খুঁজুন
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১ ফাল্গুন, ১৪৩২

রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবি প্রকাশ, কী জানালেন অপু বিশ্বাস?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৪ এএম
রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবি প্রকাশ, কী জানালেন অপু বিশ্বাস?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন তিনি।  

নির্বাচনী এই সাফল্যের পর শুভেচ্ছায় ভাসছেন সাবেক এই বিএনপির নেত্রী। দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে নানা অঙ্গনের মানুষ তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সংস্কৃতি জগৎ থেকেও আসছে শুভেচ্ছা বার্তা।

ঢালিউডের চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস নিজের ফেসবুক স্টোরিতে রুমিন ফারহানার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তার এই শুভেচ্ছা বার্তা সামাজিকমাধ্যমে ইতোমধ্যেই নজর কেড়েছে ভক্তদের।

বলা দরকার, ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রুমিন ফারহানা এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭টি ভোট পেয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪টি ভোট।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: গণভোটের হার এতো বেশি কেন?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৩ এএম
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: গণভোটের হার এতো বেশি কেন?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ ভোটের তুলনায় গণভোটে ভোটার উপস্থিতি বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনায় দুটি সংসদীয় আসনের ফল স্থগিত থাকলেও সেখানে গণভোটের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় গণভোটের মোট ভোটের হার বেশি হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

ইসি সচিব বলেন, ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে না। বাকি ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়ী হয়েছে।

তিনি জানান, অন্যান্য দলের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি আসন। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলন একটি করে আসনে জয় পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৭টি আসনে।

ভোটের হার প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে গণভোটে কাস্ট হওয়া ভোটের হার ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, যে দুটি আসনের সংসদ ফল স্থগিত রয়েছে, সেখানে গণভোটের ভোট গণনায় যুক্ত হয়েছে—এ কারণেই গণভোটের হার তুলনামূলক বেশি।

গণভোটের ফলাফল তুলে ধরে তিনি জানান, পরিবর্তনের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং বিপক্ষে ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি।

গেজেট প্রকাশের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চূড়ান্ত ফলাফলের হার্ড কপি পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে যত দ্রুত সম্ভব গেজেট প্রকাশ করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সন্ধ্যার মধ্যেই হার্ড কপি আসা শুরু হবে।

এ সময় নির্বাচনসংক্রান্ত সংবাদ প্রচারে সহযোগিতার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাও জানান তিনি।

 

ভালোবাসা দিবস: ইসলামে বৈধ না বিদআত?

মুফতি নিজাম উদ্দিন আল আদনান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৪ এএম
ভালোবাসা দিবস: ইসলামে বৈধ না বিদআত?

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সময়ে হরেক রকম দিবস উদযাপন হয়ে থাকে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ বা ‘ভালোবাসা দিবস’। প্রতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি আসলে এক শ্রেণির লোকজন এ দিবস উদযাপন করে। তবে ইসলামে এই দিবসের কোনো ভিত্তি নেই।

তাহলে কীভাবে এলো ভালোবাসা দিবস?

ভ্যালেন্টাইনস ডে-এর উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন মত রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ইতিহাসটি হচ্ছে ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের। তিনি ছিলেন শিশুপ্রেমিক, সামাজিক ও সদালাপি এবং খ্রিস্টধর্ম প্রচারক। আর রোম সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস ছিলেন বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজায় বিশ্বাসী।

সম্রাটের পক্ষ থেকে তাকে দেব-দেবীর পূজা করতে বলা হলে, ভ্যালেন্টাইন তা অস্বীকার করায় তাকে কারারুদ্ধ করা হয়। সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কারারুদ্ধ হওয়ার পর প্রেমাসক্ত যুবক-যুবতীদের অনেকেই প্রতিদিন তাকে কারাগারে দেখতে আসত এবং ফুল উপহার দিত। তারা বিভিন্ন উদ্দীপনামূলক কথা বলে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে উদ্দীপ্ত রাখত। এক কারারক্ষীর এক অন্ধ মেয়েও ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে যেত। অনেকক্ষণ ধরে তারা দুজন প্রাণ খুলে কথা বলত। একসময় ভ্যালেন্টাইন তার প্রেমে পড়ে যায়। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আধ্যাত্মিক চিকিৎসায় অন্ধ মেয়েটি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। ভ্যালেন্টাইনের ভালোবাসা ও তার প্রতি দেশের যুবক-যুবতীদের ভালোবাসার কথা সম্রাটের কানে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ২৬৯ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে তার স্মরণে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস পালিত হতে থাকে। (সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক, ১৪ ফেব্রুয়ারি-২০১৪)

প্রচলিত ভালোবাসা দিবসে যা হয়

এই দিনে অনেক তরুণ-তরুণী ভালোবাসা আদান-প্রদানের নামে সাক্ষাৎ, কথোপকথন, মদ্যপান, কনসার্ট এবং যাবতীয় অবৈধ মেলামেশা করে থাকেন। বিশেষ করে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরা, টিএসসি প্রাঙ্গনসহ বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় এসব নোংরা চিত্র দেখা যায়।

ভালোবাসা দিবসের সমস্যা ও ইসলামি বিধান

১. বিজাতীয় সংস্কৃতি অনুসরণ করা হারাম

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে’ (আবু দাউদ : ৪০৩১) । তাই ইমানদারগণ ভালোবাসা দিবস পালন করতে পারবে না, কারণ তা খ্রিস্টানদের সংস্কৃতি।

২. অবৈধ সম্পর্ক ও ব্যভিচারের প্রসার

ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা ব্যভিচারের নিকটেও যেও না। নিশ্চয়ই এটা একটি অশ্লীল কাজ ও নিকৃষ্ট পথ’ (সুরা আল ইসরা : ৩২)। ১৪ ফেব্রুয়ারি অধিকাংশ মানুষ অবৈধ প্রেম, শারীরিক সম্পর্ক ও হারাম কাজের দিকে ধাবিত হয়।

৩. ফিতনার (পাপাচার) কারণ

এই দিনে তরুণ-তরুণীরা বেহায়াপনা ও অনৈতিক কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়।

৪. অপচয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয়

ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই অপচয়কারী শয়তানের ভাই’ (সুরা আল ইসরা : ২৭)। ভালোবাসা দিবসে ফুল, কার্ড, উপহার ও ডিনারের নামে প্রচুর অর্থ অপচয় হয়, যা ইসলাম সমর্থন করে না।

৫. ইসলামিক সমাজ ও সংস্কৃতির ক্ষতি

মুসলমানদের মধ্যে পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে ইসলামি মূল্যবোধ নষ্ট হয়।

ইসলামে ভালোবাসা দিবসের বিকল্প কী?

১. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য যে কোনো দিন উপহার দেওয়া যেতে পারে।

২. মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন ও গরিব-দুঃখীদের ভালোবাসা ও দয়া দেখানো উচিত।

৩. আল্লাহ ও রাসুলের ভালোবাসার প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত।

৪. হারাম সম্পর্কের পরিবর্তে ইসলামের বিধান অনুসারে বিবাহের মাধ্যমে পবিত্র সম্পর্ক স্থাপন করা উচিত।

লেখক : মুহতামিম, জামিয়াতুল কোরআন, ঢাকা

সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ

ফাগুন এলে শুধু প্রেম নয়, বদলায় সময়ও

মো. লিখন হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০৮ এএম
ফাগুন এলে শুধু প্রেম নয়, বদলায় সময়ও

বাংলা বর্ষপঞ্জির সবচেয়ে রঙিন অধ্যায় ফাগুন। হলুদের ছোঁয়া, কোকিলের ডাক, বাতাসে নতুন পাতার গন্ধ-সব মিলিয়ে যেন নতুন এক আবেশ। এই আবেশের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে প্রেমের গল্প, ভালোবাসার অনুভূতি আর সম্পর্কের নতুন সংজ্ঞা।

ফাগুন এলেই বাতাস বদলে যায়। শহরের ধুলো মেখে থাকা রাস্তাও যেন হঠাৎ করে কোমল হয়ে ওঠে, গাছের ডালে ডালে নতুন পাতার হাসি, আর মানুষের চোখে অদৃশ্য এক টান। বসন্তের এই ঋতু যেন প্রেমের জন্যই জন্মেছে- কারও প্রথম হাত ধরা, কারও চুপচাপ ভালো লাগা, আবার কারও বহুদিনের সম্পর্কের নতুন করে শুরু।

হলুদের শাড়ি, পাঞ্জাবির রঙিন ছোঁয়া আর চুলে গাঁদা ফুল-সবকিছু মিলিয়ে ফাগুন হয়ে ওঠে এক অনুচ্চারিত ভালোবাসার ভাষা। অনেকেই এদিন বলে থাকে ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ আবার কেউ শুধু চোখের ভাষায় লিখে দেয় জীবনের সবচেয়ে সুন্দর গল্প।

প্রেমের ঋতু কেন ফাগুন

শীতের নিস্তব্ধতা পেরিয়ে বসন্ত আসে উষ্ণতা নিয়ে। এই উষ্ণতা শুধু আবহাওয়ায় নয়, মানুষের ভেতরেও ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ একাকিত্বের পর মানুষ খুঁজে পায় কাছের মানুষকে, খুঁজে পায় নিজের মনের মানুষকে। তাই ফাগুন এলেই হৃদয়ে জন্ম নেয় নতুন অনুভূতি, নতুন স্বপ্ন।

এই সময়টাতে অনেকেই প্রথম প্রেমে পড়ে, কেউ পুরোনো ভালোবাসাকে নতুন করে আবিষ্কার করে। হাতের মুঠোয় হাত রেখে হেঁটে যাওয়া, একসাথে ছবি তোলা, কিংবা নিঃশব্দে পাশে বসে থাকা-সবকিছুতেই থাকে প্রেমের গভীরতা।

প্রেমের রঙিন শহর

ফাগুন এলেই শহরের দৃশ্য বদলে যায়। চারদিকে দেখা যায় যুগলদের হাসি, প্রেমিক-প্রেমিকা, আর রাস্তায় ফুল বিক্রেতাদের ব্যস্ততা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে ওঠে প্রেমের ছবি, ভালোবাসার স্ট্যাটাস, আর হৃদয়ের গল্প।

এই সময়টাতে শুধু নতুন প্রেম নয়- দীর্ঘদিনের সম্পর্কও পায় নতুন রঙ। পুরোনো অভিমান ভুলে আবার শুরু হয় নতুন পথচলা।

ছোট মুহূর্তেই বড় ভালোবাসা

ফাগুনের প্রেম সবসময় বড় আয়োজনের নয়। কখনও একগুচ্ছ ফুল, কখনও একটি চিঠি, কখনও শুধু এক কাপ চায়ের আড্ডা- এসব ছোট ছোট মুহূর্তেই তৈরি হয় বড় ভালোবাসার স্মৃতি। এই সময় মানুষ নিজের অনুভূতিকে প্রকাশ করতে ভয় পায় না, বরং হৃদয়ের কথা বলার সাহস পায়।

অনেকেই বলেন, বসন্তের বাতাসে এমন এক জাদু থাকে, যা মানুষকে আরও সংবেদনশীল করে তোলে। তাই এই ঋতুতে বলা ভালোবাসার কথা মনে থাকে সারা জীবন।

প্রেম মানে কি শুধু দুজন, না কি অনুভূতি

ফাগুনের প্রেম কেবল রোমান্টিক সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি এক গভীর আবেগ, যা মানুষকে আরও কোমল ও মানবিক করে তোলে। নিজের প্রতি ভালোবাসা, প্রিয় মানুষের প্রতি যত্ন, কিংবা জীবনকে নতুনভাবে গ্রহণ করার সাহস— সবকিছুতেই লুকিয়ে থাকে প্রেম।

তবে রোমান্টিক প্রেমই থাকে এই ঋতুর কেন্দ্রে— কারণ ফাগুন মানুষকে সাহসী করে তোলে, নিজের অনুভূতি প্রকাশের শক্তি দেয়।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বসন্তের উজ্জ্বল রং ও উষ্ণ আবহাওয়া মানুষের মধ্যে ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করে। এই অনুভূতি শুধু রোমান্টিক ভালোবাসায় সীমাবদ্ধ না থেকে আত্মপ্রেম, বন্ধুত্ব ও মানবিকতার দিকেও মানুষকে টানে।

প্রেমের অবিরাম গল্প

ফাগুন এলে মানুষ প্রেমে পড়ে- এ যেন এক অনিবার্য সত্য। কেউ নতুন ভালোবাসা খুঁজে পায়, কেউ পুরোনো ভালোবাসাকে নতুন করে অনুভব করে। বসন্তের রঙে, ফুলের গন্ধে আর বাতাসের মৃদু ছোঁয়ায় প্রেম হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতি।

তাই বলা যায় ফাগুন মানেই প্রেম। এক ঋতু, হাজার অনুভূতি, আর অসংখ্য ভালোবাসার গল্প।