খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩

অল্প পুঁজিতে এখনই শুরু করতে পারেন এমন সেরা ১০টি হালাল ব্যবসা

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
অল্প পুঁজিতে এখনই শুরু করতে পারেন এমন সেরা ১০টি হালাল ব্যবসা

বর্তমান সময়ে ব্যবসা শুরু করা যে কতটা চ্যালেঞ্জিং, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। কোটি কোটি টাকা খরচ করেও অনেক ব্যবসা টিকে থাকতে পারছে না। এমন বাস্তবতায় অল্প বা প্রায় বিনা পুঁজিতে হালাল ব্যবসা শুরু করা সম্ভব— এ কথাটি অনেকের কাছেই হয়তো অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে।

তবে বাস্তবতা হলো, সঠিক পরিকল্পনা, অদম্য চেষ্টা, ধৈর্য ও সততার সমন্বয় ঘটাতে পারলে হালাল উপায়ে ব্যবসা করে সফল হওয়া এখনো সম্ভব। এখানে যেসব হালাল ব্যবসার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলোর বেশিভাগ ক্ষেত্রেই বড় অঙ্কের মূলধনের প্রয়োজন নেই। বরং প্রয়োজন আন্তরিকতা, সময় দেওয়ার মানসিকতা এবং ধারাবাহিক পরিশ্রম।

চলুন, জেনে নেওয়া যাক এমন ১০টি হালাল ব্যবসার ধারণা, যেগুলো আপনি চাইলে এখনই শুরু করতে পারেন।

১. অনলাইন হালাল ফুড স্টোর (ড্রপশিপিং)

নিজের এলাকায় থাকা কোনো হালাল খাবারের দোকানের সঙ্গে চুক্তি করে তাদের পণ্য অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। নিজের ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজে পণ্য তুলে অর্ডার নেবেন, টাকা পাওয়ার পর সরবরাহকারীর কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করে কাস্টমারের কাছে পাঠিয়ে দেবেন।

এ পদ্ধতিকে বলা হয় ড্রপশিপিং। এতে আপনাকে আগে পণ্য কিনে রাখার প্রয়োজন নেই। বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যালঘু দেশগুলোতে এই মডেল বেশ জনপ্রিয়।

২. গ্লোবাল ইসলামিক ইকোনমি নিয়ে ব্লগিং

আপনার লেখালেখির দক্ষতা থাকলে এবং হালাল অর্থনীতি নিয়ে আগ্রহ থাকলে ব্লগিং হতে পারে দারুণ একটি হালাল ব্যবসা। হালাল ফুড, ইসলামিক ফাইন্যান্স, মডেস্ট ফ্যাশন, হালাল ট্যুরিজম, হালাল কসমেটিকস— এ ধরনের বিষয়ে নিয়মিত মানসম্মত লেখা প্রকাশ করলে অল্প সময়েই পাঠক তৈরি করা সম্ভব।

‘দ্য হালাল টাইমস’ এ ধরনের ব্লগিংয়ের একটি বাস্তব উদাহরণ।

৩. অনলাইন বা অফলাইনে কোরআন শিক্ষা

যদি আপনি সঠিকভাবে কোরআন তিলাওয়াত ও শিক্ষা দিতে পারেন, তবে শিশু ও বড়দের জন্য অনলাইন বা অফলাইন কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করতে পারেন।

বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যালঘু দেশগুলোতে এর চাহিদা অনেক বেশি। সঠিক ব্যবস্থাপনায় এটি সময়ের সঙ্গে বড় পরিসরের ব্যবসায় রূপ নিতে পারে।

৪. অনলাইনে হিজাব ও মডেস্ট পোশাক বিক্রি

হিজাব ও পর্দাশীল পোশাকের চাহিদা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে। স্বল্প পুঁজিতে চীন বা অন্য দেশ থেকে হিজাব সংগ্রহ করে ফেসবুক বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিক্রি শুরু করা যায়। বিশেষ করে নারীদের জন্য এটি ভালো একটি পার্টটাইম হালাল ব্যবসা হতে পারে।

৫. হজ ও ওমরাহ ট্রাভেল এজেন্সি

হজ ও ওমরাহ সেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসা একটি প্রতিষ্ঠিত ও আস্থাভিত্তিক হালাল ব্যবসা। শুরুতে কিছু অভিজ্ঞতা ও পার্টনারশিপ প্রয়োজন হলেও, একবার সঠিকভাবে দাঁড়িয়ে গেলে এটি লাভজনক একটি খাত।

৬. মডেস্ট ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়া

বিশ্বব্যাপী মডেস্ট ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির বাজার প্রায় ২৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিজাইন সম্পর্কে ধারণা থাকলে এবং নতুন কিছু উপস্থাপন করতে পারলে এই খাতে কাজের সুযোগ বিশাল।

৭. হালাল বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট

যদি আপনার বাড়িতে অতিরিক্ত কক্ষ থাকে এবং এলাকা পর্যটনসমৃদ্ধ হয়, তাহলে হালাল বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট চালু করতে পারেন। মুসলিম পর্যটকদের জন্য এটি বেশ আকর্ষণীয় একটি সেবা।

৮. হালাল বিজনেস ডিরেক্টরি তৈরি

ডিজিটাল মার্কেটিং ও ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে ধারণা থাকলে একটি অনলাইন হালাল বিজনেস ডিরেক্টরি তৈরি করতে পারেন। এতে বিভিন্ন হালাল ব্যবসা তালিকাভুক্ত করে বিজ্ঞাপন ও প্রমোশনের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব।

৯. নারীদের জন্য হালাল মেকআপ সার্ভিস

নারীদের জন্য এটি একটি ভালো উদ্যোগ। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে নিজের মেকআপ সার্ভিস প্রচার করে স্থানীয়ভাবে কাজ শুরু করা যায়।

১০. হিজামা (কাপিং থেরাপি) সেবা

হিজামা রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর চাহিদা অনেক বেড়েছে। প্রশিক্ষণ নিয়ে পেশাদারভাবে হিজামা সেবা চালু করলে অল্প সময়েই সুনাম ও গ্রাহক পাওয়া সম্ভব।

শেষ কথা

যে ব্যবসাই শুরু করুন না কেন- সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো নিয়ত, সততা, পরিশ্রম ও ধৈর্য। হালাল ব্যবসা শুধু আয় নয়; এটি বরকত ও আত্মিক প্রশান্তির পথও খুলে দেয়। ভবিষ্যতে আরও নতুন হালাল ব্যবসার ধারণা নিয়ে আলোচনা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

সূত্র : দ্য হালাল টাইমস

ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ২৩ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামের মো. লিটন মোল্লা (৩৩), একই ইউনিয়নের কটুরাকান্দি গ্রামের সবুজ মোল্লা (২৩) ও টাবনী গ্রামের আলী শরীফ (২০)।

ভুক্তভোগী নারীর এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণীর সঙ্গে মো. লিটন মোল্লার গত দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে লিটন মোল্লা বিয়ের প্রলোভনে ওই তরুণীকে সবুজ মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে লিটন, সবুজ ও আলী শরীফ ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করেন।

এদিকে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালিত ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে ওই তরুণী বাদী হয়ে ওই তিন ব্যক্তিকে আসামি মামলা দায়ের করেন। পরে বিকেলের মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘

ওসি আরও বলেন, গ্রেফতার হওয়া তিন আসামিকে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হবে।

“আধুনিকতার দূরত্ব মুছে ফিরে আসুক বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যার উঠোনের আড্ডা”

শরিফুল ইসলাম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
“আধুনিকতার দূরত্ব মুছে ফিরে আসুক বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যার উঠোনের আড্ডা”

একসময় গ্রামবাংলার সন্ধ্যা ছিলো অন্যরকম এক পরিবেশ। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার নেমে এলে মানুষ একে একে জড়ো হতো কারও বাড়ির উঠোনে। শুরু হতো গানের আসর – কখনও ভাটিয়ালি, কখনও পালাগান, আবার কখনও মুর্শিদী গানে। আপন মুর্শিদের প্রতি আবেগে ঝড়তো চোখের জল।

সেই আসর ছিল না শুধু বিনোদনের জায়গা, বরং ছিল ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সংযোগস্থল। দিনভর ক্লান্তি, দুঃখ-কষ্ট, অভিমান – সব কিছু মিলিয়ে যেত একসাথে বসার আনন্দে।

আজ প্রযুক্তির যুগে আমরা অনেক এগিয়েছি, কিন্তু সেই উঠোনভরা সম্প্রীতি যেন হারিয়ে গেছে। বিদ্যুতের আলো আমাদের ঘর আলোকিত করেছে ঠিকই, কিন্তু মানুষের মন যান্ত্রিক ও স্বার্থের আখরা বানিয়েছে । এখন প্রত্যেকে নিজ নিজ মোবাইল বা টেলিভিশনের পর্দায় ডুবে থাকে; পাশের মানুষের সাথে কথা বলার সময়ও যেন কমে গেছে।

গ্রামের সেই সন্ধ্যার গান আমাদের শিখিয়েছে – সম্পর্ক গড়তে বড় আয়োজন লাগে না, দরকার শুধু আন্তরিকতা আর একসাথে থাকার ইচ্ছা। সমাজে ভেদাভেদ, হিংসা, দূরত্ব কমাতে আবারও দরকার এমন ছোট ছোট উদ্যোগ।

হয়তো আমরা পুরোপুরি সেই দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে পারব না, কিন্তু চেষ্টা করলে অন্তত মানুষের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্ববোধকে জাগিয়ে তুলতে পারি।

লেখক: সাংবাদিক, ফরিদপুর

‘ফেলো’ সম্মাননা পেলেন ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি নায়াব ইউসুফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
‘ফেলো’ সম্মাননা পেলেন ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি নায়াব ইউসুফ

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ দেশের সর্বোচ্চ কৌশলগত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) থেকে ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। কোর্সটি সম্পন্ন করার মাধ্যমে তিনি ‘ফেলো অব দ্য ক্যাপস্টোন কোর্স’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন, যা দেশের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত।

রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গত ৫ এপ্রিল শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সমাপ্ত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যা কোর্সটির গুরুত্ব ও মর্যাদাকে আরও স্পষ্ট করে।

এনডিসির কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল এমডি ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত সনদপত্রে উল্লেখ করা হয়, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নায়াব ইউসুফ জাতীয় নিরাপত্তা, কৌশলগত নেতৃত্ব, নীতি প্রণয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে উচ্চতর জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তিরাই বেশি থাকেন, ফলে এখানে অর্জিত অভিজ্ঞতা বাস্তব নীতিনির্ধারণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ক্যাপস্টোন কোর্সটি মূলত দেশের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারক, সামরিক কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

এতে অংশগ্রহণকারীদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সংকট ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

কোর্স চলাকালে বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা, গ্রুপ আলোচনা, কেস স্টাডি এবং বাস্তবভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে গভীরভাবে কাজ করার সুযোগ পান। এছাড়া নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমন্বিত নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নায়াব ইউসুফ এই প্রশিক্ষণে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তার নেতৃত্বগুণ, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং নীতি নির্ধারণের সক্ষমতা আরও সমৃদ্ধ করেছেন। সহপাঠী ও প্রশিক্ষকদের মূল্যায়নেও তিনি একজন মনোযোগী ও দক্ষ অংশগ্রহণকারী হিসেবে প্রশংসিত হন।

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নায়াব ইউসুফ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার এই নতুন অর্জন ভবিষ্যতে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।