খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা যে ৫ ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা যে ৫ ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকেন?

আমাদের চারপাশে এমন অনেক সফল ব্যক্তিত্ব আছেন যারা খুব সাধারণ বা নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তাদের জীবনদর্শন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং প্রতিকূলতা মোকাবিলার ধরন রুপালি চামচ মুখে দিয়ে জন্মানো ব্যক্তিদের চেয়ে কিছুটা আলাদা।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, শৈশবে সম্পদের সীমাবদ্ধতা বা অভাব মানুষের মধ্যে এমন কিছু বিশেষ গুণ ও অভ্যাস তৈরি করে, যা তাদের সাফল্যের পথে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণার আলোকে এমন পাঁচটি ক্ষেত্রের কথা নিচে তুলে ধরা হলো:

১. সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও সৃজনশীলতা

সুবিধাবঞ্চিত পরিবেশে বড় হওয়ার কারণে নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা অল্প সম্পদে সেরা ফল বের করে আনতে শেখেন। ২০২৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শৈশবে অভাবের অভিজ্ঞতা মানুষের মস্তিষ্ককে আরও তীক্ষ্ণ এবং সৃজনশীল করে তোলে। তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারেন এবং বিকল্প পথ খুঁজে বের করতে পারদর্শী হন। যেখানে অঢেল সুযোগে বড় হওয়া ব্যক্তিরা কোনো সহায়তার অভাবে ভেঙে পড়তে পারেন, সেখানে এই মানুষেরা তাদের উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে বাধা জয় করেন।

২. ইস্পাতদৃঢ় মানসিক সক্ষমতা

দার্শনিক নিৎশে বলেছিলেন, ‘যা তোমাকে মেরে ফেলে না, তা তোমাকে আরও শক্তিশালী করে।’ শৈশবে প্রতিকূলতা ও প্রত্যাখ্যানের সম্মুখীন হওয়া ব্যক্তিরা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর মানসিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী হন। ড. সুনিয়া লুথারের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ছোটবেলার মাঝারি মানের প্রতিকূলতা মানুষের মধ্যে ‘স্টিলিং এফেক্টস’ (Steeling Effects) বা মানসিক দৃঢ়তা তৈরি করে। এই অভ্যন্তরীণ শক্তি কোনো অর্থ দিয়ে কেনা সম্ভব নয়; এটি কেবল জীবনের কঠিন সংগ্রাম আর ব্যর্থতা থেকেই অর্জিত হয়।

৩. অন্যের প্রতি অকৃত্রিম সহানুভূতি

কথায় আছে, অন্যের জুতোয় পা না দিলে তার কষ্ট বোঝা যায় না। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হওয়া মানুষেরা আর্থিক ও সামাজিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যান বলে তারা অন্যের দুঃখ-দুর্দশা সহজে অনুভব করতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিজেরা আর্থিক কষ্টের মুখোমুখি হয়েছেন, তারা অন্যদের প্রতি অনেক বেশি সহানুভূতিশীল এবং পরোপকারী আচরণ প্রদর্শন করেন।

৪. উচ্চতর আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বা ‘ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স’

মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিম্ন-আর্থসামাজিক পরিবার থেকে আসা ব্যক্তিরা মানুষের আবেগ এবং উদ্দেশ্য বুঝতে অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ হন। সম্পদ কম থাকায় অন্যের মনোভাব বুঝে চলা বা অন্যের লুকানো উদ্দেশ্য বুঝতে পারা তাদের কাছে এক ধরনের ‘সারভাইভাল স্কিল’ বা টিকে থাকার কৌশল হিসেবে কাজ করে। এই বিশেষ গুণটি তাদের প্রখর ‘স্ট্রিট স্মার্টনেস’ এবং উচ্চতর ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স দান করে।

৫. কঠোর পরিশ্রমের মানসিকতা ও কর্মনিষ্ঠা

যাদের সবকিছু নিজের যোগ্যতায় অর্জন করতে হয়, কঠোর পরিশ্রম তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়। ধনী পরিবারের সন্তানরা পছন্দ অনুযায়ী কঠোর পরিশ্রম করতে পারেন, কিন্তু নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের কাছে পরিশ্রম ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প থাকে না। এই বাস্তবতাই তাদের কাজের প্রতি এক গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী সংযোগ তৈরি করে এবং তাদের মধ্যে শক্তিশালী ‘ওয়ার্ক এথিক’ বা কর্মনিষ্ঠা গড়ে তোলে। পরিশেষে বলা যায়, শৈশবের অভাব বা সীমাবদ্ধতা কেবল বাধা নয়, বরং এটি অনেক ক্ষেত্রে মানুষকে আরও দক্ষ ও সফল হওয়ার রসদ জোগায়। এই বিশেষ গুণাবলিই তাদের জীবনের দীর্ঘ দৌড়ে জয়ী হতে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন, পুরস্কৃত এডিশনাল এসপি আজমীর হোসেনের টিম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন, পুরস্কৃত এডিশনাল এসপি আজমীর হোসেনের টিম

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মা ও কন্যাশিশু হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় ফরিদপুর জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেনের নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী টিমকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ফরিদপুর জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম এ পুরস্কার প্রদান করেন। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মে সদর উপজেলার কালিতলা এলাকার একটি পুকুরপাড় সংলগ্ন স্থান থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় জাহানারা বেগম (৩০) ও তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যা সামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। নিহত জাহানারা রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পরপরই ফরিদপুর জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট সমন্বিতভাবে তদন্ত শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্তকারী টিম তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত বিশ্লেষণের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করে।

তদন্তে উঠে আসে, ঢাকার একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় জাহানারার সঙ্গে মো. উজ্জ্বল খানের পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উজ্জ্বল তাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে। পরে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে নির্মমভাবে জাহানারা ও তার শিশুকন্যাকে হত্যা করে মরদেহ গোপনে মাটিচাপা দেয়।

তদন্তকারী টিমের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকা থেকে অভিযুক্ত উজ্জ্বল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদাল, ধারালো অস্ত্র, মোবাইল ফোন এবং নিহতদের ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর দ্রুত রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। কালিতলার এই দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সদর সার্কেলের টিম দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের এই সাফল্য অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে ফরিদপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ২০ মৎস্যচাষি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে ফরিদপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ২০ মৎস্যচাষি

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মৎস্য এবং মৎস্যজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ এবং টেকসই মৎস্য খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফরিদপুরে দিনব্যাপী সদস্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট কমিটি (এসডিসি)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিভিন্ন এলাকার ২০ জন মৎস্যচাষি ও সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক ময়েদুজ্জামান এবং এসডিসির মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদুল ইসলাম। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন এসডিসির সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাহুল আমিন।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে নিরাপদ মাছ চাষের আধুনিক কৌশল, উত্তম মৎস্য চাষ অনুশীলন (GAqP), পুকুরের পানি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, মাছের সুষম খাদ্য প্রয়োগ, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ওষুধ ও রাসায়নিকের সঠিক ব্যবহার, অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল প্রয়োগ, মাছ আহরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষকরা বলেন, বর্তমান সময়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেই লক্ষ্য অর্জনে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে মানবস্বাস্থ্য যেমন ঝুঁকির মুখে পড়ে, তেমনি পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ মাছ উৎপাদনের বিকল্প নেই।

তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি মাছ ও মৎস্যজাত পণ্যের চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিরাপদ উৎপাদন নিশ্চিত করা গেলে দেশের মৎস্যখাত আরও সমৃদ্ধ হবে, রপ্তানি আয় বাড়বে এবং প্রান্তিক মৎস্যচাষিরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নিরাপদ ও আধুনিক মাছ চাষ সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করেছেন। অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করে উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে তারা কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং মৎস্যচাষিদের দক্ষতা উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ফরিদপুরের শ্রেষ্ঠ ওসি সদরপুর থানার আব্দুল আল মামুন শাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের শ্রেষ্ঠ ওসি সদরপুর থানার আব্দুল আল মামুন শাহ

ফরিদপুর জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সের শহীদ ছালাম সভাকক্ষে মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে পুরস্কার ও ক্রেষ্ট তুলে দেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, সামগ্রিক কর্মতৎপরতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে অনন্য অবদান রাখায় মো. আব্দুল আল মামুন শাহ’কে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচন করা হয়েছে। তার এ সাফল্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।