খুঁজুন
শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

কেন বাড়ছে আইনজীবীদের বিজয়? জয় যে ২৩ জনের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
কেন বাড়ছে আইনজীবীদের বিজয়? জয় যে ২৩ জনের

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র থেকে ২৩ আইনজীবী বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ জন বিএনপি নেতৃত্বোধীন জোটের, চার জন জামায়াতের এবং একজন স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হলেন– বরিশাল-৩ আসন থেকে বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, নোয়াখালী-১ থেকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, মাগুরা-২ থেকে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী নিতাই রায় চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-৪ থেকে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, নেত্রকোনা-১ থেকে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, পঞ্চগড়-১ থেকে ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির, চট্টগ্রাম-৫ থেকে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন, নাটোর-৩ থেকে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল, লালমনিরহাট-১ থেকে ব্যারিস্টার মো. হাসান রাজিব প্রধান, সিলেট-৬ থেকে এমরান আহমেদ চৌধুরী, রাঙামাটি থেকে দীপেন দেওয়ান, বরিশাল-৫ থেকে মজিবর রহমান সরোয়ার, নাটোর-২ থেকে এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ভোলা-১ থেকে বিএনপি সমর্থিত বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, পাবনা-৫ থেকে মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, টাঙ্গাইল-৮ থেকে আহমেদ আযম খান এবং কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে মো. জালাল উদ্দিন।

জামায়াতের পাবনা-১ আসন থেকে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান মোমেন, কুড়িগ্রাম-৩ থেকে ব্যারিস্টার মো. মাহবুবুল আলম সালেহী, ঢাকা-১৪ থেকে ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান এবং ঢাকা-৫ আসন থেকে মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

এছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

এবারের নির্বাচনে বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট। ২৯০ আসনে দলটির প্রার্থী ছিল। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট।

তাদের প্রার্থী ছিল ২২৭টি আসনে। ভোটের হারে তৃতীয় অবস্থানে আছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্র-তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ৩২ আসনে প্রার্থী দিয়ে তারা পেয়েছে ৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ ভোট।

সূত্র : বাংলানিউজ২৪

গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার প্রাকৃতিক উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৭:১৯ পূর্বাহ্ণ
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার প্রাকৃতিক উপায়

গ্রীষ্মের তাপদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। গরমে টিকতে না পেরে অনেকেই বাধ্য হয়ে এসি কিনছেন। কেউ বা কুলার ব্যবহার করছেন। কিন্তু সবার পক্ষে এসি বা কুলার ব্যবহার সম্ভব নয়। এদিকে গরমে ঘুমানোই দায়। এ পরিস্থিতিতে শরীরে ঠান্ডা রাখতে প্রাকৃতিক কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-

গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে বাঁচতে জানলা বা দরজায় খসখসের পর্দা ঝোলানোর প্রচলন অনেক আগে থেকেই চলে আসছে। পর্দায় সামান্য পানি ছিটিয়ে দিলে সারা ঘরে এক সুগন্ধি ও স্নিগ্ধ পরিবেশ তৈরি হয়। প্রাকৃতিকভাবে ঘরের তাপমাত্রা কমাতে এই পদ্ধতি বেশ কার্যকর।

বাইরে থেকে ফিরে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি নয়, বরং মাটির কলসি বা মটকার পানি পান করার শান্তিই আলাদা। এতে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মাটির পাত্র প্রাকৃতিকভাবে পানিকে ঠান্ডা রাখে। পরিবেশবান্ধব এই প্রাচীন উপায়টি আজও গ্রামাঞ্চলে বেশ জনপ্রিয়।

গরমে অনেকেরই ত্বকের জ্বালাভাব ও অস্বস্তি হয়। এ ধরনের সমস্যা দূর করতে চন্দন বাটা ব্যবহার করতে পারেন। কপালে বা ত্বকে চন্দনের প্রলেপ দিলে তা নিমেষেই শরীরকে শীতল করে। প্রাচীন কাল থেকে এ পদ্ধতিটি বেশ জনপ্রিয়।

শরীরকে ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখতে প্রতিদিনের ডায়েটে এক গ্লাস ঘোল বা বাটারমিল্ক রাখতে পারেন। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোবায়োটিক ও ইলেকট্রোলাইট থাকায় হজমশক্তি বাড়ায়। ডিহাইড্রেশন ও হিট স্ট্রোকের হাত থেকে বাঁচতে এই পানীয় বেশ উপকারী।

গ্রীষ্মকালের অত্যন্ত রিফ্রেশিং ও জনপ্রিয় পানীয় আম পান্না। কাঁচা আম পুড়িয়ে এটি তৈরি করা হয়। আম পান্না শরীরে লবণের ঘাটতি মেটায় এবং হিটস্ট্রোকের হাত থেকে রক্ষা করে। তীব্র গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শক্তিফিরিয়ে আনতেও এই পানীয় বেশ উপকারী।

কড়া রোদের হাত থেকে ছাদ বাঁচাতে অনেকেই চুনের সাদা প্রলেপ ব্যবহার করেন। সাদা রঙ সূর্যের তাপকে প্রতিফলিত করে, এর ফলে ঘরের ভিতরের তাপমাত্রা অনেকটাই কমে যায়। আধুনিক কালেও ঘর ঠান্ডা রাখার জন্য এ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।

সূত্র : সমকাল

“ধীরে বৎস ধীরে” — নাসিরুদ্দীনকে কটাক্ষ করে বাবুলের ফেসবুক পোস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ
“ধীরে বৎস ধীরে” — নাসিরুদ্দীনকে কটাক্ষ করে বাবুলের ফেসবুক পোস্ট

কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছেন।

শনিবার (২২ মে) রাতে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি ‘নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী’কে উদ্দেশ্য করে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “দেখেন কত বড় হ্যাডোমওয়ালা পাটোয়ারী। দিনভর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে গালিগালাজ করে অবশেষে পুলিশের কাছেই আশ্রয় চায়। আল্লাহ সহায় পুলিশ আশ্রয় না দিলে বিক্ষুব্ধ হাজার হাজার জনতা না জানি তাকে পেলে কি করতো।”

তিনি আরও লেখেন, “সেজন্য বলি- ধীরে বৎস ধীরে! রাজনীতি করতে আসছ, হিরো হইতে আসছ- ভালো কথা, কিন্তু একটু সভ্যতা ভব্যতা তো শিখতে হবে বাবা। না হলে পদে পদে তো গণবিক্ষোভের মুখে পড়তে হবে তোমাকে।”

পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, “রাজনীতিতে শর্টকার্ট কোনো পথ নেই বাছা। যত তাড়াতাড়ি উঠবা, তত তাড়াতাড়িই পড়বা। আমরা কি হুদাই ৪০ বছর ঘাস কাটছি?”

পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের নেতাকর্মী ও সাধারণ ব্যবহারকারীরা পোস্টটি শেয়ার ও মন্তব্য করতে থাকেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ‘পাটোয়ারী’র কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

“আপনারা পারবেন না”—শুধু এক বাবার কথা নয়, পুরো জাতির হতাশা

এহসানুল হক মিঞা
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ
“আপনারা পারবেন না”—শুধু এক বাবার কথা নয়, পুরো জাতির হতাশা

ঢাকার পল্লবীতে ছোট্ট শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নির্মম হত্যার পর যখন তার বাবা কাঁদতে কাঁদতে বললেন—“বিচার চাই না। আপনারা বিচার করতে পারবেন না। পারার রেকর্ড নাই।” তখন সেটি শুধু একজন অসহায় পিতার আর্তনাদ ছিল না; এটি ছিল পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের গভীর অনাস্থার নগ্ন প্রকাশ।

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সংকট সম্ভবত অর্থনীতি, রাজনীতি কিংবা আইনশৃঙ্খলা নয়—সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সংকট হলো মানুষের বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা। মানুষ আর মনে করে না যে অপরাধের বিচার হবে। বরং তারা ধরে নেয়, কিছুদিন আলোচনা হবে, সামাজিক মাধ্যমে ঝড় উঠবে, টেলিভিশনে টকশো হবে, তারপর সব থেমে যাবে। নতুন কোনো ঘটনা পুরোনো ক্ষতকে চাপা দিয়ে দেবে।

এই ভয়াবহ বাস্তবতা একদিনে তৈরি হয়নি। বছরের পর বছর ধরে বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তার পেছনে শুধু রাজনীতি বা প্রশাসন নয়—মিডিয়ারও বড় দায় রয়েছে।

কারণ মিডিয়া কেবল সংবাদ পরিবেশন করে না; মিডিয়া সমাজের চিন্তা, ক্ষোভ ও নৈতিক অবস্থানও নির্ধারণ করে। কোন ঘটনা নিয়ে মানুষ উত্তেজিত হবে, কতদিন ক্ষুব্ধ থাকবে, কোন প্রশ্নগুলো সামনে আসবে—এসবের বড় অংশই নির্ভর করে মিডিয়ার উপস্থাপনার ওপর। অথচ বাস্তবে দেখা যায়, অধিকাংশ গণমাধ্যম ভয়াবহ অপরাধকে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সংকট হিসেবে না দেখে “সংবাদ-ইভেন্ট” হিসেবে ব্যবহার করে।

একটি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়, নির্মমভাবে খুন হয়। কয়েকদিন ধরে শিরোনাম হয়, কান্নাভেজা ভিডিও ছড়ায়, ফাঁসির দাবি ওঠে, মানববন্ধন হয়। তারপর?
তারপর ক্যামেরা সরে যায়। আলো নিভে যায়। কিন্তু যে সমাজ, রাজনীতি ও প্রশাসনিক দুর্বলতা এমন দানব তৈরি করেছে, সেটি আগের মতোই বহাল থাকে।

সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো—মিডিয়ার বড় একটি অংশ এখন আর পুরোপুরি জনগণের কণ্ঠস্বর নয়; বরং রাজনৈতিক ও করপোরেট স্বার্থের সম্প্রসারণে পরিণত হয়েছে। ক্ষমতাসীনদের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে অনেকেই নরম, আবার রাজনৈতিক সুবিধা পেলে একই মিডিয়া উচ্চকণ্ঠ হয়ে ওঠে। ফলে বিচারহীনতার বিরুদ্ধে একটি নিরপেক্ষ, ধারাবাহিক ও নৈতিক অবস্থান কখনোই গড়ে ওঠে না।

এ কারণেই “সোহেল রানা”রা হঠাৎ জন্ম নেয় না। তারা তৈরি হয় দীর্ঘদিনের দায়মুক্তি, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া, সামাজিক অবক্ষয় ও দুর্বল বিচারব্যবস্থার ভিতরে। ছোট অপরাধ করে পার পেতে পেতেই একসময় তারা ভয় হারিয়ে ফেলে। আর সমাজ হারিয়ে ফেলে প্রতিরোধের শক্তি।

বাংলাদেশে বহু আলোচিত হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় প্রথমদিকে ব্যাপক আলোচনা হলেও সময়ের সঙ্গে সেগুলোর বিচার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় কিংবা মানুষের মনোযোগের বাইরে চলে যায়। অনেক ঘটনায় বছরের পর বছর কেটে গেলেও রায় কার্যকর হয় না। এতে সাধারণ মানুষের মনে একটি স্থায়ী ধারণা জন্মেছে—“এই দেশে ক্ষমতা থাকলে বিচার এড়ানো সম্ভব।”

আর এই ভয়ঙ্কর মানসিকতা সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। কারণ মানুষ যখন বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা হারায়, তখন আইন নয়—ক্ষোভ, প্রতিশোধ ও হতাশা সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে।

মিডিয়ার আরেকটি বড় সংকট হলো ভুক্তভোগীর কান্নাকে পণ্যে পরিণত করা। অনেক ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতার বদলে প্রতিযোগিতা চলে—কার ভিডিও বেশি ভাইরাল হবে, কার শিরোনাম বেশি আবেগ তৈরি করবে। অথচ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মূল কাজ হওয়া উচিত ছিল—অপরাধের সামাজিক ও রাজনৈতিক শেকড় খুঁজে বের করা, বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা এবং ক্ষমতার দায় তুলে ধরা।

শুধু “ফাঁসি চাই” শিরোনাম দিয়ে সমাজ বদলায় না। সমাজ বদলাতে হলে প্রয়োজন ধারাবাহিক জবাবদিহি, শক্তিশালী তদন্ত, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যম।

আজ সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—একজন বাবা কেন রাষ্ট্রকে সামনে দাঁড়িয়ে বলতে বাধ্য হন,
“আপনারা পারবেন না”?

এই প্রশ্নের উত্তর শুধু আদালত বা পুলিশের কাছে নেই; উত্তর খুঁজতে হবে রাজনীতি, প্রশাসন, সমাজ এবং মিডিয়ার ভেতরেও।

কারণ একটি সভ্য রাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা অস্ত্র নয়, আইন নয়—মানুষের বিশ্বাস। আর বাংলাদেশে সেই বিশ্বাসটাই আজ সবচেয়ে বেশি।

লেখক: সাংবাদিক ও শিক্ষক, ফরিদপুর