খুঁজুন
, ,

ফরিদপুর-২ আসনে ভোটের মাঠে হামলার অভিযোগ, কাফনের কাপড় পরে ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর-২ আসনে ভোটের মাঠে হামলার অভিযোগ, কাফনের কাপড় পরে ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা–সালথা) আসনে নির্বাচনী প্রচারণাকালে গাড়ি বহরে হামলার অভিযোগ তুলে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ১১ দলীয় জোট।

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ব্যতিক্রমধর্মী এই সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে কাফনের কাপড় পরিধান করেন।

সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত রিকশা মার্কার এমপি প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলী ওরফে ‘ধলা হুজুর’-এর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ তুলে ধরে জোটের নেতারা বলেন, এটি শুধু একজন প্রার্থীর ওপর হামলা নয়, বরং নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি আঘাত।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলী। তিনি বলেন, “গত ৭ ফেব্রুয়ারি নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছিল। এ সময় সিংহপ্রতাপ বাজার এলাকায় পৌঁছালে পরিকল্পিতভাবে আমার গাড়িবহরে বাধা দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।”

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রতিপক্ষের কিছু নেতাকর্মী উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে। এতে করে নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ি এবং স্বাভাবিক প্রচারণা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা অভিযোগ করেন, “নির্বাচনী মাঠে ভয় দেখিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। প্রশাসনের নীরবতা এমন অপতৎপরতাকে উৎসাহিত করছে।” তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিরাপদ করার দাবি জানান।

কাফনের কাপড় পরে সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের বিষয়ে আকরাম আলীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, এটি একটি প্রতীকী প্রতিবাদ। তাঁদের ভাষায়, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করতে চাই। কিন্তু যদি আমাদের জীবননাশের হুমকি দিয়ে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করবো—এই বার্তাই আমরা দিতে চেয়েছি।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী-সমর্থকরা। বক্তারা বলেন, ফরিদপুর-২ আসনে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত না হলে তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।

সেনা বাহিনী সূত্র জানায়, ঘটনার দিন খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন সেনাবাহিনী। এ ঘটনার পর বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানো হয়। এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে। এ ঘটনার সত্যতা যাচাই-পূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, “মাওলানা আকরাম আলী নির্বাচনী কাজে সিংহপ্রতাপ বাজারে লিফলেট বিতরণ করছিলেন। বাজারের পাশে বিএনপির একটি অফিস থাকায় সেখানে দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ধলা হুজুরকে দেখে ধানের শীষের মিছিল দেন, ফলে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।”

তিনি আরও বলেন, “পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে ধলা হুজুর সেনা ক্যাম্পে ফোন করেন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তাঁর গাড়ির ওপর সরাসরি হামলার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যদিও ধানের শীষের কিছু নেতাকর্মী তখন উত্তেজিত ছিলেন। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই ওই এলাকায় সেনাবাহিনী যান। এছাড়া প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালায়। তিনি বলেন, রিকশা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষ থেকে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সালথা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। ভোটের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে টহল অব্যাহত আছে। এই নির্বাচন নিয়ে কেউ যদি বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করে, তাকে ছাড় দেওয়া হবেনা। অন্যদিকে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে প্রশাসন।’

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই সময় বাজার এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হঠাৎ স্লোগান, মিছিল ও নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিতে স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য কিছু সময়ের জন্য স্থবির হয়ে যায়।

১১ দলীয় জোটের নেতারা দাবি করেন, নির্বাচনের মাঠে সব প্রার্থীর সমান সুযোগ থাকা উচিত। কিন্তু একটি পক্ষ প্রভাব খাটিয়ে ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। তারা নির্বাচন কমিশন, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান, যেন অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে বলা হয়, “আমরা সংঘাত নয়, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। কিন্তু যদি আমাদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে রাজপথে থাকবো।”

ফরিদপুরে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের কাছ থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে দুধে গোসল করলেন মা, ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের কাছ থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে দুধে গোসল করলেন মা, ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের নির্যাতন থেকে মেয়েকে মুক্ত করে দুধ দিয়ে গোসল করেছেন এক মা। মানত বা ওয়াদা রক্ষায় প্রকাশ্যে স্থানীয় একটি বাজারে ৫ কেজি দুধ দিয়ে গোসল করার এই খবর ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

​শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বড় বাইখীর গ্রামের চৌরাস্তা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৪ বছর আগে উপজেলার বড় বাইখীর গ্রামের বৃদ্ধ মহাশিন মোল্লার (৭৪) মেয়ে মনিরা খাতুনের (৩০) সঙ্গে একই এলাকার সুমন শেখের (৩২) বিয়ে হয়। মনিরা খাতুনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্বামী নেশাগ্রস্ত হয়ে প্রতিদিন তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত তিনি সংসারের ইতি টানতে বাধ্য হন। সম্প্রতি কাজী অফিসে গিয়ে কাবিন রেজিস্ট্রি বাতিলের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় সুমনের সঙ্গে মনিরার বিচ্ছেদ ঘটে।

​মেয়ের মা জুলেখা বেগম (৪৬) জানান, জামাইয়ের ক্রমাগত অত্যাচারে তাঁর মেয়ের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। মেয়েকে এই নির্যাতন থেকে মুক্ত করতে পারলে তিনি দুধ দিয়ে গোসল করবেন বলে ওয়াদা বা মানত করেছিলেন। সেই ওয়াদা রক্ষা করতেই শুক্রবার সকালে বাইখীর চৌরাস্তা বাজারে ৫ কেজি দুধ দিয়ে গোসল করেন তিনি।

​তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুমন শেখ। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনীত নির্যাতন ও নেশা করার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

ফরিদপুর শহরে বেদেপল্লীর নারীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ পথচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর শহরে বেদেপল্লীর নারীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ পথচারীরা

ফরিদপুর শহরের ব্যস্ততম সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে পথচারীদের ঘিরে ধরে জোরপূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বেদেপল্লীর একদল নারীর বিরুদ্ধে। শহরের আলিপুর মোড়, ১১ তলা ভবন এলাকা, জনতা ব্যাংক মোড় ও চকবাজারসহ ব্যস্ত পয়েন্টগুলোতে দিনের পর দিন এমন ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গ্রাম থেকে প্রয়োজনীয় কাজে শহরে আসা সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করেই মূলত চক্রটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। কোনো পথচারী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ঘিরে ধরে পথ আটকে দেওয়া হয়, এমনকি টানাহেঁচড়া করে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা হয়। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকেই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে সেখান থেকে রক্ষা পান।

​সদর উপজেলার গ্রাম থেকে কাজে আসা ফাহিম শেখ বলেন, “শহরে ঢোকার পরই কয়েকজন নারী আমাকে ঘিরে ধরে টাকা দাবি করে। না দিলে ছাড়ছিল না। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি, এখন বাড়ি ফেরার ভাড়া নিয়ে চিন্তায় পড়েছি।” একই অভিজ্ঞতার কথা জানান মমিন খারহাটের রুস্তম ব্যাপারী ও স্থানীয় বাসিন্দা রাহুল শেখ। রাহুল শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যেহেতু তারা নারী, প্রকাশ্যে এসব টানাহেঁচড়া করলে পুরুষের জন্য তা অত্যন্ত বিব্রতকর। বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে পার পেতে হয়।”

​অভিযোগ রয়েছে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের সামনেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলছে। এ বিষয়ে আলিপুর এলাকার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা (টিএসআই) শেখ তুহিন বলেন, “আমাদের সামনেই সাধারণ মানুষকে টেনে-হিঁচড়ে টাকা আদায় করা হয়। আমি নিজে কয়েকবার নিষেধ করেছি, কিন্তু নিষেধ করলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যে কারণে অনেক সময় আর কিছু বলা যায় না।”

​তবে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা জানিয়েছেন অভিযুক্ত বেদেপল্লীর নারীরা। মুন্সিবাজার এলাকার বেদেপল্লীর এক নারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হয়। আমাদের অন্য কোনো কাজের সুযোগ নেই। প্রশাসন যদি পুনর্বাসন বা বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করে, তবে আমরা রাস্তায় এসে টাকা চাওয়া বন্ধ করে দেব।”

​ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, মুন্সিবাজারের বেদে সম্প্রদায়ের মানুষদের সরকারি কোনো সহায়তার আওতায় আনা যায় কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

​অন্যদিকে, ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি এখন পর্যন্ত তার জানা ছিল না। তবে টহল টিমকে নির্দেশনা দেওয়া হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​স্থানীয়দের দাবি, বেদে সম্প্রদায়ের জীবিকার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে দ্রুত বিকল্প কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। একই সাথে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের পথচলা নির্বিঘ্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) নেতৃবৃন্দ।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আজিজ, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কৃষিবিদ শাহরিয়ার আজম ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. রঞ্জুসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সাক্ষাৎকালে নেতারা ইউএনওর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন।