খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

বোয়ালমারীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ ৭ মাদককারবারি আটক

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
বোয়ালমারীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ ৭ মাদককারবারি আটক

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ৭ জন মাদককারবারিকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৪০৪ পিস ইয়াবা বড়ি ও ১ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের কাদিরদি ডিগ্রি কলেজ মাঠ এলাকায় মাদক লেনদেনের প্রস্তুতির খবর পেয়ে যৌথ বাহিনী এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে সন্দেহভাজন ৭ জনকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় মাদকদ্রব্য।

আটককৃতরা হলেন— মধুখালী উপজেলার দস্তরদিয়া গ্রামের জয়নাল শেখের ছেলে রবিন শেখ (৩০), একই গ্রামের সিরাজ শেখের ছেলে সজীব শেখ (৩০), বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের সর্বানদিয়া গ্রামের ইমামুল শেখ (৩৮), আমোরদী গ্রামের হাসেম শেখের ছেলে রেজাউল শেখ (৩২), তার ছোট ভাই তরিকুল শেখ (১৮), সাতৈর ইউনিয়নের কাদিরদি গ্রামের শফিউল আলম (৪৪) এবং কোতোয়ালি থানার চতর গ্রামের মো. জাহিদ শেখের ছেলে মিলন শেখ (২৭)।

এ ঘটনায় বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল আলম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর ৩৪। আটক ৭ আসামিকেই আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “যৌথ বাহিনীর অভিযানে সাতজন মাদককারবারিকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে এবং আটক আসামিদের আজ ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

এদিকে স্থানীয় সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, মাদক, অবৈধ অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম দমনে সেনাবাহিনী জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। অপরাধ দমনে সাধারণ জনগণকে স্থানীয় সেনা ক্যাম্প ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের যৌথ অভিযান মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরও জোরদার করবে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মধুখালীতে ৩০০ ফুট রাস্তার ইটের সলিং নির্মাণকাজের উদ্বোধন, বদলে যাবে বৈকুন্ঠপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা

মো. ইনামুল খন্দকার, মধুখালী:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ
মধুখালীতে ৩০০ ফুট রাস্তার ইটের সলিং নির্মাণকাজের উদ্বোধন, বদলে যাবে বৈকুন্ঠপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কোড়কদী ইউনিয়নের বৈকুন্ঠপুর গ্রামে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৩০০ ফুট রাস্তার ইটের সলিং নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের চলাচল দুর্ভোগ নিরসনে নেওয়া এ উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বৈকুন্ঠপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের বাড়ি থেকে সোহরাব শেখের বাড়ি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের উন্নয়ন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. ইলিয়াস মোল্লার পক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মধুখালী উপজেলা শাখার আমির মাওলানা আলীমুজ্জামান নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী থাকায় এলাকাবাসীকে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হতো। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থী, কৃষক এবং সাধারণ মানুষের চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠত।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে, কৃষিপণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ কমবে এবং এলাকার সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এলাকাবাসী জানান, বহুদিনের প্রত্যাশিত এ সড়ক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের ফলে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। তারা উন্নয়ন উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে মধুখালীর বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নতি হবে এবং গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন, পুরস্কৃত এডিশনাল এসপি আজমীর হোসেনের টিম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন, পুরস্কৃত এডিশনাল এসপি আজমীর হোসেনের টিম

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মা ও কন্যাশিশু হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় ফরিদপুর জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেনের নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী টিমকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ফরিদপুর জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম এ পুরস্কার প্রদান করেন। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মে সদর উপজেলার কালিতলা এলাকার একটি পুকুরপাড় সংলগ্ন স্থান থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় জাহানারা বেগম (৩০) ও তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যা সামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। নিহত জাহানারা রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পরপরই ফরিদপুর জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট সমন্বিতভাবে তদন্ত শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্তকারী টিম তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত বিশ্লেষণের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করে।

তদন্তে উঠে আসে, ঢাকার একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় জাহানারার সঙ্গে মো. উজ্জ্বল খানের পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উজ্জ্বল তাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে। পরে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে নির্মমভাবে জাহানারা ও তার শিশুকন্যাকে হত্যা করে মরদেহ গোপনে মাটিচাপা দেয়।

তদন্তকারী টিমের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকা থেকে অভিযুক্ত উজ্জ্বল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদাল, ধারালো অস্ত্র, মোবাইল ফোন এবং নিহতদের ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর দ্রুত রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। কালিতলার এই দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সদর সার্কেলের টিম দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের এই সাফল্য অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে ফরিদপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ২০ মৎস্যচাষি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে ফরিদপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ২০ মৎস্যচাষি

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মৎস্য এবং মৎস্যজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ এবং টেকসই মৎস্য খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফরিদপুরে দিনব্যাপী সদস্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট কমিটি (এসডিসি)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিভিন্ন এলাকার ২০ জন মৎস্যচাষি ও সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক ময়েদুজ্জামান এবং এসডিসির মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদুল ইসলাম। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন এসডিসির সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাহুল আমিন।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে নিরাপদ মাছ চাষের আধুনিক কৌশল, উত্তম মৎস্য চাষ অনুশীলন (GAqP), পুকুরের পানি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, মাছের সুষম খাদ্য প্রয়োগ, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ওষুধ ও রাসায়নিকের সঠিক ব্যবহার, অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল প্রয়োগ, মাছ আহরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষকরা বলেন, বর্তমান সময়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেই লক্ষ্য অর্জনে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে মানবস্বাস্থ্য যেমন ঝুঁকির মুখে পড়ে, তেমনি পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ মাছ উৎপাদনের বিকল্প নেই।

তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি মাছ ও মৎস্যজাত পণ্যের চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিরাপদ উৎপাদন নিশ্চিত করা গেলে দেশের মৎস্যখাত আরও সমৃদ্ধ হবে, রপ্তানি আয় বাড়বে এবং প্রান্তিক মৎস্যচাষিরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নিরাপদ ও আধুনিক মাছ চাষ সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করেছেন। অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করে উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে তারা কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং মৎস্যচাষিদের দক্ষতা উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।