খুঁজুন
, ,

ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় মেসি

খেলা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৩ পূর্বাহ্ণ
ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় মেসি

ফ্রি কিক থেকে গোল করা লিওনেল মেসির নিয়মিত অভ্যাসই বলা চলে। এবার ফ্রি কিক থেকে গোল করে ব্রাজিলের ফুটবল কিংবদন্তি পেলেকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

ক্যারিয়ারের ৭১তম ফ্রি কিক গোল করে সর্বকালের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন ইন্টার মায়ামির এই ফরোয়ার্ড। এখন তার সামনে রয়েছেন কেবল জুনিনিও পারনামবুকানো, যার ফ্রি কিক গোল সংখ্যা ৭৭।

মেসির এই নতুন কীর্তি শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং তার ক্যারিয়ারের ধারাবাহিকতা ও নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলারই প্রমাণ। ড্রিবলিং, অ্যাসিস্ট কিংবা বাম পায়ের নিখুঁত শটে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় থাকা মেসি সময়ের সঙ্গে ফ্রি কিককেও পরিণত করেছেন ভয়ংকর অস্ত্রে।

সর্বকালের ফ্রি কিক গোলদাতাদের তালিকায় এখন শীর্ষে রয়েছেন জুনিনিও (৭৭)। তার ঠিক পেছনে ৭১ গোল নিয়ে এককভাবে দ্বিতীয় স্থানে মেসি। তৃতীয় স্থানে নেমে গেছেন পেলে (৭০)।

এছাড়া রোনালদিনিয়ো ও ভিক্টর লেগ্রোতালিয়ে রয়েছেন যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে, তাদের গোল সংখ্যা ৬৬। ৩৭ বছর বয়সেও নতুন নতুন রেকর্ড গড়ে চলা মেসির সামনে এখন নতুন লক্ষ্য জুনিনিওর শীর্ষস্থান। মাত্র ছয়টি গোল দূরে থাকা এই রেকর্ড স্পর্শ করা তার জন্য আর খুব দূরের লক্ষ্য নয়।

মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ফরিদপুরে মাদ্রাসা পরিচালকের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ফরিদপুরে মাদ্রাসা পরিচালকের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

ফরিদপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালক মো. আশরাফ আলীকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আশরাফ আলী (৪৬) আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ গোয়ালচামট এলাকার রওজাতুন-নেছা মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক। একই মাদ্রাসার একটি কক্ষে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী ও হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আশরাফ আলী তাকে হেফজখানার শ্রেণিকক্ষ থেকে নিজের বাসায় ডেকে নেন। সে সময় তার স্ত্রী-সন্তান বাড়িতে ছিলেন না।

অভিযোগ অনুযায়ী, বাসা ফাঁকা থাকার সুযোগে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন আশরাফ আলী। একপর্যায়ে কিশোরীটি নিজেকে রক্ষা করতে দৌড়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। পরে বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি বাবা-মাকে জানায়।

পরিবারটি প্রথমে স্থানীয়ভাবে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। পরে তারা আইনের আশ্রয় নেয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর পুলিশ আশরাফ আলীকে গ্রেপ্তার করলেও পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে মামলার বিচারিক কার্যক্রম ও যুক্তিতর্ক শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নূর হোসেন আদালতে আশরাফ আলীকে একমাত্র অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পাশাপাশি জরিমানার ৭০ হাজার টাকা তার সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তারা দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের রায় কার্যকরের দাবি জানান।

সোনালি আঁশের গৌরব ফেরাতে ফরিদপুরে বিএডিসির মাঠ দিবস

হাসানউজ্জামান, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ণ
সোনালি আঁশের গৌরব ফেরাতে ফরিদপুরে বিএডিসির মাঠ দিবস

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল পাটের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং দেশীয় পাট বীজের ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফরিদপুরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) আয়োজিত পাট ফসলের মাঠ দিবস ও বীজ ডিলার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে ফরিদপুর সদর উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে পাট চাষ, উন্নতমানের দেশীয় বীজের ব্যবহার এবং বীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএডিসির যুগ্ম সচিব ও বীজ ও উদ্যান উইংয়ের সদস্য পরিচালক মো. মজিবুর রহমান।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ বিভাগের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক মোসাব্বের হোসেন, পাট বীজ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক দেবদাস সাহা, বীজ উৎপাদন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মো. হুমায়ুন কবির, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুরের উপ-পরিচালক মো. শাহাদুজ্জামান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া।

এছাড়া কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জেলার পাটচাষি, পাট বীজ ডিলার এবং স্থানীয় কৃষকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফরিদপুর বিএডিসি বীজ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. কামরুল হক।

বক্তারা বলেন, পাট বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতি, পরিবেশ এবং রপ্তানি খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফসল। বিশ্বব্যাপী পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক তন্তুর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাটের সম্ভাবনাও দিন দিন বাড়ছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উন্নতমানের দেশীয় পাট বীজ ব্যবহারের বিকল্প নেই।

তারা কৃষকদের বিএডিসি উৎপাদিত জেআরও-৫২৪ (JRO-524) জাতের পাট বীজ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। বক্তাদের মতে, সরকারিভাবে ভর্তুকি মূল্যে প্রতি কেজি বীজ মাত্র ১২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এ বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা ৯০ শতাংশের বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচ কমে এবং ফলনও ভালো পাওয়া যায়।

কর্মশালায় জানানো হয়, বর্তমানে দেশে ব্যবহৃত পাট বীজের একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে, বিশেষ করে ভারত থেকে আমদানি করা হয়। এ নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয়ভাবে উন্নতমানের পাট বীজ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিএডিসি ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

বক্তারা জানান, ‘মাদার সিড’ উৎপাদন ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে দেশে পাট বীজ উৎপাদনে শতভাগ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে প্রতিবছর প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং কৃষকরা সহজে মানসম্পন্ন বীজ পেতে সক্ষম হবেন।

আলোচনা শেষে বিএডিসির কর্মকর্তা, কৃষক ও বীজ ডিলাররা জেআরও-৫২৪ জাতের পাটের প্রদর্শনী ক্ষেত পরিদর্শন করেন। মাঠ পর্যায়ে বীজের গুণগত মান, গাছের বৃদ্ধি এবং ফলনের সম্ভাবনা সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, উন্নতমানের দেশীয় বীজের ব্যবহার বাড়লে পাট উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং একসময় ‘সোনালি আঁশ’ খ্যাত পাট আবারও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

ফরিদপুরে মাদক সেবনের অভিযোগে দুই যুবকের মাথার চুল কেটে দিল জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদক সেবনের অভিযোগে দুই যুবকের মাথার চুল কেটে দিল জনতা

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় মাদক সেবনের অভিযোগ তুলে গ্রাম পুলিশসহ দুই যুবককে প্রকাশ্যে অপদস্থ করার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় জনতার হাতে দুই যুবকের মাথার চুল কেটে দেওয়ার দুটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওতে স্থানীয় এক বিএনপি নেতাকেও ঘটনাস্থলে উপস্থিত দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর থেকে ১ মিনিট ৫২ সেকেন্ড ও ২ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে চরভদ্রাসন উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের সালেপুর পশ্চিম গ্রামে।

যাদের চুল কেটে দেওয়া হয়েছে তারা হলেন চর হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মো. লালন খান (২৬) এবং একই গ্রামের বাসিন্দা শেখ রিয়াজুল (২২)। স্থানীয়দের অভিযোগ, তারা মাদক সেবন ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তবে এ বিষয়ে কোনো আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে তাদের প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া হয়।

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চর হরিরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক খান ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোকা মৃধার মাঝখানে বসে আছেন গ্রাম পুলিশ লালন খান। এ সময় লালনের হাতে দুটি সিগারেট দেখা যায়। ভিডিওতে বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল হক খানকে লালনকে উদ্দেশ করে মাদক সেবন ও মাদক কেনাবেচা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে দেখা যায়। তিনি জানতে চান, কোথা থেকে মাদক সংগ্রহ করা হয় এবং কারা তাকে সহযোগিতা করে। জবাবে লালন খানকে নিচু স্বরে কিছু বলতে শোনা যায়।

অপর ভিডিওতে দেখা যায়, লালন খান ও শেখ রিয়াজুলকে বসিয়ে একটি ট্রিমার দিয়ে তাদের মাথার চুল কেটে দেওয়া হচ্ছে। লালনের মাথায় ‘প্লাস’ (+) চিহ্নের মতো আকৃতি রেখে বাকিটা ন্যাড়া করা হয়। অন্যদিকে রিয়াজুলের কপাল থেকে মাথার ওপরের অংশ পর্যন্ত চুল কেটে অপদস্থ করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজনকে এ সময় হাসাহাসি ও মন্তব্য করতে শোনা যায়।

ঘটনার বিষয়ে চর হরিরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক খান বলেন, “এলাকার কয়েকজন যুবক গ্রাম পুলিশ লালনকে গাঁজা সেবনের অভিযোগে ধরে বাজারে নিয়ে আসে। আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম এবং তাকে সতর্ক করে কিছু কথা বলেছি। তবে তাদের চুল কেটে দেওয়ার সময় আমি সেখানে ছিলাম না।”

এদিকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পুলিশ। চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “কারও বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ থাকলেই তাকে হেনস্তা বা অপদস্থ করার অধিকার কারও নেই। অভিযোগ থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। ভিডিওগুলো আমরা দেখেছি এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মাদকবিরোধী অবস্থান অবশ্যই প্রয়োজন; তবে আইনের শাসন উপেক্ষা করে কাউকে প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া মানবাধিকার ও আইনের পরিপন্থী। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।