খুঁজুন
, ,

ভোটকেন্দ্রে আচরণবিধি: যা আপনার মানতেই হবে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
ভোটকেন্দ্রে আচরণবিধি: যা আপনার মানতেই হবে?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের নির্বাচনে একটি নয়, দিতে হবে দুটি ভোট। সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার পাশাপাশি ভোটাররা দেবেন গণভোটও। নির্বাচনী ব্যালটে যেখানে বিভিন্ন দলের প্রতীক থাকে, সেখানে গণভোটে থাকবে দুটি অপশন। ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের মত জানাবেন।

এবারের নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। ইসির তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।

ভোটের দিন প্রার্থী, পোলিং এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সবার জন্যই কিছু বিধিনিষেধ থাকবে। ভোটাররাও এর বাইরে নন। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর তাদের করণীয় এবং যেসব কাজ করা যাবে না, সেগুলো হলো—

১. ভোটারদের সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। বিকেল ৪টার আগে লাইনে দাঁড়াতে পারলে সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

২. কেন্দ্রের ভেতরে পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ নেওয়া যাবে না।

৩. মোবাইল ফোন সঙ্গে নেওয়া যাবে এবং ছবি তোলাও সম্ভব, তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না।

৪. যে কোনো পোশাক পরে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। তবে কেউ নেকাব পরলে পোলিং এজেন্টের অনুরোধে একবারের জন্য তা খুলে পরিচয় নিশ্চিত করতে হতে পারে।

৫. কোনো ধরনের দাহ্য পদার্থ বা অস্ত্র নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

৬. এনআইডি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে থাকলে পরিচয় নিশ্চিত করা সহজ হবে।

৭. ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে পোলিং অফিসার আঙুলে অমোচনীয় কালি দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার দুটি ব্যালট পেপার দেবেন—একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য, অন্যটি গণভোটের জন্য।

৮. ব্যালট পেপারের পেছনে অফিসিয়াল সিল ও প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর আছে কি না, তা অবশ্যই দেখে নিতে হবে। এরপর নির্ধারিত গোপন কক্ষে গিয়ে ভোট দিতে হবে।

৯. ভোটের গোপনীয়তা বজায় রাখতে এবং ভোট বাতিল এড়াতে ব্যালট সঠিকভাবে ভাঁজ করা জরুরি। পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকের ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্টভাবে সিল দিতে হবে।

১০. গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—যেটি পছন্দ, আলাদা ব্যালটে সেটিতে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে, যাতে কালি অন্য প্রতীকে না লাগে। সাধারণত লম্বালম্বি ভাঁজ করাই নিরাপদ। এরপর নির্ধারিত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট ফেলতে হবে। ভোট দেওয়া শেষ হলে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে হবে।

বিয়ের দুই মাস পর মালয়েশিয়ায় গিয়ে প্রাণ হারাল সালথার শোয়াইব

নুরুল ইসলাম নাহিদ, সালথা:
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ
বিয়ের দুই মাস পর মালয়েশিয়ায় গিয়ে প্রাণ হারাল সালথার শোয়াইব

নিজের অভাবী পরিবারকে স্বাবলম্বী করার জন্য বছর তিনেক আগে মালয়েশিয়ায় গিয়ে পাড়ি জমান মো. শোয়াইব বিশ্বাস (২৩) নামে এক যুবক। সেখানে গিয়ে দীর্ঘদিন একটি কোম্পানিতে কাজ করে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে দেশে আসেন। দেশে এসে গত মাস দুয়েক আগে বিয়ে করেন।

তবে তার বিয়ের মেহেদীর রং শুকানোর আগেই জীবিকার তাগিদে ফের মালয়েশিয়ায় নিজের কর্মস্থলে গিয়ে চলে যান। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস- কর্মস্থলে কাজ করার সময় মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর।

নিহত শোয়াইব বিশ্বাস ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রামের মো. শওকত বিশ্বাসের ছেলে। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সেজো।

শনিবার (১০ জুলাই) সকালে শোয়াইবের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার ভগ্নিপতি মো. তুহিন হাসান। এদিকে শোয়াইয়ের খবরে শোকে স্তব্দ হয়েছে পরিবার। এমন অবস্থায় দেশে লাশ আনতে পরিবারের পক্ষ থেকে চেয়েছেন সরকারের সহযোগিতা।

নিহতের পরিবার জানান, জীবিকার তাগিদে ২০২৩ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে একটি কম্পানিতে কাজ শুরু করেন শোয়াইব। সেখানে কাজ শেষে চলতি বছরের এপ্রিলে ছুটিতে বাড়িতে আসেন। বাড়ি আসার পর গত দুই মাস আগে বিয়ে করেন তিনি। এরপর ছুটি শেষে গত ১ জুলাই মালয়েশিয়া চলে যায়। দেশটির জহুরবারু এলাকায় একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানির অধীনে বোম্ব ক্রেনের সাহায্যে নির্মাণাধীন ভবনে ফায়ার ফাইটারের পাইপ লাগানোর কাজ শুরু করেন। শুক্রবার সকালে কাজ করাকালীন বোম্বক্রেন চাপায় নিহত হন তিনি।

নিহতের ভগ্নিপতি তুহিন হাসান বলেন, শুক্রবার দুপুরে মালয়েশিয়ার ওই কোম্পানির দায়িত্বরত এক বাংলাদেশী আমাকে ফোন করে নিহতের বিষয়টি জানান৷ তাছাড়া ওই বাংলাদেশী ছবি ও ভিডিও পাঠিয়েছে, তাতে নির্মমভাবে মৃত্যুর বিষয় ফুটে উঠেছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে তার লাশ ফেরত পাঠানোর জন্য তিন সপ্তাহের সময় চেয়েছেন। তবে লাশটি দ্রুত দেশে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।

ফরিদপুর প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের সহকারী পরিচালক মো. আশিক সিদ্দিকী বলেন, নিহত ব্যক্তি কোনো কোম্পানির অধীনে কাজ করে থাকলে তাঁরা দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে লাশ পাঠাতে পারবে৷ সেখান থেকে কোনো সহযোগিতার না পেলে নিহতের পরিবার আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। বৈধ কর্মী হয়ে থাকলে আমরা লাশ আনার ক্ষেত্রে দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করব।

ফরিদপুর সরকারি শিশু পরিবারের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারি বরখাস্ত

পান্না বালা, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর সরকারি শিশু পরিবারের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারি বরখাস্ত

ফরিদপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি শিশু পরিবারে (বালিকা) ষষ্ঠ শ্রেণির এক কিশোরী (১৪) ২৭ সপ্তাহের অধিক অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায়। এ মামলার একমাত্র আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

এদিকে দায়িত্বে অবহেলার জন্য শিশু পরিবারের পাঁচ কর্মকর্তা ও কর্মচারিকে বরখাস্ত করা হয়েছে।গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মো. ওয়াহিদ শেখ (৫৪)। তিনি ওই শিশু পরিবার এলাকার একটি বাজারে দর্জির দোকানের মালিক।

এই ঘটনায় “দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে” ফরিদপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও শিশু নিবাসের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বাদী হয়ে গত ৬ জুলাই ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কিশোরীটি শহরের টেপাখোলা এলাকার একটি স্কুলে পড়ে। শিশু পরিবার থেকে স্কুলে যাতায়াত করার সুবাদে গত ৫ জানুয়ারি বিকেলে ওই এলাকার এক দর্জির দোকানের মালিক মো. ওয়াহিদ শেখ (৫৪) তাকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই ব্যক্তি তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে।

এর ফলে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে শারিরীক জটিলতার জন্য শিশুটিকে চিকিৎসকের কাছে গত ৬ জুলাই নেওয়া হয়। চিকিৎসক পরীক্ষার পর জানায় শিশুটি ২৭ সপ্তাহ ও দুই দিনের গর্ভাবস্থায় রয়েছে।

এ মামলার সূত্রে গত ৮ জুলাই পুলিশ সদর উপজেলার আদমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ শেখের ছেলে ওয়াহিদ শেখকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
এদিকে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে গত ৮ জুলাই সমাজসেবা অধিদপ্তরের পাঁচ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন, সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিবুর রহমান, কম্পিউটার অপারেটর আবীর দাস, মেট্রন-কাম-নার্স মনি আক্তার ও আয়া শামসুন্নাহার আক্তার ও তানিয়া তাজরীণ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-সচিব ও পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ওই পাঁচ কর্মকর্তা ও কর্মচারিকে গত ৮ জুলাই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশে মেয়েটিকে সমাজসেবা বিভাগের অধীনে “নারী ও শিশু কিশোরী মহিলা হেফজতিদের আবাসন কেন্দ্র”- রাখা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও যে ৭ খাবার আপনি নিরাপদে খেতে পারবেন?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ
মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও যে ৭ খাবার আপনি নিরাপদে খেতে পারবেন?

রান্নাঘরের আলমারিতে রাখা পাস্তার প্যাকেট বা ফ্রিজে থাকা দুধের কার্টনের গায়ে লেখা তারিখ পার হয়ে গেলেই কি আমরা সেগুলো ফেলে দেব? অনেকেই স্বাস্থ্যের ঝুঁকির কথা ভেবে এমনটা করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্যাকেটের গায়ের ‘বেস্ট বাই’ বা ‘কোয়ালিটি ডেট’ মূলত খাবারের স্বাদ ও গুণমান বোঝায়, সবসময় তা খাবারটি নষ্ট হয়ে যাওয়া নির্দেশ করে না।

তাই আপনার অপচয় কমাতে এবং খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এখানে এমন ৭টি খাবারের তালিকা দেওয়া হলো, যা মেয়াদের পরেও খাওয়া নিরাপদ হতে পারে:

১. হিমায়িত মাংস: ফ্রিজের তাপমাত্রা যদি ০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে থাকে, তবে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া সেখানে বংশবিস্তার করতে পারে না। ফলে হিমায়িত মাংস, পোল্ট্রি বা সামুদ্রিক মাছ মেয়াদের পরেও কয়েক মাস পর্যন্ত ফ্রিজে রাখা নিরাপদ। যেমন, আস্ত মুরগি বা টার্কি ফ্রিজারে ৯ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে দীর্ঘসময় রাখলে এর স্বাদ বা নরম ভাব কিছুটা কমে যেতে পারে।

২. ক্যানজাত খাবার: মটরশুঁটি, সস বা স্যুপের মতো টিনজাত খাবারগুলো মেয়াদের পরেও কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে শর্ত থাকে যে, ক্যান বা টিনটি যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, ফুটো বা ফুলে না ওঠে। ক্যান ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাতে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে পারে।

৩. শুকনো পাস্তা ও চাল: শুকনো খাবার যেমন পাস্তা বা চালের প্যাকেটে সাধারণত গুণগত মানের তারিখ লেখা থাকে। এই তারিখের পরেও প্রায় দুই বছর পর্যন্ত এগুলো নিরাপদে খাওয়া সম্ভব। ফ্লেভারযুক্ত পাস্তা বা চালের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা প্রায় ছয় মাস।

৪. পাউরুটি: পাউরুটির গায়ে কোনো সাদা বা সবুজ ছাঁচ না পড়া পর্যন্ত এটি খাওয়া নিরাপদ। সাধারণত দোকানে পাওয়া পাউরুটিতে প্রিজারভেটিভ থাকে যা একে দীর্ঘস্থায়ী করে। আপনি যদি পাউরুটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন, তবে এটি দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।

৫. হিমায়িত ফল ও সবজি: ফ্রোজেন ফল এবং সবজি সাধারণত তুলে আনার পরপরই ধুয়ে ফ্রিজ করা হয়, যা পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে সাহায্য করে। এগুলো ফ্রজারে ৮ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত নিরাপদে রাখা যায়। তবে শসা বা আলুর মতো জলীয় সবজি ফ্রিজে রাখলে কিছুটা নরম হয়ে যেতে পারে, যা স্বাদে কিছুটা ভিন্নতা আনতে পারে।

৬. দুধ: দুধের প্যাকেটে সাধারণত ‘সেল-বাই’ তারিখ থাকে এবং এই তারিখের পরেও দুধ পান করা নিরাপদ হতে পারে। ফ্রিজে ঠিকমতো রাখা হলে এবং প্যাকেটের মুখ খোলার পর দুধ অন্তত ১ থেকে ২ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে দুধে যদি টক গন্ধ পাওয়া যায় বা দানা বেঁধে যায়, তবে তা অবশ্যই ফেলে দিতে হবে।

৭. ডিম: প্যাকেটের গায়ের তারিখের তুলনায় ডিম ফ্রিজে অনেক বেশি সময় ভালো থাকে। ফ্রিজের দরজায় না রেখে ভেতরের ঠান্ডা অংশে ডিম রাখলে তা কেনা থেকে প্রায় ৫ সপ্তাহ পর্যন্ত সতেজ থাকে। যদি ডিমের মেয়াদের তারিখ জানা না থাকে, তবে কেনার দুই সপ্তাহের মধ্যে ব্যবহার করা উচিত।

কখন খাবার ফেলে দেবেন?

নিরাপদে খাওয়ার সুযোগ থাকলেও নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে খাবার অবশ্যই ফেলে দিন:

খাবারে ছাঁচ বা ছত্রাক দেখা দিলে।

দুর্গন্ধ ছড়ালে।

খাবারের উপরিভাগ পিচ্ছিল বা আঠালো হয়ে গেলে।

প্যাকেট বা ক্যান ফুলে গেলে বা লিক করলে।

তথ্যসূত্র: ভেরিওয়েল হেলথ