাঁদের আছে, সেখানে পেশার জায়গায় পতিতা এবং ঠিকানা হিসেবে যৌনপল্লি লেখা রয়েছে। অনেকেই এগুলো ব্যবহার করছেন না। এ কারণে শিশুদের জন্মনিবন্ধন করাতে সমস্যা হচ্ছে। আবার কারও মায়ের এনআইডিতে স্বামীর নাম নেই। ফলে বাবার নাম না থাকায় শিশুদের জন্মনিবন্ধন করা যাচ্ছে না।
শ্যামল অধিকারী বলেন, ‘আগে জন্মনিবন্ধন করা সহজ ছিল। ডিজিটাল পদ্ধতি আসার পর সার্ভারে বাবার নাম ছাড়া শিশুদের জন্মসনদ করা যাচ্ছে না। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, যৌনপল্লির শিশুদের জন্মনিবন্ধন সহজীকরণ করলে তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে।’
সংস্থার নির্বাহী পরিচালক চঞ্চলা মণ্ডল জানান, শুধু মায়ের নামে সন্তানদের জন্মনিবন্ধন করা গেলে শিশুদের স্কুলে ভর্তি করা সহজ হতো।
রথখোলা যৌনপল্লির এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমার জন্মসনদ নেই। এনআইডি কার্ড আছে। সন্তানদের জন্মনিবন্ধন করাতে গেলে বাবার নাম জানতে চায়। আমরা চাই, শুধু মায়ের নামেই জন্মনিবন্ধন করার সুযোগ দেওয়া হোক। এ ছাড়া ঠিকানা যৌনপল্লির স্থলে আশপাশের এলাকার নাম দেওয়ার দাবি জানাই।’
সিঅ্যান্ডবি ঘাট যৌনপল্লি সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নে অবস্থিত। ডিক্রিরচর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হায়দার আলী খান জানান, আগে জন্মনিবন্ধন করা যেত; কিন্তু ডিজিটাল হওয়ার কারণে সার্ভারে বাবার নাম বা মায়ের জন্মসনদ না থাকলে শিশুদের সনদ করতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক চৌধুরী রওশন ইসলাম বলেন, ‘আমি শুনেছি যৌনপল্লির শিশুদের জন্মনিবন্ধন করতে গিয়ে কোথাও কোথাও সমস্যা হচ্ছে। সবাইকে বলে দিয়েছি, জন্মসনদ করে দেওয়ার জন্য। শিশুদের বাবার নাম ছাড়া মায়ের নাম দিয়েই জন্মনিবন্ধন করা যাবে, নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
সম্প্রতি এ জটিলতা নিয়ে দুই যৌনপল্লির অনিবন্ধিত শিশু ও মায়েদের সঙ্গে সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেল (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। এ সময় তিনি বলেন, সংশ্লিষ্টরা যেসব তথ্য দিতে সক্ষম হবেন, এর ওপর ভিত্তি করেই শিশুর জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। শাপলা মহিলা সংস্থার প্যাডে শিশু ও তাঁদের মায়েদের তথ্যের প্রত্যয়ন দেওয়ার এবং ইউপি সচিবকে এর আলোকে জন্মনিবন্ধন দিতে ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন তিনি।

সালথায় কৃষকদলের আটঘর ইউনিয়ন শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
সালথায় কৃষকদলের আটঘর ইউনিয়ন শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল আটঘর ইউনিয়ন শাখার আংশিক কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) সালথা উপজেলা কৃষকদলের পক্ষ থেকে এই আংশিক কমিটি অনুমোদন করা হয়।

​বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল সালথা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান (হাফিজ) এবং সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ হোসেন স্বাক্ষরিত প্যাডে এই কমিটি অনুমোদিত হয়েছে।

​অনুমোদিত কমিটিতে মো. আতিকুর রহমান মোল্যাকে সভাপতি এবং মো. শফিকুল ইসলাম (সুফিকে) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

​কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে যারা স্থান পেয়েছেন তারা হলেন— ​সিনিয়র সহ-সভাপতি: মো. ইউসুফ মাতুব্বর,​সহ-সভাপতিগণ মো. নাসির হায়দার দরজী, মো. মাহফুজুল রহমান, মো. লাল মিয়া খান, মো. হাফিজুর রহমান, মো. জাহিদ ফকির ও মো. বকুল খান

​সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: মো. ইউসুফ মোল্লা,​যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
​যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাসান মন্ডল ও মো. লাভলু শেখ। ​সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ফজর আলী মাতুব্বর, মো. ছমির মোল্লা ও মো. এনায়েত মোল্লা,​সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গাউস হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকমো. রবিউল মাতুব্বর ও মো. রোকন মাতুব্বর।

​দপ্তর সম্পাদক মো. রাজিবুল ইসলাম সুমন, ​সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. শাকিল মোল্লা, ​প্রচার সম্পাদক মো. লিটন সরকার, ​প্রকাশনা সম্পাদক মো. রাজিব খান,​শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. রকিবউদ্দিন মোল্যা (মঞ্জুর), ​স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম,​কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. বিল্লাল শিকদার।

​এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে মো. আসাদ মিয়া, মো. ইউনুস মোল্যা, মো. সেকেন মাতুব্বর, মো. জামাল শেখ, মো. ইলিয়াছ শেখ, মো. আব্দুল করিম, মো. জসিম মাতুব্বর, মো. উজ্জ্বল মোল্যা ও মো. শাকিল মৃধাকে।

​সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই আংশিক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটি স্থানীয় পর্যায়ে কৃষকদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

‘অসভ্যতার ভদ্রবেশ’

শাবলু শাহাবউদ্দিন
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
‘অসভ্যতার ভদ্রবেশ’

মানুষের আত্মা আজ পচে গেছে স্তূপে স্তূপে,

সভ্যতার মুখোশটা সে পরে নেয় রোজ খুব মাপে।

রক্তের স্রোত বয়ে যায় মানুষের ভেতরেই সুপ্ত,
মানুষ তো অমানুষ হলো, হৃদয়টা পুরোপুরি লুপ্ত।

শিক্ষার আলোয় আজ চারপাশ ঝলমল করে,

হিসাবের খাতা খোলে শিক্ষিত মানুষ স্বার্থের ঘরে।
ডিগ্রির পাহাড় জমে, সার্টিফিকেট ওড়ে বাতাসে,
কিন্তু মনটা যে পড়ে থাকে পশুপাখি কিংবা লাশের পাশে!

কত না বুলি আওড়ায়, কত নীতি, কত শত বাণী,

ভিতরটা হাহাকার, লোভের আগুনে পুড়ে ছাই জানি।
বইয়ের পাতায় শেখা বিদ্যা মুখে শুধু বুলি ফোটায়,
বিবেকটা মারা গেছে, স্বার্থের মোড়কে মন মোড়ায়।

তবে কি মানুষ তবে সভ্য হলো নাকি হলো অসভ্য?

এই পচা যুগে মানবতা আজ বড়ই নিঃস্ব ও লভ্য।
পোশাকে পরিপাটি, ঠোঁটে হাসি, মনে হিংসার বিষ,
এই আধুনিক পশুপাট্টা—আমাদের বর্তমান দিশা নিশি!

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এইচএসসিতে ফেল দুই-তৃতীয়াংশ, শীর্ষে মহিলা কলেজ

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এইচএসসিতে ফেল দুই-তৃতীয়াংশ, শীর্ষে মহিলা কলেজ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় চরম ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। উপজেলার চারটি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬৯২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছে ৪৪৮ জন। এতে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

​তবে ফলাফলের এই চরম বিপর্যয়ের মধ্যেও ৭০.৯৭ শতাংশ পাসের হার নিয়ে উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ।

​প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার চারটি কলেজ থেকে এবার মোট ৬৯২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৪৪ জন। চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

​ফলাফলের চিত্রে দেখা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ থেকে ৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

​অন্যদিকে উপজেলার প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের ফলাফলের চিত্র ছিল হতাশাজনক। এই কলেজ থেকে ৪৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১৫৭ জন, পাসের হার ৩২.০৪ শতাংশ। তবে প্রতিষ্ঠানটি থেকে সর্বোচ্চ পাঁচজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

​এছাড়া আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজ থেকে ১২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৯ জন পাস করেছে (পাসের হার ৩৯.৫২% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন)। হাজী আফিজউদ্দিন আলেকজান কলেজ থেকে ৪৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে মাত্র ১৬ জন (পাসের হার ৩৪.০৪%), এই প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।

​চলতি বছর জাতীয় পর্যায়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ হলেও আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাসের হার জাতীয় গড়ের চেয়ে ১৬.৮৬ শতাংশ কম। এমন ফলাফলে অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​স্থানীয় সচেতন মহল ও শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, স্মার্টফোনের প্রতি আসক্তি, পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের কার্যকারিতা কমে যাওয়া এবং পারিবারিক তদারকির অভাবে এমন বিপর্যয় ঘটেছে।

​উপজেলা পর্যায়ে পাসের হারে শীর্ষে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শেখ ফাতেমা অনন্যা বলেন, “সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিয়মিত পাঠদান, উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ায় আমাদের এই সাফল্য এসেছে। প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়া জরুরি।”

​সার্বিক বিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব জানান, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং আগামীতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ মনিটরিং জোরদার করা হবে।