খুঁজুন
, ,

স্বাস্থ্যসেবার নামে অনিয়ম, ফরিদপুরে দুই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্যসেবার নামে অনিয়ম, ফরিদপুরে দুই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ফরিদপুর শহরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিত করতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। লাইসেন্স নবায়ন না করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, নিবন্ধিত চিকিৎসক ও দক্ষ জনবল না রাখা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহারসহ একাধিক অভিযোগে এ জরিমানা করা হয়।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজিন ইকো ও জান্নাতুল সুলতানা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, চিকিৎসাসেবার মান, স্বাস্থ্যবিধি এবং প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের উপস্থিতি যাচাই করা হয়। এ সময় শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকায় অবস্থিত নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতালে একাধিক গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়ে। প্রতিষ্ঠানটিতে লাইসেন্স নবায়ন না করা, অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামের অভাব, সার্বক্ষণিক নিবন্ধিত চিকিৎসক না থাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং চিকিৎসাসেবার প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ না করায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

একই অভিযানে আলিফ ডিজিটাল ল্যাব প্রাইভেট ক্লিনিকেও বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট সংরক্ষণ, নিবন্ধিত প্যাথলজিস্ট ও প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ানের অভাব এবং বিধি অনুযায়ী সেবা পরিচালনায় ব্যত্যয় ঘটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজিন ইকো বলেন, “মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা, অনিয়ম বা প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। রোগীদের নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। লাইসেন্সবিহীন কিংবা নিয়ম না মেনে পরিচালিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও জানান, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট আইন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে পরিচালিত হতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযানকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. বজলুর রশিদ খান, স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা উপস্থিত থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

ফরিদপুরে নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ, যোগ দিলেন শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ, যোগ দিলেন শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী

ফরিদপুর জেলার নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে তিনি ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে ফরিদপুর জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়। তিনি এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা।

একই প্রজ্ঞাপনে ফরিদপুরের বিদায়ী পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে ফরিদপুর জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং দমনে কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা করছেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। পাশাপাশি জনগণকে আরও আধুনিক, জনবান্ধব ও কার্যকর পুলিশি সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও নতুন পুলিশ সুপারের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিদায়ী পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম প্রায় সাত মাস ফরিদপুরে দায়িত্ব পালন করেন। বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২৫তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা ২০২৫ সালের ২৯ নভেম্বর ফরিদপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

ফরিদপুরবাসী নতুন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীর নেতৃত্বে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন এবং জনসেবামুখী পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

ফরিদপুরে মহাসড়কের পাশের ঝোপে মিলল অর্ধগলিত লাশ, মিলছেনা পরিচয়

নগরকান্দা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মহাসড়কের পাশের ঝোপে মিলল অর্ধগলিত লাশ, মিলছেনা পরিচয়

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের দক্ষিণকান্দী গ্রাম এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি কয়েকদিন আগে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে কয়েকজন কৃষক পাশের জমিতে কাজ করার সময় দুর্গন্ধ অনুভব করেন। পরে তারা দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশের ঝোপের মধ্যে একটি অর্ধগলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি মুহূর্তেই আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমায়। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি দীর্ঘ সময় খোলা স্থানে পড়ে থাকায় তা অনেকটাই পচে গেছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতের বয়স, পরিচয় কিংবা মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

তিনি আরও জানান, আশপাশের থানাগুলোতে কোনো নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড, দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে—সেসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

বোয়ালমারীতে ব্যবসায়িক বিরোধে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

বোয়ালমারী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
বোয়ালমারীতে ব্যবসায়িক বিরোধে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ব্যবসায়ী আহসানুল কবির (হেলাল মিয়া) কর্তৃক মারধর, জোরপূর্বক আটকে রাখা ও আড়াই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনের পর পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন অভিযুক্ত মো. মাসুদুর রহমান। তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে বোয়ালমারী নিউ মার্কেটের হাবিব বস্ত্রালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. মাসুদুর রহমান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রায় তিন বছর আগে আহসানুল কবিরের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে তার কাছ থেকে মোট ৩০ লাখ টাকার অগ্রিম ইট কেনা হয়। এর বিপরীতে তিনি ৯ লাখ ৯১ হাজার টাকার ইট সরবরাহ করেন। পরে অবশিষ্ট ইট সরবরাহ করতে না পেরে প্রায় দুই বছর আগে নগদ ৫ লাখ টাকা ফেরত দেন। বর্তমানে তার কাছে ১৫ লাখ ৯ হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের ইট পাওনা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মাসুদুর রহমান জানান, পাওনা আদায়ের বিষয়ে তিনি এর আগেই বোয়ালমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে থানায় সালিশ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আহসানুল কবির পাওনা পরিশোধের দাবি করলেও তার পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও আহসানুল কবির দেখা করা এড়িয়ে যান এবং একপর্যায়ে অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, গত ৪ জুলাই নিউ মার্কেট এলাকায় আহসানুল কবিরকে পেয়ে পাওনা টাকার বিষয়ে কথা বলতে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আহসানুল কবির টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে তিনি তার স্ত্রীকে ফোনে ডেকে আনেন। পরে তার স্ত্রী স-মিলের কয়েকজন কর্মচারীকে নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে তাকে হুমকি দেন এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। এ সময় সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার মধ্যে তার প্রতিষ্ঠানের ক্যাশে থাকা প্রায় ৭ লাখ টাকা লুট হয়ে যায় বলেও দাবি করেন তিনি।

মাসুদুর রহমানের অভিযোগ, ওই পক্ষই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ডাকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করলেও তখন মারধর, আটকে রাখা বা টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পায়নি। পরে থানায় দেওয়া অভিযোগে মিথ্যা তথ্য সংযোজন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের প্রতি উভয় পক্ষের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি উভয় পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশের অনুরোধ জানান।

উল্লেখ্য, এর আগে ব্যবসায়ী আহসানুল কবির সংবাদ সম্মেলন করে মো. মাসুদুর রহমানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে তাকে মারধর, জোরপূর্বক আটকে রাখা এবং একটি কোর্ট ফাইল থেকে আড়াই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।