খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

“সত্য, সাহস আর মানবিকতার প্রতিচ্ছবি ছিলেন সাংবাদিক আজিজ”

হারুন-অর-রশীদ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
“সত্য, সাহস আর মানবিকতার প্রতিচ্ছবি ছিলেন সাংবাদিক আজিজ”

সাংবাদিক সমাজে কিছু মানুষ থাকেন, যারা শুধুই একজন সংবাদকর্মী নন—একটি প্রতিষ্ঠান, একটি আস্থা আর একটি ছায়ার নাম হয়ে ওঠেন। এম.এ আজিজ ছিলেন ঠিক তেমনই একজন মানুষ। ফরিদপুরের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন সবার প্রিয় “সাংবাদিক আজিজ ভাই” হিসেবে খ্যাত।

দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা হিসেবে দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পাশাপাশি ফরিদপুর প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক হিসেবেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ১৯৫৬ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া এই মানুষটি ছিলেন অত্যন্ত মিশুক, আন্তরিক এবং মানবিক গুণে ভরপুর।

তিনি মানুষের খুব কাছে যেতে জানতেন। ছোট-বড়, ধনী-গরিব, পরিচিত-অপরিচিত—সবাইকে আপন করে নিতেন সহজ হাসি আর মায়াভরা কথায়। কারও বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়াতে কখনো দ্বিধা করতেন না। একটি মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তৃণমূলের নির্যাতিত ও অসহায় মানুষও তার কাছ থেকে পেয়েছেন সাহস, সহযোগিতা ও ন্যায়বিচারের আশ্বাস। ব্যক্তিত্ব, সততা আর মানবিকতায় তিনি ছিলেন অনন্য এক মানুষ।

ফরিদপুরের সাংবাদিক অঙ্গনেও আজিজ ভাই ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। নবীন সাংবাদিকদের হাতে-কলমে শিখিয়েছেন সংবাদকর্মের নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ আর সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস। কেউ সমস্যায় পড়লে ছুটে যেতেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে। এজন্যই সাংবাদিক সমাজের সবার হৃদয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছিলেন গভীর ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায়।

আজও খুব স্পষ্ট মনে পড়ে একটি দিনের কথা। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক আত্মীয়কে ভর্তি করাতে গিয়ে হঠাৎ দেখা হয়েছিল আজিজ ভাইয়ের সঙ্গে। আমাকে দেখেই তিনি যেন নিজের ছোট ভাইয়ের মতো পাশে দাঁড়ালেন। হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে আত্মীয়ের চিকিৎসার বিষয়টি আন্তরিকভাবে দেখার অনুরোধ করেছিলেন। সেই মুহূর্তে বুঝেছিলাম—মানুষ হিসেবে তিনি কতটা বড় মনের ছিলেন।

সময়ের নির্মম নিয়মে সেই মানুষটি আজ আর আমাদের মাঝে নেই। ২০২২ সালের ১৯ মে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দেখতে দেখতে কেটে গেছে আরও একটি বছর। আজ তার মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর অশেষ কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করছি প্রিয় আজিজ ভাইকে।

মানুষ বেঁচে থাকে তার কর্মে, ভালোবাসায় আর মানুষের হৃদয়ে রেখে যাওয়া স্মৃতিতে। এম.এ আজিজ তেমনই একজন মানুষ, যিনি ফরিদপুরের সাংবাদিক সমাজ ও অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে আজও বেঁচে আছেন নিভৃত আলো হয়ে।

আল্লাহ যেন প্রিয় আজিজ ভাইকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন। ওপারে ভালো থাকবেন আজিজ ভাই। আপনার মতো মানুষ কখনো হারিয়ে যান না, স্মৃতির ভাঁজে আজীবন বেঁচে থাকেন।

লেখক: সংবাদকর্মী, ফরিদপুর।

পবিত্র হজের সওয়াবের পথে নেক আমল

রেহেনা ফেরদৌসী
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
পবিত্র হজের সওয়াবের পথে নেক আমল

হজ শুধু সফর নয়, এটি আত্মার পরিশুদ্ধির আহ্বান; আর ইসলামের সৌন্দর্য হলো, নেক আমলের দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত। ইসলামের দয়ার দুয়ার সবার জন্য উন্মুক্তহজে যেতে না পারলেও আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত নন মুমিন- কিছু আমল এনে দিতে পারে হজের সমপর্যায়ের সওয়াব।

পবিত্র হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম এবং প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করা ফরজ। হজ কেবল একটি আনুষ্ঠানিক ইবাদত নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ, ধৈর্য, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের এক মহিমান্বিত শিক্ষা। তবে বাস্তবতা হলো-সব মুসলমান আর্থিক, শারীরিক কিংবা পারিপার্শ্বিক কারণে হজ পালনের সৌভাগ্য অর্জন করতে পারেন না।

কিন্তু ইসলাম এমন এক দয়াময় জীবনব্যবস্থা, যেখানে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের জন্য রহমতের বহু দরজা উন্মুক্ত রেখেছেন। মহানবী (সাঃ) বিভিন্ন হাদিসে এমন কিছু নেক আমলের কথা সুসংবাদ হিসেবে জানিয়েছেন, যেগুলোর সওয়াব হজ বা ওমরাহর সমতুল্য কিংবা তার ন্যায় মর্যাদাপূর্ণ হতে পারে।

ফজর ও ইশরাকের আমল- দিনের শুরুতেই হজের সওয়াবের সম্ভাবনা:

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন- যে ব্যক্তি জামাতে ফজরের নামাজ আদায় করে, এরপর সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকে এবং পরে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করে, সে পূর্ণ হজ ও ওমরাহর সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করতে পারে। এই হাদিস মুসলমানকে দিনের শুরুতেই ইবাদতের মাধ্যমে আত্মিক শক্তি অর্জনের আহ্বান জানায়।

জামাতে নামাজ- মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়:

ইসলামের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক সৌন্দর্যের প্রতীক। হাদিসে এসেছে, ফরজ নামাজের জন্য মসজিদে গমনকারী ব্যক্তি যেন হজের উদ্দেশ্যে বের হওয়া মুমিনের মর্যাদা লাভ করে। এতে বোঝা যায়, ইসলামে প্রতিদিনের ইবাদতের মধ্যেও কত বড় পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে।

দ্বীনি শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা- রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি মসজিদে যায় দ্বীনের জ্ঞান অর্জন বা শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে, তার জন্য পূর্ণ হজ আদায়কারীর ন্যায় সওয়াব রয়েছে। ইসলাম জ্ঞানকে শুধু ব্যক্তিগত উন্নতির মাধ্যম নয়, বরং ইবাদতের মর্যাদায় উন্নীত করেছে। তাই কোরআন-হাদিস শিক্ষা ও ইসলামী জ্ঞানচর্চা সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি।

রমজানের ওমরাহ- সহিহ হাদিসে এসেছে, রমজান মাসে ওমরাহ পালন রাসূল (সাঃ) এর সঙ্গে হজ পালনের সমপর্যায়ের সওয়াবের সুসংবাদ বহন করে। এটি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের প্রকাশ, যা মুমিন হৃদয়কে আরও বেশি ইবাদতমুখী করে তোলে।

ইসলামের শিক্ষা- ইসলামে শুধু বাহ্যিক সামর্থ্য নয়, আন্তরিক নিয়তও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যদি হজের প্রকৃত ইচ্ছা রাখেন কিন্তু সামর্থ্যের অভাবে যেতে না পারেন, তবুও আল্লাহ তার নিয়ত ও প্রচেষ্টাকে মূল্যায়ন করেন। এ কারণে মুসলমানের জীবনে নেক আমল, সৎ নিয়ত ও ধারাবাহিক ইবাদত অপরিসীম গুরুত্ব বহন করে।

পবিত্র হজের আকাক্ষা প্রতিটি ঈমানদার হৃদয়ের স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণে বিলম্ব হলেও হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। আল্লাহর রহমত সীমাহীন, আর তার পথে চলার সুযোগ অসংখ্য। তাই হজের সৌভাগ্য লাভের অপেক্ষার পাশাপাশি আমাদের উচিত নামাজ, জিকির, দ্বীনি শিক্ষা ও নেক আমলের মাধ্যমে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা।

ইসলাম আমাদের শেখায়- আল্লাহ তাআলার রহমত কেবল নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আন্তরিক নিয়ত, বিশুদ্ধ ঈমান ও ধারাবাহিক নেক আমলের মধ্যেই তাঁর সন্তুষ্টির পথ উন্মুক্ত থাকে। তবে স্মরণ রাখা প্রয়োজন, হাদিসে বর্ণিত এসব আমল হজের ফজিলতপূর্ণ সওয়াবের সুসংবাদ বহন করলেও ফরজ হজের বিকল্প নয়। বরং এগুলো মুসলমানকে ইবাদতের প্রতি আরও আগ্রহী, সচেতন ও আল্লাহমুখী করে তোলার এক মহিমান্বিত প্রেরণা।

আসুন, হজের পবিত্র স্বপ্ন হৃদয়ে ধারণ করে নামাজ, জিকির, দ্বীনি জ্ঞানচর্চা ও সৎকর্মের মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে আলোকিত করি। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে তার ঘর জিয়ারতের সৌভাগ্য দান করুন এবং সেই সঙ্গে নেক আমলের মাধ্যমে তার সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক: সহ-সম্পাদক, সমাজকল্যাণ বিভাগ, কেন্দ্রীয় পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)।

ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি স্ট্যালিন, সম্পাদক হাসানউজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি স্ট্যালিন, সম্পাদক হাসানউজ্জামান

ফরিদপুরে সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চাকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করতে “ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন সংস্থা”-র ২৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী সংসদ গঠন করা হয়েছে।

সংস্থার গঠনতন্ত্রের ১৫(ক) ধারা অনুযায়ী গত ১ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত আহ্বায়ক কমিটির সভায় কমিটি গঠন করা হয়। পরে গত ১৬ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় তা অনুমোদিত হয়। সোমবার (১৮ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তৌহিদুল ইসলাম স্ট্যালিন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সাংবাদিক হাসানউজ্জামান।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর খান, আলম খান ও শিপ্রা গোস্বামী। সহ-সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মিঠু ও সাহানা আক্তার জলি। অর্থ সম্পাদক এম.এ. রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শান্ত শেখ, দপ্তর সম্পাদক মো. সালাহউদ্দিন খান, তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক সঞ্জয় ঘোষ, সাহিত্য-সংস্কৃতি সম্পাদক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী নিলয়, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম এস পলাশ খান, পাঠাগার ও গবেষণা সম্পাদক বাদল দাস, নাট্য সম্পাদক আনিসুর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমির হোসেন হামিদ।

নির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন খন্দকার মাহফুজুল আলম মিলন, মফিজ ইমাম মিলন, সৈয়দ জুনায়েদ পারভেজ, গোলাম রব্বানী ভূইয়া রতন, মনোয়ারা মোর্শেদা চৌধুরী, নন্দিতা ঘোষ এবং আবু সুফিয়ান চৌধুরী কুশল।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাহিত্য, সংস্কৃতি, নাট্যচর্চা, গবেষণা এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে সৃজনশীল কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে দিতে এ কমিটি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। ফরিদপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত করতেই তাদের এই উদ্যোগ।

ফরিদপুরে শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলা

‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলা শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সোয়া ১০ টার দিকে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে মেলা উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম।

এরপর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের কোর্ট কম্পাউন্ডের সামনের সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলায় যোগ দেয়। এসময় অতিথিরা মেলার স্টল গুলো পরিদর্শন করেন। নামজারিতে সারাদেশে মধ্যে ফরিদপুর প্রথম স্থান অধিকার করেছে বলে জানান সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

এরপর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারের বিষয় ছিল “Automated Land Management System: The Changes, Development and Way Forward”। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম।

এর আগে রাজধানী ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

এরপর ভুমিসেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিন্টু বিশ্বাস, ফরিদপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, অতিরিক্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিকুল ইসলাম, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মো. নজরুল ইসলাম এবং ফরিদপুর জেলা প্রশাসন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র তাওহিদ আলম ওশান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এসডিসির নির্বাহী পরিচালক কাজী আশরাফুল হাসান, জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ, সহজ ও জনবান্ধব করতে সরকার অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা চালু করেছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা পাচ্ছেন।

বক্তারা আরও বলেন, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা কমে আসছে এবং জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান অনলাইনের মাধ্যমে করা যাচ্ছে, ফলে মানুষ ঘরে বসেই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন।

জেলা প্রশাসন ফরিদপুরের আয়োজনে এ মেলায় সহযোগিতায় রয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। মেলায় ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা প্রদানের লক্ষ্যে একাধিক সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে নামজারি, খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন কর, অনলাইন ভূমি সেবা ও ভূমি বিষয়ক পরামর্শসহ নানা ধরনের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। আগামী ২১ মে পর্যন্ত চলবে এই ভূমি সেবা মেলা।