খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুর-২ থেকে জয়ের পর মন্ত্রী হচ্ছেন শামা ওবায়েদ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০৬ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর-২ থেকে জয়ের পর মন্ত্রী হচ্ছেন শামা ওবায়েদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শামা ওবায়েদ রিংকু বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি মোট ১ লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফতে মজলিশের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মো. আকরাম আলীকে ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে ভোটারদের বিপুল অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় আনন্দ-উৎসব শুরু হয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শামা ওবায়েদ রিংকুর এই বিজয়কে দলটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ফরিদপুর অঞ্চলে দলের সাংগঠনিক শক্তি পুনরুদ্ধারে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার মন্ত্রিসভা আকারে তুলনামূলক ছোট রাখা হতে পারে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই তালিকায় জোরালোভাবে উঠে এসেছে শামা ওবায়েদের নাম।

বিশেষ করে নারী নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শামা ওবায়েদকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকা তাকে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকায় এগিয়ে রেখেছে।

এদিকে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাসসহ আরও বেশ কয়েকজনের নাম মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির আলোচনায় রয়েছে।

এছাড়া তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে নবনির্বাচিত কয়েকজন এমপিকেও প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

তবে নতুন মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত তালিকা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবুও ফরিদপুর-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ রিংকুর সম্ভাব্য মন্ত্রীত্ব নিয়ে ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

সালথায় ডিজেল মজুদে অভিযান: ৩২০ লিটার জব্দ, যুবককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
সালথায় ডিজেল মজুদে অভিযান: ৩২০ লিটার জব্দ, যুবককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ডিজেল সংগ্রহ ও মজুদের অভিযোগে মো. মিকাইল হোসেন (২১) নামে এক যুবককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ৩২০ লিটার ডিজেল।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে অবস্থিত মনোয়ারা ফিলিং স্টেশন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দীন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসন জানতে পারে যে, একটি চক্র স্থানীয় ফিলিং স্টেশন থেকে বড় পরিমাণে জ্বালানি তেল কিনে মজুদ করছে। এরই অংশ হিসেবে মিকাইল হোসেন নামের ওই যুবক মনোয়ারা ফিলিং স্টেশন থেকে ৩২০ লিটার ডিজেল ক্রয় করে একটি ট্রলি গাড়ির মাধ্যমে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি দল তাকে আটক করে।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জব্দ করা ডিজেল সরকারি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রশাসন সূত্রে আরও জানা যায়, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের বাজারকে অস্থিতিশীল করতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও মধ্যস্বত্বভোগী কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে তেল মজুদের চেষ্টা করছে। এতে সাধারণ ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়।

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দীন বলেন, “একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা নিয়মিত নজরদারিতে আছি। আজ একজন ৩২০ লিটার ডিজেল কিনে মজুদের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল, যা আইনবিরোধী। তাই তাকে জরিমানা করা হয়েছে এবং তেল জব্দ করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে কেউ আইন অমান্য করে জ্বালানি তেল মজুদ করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনীতিতে নারী হওয়াই কি অপরাধ?—সাইবার হ্যারেজমেন্টে বিচার চাইলেন বৈশাখী বর্ষা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
রাজনীতিতে নারী হওয়াই কি অপরাধ?—সাইবার হ্যারেজমেন্টে বিচার চাইলেন বৈশাখী বর্ষা

ফরিদপুরে নারী রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রীতিকর মন্তব্য ও সাইবার বুলিংয়ের ঘটনা নতুন কিছু নয়। তবে এবার সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ফরিদপুর জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব বৈশাখী ইসলাম বর্ষা।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, অপমানজনক ভাষা এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে নারী হওয়ার কারণে তাকে লক্ষ্য করে অশ্লীল গালিগালাজ ও মানহানিকর মন্তব্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে বৈশাখী ইসলাম বর্ষা লিখেন, “মেয়েরা রাজনীতিতে এলে নানাভাবে অপমানিত হতে হয়—এটা আগে শুনেছি, কিন্তু এখন নিজেই তার শিকার হচ্ছি। আমাকে নিয়ে পতিতালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করে গালি দেওয়া হচ্ছে। আমার অপরাধটা কী, সেটাই জানতে চাই।”

তিনি আরও লেখেন, যারা এসব মন্তব্য করছেন তাদের অনেকেই তার সোশ্যাল মিডিয়ার ফলোয়ার। তাদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “আমি যদি কোনো ভুল করে থাকি, তাহলে দয়া করে সেটা জানাবেন। আমি সংশোধন করার চেষ্টা করব। কিন্তু অযথা অপমান কেন?”

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বৈশাখী ইসলাম বর্ষা ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-কে জানান, “আমি দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে হ্যারেজমেন্টের শিকার হচ্ছি। অনেক সময় বিষয়টি উপেক্ষা করেছি। কিন্তু এখন তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। তাই সবাইকে বিষয়টি জানাতে এবং সচেতনতা তৈরি করতে আমি ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, নারী রাজনীতিকদের প্রতি সমাজের একটি অংশ এখনও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে, যা অনলাইনে প্রকাশ পায়। এর ফলে অনেক নারী রাজনীতিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার বুলিং বর্তমানে একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নারী ও তরুণীরা এ ধরনের হয়রানির বেশি শিকার হন। তথ্যপ্রযুক্তি আইনে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকলেও অনেকেই তা সম্পর্কে সচেতন নন কিংবা আইনি পদক্ষেপ নিতে অনীহা প্রকাশ করেন।

সামাজিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণ এবং ডিজিটাল সচেতনতা বৃদ্ধি না পেলে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে। একইসঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যকর পদক্ষেপ এবং ভুক্তভোগীদের সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসাও জরুরি।

এদিকে বৈশাখী ইসলাম বর্ষার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তার পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন জানাচ্ছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলছেন।

নারীর প্রতি সম্মান এবং নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সমাজের সকল স্তরের মানুষের সচেতনতা ও ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

ফরিদপুরে হামের উপসর্গে ৭ মাসের শিশুর মৃত্যু, আতঙ্কে অভিভাবকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামের উপসর্গে ৭ মাসের শিশুর মৃত্যু, আতঙ্কে অভিভাবকরা

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে রহিমা আক্তার নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সকালে ফরিদপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা যায়, বুধবার (০১ এপ্রিল) সকালে শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির সময় থেকেই তার অবস্থার অবনতি ছিল বলে জানান চিকিৎসকরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই দিন দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত রহিমা আক্তার মাদারীপুর সদর উপজেলার কাউদিয়া গ্রামের বাসিন্দা রিয়াজ খানের মেয়ে। শিশুটির মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ফরিদপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুটিকে হামের উপসর্গ—যেমন জ্বর, শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ও দুর্বলতা—নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পরপরই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হলেও তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে তার নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার মহাখালীস্থ রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “শিশুটি হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছিল। এখনো পরীক্ষার চূড়ান্ত রিপোর্ট হাতে পাইনি। তবে উপসর্গ বিবেচনায় চিকিৎসকরা এটিকে ক্লিনিক্যালি হামজনিত মৃত্যু হিসেবে ধারণা করছেন।”

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত ফরিদপুর জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৬৫ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে নতুন করে আরও ৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে দুই হাসপাতালে মোট ২৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যার মধ্যে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৮ জন এবং জেনারেল হাসপাতালে ৮ জন ভর্তি আছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সময়মতো টিকা গ্রহণ না করলে এর ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা এবং হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

এদিকে, জেলায় হামের উপসর্গ বাড়তে থাকায় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছে।