খুঁজুন
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৮ মাঘ, ১৪৩২

ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূখণ্ডেই থাকতে দিতে হবে: মিশর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৩:১৫ পিএম
ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূখণ্ডেই থাকতে দিতে হবে: মিশর

মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, আরব দেশগুলো গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তরের পরিকল্পনা একেবারেই মেনে নেবে না।

ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজ ভূখণ্ডেই থাকতে দিতে হবে এবং গাজার পুনর্গঠনের কাজ দ্রুত করতে হবে।

 

মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গাজায় মানবিক সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, তবে কোনোভাবেই ফিলিস্তিনিদের তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য করা যাবে না।

অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ট্রাম্পের পরিকল্পনার নাম সরাসরি না নিলেও, রুবিও গাজার ভবিষ্যৎ শাসন ও নিরাপত্তা নিয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, হামাসকে গাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেওয়া যাবে না এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

আবদেলাত্তি জানান, মিশর নতুন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত, তবে সেটি অবশ্যই ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষার ভিত্তিতে হতে হবে। তিনি মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গেও বৈঠক করেন এবং একই বার্তা দেন।

ফিলিস্তিনিরা গাজাকে তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে দেখে, তাই তাদের জন্য গাজা ছাড়ার প্রস্তাব একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। আরব প্রতিবেশী দেশগুলোও এই বিষয়টি পরিষ্কার করেছে যে, তারা গাজার সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের নিজেদের দেশে আশ্রয় দিতে রাজি নয়।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে মিশর ও জর্ডান যেন গাজার ফিলিস্তিনিদের গ্রহণ করে। পরে তিনি আরও এগিয়ে গিয়ে গাজার ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, যেখানে ফিলিস্তিনিদের নিজ দেশে ফেরার কোনো অধিকার থাকবে না। এই পরিকল্পনা বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। মানবাধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘ এটিকে জাতিগত নির্মূলের চেষ্টা হিসেবে দেখছে।

এই বৈঠক এমন এক সময়ে হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখার প্রচেষ্টা বাধার সম্মুখীন হয়েছে, কারণ হামাস জিম্মি মুক্তির ব্যাপারে বিলম্ব করছে।

এদিকে, মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি ট্রাম্পের এই পরিকল্পনাকে “একটি অবিচার” বলে আখ্যা দিয়েছেন। কায়রোতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও কাতারের শীর্ষ কূটনীতিকরা ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তরের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন।

জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহও ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এবং জানিয়েছেন যে, পুরো আরব বিশ্ব ফিলিস্তিনিদের পাশে রয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

প্রথমবার ভোট? এই তথ্যগুলো জানা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৮ এএম
প্রথমবার ভোট? এই তথ্যগুলো জানা জরুরি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের নির্বাচনে একটি নয়, দিতে হবে দুটি ভোট। সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার পাশাপাশি ভোটাররা দেবেন গণভোটও। নির্বাচনী ব্যালটে যেখানে বিভিন্ন দলের প্রতীক থাকে, সেখানে গণভোটে থাকবে দুটি অপশন। ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের মত জানাবেন।

তাই নির্বাচনের পূর্বে প্রস্তুতিও নিতে হবে ভোটারদের। ভোট দেওয়া শুধু ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের বিষয় নয়; এটি দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। নতুন ভোটারদের কাছে এই অভিজ্ঞতা যেমন আনন্দের, তেমনি দায়িত্বেরও। নাগরিক অধিকার প্রয়োগের এই মুহূর্তকে অর্থবহ করতে হলে আগে থেকেই কিছু বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

ভোটার আইডি নিশ্চিত করুন

ভোট দিতে হলে অবশ্যই ভোটার তালিকায় আপনার নাম থাকতে হবে এবং সঙ্গে রাখতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার স্লিপ। তাই ভোটের দিন যাওয়ার আগে তালিকায় নাম আছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রার্থীদের সম্পর্কে জানুন

ভোট দেওয়ার আগে প্রার্থীদের কর্মসূচি, নীতিমালা ও আগের কাজকর্ম সম্পর্কে ধারণা নেওয়া জরুরি। শুধু পরিচিতি বা জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর না করে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রিন্টের তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই শ্রেয়।

ভোট দিতে যা লাগবে

ভোটকেন্দ্রে যেতে অতিরিক্ত কিছু প্রয়োজন নেই। জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার স্লিপ থাকলেই যথেষ্ট। অপ্রয়োজনীয় জিনিস, বড় ব্যাগ বা স্মার্টফোন সঙ্গে না নেওয়াই ভালো।

ভোটের দিনের প্রস্তুতি

ভোটকেন্দ্র কোথায়, ভোটের সময়সূচি কী এবং কীভাবে সেখানে পৌঁছাবেন— এসব বিষয় আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখলে ঝামেলা কমে। লাইনে দাঁড়ানোর নিয়ম বা কেন্দ্রের ভেতরে কী নেওয়া যাবে, তা জানা থাকলে চাপও কম অনুভূত হবে।

ভোটকেন্দ্রে ছবি তোলা নিষেধ

ভোট দেওয়ার পর বাইরে সেলফি তোলা গেলেও ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ছবি তোলা, ভিডিও করা বা চেক-ইন দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ফোন সঙ্গে থাকলে কেন্দ্রের ভেতরে ঢোকার আগে সেটি বন্ধ রাখতে হবে।

নিজের ভোটকেন্দ্র জেনে নিন

নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের অবস্থান আগে থেকেই নিশ্চিত করা জরুরি। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা স্থানীয় নির্বাচন অফিস থেকে কেন্দ্রের ঠিকানা ও সময়সূচি জেনে নেওয়া যায়। এতে অযথা দেরি বা বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।

ভোটের প্রক্রিয়া বুঝে নিন

ভোটার যাচাই থেকে শুরু করে ভোট দেওয়ার প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে ধারণা থাকলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। নির্বাচনকর্মীদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচয় নিশ্চিত করার পর ইভিএম বা ব্যালট ইউনিটে পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে হবে।

গোপনীয়তা রক্ষা করা

ভোট দেওয়ার সময় গোপনীয়তা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কাকে ভোট দিচ্ছেন, তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়।

ভোট মানে শুধু একটি বোতাম চাপা বা সিল দেওয়া নয়—এটি নিজের মত প্রকাশ এবং ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। সচেতনতা ও প্রস্তুতি থাকলে প্রথম ভোটের অভিজ্ঞতাও হয়ে উঠতে পারে আরও আত্মবিশ্বাসী ও অর্থবহ।

ফরিদপুরে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
ফরিদপুরে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফরিদপুরে ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কে সার্বিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩ টার দিকে ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের আড়ুয়া মাঠ নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে বেপরোয়া গতির বাসটি ছিটকে রাস্তার পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। এতে আহত হন অন্তত ৩০ জন যাত্রী। খবর পেয়ে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি টিম ও ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ পর্যন্ত ৩০ জন আহত রোগী ভর্তি হয়েছেন। দুর্ঘটনা কবলিত বাসের হেলপারের দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তাকে সহ কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আবু জাফর জানান, ঢাকা থেকে মাদারীপুরগামী সার্বিক পরিবহনের একটি বাস ঘটনাস্থল অতিক্রম করার সময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুপারি বহনকারী একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি ছিটকে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এতে কোন নিহত ঘটনা নেই। তবে অনেক বাস যাত্রী আহত হয়েছেন।

ফরিদপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০০ পিএম
ফরিদপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সাবেক ফরিদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহাদাত হোসেনের স্ত্রী তানিয়া আক্তার রুমা (৪৬)-এর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ফরিদপুরে মামলাটি দায়ের করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, তানিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৮০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তানিয়া আক্তার তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের প্রকৃত তথ্য গোপন করেন এবং আয়-উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার ঘোষিত আয়ের তুলনায় সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেশি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে দুদক আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করে।

তানিয়া আক্তার রুমা ফরিদপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি সাবেক ফরিদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেনের স্ত্রী। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোজাফিজ মামলাটির বাদী হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এসব সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদকের ফরিদপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রতন কুমার দাস ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে জানান, সম্পদের উৎস, ব্যাংক লেনদেন, স্থাবর সম্পত্তি ও অন্যান্য আর্থিক নথিপত্র বিশ্লেষণ করে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মামলা দায়ের করা হয়। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তানিয়া আক্তার বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুদক বলছে, তদন্তে আরও তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকের এ মামলাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, মামলার তদন্ত ও পরবর্তী কার্যক্রমের ওপরই নির্ভর করবে এর চূড়ান্ত রিপোর্ট।