খুঁজুন
, ,

ইরান সংঘাত কি পরমাণু যুদ্ধে রূপ নেবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ
ইরান সংঘাত কি পরমাণু যুদ্ধে রূপ নেবে?

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সিলিকন ভ্যালির বিনিয়োগকারী ও ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট ডেভিড স্যাকস সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, চরম পরিস্থিতিতে ইসরায়েল পারমাণবিক অস্ত্র বিবেচনা করতে পারে, যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা অস্বীকার করেছেন।

বিশ্লেষকদের একাংশ এমন ঝুঁকি উড়িয়ে দিচ্ছেন না, আবার কেউ বলছেন সম্ভাবনা কম। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু চাপে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার সমাধান নয় এবং এর বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ হবে।

হোয়াইট হাউসের এআই ও ক্রিপ্টো প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন ডেভিড স্যাকস। তার মতো কোনো শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তার পক্ষ থেকে ইসরায়েলের পারমাণবিক সক্ষমতা ও তা ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে এমন খোলাখুলি বক্তব্য সম্ভবত এটিই প্রথম। এতেই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়াচ্ছে। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।

প্রথাগত প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা না হয়েও স্যাকস এ যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে এ ‘ইসরায়েল-মার্কিন যুদ্ধ’ থেকে ‘বিজয় ঘোষণা করে বেরিয়ে আসার’ পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তার এ মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাফ জানিয়েছেন, ‘ইসরায়েল এমনটি করবে না। ইসরায়েল কখনোই তা করবে না।’

ট্রাম্প আশ্বস্ত করলেও অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকই পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জন মিয়ারশেইমার মিডল ইস্ট আ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ইরানে যদি ইসরায়েল হেরে যায় এবং তারা যদি প্রথাগত উপায়ে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে থামাতে না পারে, তবে এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হবে যেখানে তারা পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাববে। আমরা জানি, এই গ্রহে ইসরায়েলের চেয়ে বেশি নির্মম আর কোনো রাষ্ট্র নেই।’

এখন পর্যন্ত এ যুদ্ধে ইরানে ১ হাজার ৫০০ এবং লেবাননে সহস্রাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ইসরায়েলে ১৫ জন এবং ১৩ জন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে। হামলা ও পাল্টা হামলার এ চক্র পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে মোড় নেবে কি না, তা নিয়ে উৎকণ্ঠাকে একেবারে অমূলক বলার সুযোগ নেই।

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) ইমেরিটাস অধ্যাপক থিওডোর পোস্টলও একই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিকল্পহীন হয়ে পড়লে পারমাণবিক অস্ত্র বেছে নিতে পারেন, যা ইরানের দিক থেকেও পাল্টা আঘাত ডেকে আনবে। এমনকি ইরানকে যদি তড়িঘড়ি করে কোনো ডিভাইস তৈরি করতে হয় তবুও।

এদিকে একটি সম্ভাব্য পারমাণবিক বিপর্যয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির আঞ্চলিক পরিচালক হানান বালখি জানান, জাতিসংঘ কর্মীরা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার প্রভাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেছেন, ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি হবে একটি পারমাণবিক দুর্ঘটনা বা ঘটনা, যা আমাদের সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে।’ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা বা অস্ত্রের ব্যবহার, উভয় পরিস্থিতির জন্যই তারা সতর্ক রয়েছেন।

ওয়াশিংটনের আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক ড্যারিল জি কিমবল অবশ্য মনে করেন, পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি আলোচনার বাইরে রাখা উচিত। তিনি বলেন, ‘পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকি বা ব্যবহার এ যুদ্ধের কোনো সমাধান নয়। ইতিহাস বলে, অপারমাণবিক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পারমাণবিক হুমকি দিয়ে তাদের আচরণ পরিবর্তন বা আত্মসমর্পণ করানো যায় না।’

তবে কিমবল একটি ভয়ের জায়গাও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু উভয়ের হাতেই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের একক এবং প্রায় অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা রয়েছে। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করেই কাজ করছেন।’

যুদ্ধ শুরুর চার সপ্তাহ পার হতে চললেও ইরানের লড়াই করার সক্ষমতা এখনো অটুট। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হলেও ড্রোন ও ব্যালেস্টিক মিসাইল হামলা থামেনি। ২০ শতাংশ বিশ্ব তেলের করিডোর হরমুজ প্রণালিতেও ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর রিচার্ড গোয়ান অবশ্য পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি এখনো কম বলে মনে করেন। তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটন মনে করছে, তাদের প্রথাগত হামলা সফল হচ্ছে। হরমুজ প্রণালি ফের খুলে দেওয়ার জন্য পারমাণবিক হামলা কোনো ভালো বিকল্প নয়। তা ছাড়া ট্রাম্পের মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধ নিয়ে এক ধরনের সুস্থ ভয় কাজ করে, তাই তিনি হয়তো এ পথে হাঁটবেন না।’

গোয়ানের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে, তবে আরব বিশ্বসহ পুরো পৃথিবী এর নিন্দা জানাবে এবং এটি রাশিয়া বা চীনের মতো দেশগুলোর জন্য ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের একটি অজুহাত হয়ে দাঁড়াবে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ বাশার মিয়া ওরফে চোরা বাশার (৫৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১২ টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার পূর্ব বাকপুরা গ্রামে ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করেন। গ্রেপ্তার বাশার মিয়া পূর্ব বাকপুরা গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানকালে বাশারের পরিহিত লুঙ্গির সামনের ডান দিকে গোজা একটি টিস্যু ব্যাগের ভেতর থেকে জীপারযুক্ত নীল রঙের পলিপ্যাকেটে রাখা কমলা বর্ণের মেথামফেটামিন (ইয়াবা) ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট ওজন ১১ গ্রাম। এ সময় মাদক বিক্রির ৩০ হাজার টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়।

ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শিরীন আক্তার বলেন, এ ঘটনায় ফরিদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে বাশার মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ (সংশোধিত) অনুযায়ী ভাঙ্গা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন ও আসামীকে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

চরভদ্রাসনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্পেন প্রবাসীর ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

শিশির খাঁন
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্পেন প্রবাসীর ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রী বিতরণ করেছে স্পেন প্রবাসী ল স্পেন বিএনপির সহ-সভাপতি আলী ইউনুছ আলী প্রামানিক।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিশ্বাস বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট ২ সেট জার্সি ও একটি ফুটবল উপহার হিসেবে বিতরন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্বাস বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান বিশ্বাস জানান, এসব ক্রীড়া সরঞ্জাম হাতে পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

স্পেন বিএনপির সহ-সভাপতি ইউনুছ আলী প্রামানিক বলেন, অর্থের অভাবে যেন কোনো অসচ্ছল শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বিঘ্নিত না হয়, সে ভাবনা থেকেই তিনি ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়িয়েছি। আগামীতে আরও কয়েকটি বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে ক্রিয়া সামগ্রী বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

শিক্ষানুরাগী ও সংশ্লিষ্টদের মতে, উপহার হিসেবে পাওয়া এসব সামগ্রী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাতিষ্ঠানিক পাঠদানের পাশাপাশি খেলাধুলা ও শিক্ষার প্রতি গভীর আগ্রহ তৈরি করবে।

ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ মামলায় যুবকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ মামলায় যুবকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের নগরকান্দায় মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ মামলায় রুবেল খন্দকার (২০) নামে এক যুবককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলার অপর আসামি সোহেল মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১২ আগস্ট) ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, নগরকান্দা থানাধীন একটি মাদ্রাসায় প্রায় ছয় মাস ধরে আবাসিক থেকে পড়াশোনা করছিল ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্র হেদায়েত উল্লাহ। ২০১৬ সালের ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাদ্রাসার সামনের পশ্চিম পাশে জুরদী বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার কথা বলে সহপাঠীদের সঙ্গে মাদ্রাসা থেকে বের হয় সে। এরপর আর মাদ্রাসায় ফিরে আসেনি।

শিশুটিকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক ক্বারী মো. ইউনুস আলী তার পরিবারকে বিষয়টি জানান। পরে শিশুটির বাবা মো. কামাল খন্দকার নগরকান্দা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

এজাহারে বলা হয়, শিশুটি নিখোঁজের পরদিন ১৫ জানুয়ারি দুপুরে একটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে তার বাবার কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে শিশুটিকে হত্যা করে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। একই দিন রাতে আবার ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং শিশুটির সঙ্গে কথা বলিয়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা নগরকান্দা থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই মাদ্রাসার ছাত্র রুবেল খন্দকার ও সোহেল মোল্লার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। মামলার নথিতে রুবেলকে পলাতক আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বুধবার আদালত রুবেল খন্দকারকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাঁকে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি সোহেল মোল্লাকে খালাস দেওয়া হয়।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী বলেন, শিশু অপহরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রুবেল খন্দকারকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন।