খুঁজুন
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র, ১৪৩২

ভোট কেন্দ্রে নিকাব খুলেই কি দিতে হয় ভোট? জেনে নিন সত্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৪ এএম
ভোট কেন্দ্রে নিকাব খুলেই কি দিতে হয় ভোট? জেনে নিন সত্য

আজ (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে একযোগে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এবার ভোটারদের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোটও দিতে হবে। এদিকে, এবার ভোটগ্রহণের সময়ও এগিয়ে আনা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে আরও এক ঘণ্টা।

বহুল কাঙ্ক্ষিত এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হতে আর ৭ ঘণ্টারও কম সময় হাতে রয়েছে। এরই মাঝে গুগল ও স্যোশাল মিডিয়ায় দেখা গেছে, নির্বাচনে ঘিরে নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে মানুষ। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য একটি প্রশ্ন হলো, ভোটকেন্দ্রে পর্দানশীন নারীদের মুখের নিকাব খুলতে হবে কি না।

চলুন তাহলে জেনে নিই, ভোট কেন্দ্রে পর্দানশীন নারীরা কীভাবে ভোট প্রয়োগ করবেন

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, প্রথম পোলিং অফিসারের দায়িত্বই হলো ভোটারের চেহারার দিকে তাকানো। ওই কর্মকর্তার কাছে থাকা ভোটার তালিকার ছবির সাথে ভোটারের চেহারা মিলিয়ে দেখে তিনি উচ্চস্বরে ভোটারের নাম ও ভোটার নম্বর বলবেন।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আইন অনুযায়ী ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে থাকবে। ভোট দেওয়ার আগে ভোটারের চেহারার সঙ্গে তালিকাভুক্ত ছবির মিল করতেই হবে। এটি ভোট পরিচালনা বিধির বাধ্যতামূলক অংশ।

তিনি বলেন, কেউ যদি মুখ না দেখান, তাহলে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ব্যালট পেপার দেওয়া যাবে না। তবে পর্দানশীন নারীদের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করছে কমিশন।

ইসি বলেন, নারী ভোটার যদি পুরুষ কর্মকর্তার সামনে নেকাব খুলতে না চান, তাহলে মহিলা পোলিং অফিসারের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। নারী ভোটার নারীর কাছে মুখ খুললে পর্দা ভঙ্গ হবে না বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার।

তিনি আরও বলেন, তবে কোনো কেন্দ্রে নারী কর্মকর্তা না থাকলে এবং কোনো নারী ভোটার মুখ দেখাতে না চাইলে তাকে ভোট দিতে বাধ্য করা যাবে না এবং ভোট না দেওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, দেশের নিবন্ধিত ৫৯ টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে ৫১ টি দল। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ মোট ৫১ দলের প্রার্থীরা নির্বাচন করছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সর্বোচ্চ ভোটার রয়েছে এবারের নির্বাচনে। সারাদেশের আসনভিত্তিক যে ভোটার তালিকা ইসি প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা গেছে, এবার ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ছয় কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার এবং নারী ভোটার ছয় কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার। এছাড়া হিজড়া ভোটার এক হাজার ১২০ জন।

মোবাইলে নোটিফিকেশন আসার পর কত সেকেন্ডের জন্য মনোযোগ বিঘ্ন হয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৫ এএম
মোবাইলে নোটিফিকেশন আসার পর কত সেকেন্ডের জন্য মনোযোগ বিঘ্ন হয়?

স্মার্টফোন ছাড়া এখনকার জীবন যেন কল্পনাই করা যায় না। তবে এই প্রয়োজনীয় ডিভাইসটিই অজান্তে আমাদের মনোযোগ কেড়ে নিচ্ছে, এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে নতুন এক গবেষণায়।

আপনি কি বিশ্বাস করবেন, ফোনে একটি সাধারণ নোটিফিকেশনের শব্দই আপনার মস্তিষ্ককে মুহূর্তের মধ্যে অন্যদিকে সরিয়ে দেয়? শুধু তাই নয়, সেই প্রভাব কাটতে সময় লাগে কয়েক সেকেন্ড।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোনে নোটিফিকেশন আসার পর অন্তত ৭ সেকেন্ডের জন্য মানুষের মনোযোগ পুরোপুরি বিঘ্নিত হয়। অর্থাৎ, এই সময়টুকুতে আপনি আপনার কাজের ওপর ঠিকভাবে মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন না।

‘কম্পিউটারস ইন হিউম্যান বিহেভিয়ার’ জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, নোটিফিকেশনের শব্দ মস্তিষ্কের মনোযোগকে যেন ‘হাইজ্যাক’ করে নেয়। বিশেষ করে যদি নোটিফিকেশনটি কাছের কোনো মানুষের বার্তা হয়, তাহলে মনোযোগ ধরে রাখা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, নোটিফিকেশনের শব্দের প্রতি স্বাভাবিক কৌতূহল—যেমন কে মেসেজ পাঠালো বা কী এসেছে, এই মনোযোগ বিচ্যুতির অন্যতম কারণ। ফলে ছোট্ট একটি শব্দও কাজের ধারাবাহিকতায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

তাদের মতে, ৭ সেকেন্ড সময়টা আলাদাভাবে খুব বেশি মনে না হলেও যদি দিনে ১০০টি নোটিফিকেশন আসে, তাহলে মোট সময়ের হিসাবটা বেশ বড় হয়ে দাঁড়ায়—যা দৈনন্দিন উৎপাদনশীলতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে।

এই গবেষণায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮০ জন শিক্ষার্থীকে তিনটি দলে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে দুইটি দলের শিক্ষার্থীদের ফোনে ঘন ঘন নোটিফিকেশন পাঠানো হয়, আর তৃতীয় দলকে তুলনামূলকভাবে খুব কম নোটিফিকেশন দেওয়া হয়।

ফলাফলে দেখা গেছে, নোটিফিকেশন আসার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিশ্লেষণী ক্ষমতা প্রায় ৭ সেকেন্ডের জন্য কমে যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কম বা বেশি, উভয় ক্ষেত্রেই নোটিফিকেশন মনোযোগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

গবেষকদের মতে, আধুনিক জীবনে স্মার্টফোন ব্যবহারের পাশাপাশি মনোযোগ ধরে রাখতে সচেতন হওয়াটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সূত্র : জিও নিউজ

হার্ট অ্যাটাকের আগে শরীর যে ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দেয়?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৯ এএম
হার্ট অ্যাটাকের আগে শরীর যে ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দেয়?

হৃদরোগ আজ বিশ্বজুড়ে বড় একটি স্বাস্থ্যঝুঁকি। অনেকেই মনে করেন, হার্ট অ্যাটাক হঠাৎ করেই ঘটে, কোনো পূর্বলক্ষণ ছাড়াই। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শরীর আগে থেকেই নানা সংকেত দেয়। এসব লক্ষণ সময়মতো চিনতে পারলে শুধু নিজের জীবনই নয়, আশপাশের মানুষের জীবনও বাঁচানো সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি বা একাধিক দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

১. অকারণ ক্লান্তি

কোনো কাজ না করেও যদি সারাক্ষণ অবসন্ন লাগে, শরীরে শক্তি না থাকে বা ছোট কাজেও হাঁপিয়ে যান, তবে এটি সাধারণ ক্লান্তি নাও হতে পারে। হৃদযন্ত্র পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ করতে না পারলে এমন দুর্বলতা দেখা দেয়।

২. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

হঠাৎ মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে পড়া অনেক সময় রক্তচাপ কমে যাওয়ার ফল। হার্ট ঠিকমতো রক্ত পাম্প করতে না পারলে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয়।

৩. হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া

স্বল্প সময়ে দ্রুত ওজন বাড়া শরীরে অতিরিক্ত তরল জমার ইঙ্গিত হতে পারে। হার্ট দুর্বল হলে শরীরে পানি জমে ফুলে ওঠে, যা ওজন বাড়িয়ে দেয়।

৪. বমিভাব ও ক্ষুধামন্দা

হজমের সমস্যা মনে হলেও এটি হার্ট ফেইলিউরের লক্ষণ হতে পারে। অনেক সময় পেট ফাঁপা, অরুচি বা বমি ভাব দেখা দেয়।

৫. অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

হৃদস্পন্দন কখনো দ্রুত, কখনো ধীর বা হঠাৎ থেমে যাওয়ার মতো অনুভূতি, এসব অ্যারিথমিয়ার লক্ষণ। এটি স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ায়।

৬. দীর্ঘস্থায়ী কাশি

দীর্ঘদিন কাশি থাকলে এবং কফের রঙ সাদা বা গোলাপি হলে তা ফুসফুসে তরল জমার কারণে হতে পারে, যা হৃদরোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।

৭. ঠান্ডা ঘাম

কোনো শারীরিক পরিশ্রম ছাড়াই হঠাৎ ঠান্ডা ঘাম হওয়া হার্ট অ্যাটাকের আগাম সংকেত হতে পারে।

৮. মাথা ঘোরা

ডিহাইড্রেশন বা কম খাওয়ার কারণে হলেও, বারবার অকারণে মাথা ঘোরা হার্ট সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

৯. ঘুমের সমস্যা

শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় বা অস্বস্তির কারণে রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া বা ঘুম না হওয়া হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে।

১০. মাড়ির প্রদাহ

দাঁত ব্রাশের সময় রক্ত পড়া বা মাড়ি ফুলে যাওয়া শরীরে প্রদাহের ইঙ্গিত দেয়, যা হৃদরোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

১১. নাক ডাকা

স্বাভাবিক নাক ডাকা সবসময় ক্ষতিকর নয়, তবে যদি শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় (স্লিপ অ্যাপনিয়া), তবে এটি হার্টের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

১২. হাত বা শরীরের উপরের অংশে ব্যথা

হার্ট অ্যাটাকের ব্যথা অনেক সময় বুকে শুরু হয়ে হাত, কাঁধ, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়ে।

১৩. শ্বাসকষ্ট

হালকা কাজেই যদি হাঁপিয়ে যান বা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাহলে তা হৃদযন্ত্রের দুর্বলতার লক্ষণ হতে পারে।

১৪. বুকব্যথা

বুকে চাপ, জ্বালা বা ভারী অনুভূতি—হার্ট অ্যাটাকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলোর একটি।

১৫. হাঁটার সময় পায়ে ক্র্যাম্প

হাঁটলে পায়ে ব্যথা বা ক্র্যাম্প হওয়া রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে।

১৬. পায়ে লোম কমে যাওয়া

রক্ত চলাচল ব্যাহত হলে পায়ের লোম পড়ে যেতে পারে এবং ত্বক মসৃণ ও ঠান্ডা হয়ে যায়।

১৭. কফে রক্ত বা গোলাপি মিউকাস

এটি ফুসফুসে তরল জমার লক্ষণ, যা হার্ট ফেইলিউরের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

১৮. রাতে বারবার প্রস্রাবের চাপ

রাতে বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন হলে তা কিডনি ও হার্টের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

১৯. বুকের অস্বস্তি

বুকে চাপ, টান বা অস্বস্তি বারবার আসা-যাওয়া করলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত।

২০. বুকের মাঝখানে জ্বালা

অনেকে এটিকে অ্যাসিডিটি ভাবেন, কিন্তু এটি হার্টের সমস্যাও হতে পারে।

২১. ইরেকটাইল ডিসফাংশন

পুরুষদের ক্ষেত্রে রক্তপ্রবাহের সমস্যা থাকলে এটি হতে পারে, যা হৃদরোগের আগাম লক্ষণ।

২২. বিভ্রান্তি ও স্মৃতিভ্রংশ

মনোযোগের অভাব, ভুলে যাওয়া বা বিভ্রান্তি—এসব রক্তে রাসায়নিক পরিবর্তনের কারণে হতে পারে।

২৩. স্লিপ অ্যাপনিয়া

ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া হার্টের ওপর চাপ বাড়ায় এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

২৪. প্যানিক অ্যাটাক

হৃদকম্পন, ঘাম, শ্বাসকষ্ট—এসব লক্ষণ প্যানিক অ্যাটাক ও হার্ট অ্যাটাক উভয়ের ক্ষেত্রেই দেখা যায়।

২৫. বুক ধড়ফড়

হৃদস্পন্দন জোরে অনুভূত হওয়া বা অনিয়মিত হওয়া অ্যারিথমিয়ার লক্ষণ।

২৬. বিশ্রামেও শ্বাস নিতে কষ্ট

কোনো কাজ না করেও শ্বাস নিতে সমস্যা হলে তা গুরুতর হৃদরোগের ইঙ্গিত।

২৭. হঠাৎ তীব্র মাইগ্রেন

হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, বমি বা মাথা ঘোরা—স্ট্রোক বা রক্ত জমাট বাঁধার লক্ষণ হতে পারে।

২৮. তীব্র পিঠব্যথা

বুক থেকে পিঠে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা হার্ট অ্যাটাকের সংকেত হতে পারে।

২৯. পা ফুলে যাওয়া

পা বা গোড়ালি ফুলে গেলে শরীরে পানি জমার ইঙ্গিত দেয়, যা হার্টের সমস্যার কারণে হতে পারে।

৩০. শরীরে পানি জমা

ফ্লুইড রিটেনশন হলে শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে যা, এটি হার্টের কার্যকারিতা কমে যাওয়ার লক্ষণ।

করণীয়

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব লক্ষণ সবসময়ই হার্ট অ্যাটাকের নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলোকে অবহেলা করা বিপজ্জনক। হঠাৎ করে একাধিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সুস্থ থাকতে নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র : এনডিটিভি

চাকরি দেবে আড়ং, আবেদনে নেই বয়সসীমা

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ এএম
চাকরি দেবে আড়ং, আবেদনে নেই বয়সসীমা

পোশাক প্রস্তুতকারক ও বিপণন প্রতিষ্ঠান আড়ংয়ে ‘সিনিয়র অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই স্নাতক অথবা সমমান ডিগ্রিধারী হতে হবে। সংশ্লিষ্ট কাজে দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এছাড়াও ঢাকায় কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: আড়ং

বিভাগের নাম: লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট

পদের নাম: সিনিয়র অফিসার

পদসংখ্যা: ২ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক অথবা সমমান

অভিজ্ঞতা: ২ বছর

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ

বয়স: নির্ধারিত নয়

কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা এখানে ক্লিক করে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ৩১ মার্চ ২০২৬