খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

হরমুজ প্রণালী না খুললে তেলের বাজারে বিপর্যয়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪০ পূর্বাহ্ণ
হরমুজ প্রণালী না খুললে তেলের বাজারে বিপর্যয়?

সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো সতর্ক করে বলেছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে, তাহলে বৈশ্বিক তেলের বাজারে ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের এই কোম্পানি জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ বন্ধ থাকলেও তারা তাদের স্বাভাবিক উৎপাদনের প্রায় ৭০ শতাংশ তেল বাজারে সরবরাহ করতে পারবে। তবে কোম্পানির প্রধান নির্বাহী সতর্ক করে বলেছেন, এই অচলাবস্থা দীর্ঘ হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার পর থেকে গত ১১ দিন ধরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলবাহী জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে পারছে না।

এতে প্রতিদিন বৈশ্বিক বাজার থেকে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ কমে গেছে।

তবে এই সতর্কবার্তার মধ্যেই মঙ্গলবার তেলের দাম কিছুটা কমেছে, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রায় ১৪ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮৫ ডলারে নেমে আসে। যদিও এটি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার আগে থাকা ৭২ ডলারের তুলনায় বেশি, তবে এ সপ্তাহে ছুঁয়ে যাওয়া ১১৯ ডলারের সর্বোচ্চ দামের তুলনায় কম।

২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর এটিই ছিল সর্বোচ্চ দাম।

এদিকে আটলান্টিকের দুই পাশের শেয়ারবাজারেও আংশিক স্বস্তি ফিরে আসে। লন্ডনের এফটিএসই ১০০ সূচক মঙ্গলবার ১.৬ শতাংশ বেড়েছে, জার্মানির ডিএএক্স সূচক ২.৪ শতাংশ এবং ফ্রান্সের সিএসি ৪০ সূচক ১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিউইয়র্কের ওয়াল স্ট্রিটেও লেনদেন ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

আরামকোর প্রধান নির্বাহী আমিন নাসের বলেন, ‘আগেও আমরা নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছি, কিন্তু এটি এই অঞ্চলের তেল ও গ্যাস শিল্পের জন্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সংকট।’

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় আরামকো উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরাসরি তেল পাঠাতে পারছে না। তবে তারা পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল পাঠিয়ে লোহিত সাগরের তীরে ইয়ানবু বন্দর থেকে রপ্তানির পরিকল্পনা করছে।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, কয়েক দিনের মধ্যেই এই পাইপলাইনের পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা সম্ভব হবে। এর মধ্যে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের শোধনাগারে যাবে এবং বাকি ৫০ লাখ ব্যারেল আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হবে।

সাধারণত ইরানের দক্ষিণে অবস্থিত এই সরু নৌপথ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১০০টি তেলবাহী জাহাজ চলাচল করে। কিন্তু ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হুমকি দেওয়ার পর এই সংখ্যা এখন এক অঙ্কে নেমে এসেছে। অথচ এই পথ দিয়ে বিশ্বে সরবরাহ হওয়া তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়।

আরামকো জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরে সংরক্ষিত তেলের মজুত ব্যবহার করে তারা আপাতত গ্রাহকদের চাহিদা মেটাচ্ছে। তবে এই মজুত দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা সম্ভব নয়।

আমিন নাসের বলেন, ‘বৈশ্বিক তেলের বাজারে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। আর এই অচলাবস্থা যত দীর্ঘ হবে, বিশ্ব অর্থনীতির ওপর প্রভাব ততই মারাত্মক হবে।’

এদিকে বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলোর জোট জি-৭ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক জ্বালানি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে জরুরি তেল মজুত বাজারে ছাড়ার সম্ভাব্য পরিকল্পনা তৈরির আহ্বান জানিয়েছে।

এই কাজটি করে থাকে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ), যা ১৯৭০-এর দশকের মধ্যপ্রাচ্য তেল সংকটের পর গঠিত হয়েছিল। সংস্থাটির ৩২টি সদস্য দেশকে কমপক্ষে ৯০ দিনের তেল মজুত ধরে রাখতে হয়, যাতে সরবরাহে বড় ধাক্কা এলে তা বাজারে ছাড়তে পারে।

বর্তমানে আইইএ সদস্য দেশগুলোর কাছে মোট ১.২ বিলিয়ন ব্যারেল সরকারি তেল মজুত রয়েছে, পাশাপাশি শিল্পখাতে সরকারের বাধ্যবাধকতায় রাখা আরও ৬০০ মিলিয়ন ব্যারেল মজুত আছে। এর বাইরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জ্বালানি আমদানিকারক দেশ চীনের কাছেও প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৈশ্বিক নেতারা তেলের বাজার স্থিতিশীল করতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন—এমন প্রত্যাশার কারণে সপ্তাহের শুরুতে চার বছরের সর্বোচ্চ দামে ওঠা তেলের দাম পরে কিছুটা কমে যায়। দিনের শেষে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের নিচে নেমে আসে।

সূত্র: গার্ডিয়ান

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে, নাসির-তামিমা খালাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে, নাসির-তামিমা খালাস

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ রায় দেন।

এর আগে বুধবার (৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

গত ১৬ এপ্রিল মামলাটিতে বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

মামলাটিতে বাদীপক্ষে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। এরপর আসামিরা সাফাই সাক্ষ্য দেন।

মামলাটিতে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনও শেষ হয়।
২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাম্মির সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়।

তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জানেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন নাসির। তাদের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

এ মামলায় ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরপর একই বছরের ৬ মার্চ মহানগর দায়রা জজ আদালতে নাসির ও তামিমা অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করেন। অন্যদিকে সুমি আক্তারকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করেন বাদীপক্ষ।

২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের রিভিশন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মেদ মামলাটির বিচার চলবে বলে আদেশ দেন। এরপর নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মানবিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সকল বন্দির মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকালে জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর ফল লিচু বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

লিচু বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া এবং জেলার মনির হোসেন। তারা বন্দিদের খোঁজখবর নেন এবং কারাগারের সার্বিক পরিবেশ ও বন্দিদের কল্যাণমূলক বিষয়গুলো পরিদর্শন করেন।

এ সময় জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া বলেন, বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বন্দিদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য, চিকিৎসাসেবা, বিনোদন ও পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি মৌসুমী ফল বিতরণও তার একটি অংশ।

তিনি আরও বলেন, কারাগার শুধু শাস্তি প্রদানের স্থান নয়, বরং সংশোধন ও পুনর্বাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বন্দিদের মানসিক বিকাশ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

লিচু বিতরণ পেয়ে বন্দিদের মধ্যেও সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়। কারা কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ফরিদপুর জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতেও বন্দিদের কল্যাণ ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ
সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মাবেষ্টিত প্রত্যন্ত চরাঞ্চল দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন অবশেষে পেতে যাচ্ছে নিজস্ব ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। দীর্ঘদিন ধরে পরিষদ ভবন না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে ট্রলারে প্রায় দুই ঘণ্টা পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে যেতে হতো। প্রায় দুই হাজার পরিবারের এই ইউনিয়নে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে ইউনিয়নের নুরুদ্দিন সরদার কান্দী বাজার সংলগ্ন এলাকায় সেমি-পাকা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম।

এর আগে একই ইউনিয়নের উপজেলা প্রশাসন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সরদার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবন না থাকায় প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণে তাদের নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন ভবন নির্মিত হলে ইউনিয়নবাসী নিজ এলাকাতেই সহজে নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

এদিকে বহুদিনের প্রত্যাশিত ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।