খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে ফরিদপুরে বাজার সংযোগ সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে ফরিদপুরে বাজার সংযোগ সভা

ফরিদপুরে কৃষি উপকরণ সরবরাহকারী ও লিড ফার্মারদের অংশগ্রহণে এক গুরুত্বপূর্ণ বাজার সংযোগ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সোমবার (১৮ মে) দুপুর ১২টায় শহরের এসডিসি প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট কমিটি (এসডিসি) এর আয়োজন করে। এতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হলে শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, সেই পণ্যের সঠিক বাজার ব্যবস্থাপনাও নিশ্চিত করতে হবে। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে জেলা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও বাজার সংযোগ তৈরি করা হবে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, জেলার তরুণ ও আগ্রহী উদ্যোক্তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও বিভিন্ন সহায়ক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে বাজারভিত্তিক পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এসডিসির কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এসডিসির এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন কর্মকর্তা খান ওমর ফারুক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এসডিসির কো-অর্ডিনেটর এসপিডি (কৃষি) ডা. বিপ্লব কুমার মোহন্তসহ প্রকল্পের বিভিন্ন কর্মকর্তা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্পেশাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট (কৃষি) এর পরিচালক (সার্বিক) ও ফোকাল পার্সন খন্দকার হামিদুল ইসলাম।

এসডিসির স্পেশাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট (কৃষি) প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ সভায় ফরিদপুর সদর উপজেলার প্রায় ৪০ জন নারী উদ্যোক্তা, কৃষক, লিড ফার্মার এবং কৃষি উপকরণ সরবরাহকারী অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের মান উন্নয়ন, সংরক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং সরাসরি বাজারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সুস্বাস্থ্যের জন্য সকালে কত কিলোমিটার হাঁটা উচিত?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৭:২২ পূর্বাহ্ণ
সুস্বাস্থ্যের জন্য সকালে কত কিলোমিটার হাঁটা উচিত?

সকালের হাঁটা কেবল একটি সাধারণ রুটিন নয়, বরং এটি একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার মূল ভিত্তি। ভোরের সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে একটু দ্রুত হাঁটা আপনার শরীর ও মন উভয়কেই পুনরুজ্জীবিত করে এবং সারাদিনের জন্য একটি ইতিবাচক সুর তৈরি করে দেয়। তবে হাঁটার সুফলগুলো পুরোপুরি পেতে হলে আমাদের জানা প্রয়োজন ঠিক কতটুকু এবং কীভাবে হাঁটা উচিত।

কার জন্য কতটুকু হাঁটা প্রয়োজন?

শারীরিক সক্ষমতা ও লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে হাঁটার দূরত্বকে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে :

শিক্ষানবিশ পর্যায়: আপনি যদি নতুন হাঁটা শুরু করেন বা অনেক দিন পর শরীরচর্চায় ফেরেন, তবে শুরুতে খুব বেশি চাপ নেবেন না। প্রতিদিন ২ থেকে ৩ কিলোমিটার হাঁটার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। এটি ধীরে ধীরে আপনার স্ট্যামিনা বা সহ্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

মধ্যম পর্যায়: যারা মোটামুটি শারীরিকভাবে সক্রিয় এবং ফিটনেস বজায় রাখতে চান, তাদের জন্য প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ কিলোমিটার হাঁটা আদর্শ। এটি হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

উন্নত পর্যায়: যারা আগে থেকেই ফিট এবং সহনশীলতা বৃদ্ধি করতে চান, তারা প্রতিদিন ৫ থেকে ৮ কিলোমিটার হাঁটতে পারেন। এটি অধিক ক্যালোরি পোড়ানোর পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।

হাঁটার আদর্শ সময় ও ধারাবাহিকতা

সকাল সাড়ে ৫টা থেকে ৭টা পর্যন্ত সময়টি হাঁটার জন্য সবচেয়ে উপযোগী, কারণ এই সময়ে বাতাস সতেজ থাকে, তাপমাত্রা সহনীয় থাকে এবং চারপাশে কোলাহল কম থাকে। তবে আপনি যদি সকালে সময় না পান, তবে দিনের যে কোনো সময় হাঁটতে পারেন; কারণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।

সকালে হাঁটার উল্লেখযোগ্য উপকারিতা

নিয়মিত সকালে হাঁটার নানাবিধ গুণাগুণ রয়েছে:

হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা: এটি রক্তচাপ কমায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত হাঁটা শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি পুড়িয়ে মেদ কমাতে সাহায্য করে।

মানসিক প্রশান্তি: হাঁটার সময় শরীরে এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা কমায়।

হজম ও ভালো ঘুম: এটি হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং রাতে গভীর ঘুমে সাহায্য করে।

হাঁটার প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় টিপস

হাঁটার অভিজ্ঞতা আনন্দদায়ক ও নিরাপদ করতে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি।

সঠিক জুতো ও পোশাক: আরামদায়ক ও সঠিক মাপের হাঁটার জুতো ব্যবহার করুন এবং আবহাওয়া অনুযায়ী হালকা পোশাক পরুন।

ওয়ার্ম-আপ: হাঁটা শুরুর আগে কয়েক মিনিট শরীর স্ট্রেচিং বা হালকা ব্যায়াম করে পেশিগুলোকে প্রস্তুত করে নিন।

পানি পান: হাঁটার আগে এক গ্লাস জল পান করুন এবং সঙ্গে জলের বোতল রাখুন, বিশেষ করে গরমের দিনে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা অত্যন্ত জরুরি।

তথ্যসূত্র: দ্য ওয়েলনেস কর্নার

ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি থাকবে যে ৫ দিন?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি থাকবে যে ৫ দিন?

আসন্ন ঈদুল আজহায় এবার সংবাদপত্রে পাঁচ দিন ছুটি থাকবে। সোমবার (১৮ মে) সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এ তথ্য জানিয়েছে।

নোয়াবের সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরীর সই করা ছুটির নোটিশে বলা হয়, নোয়াবের নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে, সংবাদপত্রে ২৬ থেকে ৩০ মে ঈদুল আজহার ছুটি উদ্‌যাপন করা হবে। সে হিসাবে ২৭ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সংবাদপত্র প্রকাশিত হবে না।

প্রসঙ্গত, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্যও ছুটির ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী ২৫ মে নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় এবারের ঈদে টানা সাত দিনের ছুটি উপভোগ করবেন তারা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে ছুটি সমন্বয় করতে আগামী ২৩ মে (শনিবার) ও ২৪ মে (রোববার) অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাহী আদেশে ২৫ মে ছুটি যুক্ত হওয়ায় চাকরিজীবীদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের দীর্ঘ সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি হওয়ায় অনেকেই আগেভাগে রাজধানী ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জরুরি পরিষেবাগুলো এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতাল, ডাক, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবাসহ জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো যথারীতি চালু থাকবে। এ ছাড়া চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহনও ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জান্নাতুল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘ এই ছুটিকে কেন্দ্র করে সড়ক, রেল ও নৌপথে ঈদযাত্রার প্রস্তুতিও জোরদার করা হচ্ছে।

 

মোবাইলে ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে পারেন যেভাবে?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ
মোবাইলে ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে পারেন যেভাবে?

স্মার্টফোনে দ্রুত ইন্টারনেট এখন দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তবে অনেক সময় নেটওয়ার্কের গতি কমে যাওয়ায় মেসেজ পাঠানো, ভিডিও দেখা বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে সমস্যা হয়। কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করলে ঘরে বসেই মোবাইল ইন্টারনেটের গতি কিছুটা বাড়ানো সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোনে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহারের ফলে ক্যাশে ডেটা জমে যায়, যা সময়মতো পরিষ্কার না করলে ফোনের কার্যক্ষমতা ও নেট স্পিডে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত ক্যাশে মুছে ফেলা উপকারী।

একসঙ্গে অনেক অ্যাপ খোলা থাকলে ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা খরচ বেড়ে যায়, ফলে ইন্টারনেট ধীর হয়ে যেতে পারে। তাই অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ রাখা ভালো। একইভাবে, অটো আপডেট চালু থাকলে ব্যাকগ্রাউন্ডে অতিরিক্ত ডেটা ব্যবহার হয়, যা স্পিড কমিয়ে দিতে পারে—এ কারণে ম্যানুয়ালি আপডেট করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

এছাড়া অটো নেটওয়ার্ক সিলেকশন চালু থাকলে ফোন বারবার নেটওয়ার্ক বদলাতে পারে, যা সংযোগকে অস্থিতিশীল করে। তাই নিজের অপারেটরের নেটওয়ার্ক হাতে বেছে নিলে ইন্টারনেট তুলনামূলক স্থিতিশীল হতে পারে।

সব মিলিয়ে ক্যাশে পরিষ্কার রাখা, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করা, অটো আপডেট নিয়ন্ত্রণ করা এবং ম্যানুয়ালি নেটওয়ার্ক নির্বাচন করার মাধ্যমে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই মোবাইল ইন্টারনেটের গতি কিছুটা উন্নত করা সম্ভব।

সূত্র : যুগান্তর